খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শ্রীমঙ্গলে এক দিনে ৮ কোটি টাকার চা বিক্রি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ জুন, ২০২২, ১২:৩১ পূর্বাহ্ণ
শ্রীমঙ্গলে এক দিনে ৮ কোটি টাকার চা বিক্রি

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে চলতি বছরের চতুর্থ নিলামে প্রায় ৮ কোটি টাকার চা বিক্রি হয়েছে। বুধবার (৮ জুন) শ্রীমঙ্গল উপজেলার জেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে চা নিলাম কার্যক্রম সম্পন্ন হয়। এতে সারাদেশের ব্রোকার্স ও ব্যবসায়ীরা যোগ দেন।

নিলামে চট্টগ্রামের সাত ব্রোকার্স ও শ্রীমঙ্গলের চার ব্রোকার্সসহ শতাধিক বায়ার অংশ নেন। ১১টি ব্রোকার্সের মাধ্যমে চা নিলামে ৩০টি বাগানের মোট ৩ লাখ ৪৬ হাজার ১০০ কেজি চা তোলা হয়। তার মধ্যে চট্টগ্রামের কর্ণফুলী চা বাগানের চা প্রতি কেজি ২৬১ টাকা বিক্রি হয়।

শ্রীমঙ্গল ব্রোকার্স লিমিটেডের পরিচালক হেলাল আহমদ জানান, শ্রীমঙ্গলের চারটি ব্রোকার্সের মাধ্যমে ১ লাখ ৭৫ হাজার কেজি চা তোলা হয়েছে। তার মধ্যে প্রায় চা বিক্রি হয়েছে।

চট্টগ্রামের প্রগ্রেসিভ ব্রোকার্সের এক্সিকিউটিভ জনি দেব জানান, মৌসুমের চতুর্থ চা নিলামে শ্রীমঙ্গলে বেশি চা বিক্রি হয়েছে। তার মধ্যে কর্ণফুলি বাগানের চা বেশি দামে বিক্রি হয়। তবে আগামী নিলামে চা বিক্রি আরও বাড়বে। আমাদের চট্টগ্রামের ৭টি ব্রোকার্সের মাধ্যমে ১ লাখ ৭১ হাজার ১০০ কেজি চা তোলা হয় এবং তার মধ্যে সম্পন্ন চা বিক্রি হয়েছে।

শ্রীমঙ্গল নাহার চা বাগানের ব্যবস্থাপক পীযুষ কান্তি ভট্টাচার্য্য বলেন, চতুর্থ নিলামে আমাদের সিটি গ্রুপের চা বাগান কর্ণফুলি বাগানের চা বেশি দামে বিক্রি হয়। আমরা সব সময় চেষ্টা করি চায়ের গুণগত মান ধরে রাখতে। যার ফলে চায়ের দামও ভালো পাচ্ছি।

শ্রীমঙ্গল শাওন টি হাউসের পরিচালক জামাল আহমদ বলেন, এই নিলামে সবচেয়ে উৎসবমুখর পরিবেশ ছিল। কারণ এর আগে শ্রীমঙ্গল চা নিলাম কেন্দ্রে প্রথম দিকে চট্টগ্রামের ব্রোকার্সগুলো ৩/৪টি নিলামে অংশ নিলেও পরবর্তীতে তারা নিলামে অজ্ঞাত কারণে অংশ গ্রহলণ করেনি। চলতি বছরের চতুর্থ নিলামে চট্টগ্রামের সাতটি ব্রোকার্স অংশগ্রহণ করায় দেশের ভালো চা বাগানের গুণগতমানের চা নিলামে তোলা হয়। যার ফলে দেশের বিভিন্ন এলাকার বায়াররা অংশ নেওয়ার কারণে আমি একজন বায়ার হিসেবে খুশি।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…