খুঁজুন
মঙ্গলবার, ৫ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২২শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পুরো কোরআন হাতে লিখে আলোচনায় ঢাবির শিক্ষার্থী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ২০ জুন, ২০২২, ৬:৪৪ অপরাহ্ণ
পুরো কোরআন হাতে লিখে আলোচনায় ঢাবির শিক্ষার্থী

বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক এক সদস্য পুরো কোরআন শরীফ হাতে লিখে দেশব্যাপী আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন। দীর্ঘ দেড় বছরের অক্লান্ত পরিশ্রম ও চেষ্টায় তিনি এ কাজটি শেষ করেছেন। কোন ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে না পড়েই পবিত্র কোরআন লেখার মতো এ কঠিন কাজের জন্য রীতিমতো প্রশংসায় ভাসছেন ওই তরুণী।

হাতে কোরআন লেখা ওই তরুণীর নাম জারিন তাসনিম দিয়া। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলিত গণিত বিভাগের ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষের ছাত্রী ছিলেন। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক উপকমিটির সদস্য। তাঁর বাড়ি জামালপুর জেলায়।

জানা যায়, লকডাউনে ঘরে বসে নিজের অবসর সময় পার করতে বাবা-মায়ের অনুপ্রেরণা ও সহযোগিতায় পবিত্র ধর্মগ্রন্থ আল কোরআন হাতে লিখা শুরু করেন। বিরামহীন অধ্যবসায় ও পরিশ্রমের পর অবশেষে দীর্ঘ দেড় বছর পর মোট ৩০ পারার এক এক করে ১১৪টি সুরা লিখে শেষ করেন দিয়া। ২০২০ সালের মার্চ মাসে শুরু করে ২০২১ সালের নভেম্বর মাসে তার এ কাজটি শেষ হয়।

তিনি জানান, একদিন তাঁর বাবা ঘরে টানিয়ে রাখার জন্য তাকে যেকোনো একটি দোয়া লিখে দিতে বললে তিনি জীবনের প্রথমবারের মতো দেখে দেখে কোরআনের অংশবিশেষ (আয়াতুল কুরসী) লিখেন। তার এ লেখা দেখতে সুন্দর হওয়ায় তার বাবা ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং পুরো কোরআনই লেখার অনুপ্রেরণা জোগান। এছাড়া তারও ইচ্ছা ছিল করোনা মহামারিতে লকডাউনে ঘরে আবদ্ধ থাকার সময়টুকুকে কাজে লাগিয়ে সৃজনশীল কিছু করা যায় কি না। এই দুটি বিষয়কে মাথায় রেখেই শুরু হয়ে যায় পুরো কোরআন হাতে লেখার কঠিন এ কাজটি সম্পন্ন করার সংগ্রাম।

জানা যায়, কোরআন লেখার পুরো দেড় বছরই সব সময় তার ব্যাগে লেখার উপকরণ রেখেছেন। যখনই সুযোগ পেতেন তখনই কোরআন লিখতেন দিয়া। তিনি ঢাকা থেকে যখন গ্রামের বাড়ি যেতেন তখনও লেখার এসব উপকরণ সাথে নিয়ে যেতেন, যাতে তার লেখা বন্ধ না থাকে। লেখা শেষে তিনি পাণ্ডুলিপির মোট ৩০ পারাই ৩০ জন হাফেজকে দিয়ে সম্পাদনা করিয়েছেন। অবশেষে ৩০ জন হাফেজের সম্পাদনা শেষে তার হাতে লেখা পাণ্ডুলিপিগুলো বাঁধাই করে রুপ দেওয়া হয়েছে পূর্ণাঙ্গ কোরআন শরীফে। এখন দেশের ৫০০ মডেল মসজিদ ও মাদ্রাসাগুলোতে তিনি তার নিজ হাতে লিখিত এ কোরআন শরীফের একটি করে কপি মুসল্লি ও মাদ্রাসার ছাত্রদের পড়ার জন্য উপহার দিতে চান।

এ বিষয়ে জারিন তাসনিম দিয়া বলেন, ‘করোনা মহামারিতে যখন আমরা ঘরবন্দি ছিলাম, তখন আমার এরকম একটা ইচ্ছা ছিল যে আমি সৃজনশীল কিছু করব। সেই চিন্তা থেকেই আমার এই হাতে কোরআন লেখার কাজটা শুরু করা। বাবা-মায়ের অনুপ্রেরণায় মূলত এ কাজটা শুরু হয়েছিল। বিশেষ করে, বাবা আমাকে সর্বপ্রথম উৎসাহ প্রদান করেছেন।’

