খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৪ঠা জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আজ বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩১ মে, ২০২২, ১০:৪৩ পূর্বাহ্ণ
আজ বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস

বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস মঙ্গলবার (৩১ মে)। তামাক চাষ, তামাকজাত পণ্য উৎপাদন ও ব্যবহার এবং তামাকের বর্জ্য পরিবেশের জন্য কতটা ক্ষতিকর-সে বিষয়ে জনসাধারণ এবং নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবছর দিবসটির প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করেছে ‘টোব্যাকো : থ্রেট টু আওয়ার এনভায়রনমেন্ট’।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিএইচও) সদস্য রাষ্ট্রগুলো ১৯৮৭ সালে বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস চালু করে। প্রতি বছর ৩১ মে তারিখে বিশ্বজুড়ে দিবসটি পালন করা হয়। বিশ্বজুড়ে ২৪ ঘণ্টা সময়সীমা ধরে তামাক সেবনের সব প্রক্রিয়া থেকে বিরত থাকাতে উৎসাহিত করার উদ্দেশ্যে দিবসটি প্রচলিত হয়েছে। এছাড়াও দিবসটির উদ্দেশ্য তামাক ব্যবহারের ব্যাপক প্রাদুর্ভাব এবং স্বাস্থ্যের উপর এর নেতিবাচক প্রভাবের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করানো, যা বর্তমানে প্রতি বছর বিশ্বব্যাপী প্রায় ৬০ লাখ মানুষের মৃত্যুর কারণ হিসেবে বিবেচিত।

বিগত বিশ বছরে-দিবসটি সরকার, জনস্বাস্থ্য সংগঠন, ধুমপানবিরোধী বিভিন্ন সংগঠন পালন করে আসছে। বাংলাদেশেও বিভিন্ন সংগঠন বিস্তারিত কর্মসূচির মধ্য দিয়ে আজ দিবসটি পালন করবে। এ উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন।

উন্নয়নশীল দেশগুলোতে বিশ্বের ৯০ শতাংশ তামাক উৎপাদন হয়, যার মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম। বাংলাদেশে দিবসটি উদযাপিত হতে যাচ্ছে ‘তামাকমুক্ত পরিবেশ, সুস্বাস্থ্যের বাংলাদেশ’ এই প্রতিপাদ্য নিয়ে। বাংলাদেশের পরিবেশ, অর্থনীতি এবং সমাজের ওপর তামাকের ক্ষতিকর প্রভাব ব্যাপক। বিশ্বের মোট তামাকের ১.৩ শতাংশ উৎপাদিত হয় বাংলাদেশে। আবাদযোগ্য জমিতে তামাক চাষের কারণে খাদ্য নিরাপত্তা হুমকির মুখে রয়েছে।

টোব্যাকো অ্যাটলাসের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশের প্রায় ৩১ শতাংশ বন-নিধনের জন্য তামাক দায়ী। এছাড়া তামাক চাষে ব্যবহৃত অতিরিক্ত কীটনাশক ও সার বৃষ্টির পানিতে ধুয়ে জলাশয়ে মিশে ক্ষতিগ্রস্ত করছে দেশের মৎস্য উৎপাদন। দেশের একমাত্র প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র হালদা নদী ইতোমধ্যে হুমকির মুখে পড়েছে।

এছাড়াও বাংলাদেশেও সিগারেটের ফেলে দেওয়া ফিল্টার পরিবেশ দূষণের অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ২০২০-২১ অর্থবছরে দেশে মোট ৭১ বিলিয়ন সিগারেট শলাকা উৎপাদিত হয়েছে। সিগারেটের ফেলে দেওয়া ফিল্টার প্রকৃতির সঙ্গে মিশে যেতে প্রায় এক দশক সময় নেয়, আর মিশে যাওয়ার সময় এ থেকে সাত হাজারেরও বেশি রাসায়নিক পদার্থ নির্গত হয়। কেবল সিগারেটই নয়, জর্দা, গুলের মতো ধোঁয়াবিহীন তামাকপণ্যগুলোও প্লাস্টিক কৌটা ও পলিথিন প্যাকেটে ভরে বিক্রি করা হয়- যা পরিবেশের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর।

