খুঁজুন
বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩রা আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

উরফি জাভেদের সঙ্গে সারা আলি খানের তুলনা!

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ জুন, ২০২২, ২:২৬ অপরাহ্ণ
উরফি জাভেদের সঙ্গে সারা আলি খানের তুলনা!

বলিউডের বর্তমান সময়কার টেলেন্টেড অভিনেত্রীদের মধ্যে সারা আলী খান অন্যতম। যিনি খুব অল্প সময়ের মধ্যে ইন্ডাস্ট্রিতে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।

প্রথম সিনেমায় অভিনয় করেই ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছিলেন সারা। তবে সোশ্যাল মিডিয়ায় নানা সময় কোনো না কোনো কারণে তাকে হতে হয় ট্রোলের শিকার। অভিনয় ছাড়াও ফ্যাশনের জন্যও সারা খুব বিখ্যাত। প্রায়ই সারা তার বোল্ড লুকে ধরা দেন। প্রায়ই সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের বোল্ড লুকের ছবিও শেয়ার করে থাকেন তিনি।

সম্প্রতি মুম্বাইয়ে এক ইভেন্টে গিয়েছিলেন সারা। এ সময় অভিনেতা বরুণের সঙ্গে হাজির হন তিনি। তার পরনে ছিল স্বচ্ছ কালো কাট-আউট থাই স্লিট পোশাক। এমন এক কালো রঙের ট্রান্সপারেন্ট পোশাকে উপস্থিত হয়ে সবাইকে অবাক করে দেন সারা।

অনেকে তার ‍লুকের প্রশংসা করলেও অনেকে আবার কটাক্ষ করছেন সারাকে। সারার পোশাক ঘিরে নেটমাধ্যমে এখন তুমুল সমালোচনার ঝড়। মুহূর্তেই সারার সেই ছবি ছড়িয়ে পড়লে অনেকে কড়া সমালোচনা করেছেন।

এমনকি টেনে এনেছেন বরাবরই নিজের পোশাক, ফ্যাশন সেন্সের জন্য চর্চায় থাকা উরফি জাভেদ প্রসঙ্গও। সোশ্যাল মিডিয়ায় উরফির উদ্ভট ফ্যাশনের সঙ্গে তুলনা করা হচ্ছে সারাকে। সারার ছবির কমেন্ট বক্স-এ নেটিজেনদের অনেকাংশ বলছেন ‘এ কেমন পোশাক’। অনেকে আবার বলছেন উরফির মাধ্যমে অনুপ্রাণিত হয়েছেন সারা।

এন-কে

Feb2

মেসির হ্যাটট্রিকে উড়ন্ত সূচনা আর্জেন্টিনার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৯:১১ পূর্বাহ্ণ
মেসির হ্যাটট্রিকে উড়ন্ত সূচনা আর্জেন্টিনার

আলজেরিয়ার বিপক্ষে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করেছে আর্জেন্টিনা। অধিনায়ক লিওনেল মেসির হ্যাটট্রিকে আলবিসেলেস্তেরা ৩-০ গোলের জয় তুলে নিয়ে টুর্নামেন্টে উড়ন্ত সূচনা করেছে।

ম্যাচের শুরু থেকেই বলের দখল ও আক্রমণে আধিপত্য দেখায় বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। এরই ধারাবাহিকতায় ১৬ মিনিটে প্রথম গোল করে দলকে এগিয়ে দেন মেসি। গোলের পরও আক্রমণের ধার বজায় রাখে আর্জেন্টিনা এবং আলজেরিয়ার রক্ষণে একের পর এক চাপ সৃষ্টি করতে থাকে।

প্রথম গোলের পর কিছু সময় নিজেদের গুছিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে আলজেরিয়া। উত্তর আফ্রিকার দলটি পাল্টা আক্রমণে ম্যাচে ফেরার আভাস দিলেও আর্জেন্টিনার সংগঠিত রক্ষণভাগ তাদের বড় সুযোগ তৈরি করতে দেয়নি। বেনতালেবের একটি প্রচেষ্টা এবং ৪২ মিনিটে ফারেস শাইবির দূরপাল্লার শট আর্জেন্টাইন রক্ষণকে সতর্ক করলেও সেগুলো লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়।

প্রথমার্ধের যোগ করা সময়েও আর্জেন্টিনার ডিফেন্সে কিছুটা চাপ সৃষ্টি করে আলজেরিয়া। তবে লিসান্দ্রো মার্তিনেজের সময়োপযোগী ক্লিয়ারেন্সে বিপদ কেটে যায়। ফলে ১-০ ব্যবধান নিয়েই বিরতিতে যায় দুই দল।

বিরতির পর আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে আর্জেন্টিনা। আলজেরিয়ার রক্ষণভাগকে পরাস্ত করে ব্যক্তিগত নৈপুণ্যে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন মেসি। এরপর ম্যাচের ৬০ ও ৭৬ মিনিটে আরও দুটি গোল করে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন আটবারের ব্যালন ডি’অরজয়ী এই তারকা।

