খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে হলে পরিপূর্ণ রাজস্ব আদায় ছাড়া বিকল্প কোন পথ নেইঃ চসিক মেয়র

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ জুন, ২০২২, ৭:৫৫ অপরাহ্ণ
নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে হলে পরিপূর্ণ রাজস্ব আদায় ছাড়া বিকল্প কোন পথ নেইঃ চসিক মেয়র

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মো. রেজাউল করিম চৌধুরী বলেছেন, চট্টগ্রাম বন্দর নগরীকে সুন্দর ও নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে হলে পরিপূর্ণ রাজস্ব আদায় ছাড়া বিকল্প কোন পথনেই। বাংলাদেশে যতগুলো সিটি কর্পোরেশন আছে তার মধ্যে চসিক সর্ববৃহত। সরকারের পক্ষ থেকে অতীতে সিটি কর্পোরেশনের উন্নয়ন কাজে যে থোক বরাদ্দ দেয়া হতো এখন তা সম্পূর্ণ বন্ধ করে দিয়েছে। সিটি কর্পোরেশনের নিজস্ব আয় বৃদ্ধির মাধ্যমে উন্নয়ন কাজ ও নাগরিক সেবা দিতে হবে। সেই ক্ষেত্রে সিটি কর্পোরেশনের রাজস্ব আদায়ে শতভাগ গতিশীলতা আনতে হবে। জুন মাস হচ্ছে রাজস্ব আদায়ের চুড়ান্ত সময়। এই সময়ের মধ্যে অন্তত ৯৫% শতাংশ রাজস্ব আদায় সুনিশ্চিত করতে হবে। এখানে দায়িত্ব এড়িয়ে চলার কোন অবকাশ নেই এবং তা পরিলক্ষিত হলে শাস্তিমুলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আজ মঙ্গলবার (৭ জুন) বিকাল ৩ ঘটিকার সময় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের অস্থায়ী নগর ভবনের সম্মেলন কক্ষে রাজস্ব বিভাগের কর কর্মকর্তা ও উপ কর কর্মকর্তাদের সাথে মত বিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ শহীদুল আলমের সভাপতিত্বে এতে আরোও বক্তব্য রাখেন সচিব খালেদ মাহামুদ, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, স্পেশাল ম্যাজিস্ট্রেট মনীসা মহাজন, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মারুফা বেগম নেলী, রাজস্ব কর্মকর্তা সামশুল তাবরীজ, মেয়রের একান্ত সচিব মুহাম্মদ আবুল হাসেম, মো. হুমায়ুন কবির চৌধুরী ও বিভিন্ন সার্কেলের কর কর্মকর্তাগণ বক্তব্য রাখেন।

মেয়র আরো বলেন, কর ধার্য্য করতে গিয়ে কোন কোন ক্ষেত্রে অসংগতি পরিলক্ষিত হয়েছে। এই অংসগতি গুলো বিবেচনায় নিয়ে সহনশীল পর্যায়ে কর নির্ধারণ করে করদাতাদের করমূখী করার প্রচেষ্টা চালাতে হবে। তিনি বলেন, চসিক কোন কর এই পর্যন্ত বৃদ্ধি করে নাই তবে করের আওতা বৃদ্ধি করেছে যেমন কারো একতলা ভবন ছিল সেই ভবনটি পাঁচ তলা হয়েগেলে চারতলা করের আওতায় আসবে। এটি কোন অবস্থায়ই কর বৃদ্ধি হতে পারে না। তিনি চসিকের ২৬টি খাতের উপর কর আদায়ের বিধিবিধান থাকলেও এখনো অনেক খাত করের আওতার বাহিরে আছে। ঢাকা সিটি কর্পোরেশন ইমারত নির্মাণের ক্ষেত্রে কর আদায় করলেও চসিক তা কার্যকর করেনি। অন্যদিকে নগরীর বড় বড় টাওয়ার, প্রাইভেট হাসপাতাল, মিল/ফ্যাক্টরী ইত্যাদির সামনে অনেকেই নর্দমার উপর স্ল্যাব নির্মাণ করলেও তা করের আওতায় আনা হয়নি। তিনি অবিলম্বে এই সমস্ত ¯েøবের তালিকা তৈরী করে কর আদায়ের ব্যবস্থা গ্রহণ করার নির্দেশদেন।

তিনি বলেন, নগরীতে লক্ষ লক্ষ প্রতিষ্ঠান ব্যবসা পরিচালনা করলেও অনেক প্রতিষ্ঠান ট্রেড লাইসেন্স বিহীন ব্যবসা পরিচালনা করছে। এদের তালিকা তৈরী করে ট্রেড লাইসন্সের আওতায় আনার জন্য ও নির্দেশনা প্রদান করেন। মেয়র ইমারত খাতসহ অন্যান্য খাতগুলোকে করের আওতায় কি প্রক্রিয়ায় আনা যায় এই ব্যাপারে পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তাকে নির্দেশনা প্রদান করেন। তিনি রাজস্ব বিভাগের লোকবলের সমস্যা থাকলে তা অন্য বিভাগ থেকে এনে সমন্বয় করার জন্য প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাকে এই ব্যাপারে ব্যবস্থা নিতে আহবান জানান।

মেয়র নগরবাসির নাগরিক সেবা নিশ্চিত ও নগরীকে সুন্দর ও পরিচ্ছন্ন নগরীতে রূপান্তরের জন্য যার যার অবস্থান হতে নগরবাসির প্রতি সহযোগিতা করার জন্য অনুরোধ জানান।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…