তামাকের পরিবেশগত ক্ষতির আরেকটি বড় কারণ পরোক্ষ ধূমপান। বাংলাদেশের ৪ কোটিরও বেশি প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ বাড়িতে পরোক্ষ ধূমপানের শিকার হয়, যার সিংহভাগই নারী। আচ্ছাদিত কর্মস্থলে এবং গণ-পরিবহণে যাতায়াতের সময় পরোক্ষ ধূমপানের শিকার হয়, এমন ব্যক্তির সংখ্যা যথাক্রমে ৮১ লাখ এবং ২.৫ কোটি। ঢাকা শহরের প্রাথমিক বিদ্যালয়গামী শিশুদের ওপর পরিচালিত এক গবেষণায় শতকরা ৯৫ শতাংশের মুখের লালাতে উচ্চ মাত্রায় নিকোটিন পাওয়া গেছে, যা মূলত পরোক্ষ ধূমপানের ফল।

পরোক্ষ ধূমপান মৃত্যু ঘটায় এবং এটা হৃদরোগ ও ফুসফুসের ক্যানসারের মত মারাত্মক রোগের অন্যতম কারণ।

বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস উপলক্ষে এক প্রতিক্রিয়ায় তামাকবিরোধী সংগঠন প্রজ্ঞা’র (প্রগতির জন্য জ্ঞান) নির্বাহী পরিচালক এবিএম জুবায়ের বলেন, ‘তামাকের কারণে আমাদের আবাদযোগ্য জমি, বনভূমি, মৎস্যক্ষেত্র প্রভৃতি সীমিত প্রাকৃতিক সম্পদের ওপর ব্যাপক চাপ পড়ছে। পরিবেশ, প্রতিবেশ, জলবায়ু এবং খাদ্য নিরাপত্তাকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলছে এই তামাক। সরকারের উচিৎ হবে শক্তিশালী আইন ও কর পদক্ষেপের মাধ্যমে তামাকের আগ্রাসন বন্ধ করা।’

তিনি বলেন, তামাকের বহুমুখী ক্ষতির প্রভাব থেকে সুরক্ষার জন্য অবিলম্বে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধন করে ‘ধূমপানের জন্য নির্ধারিত স্থান’ বিলুপ্তসহ সকল পাবলিক প্লেস, কর্মক্ষেত্র ও পাবলিক পরিবহনে শতভাগ ধূমপানমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিতকরণ এবং তামাক কোম্পানির ‘সামাজিক দায়বদ্ধতা কর্মসূচি’ বা সিএসআর কার্যক্রম সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করতে হবে। পাশাপাশি সুনির্দিষ্ট এক্সাইজ কর আরোপের মাধ্যমে সিগারেটসহ সব তামাক পণ্যের দাম বৃদ্ধি ও তামাক চাষ নিরুৎসাহিত করতে হবে।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশে ৩৫.৩ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক জনগোষ্ঠী তামাক ব্যবহার করে। তামাকজনিত রোগে প্রতিবছর ১ লাখ ৬১ হাজারের অধিক মানুষ মারা যায়। গ্লোবাল বারডেন অব ডিজিজ স্টাডি, ২০১৯ এর তথ্য অনুযায়ী দেশে মৃত্যু এবং পঙ্গুত্বের প্রধান চারটি কারণের একটি তামাক। তামাক ব্যবহারের অর্থনৈতিক ক্ষতির (চিকিৎসা ব্যয় এবং উৎপাদনশীলতা হারানো) পরিমাণ বছরে ৩০ হাজার ৫৬০ কোটি টাকা।

Feb2

মুন্না সভাপতি নয়নকে সাধারণ সম্পাদক, যুবদলের ১৫১ সদস্যের কমিটি ঘোষণা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২৬, ১:৩৫ অপরাহ্ণ
মুন্না সভাপতি নয়নকে সাধারণ সম্পাদক, যুবদলের ১৫১ সদস্যের কমিটি ঘোষণা

আবদুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি এবং মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নকে সাধারণ সম্পাদক করে ১৫১ সদস্য বিশিষ্ট জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি অনুমোদন করা হয়েছে।

আজ (বৃহস্পতিবার) সকালে দলের সিনিয়র যুগ্ন মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভীর স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

