খুঁজুন
, ,

পলিথিনের যথেচ্ছ ব্যবহার আর মেগা প্রকল্পের ধীরগতিতেই বর্ষায় দুর্ভোগঃ মেয়র রেজাউল করিম

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 2 July, 2021, 8:52 pm
পলিথিনের যথেচ্ছ ব্যবহার আর মেগা প্রকল্পের ধীরগতিতেই বর্ষায় দুর্ভোগঃ মেয়র রেজাউল করিম

সমম্বয়হীনতা ও নাগরিক অসচেতনতা নাগরিক জীবনে অভিশাপ নিয়ে আসে বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব এম. রেজাউল করিম চৌধুরী।

বহদ্দারহাটস্থ নিজ বাস ভবনে শুক্রবার (২ জুলাই) বিকালে উপস্থিত সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি আরো বলেন, সমম্বিত উদ্যোগ ও নাগরিক সচেতনতা স্মার্ট সিটি গড়ার পূর্বশর্ত। আর্থিক দেনা, উন্নয়ন কাজের বিড়ম্বনা ও বৈশ্বিক মহামারীর দুঃসময়কে সাথে করে জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধি হিসেবে চট্টগ্রাম মহানগরের মানুষের সেবায় সিটি কর্পোরেশনের দায়িত্ব গ্রহন করার আগে থেকেই উন্নয়ন কাজে সংশিশ্লষ্ট সকল সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানের কাজে সমম্বয় সাধন অবশ্যই প্রয়োজন মনে করি। সমম্বয়ের অভাবে জনগণের অর্থ ও সময়ের অপচয় হয়, নাগরিক দুর্ভোগ বাড়ে। ফলে সরকারী সেবা সংস্থা গুলোর উপর মানুষের মনে বিরূপ ভাব, আস্থার সংকট ও অসহযোগিতার মনোভাব পরিলক্ষিত হয়।

দায়িত্ব গ্রহনের সাথে সাথেই ১০০ দিনের কাজের পরিকল্পনায় রুটিন কাজকে অব্যাহত রেখে অধিকতর জরুরী কিছু সেবা কার্যকে অগ্রধিকার দিয়ে প্যাচওয়ার্ক শুরু করি। মশকনিধন, বর্জ্য অপসারণ ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন, বেহাল সড়কগুলোর সংস্কার এবং আলোকায়নসহ চসিকের সেবামূলক পরিধিতে গতিশীলতা আনয়ন এবং আয়বর্ধক প্রকল্প বাস্তবায়নের সম্ভাব্যতা যাচাই ও উপায় অন্বেষণ এর সাথে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমকে অধিকতর গুরুত্ব দেয়া হয়।

অতিবৃষ্টি ও জোয়ারের পানিতে জলাবদ্ধতা ও জলামগ্নতা চট্টগ্রামের দীর্ঘ দিনের সমস্যা। এ সমস্যা নিরসনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা আন্তরিকতার সহিত চট্টগ্রামের মানুষের পাশে দাড়িয়েছেন, মেগা প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছেন।

চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন মেগা প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে পাঁচ হাজার ৬১৬ কোটি ৪৯ লাখ ৯০ হাজার টাকা। প্রকল্পটি সরাসরি বাস্তবায়ন করছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ারিং ব্রিগেড। ২০১৭ সালের জুলাইয়ে শুরু হওয়া এ প্রকল্প ২০২০ সালের জুনে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও কাজ শেষ না হওয়ায় এক বছর সময় বাড়িয়ে ২০২১ সাল পর্যন্ত করা হয়, এ কাজ এখনো শেষ হয়নি। নগরীর পানি নিস্কাশনের প্রধানতম খাল ও নালা গুলোর প্রায় প্রত্যেকটির জায়গায় জায়গায় বাঁধ দেয়া রয়েছে এবং খাল ও নদীর সংযোগ স্থলে বাঁধ দিয়ে স্লুইচ গেইট ও টাইডাল ওয়াটার রেগুলেটর সিস্টেম নির্মানের কাজ অসম্পূর্ণ। তাই বর্ষা মৌসুম শুরুর অনেক আগে থেকেই আমি শংকা করছিলাম অল্পবৃষ্টিতেই বন্ধ পানি নগরীর অলি, গলি ও রাস্তাঘাট ডুবিয়ে বাসাবাড়ীতে প্রবেশ করে অবর্ণনীয় দুর্দশার সৃষ্টি করতে পারে। তাই সিডিএকে অনুরোধ করেছিলাম বর্ষা মৌসুমের জন্য অস্থায়ীভাবে ও দ্রুততার সহিত খাল-নালার বিভিন্ন জায়গার বাঁধগুলো অপসারন করতে এবং খালের মুখে পানি বের করার জন্য অস্থায়ী পথগুলোকে আরো সম্প্রসারিত করতে। যে কোন কারণেই হোক এটি করা হয়নি বা করা তাদের পক্ষে সম্ভব হয়নি, তাই মৌসুমের প্রথম পসলা বৃষ্টিতেই নগরীর অধিকাংশ এলাকা পানিতে নিমজ্জিত হয়। বৃষ্টির পানিতে উন্নয়নও নির্মান কাজের বালি, মাটি, বর্জ্য ও আবর্জনা খাল নালায় পতিত হয়ে জমে গেলে কয়েক ঘন্টা সময়ের মধ্যেই জরুরী ভিত্তিতে তা অপসারন করে এবং কিছু কিছু বাঁধ কেটে দিয়ে পানি চলাচলের রাস্তা করে দিই। ফলে, দুর্ভোগের এ মাত্রা আর বাড়তে পারেনি। তবুও ভারী বৃষ্টিপাত হলে এখনো নগরীর বিভিন্ন জায়গায় পানি জমে যাচ্ছে, দ্রুততার সাথে পানি অপসারণ হচ্ছেনা।

