খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

এপেক্সিয়ানদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে:কৃষিমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৯ নভেম্বর, ২০১৯, ১০:০০ অপরাহ্ণ
এপেক্সিয়ানদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে:কৃষিমন্ত্রী

কৃষিমন্ত্রী ড. মোঃ আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, দেশকে উন্নত রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে হলে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে উন্নয়নের মূল স্রোতধারায় সম্পৃক্ত করতে হবে।

তিনি আজ রাজধানীর কাকরাইলে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে ‘এপেক্স বাংলাদেশ’ জেলা ২-এর ৩৮তম সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন।

এপেক্স জেলা ২-এর গভর্ণর হারুন অর রশিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন এপেক্স বাংলাদেশের জাতীয় সভাপতি এপেক্সিয়ান এমএ কাইয়ূম চৌধুরী।

এপেক্স ক্লাব সমাজের কল্যাণ এবং দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখছে উল্লেখ করে ড. রাজ্জাক বলেন,আজকের সম্মেলনের মধ্যদিয়ে এপেক্স’র কাজকে আরো গতিশীল করবে। এজন্য এপেক্সিয়ানদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।

তিনি বাংলাদেশকে উন্নত দেশের কাতারে পৌঁছাতে এপেক্সকে ভূমিকা রাখারও আহবান জানান।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, আর্তপীড়িত মানুষের কল্যাণে এপেক্স গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। এ প্রসঙ্গে তিনি দানবীর রনদা প্রসাদ সাহার জীবনের মানবকল্যাণমুখী নানা কর্মকান্ডের কথা উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরেন।

ড. রাজ্জাক এপেক্স’র সদস্যদের স্ব-স্ব অবস্থান থেকে দেশের জন্য অবদান রাখার পাশাপাশি সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদসহ নানা অসামাজিক কাজ নির্মূলে সংঘবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে আরো উপস্থথিত ছিলেন এপেক্স বাংলাদেশের জাতীয় সহসভাপতি নিজাম উদ্দিন পিন্টু, এপেক্স বাংলাদেশ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মফিজ উদ্দিন কামাল,অতীত জাতীয় সভাপতিবৃন্দ,এলজিবৃন্দ ও লাইফগভর্নরবৃন্দ,এবং জাতীয় বোর্ডের কর্মকর্তাগণ।

এপেক্সিয়ান রফিকুল ইসলাম জেলা-২ এর গভর্ণর নির্বাচিত হন।

এপেক্স বাংলাদেশ একটি আন্তর্জাতিক সেবা সংগঠন। ১৯৩১ সালে অস্ট্রেলিয়ার জিলং শহরে তিন তরুণ প্রকৌশলী এই ক্লাব প্রতিষ্ঠা করেন। অস্ট্রেলিয়াসহ বিশ্বের আটটি দেশে সেবা, সৌহার্দ্য এবং বন্ধুত্বের মূলমন্ত্র নিয়ে কাজ করে তরুণদের এ সংগঠন।

বাংলাদেশে ১৯৬১ সালে প্রকৌশলী সুলেমান খান এই সেবা আন্দোলনকে পরিচয় করিয়ে দেন। বর্তমানে সারাদেশে ১৩৫টি ক্লাবের মাধ্যমে ৪ হাজারেরও বেশি সদস্য সমাজের জন্য কল্যাণকর বিভিন্ন বিষয়ে নিয়মিত কাজ করে যাচ্ছেন।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…