১৫১ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি
১. সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না
২. সিনিয়র সহ-সভাপতি রেজাউল কবীর পল
৩. সহ-সভাপতি জিয়াউর রহমান জিয়া
৪. সহ-সভাপতি কামাল আনোয়ার আহাম্মদ
৫. সহ-সভাপতি মাহফুজুর রহমান মাহফুজ
৬. সহ-সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম দুলাল
৭. সহ-সভাপতি শাহ আলম চৌধুরী
৮. সহ-সভাপতি সাইদুর রহমান
৯. সহ-সভাপতি সাব্বির আহমেদ দিপু
১০. সহ-সভাপতি আবদুল জব্বার খান
১১. সহ-সভাপতি খন্দকার এনামুল হক এনাম
১২. সহ-সভাপতি শরীফ উদ্দীন জুয়েল
১৩. সহ-সভাপতি ইয়াসিন ফেরদৌস মুরাদ
১৪. সহ-সভাপতি রফিক আহমেদ ডলার
১৫. সহ-সভাপতি সাইদ ইকবাল মাহমুদ টিটু
১৬. সহ-সভাপতি মোহাম্মদ ফিরোজ আবদুল্লাহ
১৭. সহ-সভাপতি মাহমুদুস সালেহীন
১৮. সহ-সভাপতি আতিকুর রহমান আতিক
১৯. সহ-সভাপতি জাকির হোসেন উজ্জল
২০. সহ-সভাপতি এইচ এম তসলিম উদ্দিন
২১. সহ-সভাপতি নাজমুল আলম নাজু
২২. সহ-সভাপতি মোঃ আনোয়ারুল হক
২৩. সহ-সভাপতি আবু সাঈদ আহমেদ (যুক্তরাষ্ট্র)
২৪. সহ-সভাপতি রহিম উদ্দিন (যুক্তরাজ্য)
২৫. সহ-সভাপতি ফেরদৌস আহমেদ মুন্না
২৬. সহ-সভাপতি তরিকুল ইসলাম টিটু
২৭. সহ-সভাপতি ডা. লোহানী মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম
২৮. সহ-সভাপতি মঞ্জুরুল আজিম সুমন
২৯. সহ-সভাপতি আজিজুর রহমান আকন্দ
৩০. সহ-সভাপতি নুরুল ইসলাম সোহেল (দপ্তরের দায়িত্বে)
৩১. সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়ন
৩২. ১ম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বিল্লাল হোসেন তারেক
৩৩. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
৩৪. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম সোহাগ
৩৫. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবু আতিক আল হাসান মিন্টু
৩৬. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহ নাসির উদ্দিন রুমন
৩৭. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কফিল উদ্দিন ভূইয়া
৩৮. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মঈনুদ্দীন রুবেল
৩৯. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আজহারুল ইসলাম মিলন
৪০. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এজমল হোসেন পাইলট
৪১. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইখতিয়ার রহমান কবির
৪২. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রবিউল ইসলাম নয়ন
৪৩. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদুল মিরাজ
৪৪. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিঞা মোহাম্মদ রাসেল
৪৫. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবদুল করিম সরকার
৪৬. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম শফিক
৪৭. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা
৪৮. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবুল মনসুর খান দীপক
৪৯. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আল আশরাফ মামুন
৫০. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব খান
৫১. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শামসুজ্জোহা সুমন
৫২. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তারেক উজ জামান তারেক
৫৩. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শোয়াইব খন্দকার
৫৪. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আশরাফুর রহমান বাবু
৫৫. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ
৫৬. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ আবদুল ওয়াহাব
৫৭. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হারুন অর রশীদ হিরো (সৌদি আরব)
৫৮. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম তমাল আহমেদ
৫৯. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাজেদুল ইসলাম
৬০. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভূইয়া (দপ্তরের দায়িত্বে)
৬১. সহ সাধারণ সম্পাদক হাসান আল মামুন লিমন
৬২. সহ সাধারণ সম্পাদক মাসুদ খান পারভেজ
৬৩. সহ সাধারণ সম্পাদক এন এম আব্দুল্লাহ উজ্জল
৬৪. সহ সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মকসুদ আহমদ
৬৫. সহ সাধারণ সম্পাদক গিয়াসউদ্দিন মামুন
৬৬. সহ সাধারণ সম্পাদক মামুন হোসেন ভূইয়া
৬৭. সহ সাধারণ সম্পাদক রাহাদুল আলম খান
৬৮. সহ সাধারণ সম্পাদক রুহুল ইসলাম মনি
৬৯. সহ সাধারণ সম্পাদক জাহিদ হাসান
৭০. সহ সাধারণ সম্পাদক আবু বকর সিদ্দিক পাভেল
৭১. সহ সাধারণ সম্পাদক খন্দকার মাইনউদ্দিন খোকন
৭২. সহ সাধারণ সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন চয়ন
৭৩. সহ সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান পলাশ
৭৪. সহ সাধারণ সম্পাদক আরিফুল হক আরিফ
৭৫. সহ সাধারণ সম্পাদক প্রকৌ: কামরুল হাসান খান সাইফুল
৭৬. সহ সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান
৭৭. সহ সাধারণ সম্পাদক আলমগীর কবির সেলিম
৭৮. সহ সাধারণ সম্পাদক মজিবর রহমান ভূইয়া সবুজ
৭৯. সহ সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. মেহেদী হাসান জুয়েল
৮০. সহ সাধারণ সম্পাদক মোঃ মাসুদুল হক
৮১. সহ সাধারণ সম্পাদক সাহাবুদ্দিন মুন্না
৮২. সহ সাধারণ সম্পাদক সামসুল আলম রানা
৮৩. সহ সাধারণ সম্পাদক আবুল বাসার সিদ্দিকী
৮৪. সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ কামরুজ্জামান জুয়েল
৮৫. সহ সাংগঠনিক সম্পাদক এম এ গাফফার
৮৬. সহ সাংগঠনিক সম্পাদক আশরাফ ফারুকী হীরা
৮৭. সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান সুমন
৮৮. সহ সাংগঠনিক সম্পাদক হাবিবুর রহমান হাবিব
৮৯. সহ সাংগঠনিক সম্পাদক সোহেল আলম
৯০. সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন সরকার শাওন
৯১. সহ সাংগঠনিক সম্পাদক সাইদুর রহমান শামীম
৯২. সহ সাংগঠনিক সম্পাদক রবিউল ইসলাম রবি
৯৩. সহ সাংগঠনিক সম্পাদক আরিফুর রহমান সোহেল
৯৪. সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মাইনুল ইসলাম
৯৫. সহ সাংগঠনিক সম্পাদক খন্দকার রিয়াজ
৯৬. সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ রাশেদুল ইসলাম রিপন
৯৭. প্রচার সম্পাদক আল মেহেদী তালুকদার
৯৮. সহ প্রচার সম্পাদক তারেকুর রহমান
৯৯. সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক আশরাফ জালাল খান মনন
১০০. সহ সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক সাইদুর রহমান সোহেল
১০১. তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক আমিনুর রহমান আমিন
১০২. কোষাধ্যক্ষ রোকনুজ্জামান রোকন
১০৩. আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাড. মুর্তজা কামাল মোস্তাক
১০৪. আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাড. ইউনুস আলী রবি
১০৫. আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাড. নূরে আলম সিদ্দিকী সোহাগ
১০৬. আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাড. তানভীর হাসান সোহেল
১০৭. আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাড. গাজী মোঃ মাসকুরুল আলম সৌরভ
১০৮. কৃষি বিষয়ক সম্পাদক কৃষিবিদ সানোয়ার আলম
১০৯. সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক আশরাফুল আলম ফকির লিঙ্কন
১১০. শ্রম বিষয়ক সম্পাদক পার্থ দেব মন্ডল
১১১. শিল্প বিষয়ক সম্পাদক কারীমুল হাই নাঈম
১১২. যোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদক সাজিদ হাসান বাবু

