খুঁজুন
, ,

জিয়াউর রহমান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে এক অবিচ্ছেদ্য অংশঃ ডা. শাহাদাত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 3 June, 2022, 6:22 pm
জিয়াউর রহমান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে এক অবিচ্ছেদ্য অংশঃ ডা. শাহাদাত

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি’র আহ্বায়ক ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীর উত্তম জাতির অন্যতম শ্রেষ্ঠ সন্তান। জাতির এক ক্রান্তিকালে ১৯৭১ সালে কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে তিনি এদেশের মুক্তিকামী জনতাকে আলোর পথ দেখিয়েছিলেন। জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের ইতিহাসে এক সমুজ্জল নাম। আওয়ামী লীগ যতই ইতিহাস বিকৃত করুক না কেনো, নতুন প্রজন্মের কাছে তিনি তত জনপ্রিয় আর একজন দেশপ্রেমিক ও সাহসী বীর হিসেবে বেঁচে থাকবেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতা স্বার্ভৌমত্ব যতদিন থাকবে, এদেশের আকাঁশে যতদিন লাল সবুজের পতাকা উড়বে, ততদিন জিয়াউর রহমান থাকবেন। জিয়াউর রহমান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। বাংলাদেশের ইতিহাসে তিনি অমর হয়ে থাকবেন।

তিনি শুক্রবার (৩ জুন) বাদে জুমা নগরীর চকবাজার ধুনির পুলস্থ ফালাহ গাজী জামে মসজিদে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪১তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে চকবাজার থানা যুবদলের দোয়া মাহফিল ও খাবার বিতরণকালে এসব কথা বলেন।

ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে জিয়াউর রহমান বহুবিধ সাফল্যের অধিকারী। তিনি স্বল্প সময়ের শাসনামলে নানা সঙ্কটে বিধ্বস্ত বাংলাদেশকে উন্নতি ও সমৃদ্ধির এক বিশেষ মর্যাদাপূর্ণ অবস্থানে অধিষ্ঠিত করেছিলেন। দেশে বহুদলীয় ব্যবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা, অর্থনীতির পুনরুজ্জীবন, সময়োপযোগী গতিশীল পররাষ্ট্রনীতি গ্রহণের মাধ্যমে বিশ্ব রাজনীতিতে বাংলাদেশের স্বতন্ত্র অবস্থান সৃষ্টি করেছিলেন। আঞ্চলিক পর্যায়ে সহযোগিতা শহীদ জিয়ার অন্যতম অবদান।

এসময় চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব আবুল হাশেম বক্কর বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃত করার অংশ হিসেবে জিয়াউর রহমানকে নিয়ে ষড়যন্ত্র, অপপ্রচার চালিয়ে আসছে। তারই অংশ হিসেবে কাজীর দেউড়ি জিয়া স্মৃতি জাদুঘরের নাম মুছে ফেলার জন্য ইতিমধ্যে বিভ্রান্তিমূলক বক্তব্য দিচ্ছে। এ চট্টগ্রামের মাটিতে জিয়াউর রহমান শাহাদাৎ বরণ করেছেন, এখানে মিশে আছে শহীদ জিয়ার রক্ত। জিয়াউর রহমানকে নিয়ে কোনো ষড়যন্ত্র হলে চট্টগ্রামবাসী তারঁ দাঁতভাঙা জবাব দিতে প্রস্তুত।

চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহবায়ক আবু সুফিয়ান বলেন, জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছেন আবার রণাঙ্গনে যুদ্ধ করে তিনি বাংলাদেশকে শত্রু মুক্ত করেছেন। বর্তমান সরকার সে ইতিহাস বিকৃত করে নতুন প্রজন্মের কাছে বিকৃত ইতিহাস উপস্থাপন করছেন। জিয়া পরিবারের জনপ্রিয়তাকে আওয়ামী লীগ ভয় পায়। তাই তারা বিএনপি’র নামে কুৎসা রটিয়ে জনবিচ্ছিন্ন করার অপপ্রয়াস চালাচ্ছে। কিন্তু দেশের মানুষ এখন তাদের এসব মিথ্যা ভিত্তিহীন কথা বিশ্বাস করে না।

