খুঁজুন
সোমবার, ২৫শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১১ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাংবাদিক সিদ্দিক আহমেদের আদর্শ অনুসরণ করলে নতুন প্রজন্ম পাবে আলোর পথ: ড. অনুপম সেন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ জুন, ২০২২, ১০:৩০ অপরাহ্ণ
সাংবাদিক সিদ্দিক আহমেদের আদর্শ অনুসরণ করলে নতুন প্রজন্ম পাবে আলোর পথ: ড. অনুপম সেন

রাউজান (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি: প্রখ্যাত সাহিত্যিক, সাংবাদিক ও মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক সিদ্দিক আহমেদ ফাউন্ডেশনের নবগঠিত কমিটির শপথ গ্রহণ ও শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে একুশে পদক পাওয়া সমাজবিজ্ঞানী প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. অনুপম সেন বলেছেন, জ্ঞানের আলো জ্বালানোর একজন দক্ষ কারিগর ছিলেন প্রয়াত সাংবাদিক সিদ্দিক আহমেদ। তাঁর জ্ঞান আদর্শ অনুসরণ করলে নতুন প্রজন্ম পাবে আলোর পথ।

তিনি আরও বলেন, তাঁকে চট্টগ্রামের সক্রেটিস বলা হলেও ভুল হবে না। সমাজ ও রাষ্ট্রে যেসব মানুষ আলোর পথ দেখায় তাঁদের মধ্যে সিদ্দিক আহমেদ একজন। তিনি কবি, গল্পের লেখক, সাংবাদিক ও অনুবাদক ছিলেন। তাঁর জ্ঞানের পিপাসা ছিল অসীম। বই ও অসাধারণ সাহিত্য জ্ঞানের অধিকারী ছিলেন তিনি।

আজ শুক্রবার সন্ধ্যায় চট্টগ্রামের রাউজানের নোয়াপাড়া পথেরহাটের দি কিং অব নোয়াপাড়া মিলনায়তনে এ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

কোরআন তেলাওয়াত, গীতা ও ত্রিপিটক পাঠের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সুচনা হয়। এরপর জাতীয় সংগীত পরিবেশন শেষে শুরু হয় আলোচনা সভা। বক্তব্যের একফাঁকে উপস্থাপন করা হয় সিদ্দিক আহমদের সাংবাদিকতা ও সাহিত্য জীবনের নানা বিষয়ের উপর নির্মিত একটি প্রামাণ্যচিত্র।

ফাউন্ডেশনের সভাপতি প্রয়াতের ভাই মুহাম্মদ শামীম আল আজাদের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ জিয়াউর রহমানের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন প্রয়াত সাংবাদিক সিদ্দিক আহমেদের ছেলে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল এডভোকেট সাইফুর রহমান সিদ্দিকী।

এতে উদ্বোধকের বক্তব্য দেন রাউজানের সংসদ সদস্যের ছেলে তরুণ রাজনীতিক ফারাজ করিম চৌধুরী।

ফারাজ করিম চৌধুরী বলেন, তরুণ প্রজন্ম মনে করে দেশে রাজনীতিকরাই সবচে বেশী আলোকিত বা পরিচিত। এর বাইরেও যে, আরও যে বড় বড় গুণি মানুষ আছেন তা মানুষকে জানতে আরনপরিচিত করতে হবে। সিদ্দিক আহমেদ এরকম একজন গুণি মানুষ ছিলেন। তিনি অনুপ্রেরণা পাওয়ার মত একজন সাংবাদিক ছিলেন। তিনি আরও বলেন, ভালো কাজ করতে গেলে বাধা আসে। ভালো কাজ করলে এরকম হয়। তবুও এগিয়ে যেতে হবে। তিনি বলেন, শক্তি দেখানোর চেয়ে মেধার শক্তি ব্যবহার করার সময় এখন। এরকম পরিবর্তন আনতে হবে রাজনীতিতেও। তাহলে দেশের মানুষ আমাদের ভালোভাবে গ্রহণ করবে।

অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন মাসিক আন্দরকিল্লা পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক মুহাম্মদ নুরুল আবসার, রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল হারুন, নোয়াপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান মুহাম্মদ বাবুল মিয়া, পশ্চিম গুজরা ইউপি চেয়ারম্যান সাহাবুদ্দিন আরিফ,
বাগোয়ান ইউপি চেয়ারম্যান ভুপেশ বড়ুয়া, পূর্বগুজরা ইউপি চেয়ারম্যান আব্বাস উদ্দিন আহমেদ, পাহাড়তলী ইউপি চেয়ারম্যান মুহাম্মদ রোকন উদ্দিন, উরকিরচর ইউপি চেয়ারম্যান সৈয়দ আব্দুল জব্বার, দক্ষিণ রাউজান পূজা কমিটির সভাপতি প্রকাশ শীল, সাধারণ সম্পাদক ম্যালকম চক্রবর্ত্তী। বক্তব্য দেন সংগঠনের সমন্বয়ক উপাধ্যক্ষ সৈয়দ উদ্দিন আহমেদ ও জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি মুহাম্মদ মহিউদ্দিন ইমন, সৈয়দ আজম রাশেদ প্রমুখ।