১১৩. ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক আনোয়ার হোসেন জনি

১১৪. সহ ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক মোঃ মেজবাহউদ্দিন মেজু
১১৫. পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক মাজেদুল ইসলাম রুমন
১১৬. গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক মহিন উদ্দিন রাজু
১১৭. সহ গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক সাইদুর রহমান রয়েল
১১৮. বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক মাহমুদুল হাসান বাপ্পী
১১৯. সহ বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক খোরশেদ আলম
১২০. ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প বিষয়ক সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান
১২১. ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক কামরুজ্জামান নান্নু
১২২. ত্রাণ ও পুর্নবাসন বিষয়ক সম্পাদক সৈয়দ মাহমুদ
১২৩. সহ ত্রাণ ও পুর্নবাসন বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল কুদ্দুস মজুমদার
১২৪. সহ-গ্রাম সরকার বিষয়ক সম্পাদক খন্দকার মাহবুবুর রহমান মাহী
১২৫. সহ জলবায়ু বিষয়ক সম্পাদক মোঃ বেলাল হোসেন
১২৬. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক কে এস এম মুসাব্বির শাফী
১২৭. তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ইমরান আহমেদ প্রিন্স
১২৮. মৎস্য ও পশুপালন বিষয়ক সম্পাদক শাহজাহান রনি
১২৯. স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. গালিব হাসান
১৩০. স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. বেলাল হোসেন নাজিম

