খুঁজুন
, ,

সরকার ক্ষমতার নেশায় ভারতের বিরুদ্ধে নিন্দা প্রস্তাব আনছে না: চরমোনাই

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 10 June, 2022, 5:20 pm
সরকার ক্ষমতার নেশায় ভারতের বিরুদ্ধে নিন্দা প্রস্তাব আনছে না: চরমোনাই

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম চরমোনাই বলেছেন, বর্তমান সরকার ক্ষমতার পাগল। ক্ষমতার নেশায় ভারতের বিরুদ্ধে আপনারা নিন্দা প্রস্তাব আনছেন না। আপনারা যতোই ভাবেন মোদি আপনাদের ক্ষমতা-গদি রক্ষা করবে। কিন্তু বাংলাদেশের জনগণ আপনাদের ক্ষমতায় রাখবে না।

ভারতে বিজেপি মুখপাত্র কর্তৃক রাসূল(সা.) এবং উম্মুল মুমিনীন আয়েশা (রা.) সম্পর্কে অবমাননাকর বক্তব্যের প্রতিবাদে শুক্রবার (১০ জুন) জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে বাদ জুমা আয়োজন করা হয় বিক্ষোভ মিছিলের। সেখানে মিছিল উত্তর সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন তিনি।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদের সভাপতিত্বে বিক্ষোভ উত্তর সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম বলেন, চলতি জাতীয় সংসদের অধিবেশন থেকে যদি এই ন্যাক্কারজনক ঘটনায় নিন্দা প্রস্তাব পাস করা না হয়, ভারতীয় হাই কমিশনারকে যদি ডেকে নিন্দা জানানো ও জবাব চাওয়া না হয়, কটূক্তিকারীদের যদি বিচার করা না হয়, তাহলে আগামী ১৬ জুন ভারতীয় দূতাবাস অভিমুখে গণমিছিল ও স্মারকলিপি দেওয়া হবে।

মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম কটূক্তিকারীদের উদ্দেশ্যে বলেন, আমাদের নবী শুধু আরব নয়, গোটা বিশ্বের জন্য রহমত। তার সম্পর্কে কটুক্তি করতে সাহস তুমি কোথায় পেলে! যেখানে আবু লাহাব, আবু জেহেলও সে সাহস করেনি।

নবীর প্রতি অন্যায় নির্যাতনের পরও বিশ্বনবী কোনো প্রতিবাদ করেননি উল্লেখ করে এ ইসলামী নেতা বলেন, নবীর পথে কাঁটা বিছানো হয়েছিল। রক্তাক্ত হয়েছেন, কিন্তু তিনি তাদের জন্য বদদোয়া করেননি, বরং হেদায়েতের জন্য দোয়া করেছেন। আমার নবীর সম্মান, ইজ্জত রক্ষায় জীবন দিতে পারি। নবীর ইজ্জত রক্ষায় আমরা স্ত্রী, সন্তান ত্যাগ করতে পারি, ঘর ত্যাগ করতে পারি।

তিনি বলেন, বেঈমানরা তোমরা যদি আমার নবীকে আঙ্গুল উচিয়ে চরিত্র হনন করো, তাহলে সেই আঙ্গুল কেটে ফেলা হবে, যে চক্ষু রাঙ্গিয়ে কথা বলেছো সেই চোখ উপড়ে ফেলা হবে, যে জিব্বাহ দিয়ে কটূক্তি করেছো সেই জিব্বাহ ছিঁড়ে ফেলা হবে।

মুফতি চরমোনাই আরও বলেন, ভারতে কোনো আদালত নাই, ওইটা মোদির অফিস। মসজিদে নাকি শিবলিঙ্গ পাওয়া গেছে। সেটা আবার কোর্ট কীভাবে নির্দেশ দেয়, মসজিদের ভেতরে শিবলিঙ্গ খোঁজার জন্য। ভারতে যারা মুসলমান তার সেখানেই জন্মগ্রহণ করেছে। অন্য ধর্মের যারা, যাদের ভাসিয়ে বা পুড়িয়ে ফেলা হয়। কিন্তু মুসলমানদের ভারতেই সমাধি হয়। মুসলমান শাসক ভারতে ছিল কিন্তু কোনো মন্দির ভাঙা হয়নি। সাড়ে সাতশ বছর মুসলমানরা শাসন করেছে, কিন্তু কোনো অমুসলিমদের ওপর নির্যাতন-উৎখাত করেনি।