নিজ বাড়ীর সামনে জমে থাকা পানি দেখিয়ে তিনি বলেন, কোথাও কোথাও ১২ থেকে ১৮ঘন্টা, এমন কি চব্বিশ আটচল্লিশ ঘন্টায়ও পানি সরে যেতে পারেনি। সেখানে নাগরিক দুর্ভোগ চরম মাত্রাকেও ছাড়িয়েছে। চসিকের নিয়মিত পরিষ্কার অভিযানে দেখা যায় আবর্জনার এক তৃতীয়াংশই থাকে পলিথিন ও প্লাস্টিক জাতীয় পণ্যের বর্জ্য। এসব বর্জ্য অসচেতনভাবে খাল নালায় নিক্ষেপ করছে মানুষ। ফলে জলাবদ্ধতা নিরসনে ও পানি নিষ্কাশনে অন্তরায় হয়ে আছে পলিথিন ও প্লাস্টিক পণ্যের বর্জ্য। এমন সময়ে চট্টগ্রাম শহরকে জলাবদ্ধতামুক্ত রাখা, পরিবেশ রক্ষা ও কর্ণফুলী নদীর প্রবহমানতা ফিরিয়ে আনতে ড্রেজিং কাজে বড় বাঁধা এসব প্লাস্টিক পন্য ও পলিথিন। পলিথিনের ভয়াবহ আগ্রাসন থেকে নদী ও শহর বাঁচাতে পর্যায়ক্রমে পলিথিন উৎপাদন বন্ধ করতে চাই আমরা। এ ব্যাপারে সর্বমহল থেকে চসিককে সহযোগিতা করতে হবে।

সবশেষে বলতে চাই, আসুন সকলেই নিজের শহরকে সুরক্ষিত, সুন্দর, পরিচ্ছন্ন ও বিশ্বমানের করে গড়ে তুলতে সচেতনতার সাথে নিজেদের সহযোগি হই। সিটি কর্পোরেশনের কাজে সহযোগিতার হাত বাড়াই। ‘আমার শহর, আমার অহংকার’ গড়বো একযোগে।’

Feb2
Feb2

বোয়ালখালীতে লবণ কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধ ১০ শ্রমিককে হাসপাতালে দেখতে গেলেন মেয়র

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 16 July, 2026, 9:09 pm
বোয়ালখালীতে লবণ কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধ ১০ শ্রমিককে হাসপাতালে দেখতে গেলেন মেয়র

চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায় পশ্চিম গোমদন্ডী এলাকায় একটি লবণ কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে কারখানায় কর্মরত অন্তত ১০ জন শ্রমিক মারাত্মকভাবে দগ্ধ হয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকালে উপজেলার পশ্চিম গোমদণ্ডী এলাকার একটি লবণ কারখানায় এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।

দগ্ধ শ্রমিকদের উদ্ধার করে তাৎক্ষণিকভাবে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছে।

ভয়াবহ এই দুর্ঘটনার খবর পেয়ে বিকেলে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে ছুটে যান চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। তিনি বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন দগ্ধ শ্রমিকদের শয্যাপাশে কিছু সময় অতিবাহিত করেন এবং তাদের শারীরিক অবস্থা ও চিকিৎসার খোঁজখবর নেন।

মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন দগ্ধ শ্রমিকদের স্বজনদের সান্ত্বনা দেন এবং চিকিৎসকদের সাথে কথা বলে আহতদের সর্বোচ্চ ও জরুরি চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন।

তিনি বলেন, এই দুর্ঘটনা অত্যন্ত হৃদয়বিদারক। দগ্ধ শ্রমিকদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে চসিকের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে। চিকিৎসকদের অনুরোধ করা হয়েছে তারা যেন আহতদের সার্বক্ষণিক নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখেন।

সব ধর্মের মানুষের জন্য সেফ সিটি গড়তে চাই: মেয়র

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 16 July, 2026, 8:42 pm
সব ধর্মের মানুষের জন্য সেফ সিটি গড়তে চাই: মেয়র