১৩১. সহ স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. মাহমুদুল হাসান খান সুমন
১৩২. সহ স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. আল মামুন হাসান খান এমিল
১৩৩. সহ কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক মোঃ জাহিদ হাসান
১৩৪. আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক খায়রুজ্জামান লিঙ্কন (সহ-সভাপতি পদমর্যাদা)
১৩৫. আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক এ আর মামুন খান (যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদা)
১৩৬. আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মুজাহিদুল ইসলাম মুরাদ (যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদা)
১৩৭. মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক এ্যাড. মাহবুবুল আলম আকতার
১৩৮. প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক আরাফাত বিল্লাহ খান
১৩৯. পাঠাগার বিষয়ক সম্পাদক হেদায়েত হোসেন ভূইয়া
১৪০. সহ পাঠাগার বিষয়ক সম্পাদক রাশেদ আল আমিন শুভ
১৪১. সদস্য (সহ সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদা) আমিনুল ইসলাম খান
১৪২. সদস্য (সহ সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদা) মাহবুব শিকদার
১৪৩. সদস্য (সহ সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদা) মহসীন বিশ^াস
১৪৪. সদস্য (সহ সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদা) জহিরুল ইসলাম বিপ্লব
১৪৫. সদস্য (সহ সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদা) রাজিব আহসান চৌধুরী পাপ্পু
১৪৬. সদস্য আব্দুল্লাহ আল কাফি শাহেদ
১৪৭. সদস্য নাজিম উদ্দিন মিঠু
১৪৮. সদস্য মাহমুদুল করিম সজল
১৪৯. সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ শাহীন
১৫০. সদস্য মোঃ এমরান হোসেন শাহীন
১৫১. সদস্য ফখরুল বিন খালেক

বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের মাসিক চার্জ প্রত্যাহার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬, ৭:৪৮ অপরাহ্ণ
বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের মাসিক চার্জ প্রত্যাহার

বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের অতিরিক্ত মাসিক চার্জ প্রত্যাহার করেছে সরকার।

বুধবার (৩ জুন) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মিডিয়া সেল তাদের ফেসবুক পেজে এ তথ্য জানিয়েছে।

পোস্টে বলা হয়েছে, বিএনপি সরকারের ১০০ দিন-জনদুর্ভোগ লাঘবে প্রিপেইড বিদ্যুৎ মিটারের অতিরিক্ত মাসিক চার্জ প্রত্যাহার করে সাধারণ মানুষের আর্থিক স্বস্তি নিশ্চিত করা হয়েছে।

এর আগে গত ২৯ মার্চ বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছিলেন, বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারে মাসিক ভাড়া বা মিটার চার্জ প্রত্যাহার করা হবে।

বর্তমানে প্রিপেইড মিটারে প্রতি কিলোওয়াটে মাসিক ডিমান্ড চার্জ ৪২ টাকা এবং সিঙ্গেল ফেজে মিটার ভাড়া ৪০ টাকা। এ চার্জের সঙ্গে অতিরিক্ত ৫ শতাংশ ভ্যাট যুক্ত হয়। এই অতিরিক্ত চার্জ নিয়ে গ্রাহকদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ ছিল।

নেপালকে হারিয়ে টানা তৃতীয়বার ফাইনালে বাংলাদেশ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬, ৭:২৩ অপরাহ্ণ
নেপালকে হারিয়ে টানা তৃতীয়বার ফাইনালে বাংলাদেশ

সুপার সাব মোসাম্মাৎ সাগরিকার গোলে নেপালকে হারিয়ে সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে উঠেছে বাংলাদেশ। বুধবার ভারতের গোয়ায় অনুষ্ঠিত টুর্নামেন্টের প্রথম সেমিফাইনালে বাংলাদেশ ২-১ গোলে হারিয়েছে নেপালকে।

নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ শুরু হওয়ার পর টানা তৃতীয়বার ফাইনালে খেলতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। আগের দু’বার এই নেপালকে হারিয়েই হয়েছিল চ্যাম্পিয়ন। এবার চ্যাম্পিয়নশিপের হ্যাটট্রিক করার মিশন বাংলাদেশের সামনে।

