খুঁজুন
, ,

রাজবাড়ীতে ত্রিমুখী সংঘর্ষে একই পরিবারের ৬ জনসহ নিহত ৭

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 1 June, 2022, 12:24 pm
রাজবাড়ীতে ত্রিমুখী সংঘর্ষে একই পরিবারের ৬ জনসহ নিহত ৭

রাজবাড়ীর কালুখালীতে ট্রাক, থ্রি-হুইলার ও প্রাইভেটকারের ত্রিমুখী সংঘর্ষে একই পরিবারের ছয়জনসহ সাতজন নিহত হয়েছেন। বুধবার (০১ জুন) সকাল ৯টার দিকে উপজেলার চাঁদপুর রেলগেট এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- পাংশা উপজেলার পাট্টা ইউনিয়নের মশিরন বিবি (৬০), মরিয়ম (৪০), ইউসুফ (৬), নয়ন (৯), শিলা (২০), মর্জিনা (৪০) এবং অটোরিকশার চালক মো. নাসির (৩৫)।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, রাজবাড়ী থেকে ছেড়ে আসা কুষ্টিয়াগামী একটি ট্রাক ও পাংশা থেকে ছেড়ে আসা থ্রি- হুইলার কালুখালীর চাঁদপুর রেলগেট এলাকায় পৌঁছালো তাদের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এ সময় থ্রি-হুইলারের পেছনে থাকা প্রাইভেট কারের সঙ্গে ট্রাকের সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই তিনজন মারা যায়। আহত অবস্থায় চারজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে তারা মারা যান। নিহতের মধ্যে ছয়জন একই পরিবারের সদস্য এবং একজন থ্রি হুইলারের চালক রয়েছেন।

রাজবাড়ী ফায়ার সার্ভিসের উপ-পরিচালক আব্দুর রহমান বলেন, সকাল ৯টার দিকে কালুখালী ফায়ার সার্ভিসের সামনে ত্রিমুখী সংঘর্ষ হয়। খবর পেয়ে আমরা উদ্ধার অভিযানে অংশ নিই। আমরা ঘটনাস্থল থেকে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করি। আহত অবস্থায় চারজনকে হাসপাতালে পাঠালে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তারা মারা যান।

পাংশা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লিয়াকত আলী বলেন, এ ঘটনায় একই পরিবারের ৬জনসহ সাতজন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে তিনজনের মরদেহ পাংশা হাইওয়ে থানা পুলিশের হেফাজতে রয়েছে। এ ঘটনায় ট্রাকচালক ও তার সহযোগী পালিয়ে গেছেন।

Feb2
Feb2

উত্তর পতেঙ্গার পানিবন্দি পরিবারের মাঝে শুকনো খাবার বিতরণ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 13 July, 2026, 8:27 pm
উত্তর পতেঙ্গার পানিবন্দি পরিবারের মাঝে শুকনো খাবার বিতরণ

চট্টগ্রাম নগরের উত্তর পতেঙ্গাতে পানিবন্দি ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন যুবদল। আজ সোমবার (১৩ জুলাই) উত্তর পতেঙ্গা ৪০ নং ওর্য়াড় এর হিন্দু পাড়া ১ ও ২ নং গলির ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে তারা শুকনো খাবার বিতরণ করেন।

চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাবেক সিনিয়র সহ সভাপতি ইকবাল হোসেন জানান, এটি কেবল একটি ছোট প্রচেষ্টা। সমাজের বিত্তবান ও সামর্থ্যবান মানুষ এগিয়ে এলে আরও অনেক অসহায় এবং পানিবন্দি পরিবারের কাছে সহায়তা পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে। সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে বন্যা ও জলাবদ্ধতায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান তিনি।

এ সময় এই মানবিক কার্যক্রম বাস্তবায়নে যারা আর্থিক ও নানাভাবে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান যুবদল নেতৃবৃন্দ। ভবিষ্যতেও যেকোনো দুর্যোগে এমন মানবিক উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।

উত্তর পতেঙ্গা ৪০ নং ওর্য়াড় এর হিন্দু পাড়া ১ ও ২ নং গলির পানি বন্দি পরিবার এর মাঝে শুকনো খাবার বিতরণ করেন চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাবেক সিনিয়র সহ সভাপতি ইকবাল হোসেন।

আরো উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাবেক ত্রান ও পূর্ণবাসন বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ ইকবাল, সহ সম্পাদক ইয়াছিন আজাদ, পতেঙ্গা থানা যুবদলের সংগঠক আলমগীর হোসেন জুয়েল, জিলহজ্জ শাকিল, মাসুদ রানা, মামুনুর রশিদ, জিসু দত্ত, রান্টু দত্ত, রাজন দাস, মিন্টু ধর, মাসুদ প্রমুখ।

সরকার বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে আছে, থাকবে: সাতকানিয়ায় বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 13 July, 2026, 6:12 pm
সরকার বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে আছে, থাকবে: সাতকানিয়ায় বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকার চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রামসহ দেশের বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। দুর্গত মানুষের যেকোনো প্রয়োজনে সরকার সর্বাত্মক সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকবে।