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, চট্টগ্রাম এমন এক নগরী যেখানে সব ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষ পরস্পরের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে বহুদিন ধরে সম্প্রীতির বন্ধন বজায় রেখেছে। এই ঐতিহ্যকে নষ্ট করার যেকোনো অপচেষ্টা রুখে দিতে হবে। কারো উস্কানিতে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করা যাবেনা। সব ধর্মের মানুষের জন্য সাম্য নিশ্চিত করতে হবে, সবাইকে নিয়ে গড়তে হবে সেফ সিটি।

তিনি বৃহস্পতিবার নন্দনকানন রথের পুকুরপাড়, ডিসি হিল এবং প্রবর্তক মোড় এলাকায় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব শ্রীশ্রী জগন্নাথদেবের রথযাত্রায় এ কথা বলেন।

মেয়র বলেন, রথযাত্রা শুধু একটি ধর্মীয় উৎসব নয়, এটি সম্প্রীতি ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধেরর প্রতীক। আমি সবসময় ঐক্যের পক্ষে। চ্ট্টগ্রামকে ক্লিন, গ্রীণ, হেলদি ও সেইফ সিটি হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। বর্তমানে বিএনপি সরকার বাংলাদেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকায় রক্ষায় অঙ্গিকারাবদ্ধ। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্দেশ দিয়েছেন যাতে সকল সনাতনীরা নিশ্চিতভাবে রথযাত্রার আনন্দ উপভোগ করতে পারে। সরকারও চেষ্টা করছে সকলের সমান অধিকার নিশ্চিত করতে।

তিনি বলেন, আমি মেয়র হিসেবে নয়, জনগনের সেবক হিসেবে আপনাদের পাশে থাকতে চাই। বাংলাদেশ এমন একটি দেশ, যেখানে সকল ধর্মের মানুষ নিজ নিজ ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠান স্বাধীনভাবে পালন করে। এবারের রথযাত্রা শান্তিপূর্ণ, সুশৃঙ্খল ও উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হবে বলে আমি মনে করি। সিটি করপোরেশন, প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সর্বাত্মকভাবে কাজ করছে। আমি সকলের প্রতি অনুরোধ জানাই, শৃঙ্খলা বজায় রাখুন, একে অপরকে সহযোগিতা করুন এবং উৎসবের সৌন্দর্য অক্ষুন্ন রাখুন।

মেয়র রথযাত্রায় অংশ নেয়া ভক্তদের সাথে কুশল বিনিময় করেন এবং আয়োজক ও স্বেচ্ছাসেবকদের সাথে রথযাত্রার আয়োজন সুন্দরভাবে পরিচালনার বিষয়ে পরামর্শ দেন। রথযাত্রা উৎসবকে সুচারুভাবে পরিচালনায় সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন মেয়র।

এসময় উপস্থিত ছিলেন ভারতীয় সহকারী হাই কমিশনার শ্রী হরিশ কুমার, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর, শ্রীশ্রী জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদ বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় কমিটির কার্যকরি সাধারণ সম্পাদক বিপ্লব দে পার্থ, চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সহ সভাপতি সৌরভ প্রিয় পাল, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের যুগ্ম মহাসচিব বিশ্বজিৎ দত্ত বাবু, বেসরকারী কারা পরিদশৃক উজ্জ্বল বরণ বিশ্বাস, শ্রীশ্রী জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক সুজন দাশ প্রমুখ।

বাজার থেকে ৩ প্রতিষ্ঠানের খাদ্যপণ্য প্রত্যাহারের নির্দেশ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 16 July, 2026, 8:15 pm
বাজার থেকে ৩ প্রতিষ্ঠানের খাদ্যপণ্য প্রত্যাহারের নির্দেশ

স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর প্রিজারভেটিভের মাত্রাতিরিক্ত ব্যবহারের অভিযোগে ৩টি প্রতিষ্ঠানের তিন ধরনের খাদ্যপণ্য বাজার থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ (বিএফএসএ)। একই সঙ্গে পণ্যগুলোর সব ধরনের বিপণন ও বিক্রি সম্পূর্ণ বন্ধ করার কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া এসব পণ্য ক্রয় বা গ্রহণ না করার জন্য ভোক্তাদেরও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বিএফএসএ।

নিষেধাজ্ঞা পাওয়া খাদ্যপণ্য ও প্রতিষ্ঠানগুলো হলো, ইস্ট কেক ইন্টারন্যাশনাল ফুড লিমিটেডের ‘ইস্ট কেক পুর পিঠা জ্যাম ফিল্ড (ইনট্যাক্ট)’, ইস্ট জিবাই ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের ‘ইস্ট বেকার স্লাইস ব্রেড মিল্ক জ্যাম ফিল্ড (ইনট্যাক্ট) এবং আরবোটিং ফুড কোম্পানি লিমিটেডের ‘আরবোটিং ফুড স্লাইস ব্রেড মিক্স জ্যাম ফিল্ড (ইনট্যাক্ট)’।

বিএফএসএর তথ্যমতে, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে নিয়মিত নজরদারি ও পরীক্ষার কার্যক্রম চলমান থাকবে এবং খাদ্য নিরাপত্তা আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।