দ্বিতীয়ার্ধের ইনজুরি সময়ের তৃতীয় মিনিটে দুই বদলি খেলোয়াড় শামসুন্নাহার জুনিয়র ও সাগরিকার চমৎকার বোঝাপড়ায় লিড নেয় বাংলাদেশ। ডান দিক দিয়ে ঢুকে শামসুন্নাহার বল ফেলেন গোলমুখে। কোনো ভুল করেননি সাগরিকা। নেপালের এক ডিফেন্ডার তাকে আটকানোর চেষ্টা করেও পারেনি। বল ঠেলে দেন জালে। বাংলাদেশ এগিয়ে যায় ২-১ ব্যবধানে। বাকি কয়েক মিনিট ওই লিড ধরে রেখে লাল-সবুজ জার্সিধারী মেয়েরা উঠে যায় ফাইনালে। এই নিয়ে বাংলাদেশ টানা তিনবার উঠলো সাফের ফাইনালে।

২৩ মিনিটে গোল খেয়ে পিছিয়ে পড়েছিল বাংলাদেশ। তারপর সমতায় ফেরে ইনজুরি সময়ে প্রথম মিনিটে। বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় তারকা ঋতুপর্ণার কর্নার থেকে করা গোলে স্বস্তি ফিরেছে লাল-সবুজ জার্সিধারী মেয়েদের ডাগআউটে। ডানপ্রান্ত থেকে ঋতুপর্ণার নেওয়া অসাধারণ কর্নার কিকটি হাতে লাগিয়েছিলেন নেপালের গোলরক্ষক। তবে থামাতে পারেননি। গোলরক্ষকের হাত হয়ে বল চলে যায় জালে।

দিপা শাহীর কর্নার হাতে লাগিয়েও ঠিকঠাক ক্লিয়ার করতে পারেননি মিলি আক্তার। বল চয়ে যায় একটু ফাঁকায় দাড়ানো গিতা রানার কাছে। তিনি সুযোগ বুঝে বলটি পাঠিয়ে দেন জালে। ম্যাচের প্রথম লিড নিয়েছিল নেপাল।

৩৬ মিনিটে বক্সের মাথা থেকে প্রীতি রানীর নেওয়া শট গোলরক্ষক মিলি আক্তারের হাতে লেগে ক্রসবার হয়ে ফিরে আসলে বাংলাদেশ বেঁচে যায়। শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের গোলে ১-১ সমতায় শেষ হয়েছে প্রথম সেমিফাইনালের প্রথম অর্ধ।

কোচ পিটার বাটলার ৪০ মিনিটে দুটি পরিবর্তন করেন। সুরভী আকন্দ প্রীতির জায়গায় শামসুন্নাহার জুনিয়র ও উমেহলা মারমার জায়গায় তহুরা খাতুনকে নামিয়ে আক্রমণের ধার বাড়িয়েছিলেন বাংলাদেশ কোচ। শেষ দিকে আনিকাকে উঠিয়ে কোচ মাঠে নামান সাগরিকা। সেই সাগরিকাই বাংলাদেশকে ভাসান ফাইনালে ওঠার আনন্দে।

নেপালকে ফাইনালে হারিয়ে গত দুটি সাফের শিরোপা জিতেছিল বাংলাদেশ। এবার সেই নেপালের বিপক্ষে বাংলাদেশের সেমিফাইনালের লড়াইও জিতলো বাংলাদেশের মেয়েরা। বাংলাদেশের হ্যাটট্রিক শিরোপা জয়ের স্বপ্নও টিকে থাকলো।

৪৭ মিনিটে বাংলাদেশ গোলরক্ষক ও ডিফেন্ডারদের ভুলে শট নিয়েছিলেন রেখা পাউদেল। তবে তার শট পোস্টে লেগে ফিরলে আবার বেঁচে যায় বাংলাদেশ। ৭৮ মিনিটে বদলি সাগরিকার শট অবিশ্বাস্যভাবে রুখে দেন নেপালের গোলরক্ষক আনজিলা।

এ নিয়ে আন্তর্জাতিক ফুটবলে বাংলাদেশের কাছে টানা তিন ম্যাচ হারলো নেপাল। তবে ভুটানের রেফারি ৬ মিনিটের ইনজুরি সময়ের খেলা চালিয়েছেন ১৩ মিনিটের মতো।

বাংলাদেশ একাদশ

মিলি আক্তার, আফঈদা খন্দকার, শামসুন্নাহার, কোহাতি কিসকু, মমিতা খাতুন (মনিকা চাকমা, ৪৬ মিনিট), মারিয়া মান্দা (অধিনায়ক), আনিকা রানিয়া সিদ্দিকী (সাগরিকা), উমেহলা মারমা (তহুরা খাতুন, ৪০ মিনিট), সুরভী আকন্দ প্রীতি (শামসুন্নাহার জুনিয়র, ৪০ মিনিট), সুরভী আক্তার আরফিন ও ঋতুপর্ণা চাকমা।