সোমবার চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার কেওচিয়া ইউনিয়নের বন্যাকবলিত এলাকা পরিদর্শন, ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের খোঁজখবর গ্রহণ এবং ত্রাণ বিতরণকালে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বন্যাদুর্গত মানুষের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা ও সমবেদনা জানিয়ে বলেন, গত কয়েকদিন ধরে মানুষ চরম দুর্ভোগের মধ্যে রয়েছে। তিনি দ্রুত বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি কামনা করে বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে প্রতিটি দুর্গত, অসহায় ও খাদ্যসংকটে থাকা মানুষের কাছে খাদ্যসহ প্রয়োজনীয় সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, শুধু জরুরি খাদ্য সহায়তাই নয়, বন্যার পানি নেমে যাওয়ার পর ক্ষতিগ্রস্ত বসতঘর মেরামতে সরকারি সহায়তা দেওয়া হবে। এছাড়া যাদের ফসলের জমি, মাছের ঘের কিংবা গবাদিপশুর ক্ষতি হয়েছে, তাদের পুনর্বাসন ও স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতেও সরকার প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, উপজেলা প্রশাসন ও জেলা প্রশাসন বন্যার প্রথম দিন থেকেই দুর্গত মানুষের কষ্ট লাঘবে নিরলসভাবে কাজ করছে। স্থানীয় সংসদ সদস্যও শুরু থেকেই ত্রাণ কার্যক্রমে সক্রিয় রয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় তিনি এসব কার্যক্রমের সমন্বয় ও তদারকির জন্য সাতকানিয়ায় এসেছেন বলেও উল্লেখ করেন।

প্রত্যন্ত অঞ্চলে ত্রাণ পৌঁছে দিতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এবং বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর ভূমিকার প্রশংসা করে প্রতিমন্ত্রী তাদের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

এদিন প্রতিমন্ত্রীর কর্মসূচি সকাল ১২টায় ইকবাল কনভেনশন সেন্টার থেকে শুরু হয়। পরে কেওচিয়া হাইস্কুলে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর সহায়তায় ৩০০ জন, ধর্মপুর বিশ্বর বাড়িতে ৩০০ জন এবং বাজালিয়া মাহালিয়া রাস্তার মাথায় জাগরণী ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় ৫০০ জন বন্যাদুর্গত মানুষের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ করা হয়। এছাড়া উপজেলা পরিষদে বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (WFP) ও উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ৫০০ কার্টন বিস্কুট এবং ৫০০ প্যাকেট চাল বিতরণ করা হয়। ডেমশা ইউনিয়ন পরিষদে জেলা পরিষদ চট্টগ্রামের সহায়তায় আরও ৩০০ প্যাকেট শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়।

ত্রাণ বিতরণ ও পরিদর্শন কর্মসূচিতে সংসদ সদস্য মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন আহমেদ, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) পাঠান মোঃ সাইদুজ্জামান উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, পুলিশ প্রশাসনের সদস্য, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

আইএমএফের নতুন ঋণ কর্মসূচির নীতিমালা নিয়ে আলোচনা চলছে: অর্থমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 13 July, 2026, 5:31 pm
আইএমএফের নতুন ঋণ কর্মসূচির নীতিমালা নিয়ে আলোচনা চলছে: অর্থমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সঙ্গে বাংলাদেশের নতুন ঋণ কর্মসূচির নীতিমালা ও মূল কাঠামো (প্রিন্সিপাল) নিয়ে আলোচনা চলছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

তিনি বলেন, দেশের অর্থনীতি ও জনগণের স্বার্থ বিবেচনায় প্রয়োজনীয় সংস্কারের সময় ও ধাপ (সিকুয়েন্সিং) সরকারই নির্ধারণ করবে, আর এতে আইএমএফ সম্মত হয়েছে।

সোমবার (১৩ জুলাই) সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে আইএমএফের ঋণ কর্মসূচির বাংলাদেশ মিশন প্রধান ইভো ক্রজনারের নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধি দলের বৈঠক শেষে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে এসব কথা জানান অর্থমন্ত্রী।

তিনি বলেন, নতুন ঋণ কর্মসূচির নীতিমালা ও মূল ভিত্তি কী হবে, তা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। আইএমএফ ধাপে ধাপে কিছু পরিবর্তনের প্রস্তাব দিয়েছে। তবে দেশের অর্থনৈতিক বাস্তবতা এবং জনগণের স্বার্থ বিবেচনায় কোন সংস্কার কখন বাস্তবায়ন করা হবে, সে সিদ্ধান্ত সরকারই নেবে। এ বিষয়ে আইএমএফ সম্মতি দিয়েছে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, একটি রাজনৈতিক সরকারের দায়িত্ব ও জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতাকে আইএমএফ সম্মান করে।

তিনি আরও জানান, দেশের আর্থিক খাতে সাম্প্রতিক অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ করেছে আইএমএফ। বিশেষ করে শেয়ারবাজারের উন্নয়ন এবং কর-জিডিপি (ট্যাক্স-জিডিপি) অনুপাত বৃদ্ধির বিষয়টি ইতিবাচক হিসেবে দেখছে সংস্থাটি। তবে এসব ক্ষেত্রে আরও অগ্রগতি প্রয়োজন বলেও মত দিয়েছে তারা।

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, নতুন কর্মসূচির ভিত্তি কী হবে, তা নিয়ে আলোচনা চলমান থাকবে। আগামী অক্টোবরে ব্যাংককে আইএমএফের ভাইস প্রেসিডেন্টের সঙ্গে এ বিষয়ে আরও আলোচনা হবে। এ ছাড়া আইএমএফের ওই শীর্ষ কর্মকর্তা বাংলাদেশ সফরও করবেন বলে জানান তিনি।