মেসির অনবদ্য পারফরম্যান্সে ৩-০ গোলের জয় নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা। এই জয়ের মাধ্যমে বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে দারুণ সূচনা করল লিওনেল স্কালোনির শিষ্যরা।

হালান্ডের জোড়া গোলে বিশ্বকাপে নরওয়ের স্মরণীয় প্রত্যাবর্তন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৭:৪০ পূর্বাহ্ণ
হালান্ডের জোড়া গোলে বিশ্বকাপে নরওয়ের স্মরণীয় প্রত্যাবর্তন

বিশ্বকাপ বাছাইয়ের দাপট মূল মঞ্চেও ধরে রাখল নরওয়ে। ১৯৯৮ সালের পর প্রথম বিশ্বকাপে প্রত্যাবর্তন তারা করল ৪-১ গোলের বড় জয়ে। বিশ্বকাপে অভিষেকেও জোড়া গোল করে ধারাবাহিকতা ধরে রাখলেন আর্লিং হালান্ড।

গোল পাল্টা গোলের ম্যাচে জমজমাট হয়েছিল নরওয়ে ও ইরাকের প্রথম বিশ্বকাপ ম্যাচের প্রথমার্ধের খেলা। হাফটাইমের আগেই হয় তিন গোল। দুটি করে নরওয়ে, একটি ইরাক।

২৮ বছর পর বিশ্বমঞ্চে ফিরে নরওয়ে আধঘণ্টার মাথায় লিড নেয়। আর্লিং হালান্ড স্লাইড করে জাল কাঁপান ২৯ মিনিটে। ১০ মিনিট পর আয়মেন হুসেইন ইরাককে সমতায় ফেরান দারুণ এক হেডে। বিরতির দুই মিনিট আগে হালান্ড আবার লিড এনে দেন নরওয়েকে। ২৯ থেকে ৪৩ মিনিট পর্যন্ত তিনবার জালে বল জড়িয়েছে।

ইনজুরি টাইমে গোলরক্ষককে একা পেয়েছিলেন আলি আল হামাদি। শট নেওয়ার শেষ মুহূর্তে তাকে প্রতিহত করেন নরওয়ের ডিফেন্ডার। পরবর্তীকে কর্নার থেকে নেওয়া শট তারা বিপদমুক্ত করতে চাইলেও বক্সের বাইরে থেকে আকাম হাশিমের বাঁ পায়ের শট গোলবারের ওপর দিয়ে যায়।

তাতে ম্যাচ ২-১ গোলে এগিয়ে থেকে প্রথমার্ধ শেষ করে নরওয়ে। বিরতির পর ইরাক নিশ্চিতভাবে ঘুরে দাঁড়ানোর পণ করেছিল। কিন্তু নরওয়ে আরও শক্তিশালী রূপে ফিরে আসে। ১৯৮৬ সালের পর প্রথমবার বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া ইরাকের জালে আরও দুইবার বল পাঠায় তারা।

হাফ-টাইমের পর ইরাক সমতায় ফেরার জন্য বেশ চাপ সৃষ্টি করেছিল। কিন্তু আয়মেনের একটি হেড পোস্টের বাইরে দিয়ে চলে যায় এবং হুসেইন আলী বল বারের উপর দিয়ে উড়িয়ে মারেন। ঠিক তখনই ম্যাচের ৭৬ মিনিটে মার্টিন ওডেগার্ডের চমৎকার একটি কর্নার কিক থেকে লাফিয়ে উঠে জোরালো হেডে গোল করেন লিও ওস্টিগার্ড। এই গোলে নরওয়ের জয় অনেকটাই নিশ্চিত হয়ে যায়।

ম্যাচের শেষ দিকে হাল্যান্ড তার হ্যাটট্রিক করার একটি দারুণ সুযোগ পেয়েছিলেন। কিন্তু ইরাকি গোলরক্ষক জালাল হাসান একদম কাছ থেকে দারুণ এক সেভ করে তাকে বঞ্চিত করেন। তবে ইনজুরি টাইমে নরওয়ের চতুর্থ গোলটি আটকানোর কোনো উপায় ছিল না হাসানের কাছে। কারণ আয়মেন নিজেই বল ক্লিয়ার করতে গিয়ে নিজেদের জালে জড়িয়ে দেন।

এমবাপের রেকর্ড গোলে সেনেগালকে হারাল ফ্রান্স

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৭:১৭ পূর্বাহ্ণ
এমবাপের রেকর্ড গোলে সেনেগালকে হারাল ফ্রান্স

২০০২ সালের বিশ্বকাপে সেনেগালের কাছে অঘটনের শিকার হয়েছিল ফ্রান্স। ২৪ বছর আগের সেই দুঃসহ স্মৃতি তারা মুছে ফেলল কিলিয়ান এমবাপের জাদুকরী পারফরম্যান্সে।