পানিপথের যুদ্ধের পর সাড়ে ৭২ মণ পৈতা উদ্ধার করা হয়েছিল উল্লেখ করে পীর চরমোনাই বলেন, কী পরিমাণ হিন্দু সেসময় মৃত্যু হয়েছিল সেটা বিবেচনা করে বলা হয়। রাসূলের শরীরে যতো আঘাত ছিল সব ছিল সামনে। কারণ রাসুল (সা.) সামনে থেকে যুদ্ধ করেছেন, পেছন থেকে নয়। বেঈমানরাই পেছন থেকে যুদ্ধ করে। মুসলমানরা কখনো পেছন থেকে ‍লড়াই করে না। কিন্তু যুদ্ধ করতে এলে মুসলমান ছেড়ে কথা বলে না। কাপুরুষের মতো ঘরে বসে মৃত্যুবরণ করে না।

বর্তমান সরকারকে মোদি সরকার রক্ষা করতে পারবে না হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে তিনি বলেন, ক্ষমতায় আশায়-নেশায় আপনারা নিন্দা প্রস্তাব সংসদে আনলেন না। মনে রাখবেন মোদি সরকার আপনাদের ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে পারবে না, রক্ষা করতে পারবে না। মোদি আপনাদের কামান, বুলেট, যুদ্ধ বিমান দিয়েও রক্ষা করতে পারবে না, কারণ জনগণ ক্ষেপলে কোনো কিছু দিয়েই ক্ষমতা টেকানো যাবে না। জনগণ জাগ্রত হলে কোনো পরাশক্তির শক্তি কাজে আসে না। আজ বাংলাদেশের জনগণ জাগ্রত হয়েছে।

তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উদ্দেশ্যে করে বলেন, সংসদ চলছে, আপনি রাষ্ট্রদূতকে ডাকেন, নিন্দা প্রস্তাব পাস করেন। জবাব চান। যদি আপনি ব্যর্থ হন তাহলে জনগণ ঐক্যবদ্ধ হয়ে আপনাকে সংসদ থেকে টেনে নামানোর কর্মসূচি ঘোষণা করতে বাধ্য হবে। কারণ আপনি ক্ষমতার পাগল, আর আমরা নবী, সুন্নত, ইসলামের পাগল।

মুসলমানদের উৎখাত করার যে ষড়যন্ত্র মোদি সরকার করছেন, সেখান থেকে পিছু হটেন, যদি সেটা না করেন, পুরো বিশ্বের মুসলমান একত্রিত হয়ে আপনার পা ভেঙে ফেলবে।

সমাবেশে দলটির মহাসচিব প্রিন্সিপাল মাওলানা ইউনুছ আহমাদ ও দক্ষিণ সভাপতি মাওলানা ইমতিয়াজ আলমও বক্তব্য রাখেন।

সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল বায়তুল মোকাররম থেকে বের হয়ে পল্টন মোড় ঘুরে নাইটিঙ্গেল মোড়ে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে আগে থেকেই অবস্থান নেয় পুলিশ। তবে সমাবেশ ও বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ও বিশৃঙ্খলার খবর পাওয়া যায়নি। মিছিলকে কেন্দ্র করে কয়েক হাজার দলীয় নেতাকর্মীর উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। এছাড়া এ দলটির বাইরেও সমমনা বেশকটি ধর্মভিত্তিক দলের নেতা-কর্মীদের অংশ নিতেও দেখা যায়।

Feb2
Feb2

রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 7:52 pm
রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার উদ্যোগে ঐতিহ্যবাহী রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ প্রাঙ্গণ থেকে ৯ রবীউল আউয়াল ২৩ আগস্ট সকাল ১১ টায় পবিত্র জশনে জুলূসে ঈদে মীলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও মীলাদ মাহ্ফিল অনুষ্ঠিত হয়।

জুলূসে নেতৃত্ব দেন রাহাতিয়া দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন, পীরে কামিল শাহ্ সূফী আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ আবুল বয়ান শাহ্ নঈমী আশরাফী নকশবন্দী (মু.যি.আ.)।

রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ যিয়ারতের মাধ্যমে জুলূস শুরু হয়। রাঙ্গুনিয়া সরকারি কলেজ রোড হয়ে রাহাতুল্লাহ্ নকশবন্দী সড়ক হয়ে মরিয়ম নগর চৌমুহনী শাহী জামে মসজিদ সামনে সংক্ষিপ্ত আলোচনা ও মুনাজাত হয়। পুনরায় কাপ্তাই সড়ক প্রদক্ষিণ করে রাঙ্গুনিয়া কলেজ গেট হয়ে
রাহাতিয়া দরবার শরীফ পার্শস্থ রাহাতিয়া শাহী ঈদগাহ্ ময়দানে এসে জড়ো হয়। জুলূসে অংশ নেওয়া সুন্নী জনতার হাতে ছিল বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার পতাকা, প্লেকার্ড ও ফেস্টুন।