এসময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি’র যুগ্ম আহ্বায়ক ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, মহানগর বিএনপি নেতা ইব্রাহিম বাচ্চু, সৈয়দ আমিন মাহমুদ, আরিফ মেহেদী, মহানগর যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক এমদাদুল হক বাদশা, পশ্চিম বাকলিয়া ওয়ার্ড় বিএনপির সভাপতি মো. সেকান্দর, সাধারণ সম্পাদক হাজী এমরান উদ্দিন, এড. সৈয়দুল আমিন, সাবেক কাউন্সিলর আরিফুল ইসলাম ডিউক, মহানগর যুবদলের সহ সভাপতি নাছির উদ্দিন চৌধুরী নাসিম, ইকবাল হোসেন সংগ্রাম, যুগ্ম সম্পাদক ও চাঁন্দগাও থানা যুবদলের আহবায়ক গুলজার হোসেন, সহ সাধারণ সম্পাদক আসাদুর রহমান টিপু, সহ সম্পাদকবৃন্দ মো. কামাল উদ্দিন, ইদ্রিস সবুজ, মো. সালাউদ্দীন, জিয়াউল হক মিন্টু, আলিফ উদ্দিন রুবেল, চকবাজার থানা যুবদলের আহবায়ক মো. সেলিম, বাকলিয়া থানা যুবদলের আহবায়ক ইসমাইল হোসেন লেদু, সি. যুগ্ম আহবায়ক মোস্তাকিম মাহমুদ, সদস্য সচিব হাজী মো. মুছা, কোতোয়ালি থানা যুবদলের সদস্য সচিব মো. হাসান, সি. যুগ্ম আহবায়ক আব্দুল জলিল, মহানগর সদস্য সাব্বির ইসলাম ফারুক, আমিন উল্লাহ, সাইফুল্লাহ ইসলাম, মো. মিজান, আবুল হোসেন প্রমুখ।

Feb2
Feb2

দক্ষিণ পতেঙ্গায় ত্রাণ বিতরণ করলেন চসিক মেয়র ও প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 13 July, 2026, 11:24 pm
দক্ষিণ পতেঙ্গায় ত্রাণ বিতরণ করলেন চসিক মেয়র ও প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন

সাম্প্রতিক টানা বর্ষণ ও জলাবদ্ধতায় ক্ষতিগ্রস্ত দক্ষিণ পতেঙ্গা ওয়ার্ডের মাইজপাড়া এলাকার এক হাজার পরিবারের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করলেন চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন ও পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ এমপি।

সোমবার বিকেলে নগরীর দক্ষিণ পতেঙ্গা ওয়ার্ডের মাইজপাড়ার একটি কমিউনিটি সেন্টারে জলাবদ্ধতায় ক্ষতিগ্রস্ত এক হাজার পরিবারের মাঝে এসব ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

ত্রাণ বিতরণকালে মেয়র ও প্রতিমন্ত্রী ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের সার্বিক পরিস্থিতির খোঁজখবর নেন।

এসময় ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, জলাবদ্ধতা নিরসনে সিটি কর্পোরেশন নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করছে। নালা নর্দমা পরিষ্কার, খাল পুনরুদ্ধার এবং পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। স্থায়ী সমাধানের লক্ষ্যে পরিকল্পিতভাবে কাজ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

তিনি নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, পরিচ্ছন্ন নগর গড়ে তুলতে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন। নালা নর্দমা ও খালে ময়লা আবর্জনা না ফেললে জলাবদ্ধতা অনেকাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব। নাগরিক সচেতনতাই একটি পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য চট্টগ্রাম গঠনের অন্যতম পূর্বশর্ত।

প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, আমাদের প্রথম অগ্রাধিকার মানুষের জীবন ও নিরাপত্তা। পানিবন্দি মানুষকে উদ্ধার, আশ্রয়কেন্দ্রে প্রয়োজনীয় সহায়তা, খাবার বিতরণ এবং জলাবদ্ধতা দ্রুত নিরসনে সিটি কর্পোরেশনসহ সংশ্লিষ্ট সব সংস্থা মাঠে কাজ করছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, মানুষের দুর্দিনে তাদের পাশে দাঁড়ানোই জনপ্রতিনিধির সবচেয়ে বড় দায়িত্ব। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন দুর্যোগের শুরু থেকেই নগরবাসীর পাশে রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। কোনো ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে আমরা অসহায় অবস্থায় রেখে যাব না। প্রয়োজন অনুযায়ী ত্রাণ ও অন্যান্য সহায়তা অব্যাহত থাকবে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক মোহাম্মদ মিয়া ভোলা, যুগ্ম আহবায়ক আহমেদুল আলম চৌধুরী রাসেল, আহবায়ক কমিটির সদস্য মো, কামরুল ইসলাম, ডা. নুরুল আবসার, চট্টগ্রাম সিটি রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক গোলাম বাকি মাসুদ, বিএনপি নেতা আবদুস সাত্তার, মোহাম্মদ হারুন, ইকবাল হোসেন, নাজমুল হুদা চৌধুরী নাজিম, শফি মেম্বার প্রমুখ।

উত্তর পতেঙ্গার পানিবন্দি পরিবারের মাঝে শুকনো খাবার বিতরণ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 13 July, 2026, 8:27 pm
উত্তর পতেঙ্গার পানিবন্দি পরিবারের মাঝে শুকনো খাবার বিতরণ

চট্টগ্রাম নগরের উত্তর পতেঙ্গাতে পানিবন্দি ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন যুবদল। আজ সোমবার (১৩ জুলাই) উত্তর পতেঙ্গা ৪০ নং ওর্য়াড় এর হিন্দু পাড়া ১ ও ২ নং গলির ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে তারা শুকনো খাবার বিতরণ করেন।

চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাবেক সিনিয়র সহ সভাপতি ইকবাল হোসেন জানান, এটি কেবল একটি ছোট প্রচেষ্টা। সমাজের বিত্তবান ও সামর্থ্যবান মানুষ এগিয়ে এলে আরও অনেক অসহায় এবং পানিবন্দি পরিবারের কাছে সহায়তা পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে। সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে বন্যা ও জলাবদ্ধতায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান তিনি।

এ সময় এই মানবিক কার্যক্রম বাস্তবায়নে যারা আর্থিক ও নানাভাবে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান যুবদল নেতৃবৃন্দ। ভবিষ্যতেও যেকোনো দুর্যোগে এমন মানবিক উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।

উত্তর পতেঙ্গা ৪০ নং ওর্য়াড় এর হিন্দু পাড়া ১ ও ২ নং গলির পানি বন্দি পরিবার এর মাঝে শুকনো খাবার বিতরণ করেন চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাবেক সিনিয়র সহ সভাপতি ইকবাল হোসেন।

আরো উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাবেক ত্রান ও পূর্ণবাসন বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ ইকবাল, সহ সম্পাদক ইয়াছিন আজাদ, পতেঙ্গা থানা যুবদলের সংগঠক আলমগীর হোসেন জুয়েল, জিলহজ্জ শাকিল, মাসুদ রানা, মামুনুর রশিদ, জিসু দত্ত, রান্টু দত্ত, রাজন দাস, মিন্টু ধর, মাসুদ প্রমুখ।

সরকার বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে আছে, থাকবে: সাতকানিয়ায় বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 13 July, 2026, 6:12 pm
সরকার বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে আছে, থাকবে: সাতকানিয়ায় বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকার চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রামসহ দেশের বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। দুর্গত মানুষের যেকোনো প্রয়োজনে সরকার সর্বাত্মক সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকবে।

সোমবার চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার কেওচিয়া ইউনিয়নের বন্যাকবলিত এলাকা পরিদর্শন, ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের খোঁজখবর গ্রহণ এবং ত্রাণ বিতরণকালে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বন্যাদুর্গত মানুষের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা ও সমবেদনা জানিয়ে বলেন, গত কয়েকদিন ধরে মানুষ চরম দুর্ভোগের মধ্যে রয়েছে। তিনি দ্রুত বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি কামনা করে বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে প্রতিটি দুর্গত, অসহায় ও খাদ্যসংকটে থাকা মানুষের কাছে খাদ্যসহ প্রয়োজনীয় সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, শুধু জরুরি খাদ্য সহায়তাই নয়, বন্যার পানি নেমে যাওয়ার পর ক্ষতিগ্রস্ত বসতঘর মেরামতে সরকারি সহায়তা দেওয়া হবে। এছাড়া যাদের ফসলের জমি, মাছের ঘের কিংবা গবাদিপশুর ক্ষতি হয়েছে, তাদের পুনর্বাসন ও স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতেও সরকার প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, উপজেলা প্রশাসন ও জেলা প্রশাসন বন্যার প্রথম দিন থেকেই দুর্গত মানুষের কষ্ট লাঘবে নিরলসভাবে কাজ করছে। স্থানীয় সংসদ সদস্যও শুরু থেকেই ত্রাণ কার্যক্রমে সক্রিয় রয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় তিনি এসব কার্যক্রমের সমন্বয় ও তদারকির জন্য সাতকানিয়ায় এসেছেন বলেও উল্লেখ করেন।

প্রত্যন্ত অঞ্চলে ত্রাণ পৌঁছে দিতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এবং বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর ভূমিকার প্রশংসা করে প্রতিমন্ত্রী তাদের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

এদিন প্রতিমন্ত্রীর কর্মসূচি সকাল ১২টায় ইকবাল কনভেনশন সেন্টার থেকে শুরু হয়। পরে কেওচিয়া হাইস্কুলে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর সহায়তায় ৩০০ জন, ধর্মপুর বিশ্বর বাড়িতে ৩০০ জন এবং বাজালিয়া মাহালিয়া রাস্তার মাথায় জাগরণী ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় ৫০০ জন বন্যাদুর্গত মানুষের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ করা হয়। এছাড়া উপজেলা পরিষদে বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (WFP) ও উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ৫০০ কার্টন বিস্কুট এবং ৫০০ প্যাকেট চাল বিতরণ করা হয়। ডেমশা ইউনিয়ন পরিষদে জেলা পরিষদ চট্টগ্রামের সহায়তায় আরও ৩০০ প্যাকেট শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়।

ত্রাণ বিতরণ ও পরিদর্শন কর্মসূচিতে সংসদ সদস্য মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন আহমেদ, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) পাঠান মোঃ সাইদুজ্জামান উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, পুলিশ প্রশাসনের সদস্য, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।