এতে উপস্থিত ছিলেন, আওয়ামী লীগ নেতা জাফর আহমেদ, জাহাঙ্গীর সিকদার, শফিউল আলম, আরিফুল আলম, প্রধান শিক্ষক জানে আলম, বিলাশ কান্তি দাস, আবু মুসা সিদ্দিকী, নাসরিন আকতার, আবদুল গফুর, মোহাম্মদ নুর নবী, নান্টু বড়ুয়া, আহমেদ সৈয়দ, বেলাল উদ্দিন, রমজান আলী, আল মামুন, আনোয়ার হোসেন শাওন, নেজাম উদ্দিন রানা, মোহাম্মদ বেলাল, আবদুল্লাহ আল নোমান প্রমুখ।

Feb2

ঝিনাইদহে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর উপর ডিম নিক্ষেপ ও হামলা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬, ৩:৪৯ অপরাহ্ণ
ঝিনাইদহে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর উপর ডিম নিক্ষেপ ও হামলা

ঝিনাইদহে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর ডিম নিক্ষেপ ও অতর্কিত হামলার ঘটনা ঘটেছে। ছাত্রদলের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ উঠেছে। এসময় ছাত্রদলের হামলায় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর সঙ্গে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের তিন নেতা-কর্মী আহত হন।

আজ শুক্রবার (২২ মে) দুপুর ২টার দিকে শহরের পুরাতন কালেক্টরেট মসজিদের সামনে এই ঘটনাটি ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার জুমার নামাজ আদায় শেষে মসজিদ থেকে বের হচ্ছিলেন নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী। এ সময় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের আহ্বায়ক সাহেদ আহম্মেদ তাঁর সঙ্গে কথা বলতে এগিয়ে যান।

তাদের মধ্যে কথা বলার এক পর্যায়ে হঠাৎ পেছন থেকে কয়েকজন যুবক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর ডিম নিক্ষেপ করে এবং অতর্কিত হামলা চালায়। এই হামলায় এনসিপির স্থানীয় কয়েকজন যুবক আহত হয়েছেন।

ভুক্তভোগী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডি থেকে এক পোস্টে হামলার বিস্তারিত জানান। তিনি অভিযোগ করেন, পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী জুমার নামাজ আদায় করে মসজিদ থেকে বের হওয়ার পরপরই পুলিশের উপস্থিতিতেই ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মীরা এই হামলা চালায়।

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী পোস্টে লেখেন, “প্রথমে ডিম, ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করা হয়, এরপর হকিস্টিক দিয়ে অতর্কিতভাবে আঘাত করা হয়। তিনজনের মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয় এবং বেশ কয়েকজন আহত হন। আমাকে লক্ষ্য করেও কিল-ঘুষি মারা হয়।”

তিনি আরও অভিযোগ করেন, হামলাকারীরা এ সময় তাদের মোবাইল ফোন, ক্যামেরা এবং মানিব্যাগ ছিনিয়ে নেয়। ঘটনার পর তারা থানায় অবস্থান নিয়ে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলেও জানান। একই সাথে ছাত্রদল, যুবদল ও বিএনপি থানার সামনে আবারও হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে তিনি ফেসবুক পোস্টে দাবি করেন।

এই ঘটনার পর এনসিপির নেতাকর্মীরা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল করেছেন। বিক্ষোভ থেকে তারা স্বরাষ্ট্র ও আইনমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করেন এবং হামলায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানান।

 

চট্টগ্রামে তিন বছরের শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় মামলা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬, ২:৪৮ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রামে তিন বছরের শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় মামলা

চট্টগ্রামের বাকলিয়ায় তিন বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। আজ (শুক্রবার) দুপুরে মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন বাকলিয়া থানার এক কর্মকর্তা।

তিনি বলেন, ভুক্তভোগী শিশুর পিতা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় গ্রেপ্তার মনিরকে আসামি করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, বাকলিয়ার চেয়ারম্যানঘাটা এলাকায় তিন বছর বয়সী এক শিশু নিখোঁজ হওয়ার পর বৃহস্পতিবার বিকেলে তাকে উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারের পর শিশুটির শারীরিক অবস্থা দেখে স্বজন ও স্থানীয়দের সন্দেহ হয়, সে যৌন নিপীড়নের শিকার হয়েছে। খবরটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে বিকেলের দিকে রাস্তায় নেমে আসেন স্থানীয়রা।

স্থানীয়দের দাবি, অভিযুক্ত যুবকের নাম মনির। তিনি স্থানীয় একটি ডেকোরেশন দোকানে কাজ করেন। তাদের অভিযোগ, মনির তাদের কাছে নিজের অপরাধ স্বীকারও করেছেন।

অভিযুক্ত মনির নিজের অপরাধ স্বীকার করেছেন বলে একটি তথ্য ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লেও এর সত্যতা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