জলূসে অংশগ্রহণকারীদের কণ্ঠে “ইয়া নবী সালাম আলাইকা”, “মুস্তফা জানে রহমত পেহ্ লাখো সালাম” ইত্যাদি হামদ, না’তে রাসূল (সা.) এবং “না’রায়ে তাকবীর আল্লাহু আকবর”, “না’রায়ে রিসালাত ইয়া রাসুলাল্লাহ্ (দ.)”।

রাহমাতুল্লিল আলামীন (সা.)-এর শুভাগমণের শুকরগুযার সম্পর্কিত স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত হয়।

রাহাতিয়া দরবার শরীফের নায়েবে সাজ্জাদানশীন, পীরযাদাহ্ মাওলানা সৈয়্যদ মুহাম্মদ গোলাম রসুল শাহ্ নঈমী (মু.যি.আ.)-এর সার্বিক তত্ত্বাবধান ও পরিচালনায় এতে প্রধান মেহমান ছিলেন ভারত থেকে আগত পীরযাদাহ্ মাওলানা মুহাম্মদ বায়েজীদ আশরাফী।

বক্তব্য রাখেন আনজুমান-এ আহলে তাসাওউফ বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাওলানা গাজী মুঈনুদ্দীন রিজভী, বায়েজীদ দায়রায়ে মঈনিয়া রহমানিয়ার মুনতাজিম, মাওলানা মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম আশরাফী মাইজভান্ডারী, বাংলাদেশ সূফীবাদী ঐক্য ফোরাম বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান সাংবাদিক নূর মোহাম্মদ রানা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার মহাসচিব মুহাম্মদ নঈম উদ্দিন প্রমুখ।

না’তে রাসূল (সা.) পরিবেশন করেন শায়ের ওমর ফারুক ইরন, শায়ের আলভী হাসান।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত, না’তে রাসূল (সা.) শেষে মীলাদ, ক্বিয়াম ও মুনাজাতের মাধ্যমে মুসলিম উম্মাহ্’র শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ দু’আ করা হয়।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 2:52 pm
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন করার নামে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তিন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৫ অক্টোবর দিন ধার্য করা হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের অপর সদস্য বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

তিন সাংবাদিক হলেন, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত, একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল বাবু এবং একই প্রতিষ্ঠানের সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ফারজানা রুপা।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর জহিরুল আমিন, মার্জিনা রায়হান, তারেক আবদুল্লাহসহ অন্যান্য প্রসিকিউটর।

শুনানিতে প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ১৭ আগস্ট প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করা হয়েছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাদের আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। এ মামলায় তিনজনকেই গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করছে প্রসিকিউশন। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দুই মাস সময় চান তিনি।

শুনানি শেষে প্রসিকিউশনের আবেদন মঞ্জুর করে শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। পাশাপাশি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

প্রসিকিউশন জানায়, ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই গণভবনে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই দিন তাকে প্রশ্ন করার নামে কিছু উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছিলেন কয়েকজন সাংবাদিক। এর পরিপ্রেক্ষিতে আন্দোলনকারীদের রাজাকারের বাচ্চা ও রাজাকারের নাতিপুতি বলেছিলেন শেখ হাসিনা।

রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, ওই উসকানিমূলক প্ররোচনার ধারাবাহিকতায় জুলাইয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়। এ মামলায় ১৪ জুলাইয়ের ওই ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে।

নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 1:11 pm
নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ফেনীর সোনাগাজীর বহুল আলোচিত মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত হত্যা মামলায় সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ আসামিকে খালাস ও চার আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে যে দুই আসামির তারা হলেন-সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা (৫৭) এবং শাহাদাত হোসেন শামীম(২০)।

আলোচিত এই মামলায় ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর রায় দিয়েছিলেন। রায়ে মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ ১৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।

নথিপত্র অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে নুসরাতের শ্লীলতাহানি করেন। এ ঘটনায় মামলা হলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলা তুলে না নেওয়ায় ৬ এপ্রিল মাদ্রাসার ছাদে ডেকে নিয়ে নুসরাতের হাত-পা বেঁধে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই বছরের ১০ এপ্রিল নুসরাতের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান (নোমান) সোনাগাজী থানায় মামলা করেন। পরে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।