প্রথম ৪৫ মিনিট ফরাসিদের ওপর সেনেগাল ছড়ি ঘুরালেও বিরতির পর দৃশ্যপট পাল্টে যায়। এমবাপে জোড়া গোল করেন, বদলি নামার মিনিটখানেক পর বার্কোলা মাঝে একটি গোল করেন। তাতে ৩-১ গোলে জিতে বিশ্বকাপ শুরু করেছে গতবারের রানার্সআপরা। অথচ প্রথমার্ধে ফ্রান্সকে দেখা গেছে ভিন্ন চেহারায়। তাদের খেলা ছিল এলোমেলো ও মন্থর। প্রতিপক্ষের জন্য কোনো হুমকি তৈরি করতে পারেনি তারা।

প্রথমার্ধে সেনেগালই গোল করার সবচেয়ে ভালো সুযোগগুলো পেয়েছিল। দুর্ভাগ্য যে এগিয়ে যেতে পারেনি। প্রথমার্ধ শেষে স্কোর গোলশূন্য। নিকোলাস জ্যাকসন গোলের সবচেয়ে কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিলেন। তার শট পোস্টে গিয়ে আঘাত করে। এছাড়া প্রথমার্ধের খেলা শেষের ঠিক আগমুহূর্তে ইসমাইলা সার-ও গোল করার একটি বিশাল সুযোগ হাতছাড়া করেন। অন্যদিকে ফ্রান্সকে বেশ ক্লান্ত দেখা গেছে। সেনেগালের রক্ষণ ভাঙতে বেশ সংগ্রাম করেছে।

তবে দ্বিতীয়ার্ধে সবকিছু পুরোপুরি বদলে যায়। বিশেষ করে মাইকেল অলিসে এই সময়ে সেনেগালের ডি বক্সের আশেপাশে ত্রাস ছড়ান। ৫৪ মিনিটে সেনেগালের গোলকিপার তাকে কোনোমতে রুখে দেন। পাঁচ মিনিট পর ডি বক্সে সাদিও মানে স্লাইড করে এমবাপেকে ফেলে দেওয়ার পর ফ্রান্স পেনাল্টির দাবি জানায়। রেফারি ভিএআর চেক করে পেনাল্টি না দেওয়ার সিদ্ধান্ত জানান। এরপর থেকেই ফ্রান্স ম্যাচে নিজেদের গুছিয়ে নিতে শুরু করে।

রিয়াল মাদ্রিদের এই তারকার সেই ভুলের খেসারত দিতে একদমই সময় লাগেনি। অলিসের একটি চমৎকার থ্রু বলের লাইনে দৌড়ে এগিয়ে যান তিনি। তারপর এদুয়ার মেন্দির মাথার ওপর দিয়ে বল তুলে দিয়ে জাল কাঁপান। ৬৬ মিনিটে ফ্রান্স লিড নেয়। কিছুক্ষণ পরই জ্যাকসন ফ্রান্সের জালে বল ঠেলেছিলেন, কিন্তু অফসাইডের বাঁশি বাজে। এরপর বেঞ্চ থেকে মাঠে নামার দুই মিনিটেরও কম সময়ের মধ্যে গোল করে ৮২ মিনিটে ব্যবধান ২-০ করেন ব্র্যাডলি বারকোলা। তিন মিনিট পর এমবাপের দ্বিতীয় শট ঠেকান মেন্দি।

ম্যাচের শেষ দিকে ইব্রাহিম এমবায়ের গোলে সেনেগাল একটি গোল শোধ করলেও তাদের ঘুরে দাঁড়ানোর ভাবনার সুযোগটুকুই দেয়নি ফ্রান্স। এর আগেই বক্সের বাইরে থেকে প্রায় ৩০ গজ দূর থেকে এক দুর্দান্ত শটে বল জালে জড়িয়ে দলের বড় জয় নিশ্চিত করেন এমবাপে।

দলকে জেতানোর পাশাপাশি ফ্রান্সের সর্বকালের শীর্ষ গোলদাতা হয়েছেন এমবাপে। ৫৮ গোল করে অলিভার জিরুদকে পেছনে ফেলেছেন তিনি। একই সঙ্গে বিশ্বকাপে ফ্রান্সের সর্বোচ্চ গোলদাতা জাস্ট ফন্টেইনকে (১৩) ছাপিয়ে গেছেন। ১৪তম গোল করে এখন তিনি কেবল ব্রাজিলের রোনালদো (১৫) ও জার্মানির মিরোস্লাভ ক্লোসার (১৬) পেছনে। ১৩ গোল নিয়ে চলতি বিশ্বকাপে এমবাপেকে চ্যালেঞ্জ জানাবেন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসি।

আই গ্রুপে ফ্রান্স তাদের পরের ম্যাচ খেলবে ইরাকের বিপক্ষে। আর সেনেগাল মুখোমুখি হবে নরওয়ের।