গতকাল বিকেল ৪টার দিকে স্থানীয়রা অভিযুক্তের অবস্থান নিশ্চিত করে ‘বিসমিল্লাহ ম্যানশন’ নামের একটি ভবন ঘেরাও করে রাখেন। একপর্যায়ে ভবনটির কলাপসিবল গেট ভেঙে ফেলার চেষ্টাও করা হয়।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটিকে পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠায়। অন্যদিকে অভিযুক্তকে আটক করে নিয়ে যাওয়ার সময় বিক্ষুব্ধ জনতা পথ আটকে দেয় এবং তাকে নিজেদের হাতে তুলে দেওয়ার দাবি জানায়। বিকেল সাড়ে চারটা থেকে পুলিশকে অবরুদ্ধ করে রাখে স্থানীয়রা। এরপর রাত আটটার দিকে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে টিয়ারগ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে।

এসময় পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়েন স্থানীয়রা। এতে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। স্থানীয়দের বাধার মুখে তখন পুলিশ অভিযুক্ত নিয়ে যেতে পারেনি।

পরে রাত ১১টা সময় দিকে জনবল বাড়ায় পুলিশ। পরে বিদ্যুৎ বন্ধ করে অভিযুক্তকে পুলিশের পোশাক পরিয়ে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। এ সময় ফাঁকা গুলি, টিয়ারগ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে পুলিশ। এসময় স্থানীয়রা পুলিশের একটি গাড়িতে আগুন দেয়। এতে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

রামিসার বাসার সামনে বিক্ষোভ, কুলখানির জন্য ঢাকা ছাড়লেন বাবা-মা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
রামিসার বাসার সামনে বিক্ষোভ, কুলখানির জন্য ঢাকা ছাড়লেন বাবা-মা

রাজধানীর পল্লবীতে ধর্ষণের পর নৃশংস হত্যার শিকার আট বছরের শিশু রামিসা আক্তারের মৃত্যুর ঘটনায় এখনও থামেনি মানুষের ক্ষোভ আর কান্না।

শুক্রবার (২২ মে) সকাল থেকেই পল্লবীর সেকশন-১১ এলাকায় রামিসাদের বাসার সামনে জড়ো হতে থাকেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। ছোট-ছোট সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের ব্যানারে মানববন্ধন, বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করতে দেখা যায় স্থানীয়দের।

সেখানে গিয়ে দেখা যায়, বেলা ১১টার পর থেকে রামিসাদের বাসার সামনের গলিতে একে একে জড়ো হন নারী-পুরুষসহ বিভিন্ন বয়সী মানুষ। অনেকের হাতে ছিল ‘রামিসার হত্যাকারীর ফাঁসি চাই’, ‘শিশু ধর্ষণ ও হত্যার বিচার চাই’ লেখা প্ল্যাকার্ড।

এসময় এলাকাজুড়ে ছিল থমথমে পরিবেশ। স্থানীয়দের অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এমন নির্মম হত্যাকাণ্ডের দৃষ্টান্তমূলক বিচার না হলে সমাজে শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে না।

একটি মানববন্ধনে অংশ নেওয়া লামিয়া খানম নামে এক নারী বলেন, আমরা নিজের সন্তানদের নিয়েই এখন আতঙ্কে আছি। একটা শিশুকে এত নির্মমভাবে হত্যা কোনো মানুষ করতে পারে না।

এদিকে সন্তান হারানোর শোকে এখনও প্রায় নির্বাক রামিসার মা-বাবা। শুক্রবার (আজ) দুপুর ১২টার দিকে মেয়ের কুলখানি ও মিলাদে অংশ নিতে মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়েন তারা। যাওয়ার আগে বাসার সামনে জড়ো হওয়া মানুষদের কান্না আর সান্ত্বনার শব্দে ভারী হয়ে ওঠে পরিবেশ।

পরিবারের স্বজনরা জানান, বৃহস্পতিবার (২১ মে) রাতে সিরাজদিখানে পারিবারিক কবরস্থানে দাফনের সময় পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। রামিসার মা এখনও মেয়ের জামাকাপড় ও ব্যবহৃত জিনিসপত্র বুকে জড়িয়ে কাঁদছেন। আর বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা বারবার মেয়ের শেষ আবদারের কথা মনে করে ভেঙে পড়ছেন। দুই দিন আগে মেয়ের জন্য একটি বোরকা কিনে এনেছিলেন তিনি। কিন্তু সেই বোরকা আর পরা হয়নি রামিসার।

গত মঙ্গলবার সকালে পল্লবীর সেকশন-১১ এলাকায় নিজ বাসার পাশ থেকে নিখোঁজ হয় দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসা। পরে প্রতিবেশী সোহেল রানার ফ্ল্যাট থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় শিশুটির বাবা পল্লবী থানায় মামলা করেন।

পুলিশ জানায়, প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যা করে মরদেহ গোপনের চেষ্টা করেন। ঘটনার পর নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আদালতে তিনি হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দিও দিয়েছেন। এ ঘটনায় সোহেলের স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকেও গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।