আরবি লেখা শেখার ব্যাপারে দিয়া বলেন, ‘আমি মাদ্রাসার ছাত্রী না আবার কখনো মাদ্রাসায়ও পড়িনি। এজন্য ইসলাম ধর্ম সম্পর্কেও আমার খুব একটা আইডিয়া ছিল না। ছোটবেলায় আমরা ইসলাম ধর্ম বই পড়তাম তখন একটু একটু আরবি শব্দাবলী দেখে দেখে লেখার চেষ্টা করতাম। তাছাড়া আমার আর কখনো আরবি লেখার প্র্যাকটিসটা করা হয়নি। তবে বাবা-মা ছোটবেলায় কোরআন শরীফ পড়তে শিখিয়েছিলেন সে হিসেবে আমি পড়তে পারি কিন্তু তা লিখতে পারতাম না কখনো। আমার আরবি লেখা শেখাই হলো এই করোনা মহামারিতে।’

তিনি পুরো কোরআন লেখা শুরুর বিষয়ে বলেন, ‘একদিন আমার বাবা দেয়ালে টানানোর জন্য একটি দোয়া লিখে দিতে বলেছিলেন। তখন আমি দেখে দেখে আয়াতুল কুরসি লিখে দিয়েছিলাম এবং লেখাটা খুব ভালো হয়েছিল। লেখা দেখে বাবাও খুশি হয়েছিলেন। এরপর বাবা-মায়ের অনুপ্রেরণায় লেখা শিখতে শুরু করলাম। আরবি গুলো আয়ত্ত করে, আস্তে আস্তে প্র্যাকটিস করতে থাকলাম। এভাবে লিখতে লিখতে ৫ পারা, ১০ পারা এরপর পুরো কোরআনের ৩০টা পারাই হাতে লিখে শেষ করে ফেললাম। লেখা শেষ করে আমি পেইজগুলো একটু ডিজাইন করলাম। সকল পেইজের ডিজাইন আমার হাতেই করা।’

দিয়া আরও বলেন, ‘লেখা শেষ হওয়ার পর আরেকটি কাজ বাকি ছিল। সেটি হল সম্পাদনার কাজ। কারণ, এখানে ভুল হওয়ার ব্যাপার আছে। পবিত্র কোরআন শরীফের একটা শব্দও যেন ভুল না হয়, সেই জিনিসটা মেইনটেইন করতে হবে। আমি তো আর কোরআনের হাফেজ না, এজন্য আমার দ্বারা ভুল ধরা সম্ভব নয়। এ প্রেক্ষিতে ভুলগুলো সংশোধনের জন্য আমি কোরআনের হাফেজদের সাথে পরামর্শ করলাম। তখন তারা বললেন যে, এটা আসলে একজনে চেক করলে হবে না। কারণ চোখের ভুল সবারই হতে পারে। তারা বললেন, আমরা এর ৩০ পারা ৩০ জনকে দিয়ে চেক করাবো। এভাবে একেক পারা শেষ করে একেকজন অন্য পারা ধরবে। এভাবে করে ৩০ জন হাফেজ ৩০ পারাই দেখবে। তাহলে ভুলগুলো আমরা সহজেই ধরতে পারব। এই পদ্ধতিটা অনুসরণ করেই তারা পাণ্ডুলিপির ভুলগুলো ধরে মার্ক করে দিলেন। তারপর আমি সেগুলো সংশোধন করলাম। এই সংশোধন করার পর আমি আবার তাদেরকে পাণ্ডুলিপিটি দেখার জন্য দিলাম। এরপর তাদের কাছে এটি দুই বা আড়াই মাসের মতো সম্পাদনায় ছিল। অবশেষে, তাদের কাছ থেকে পাণ্ডুলিপিটি এনে স্ক্যানিং করে ছাপিয়ে বাঁধাই করেছি।’

হস্তলিখিত কোরআন ছাপানোর ব্যাপারে দিয়া বলেন, ‘আমি ব্যক্তিগতভাবে ৫০ কপি ছাপিয়েছি। এই ৫০ কপির মধ্য থেকে আমার আত্মীয়-স্বজন এবং কাছের মানুষদেরকে উপহার দিব। আর তাছাড়াও আরও ৫০০ কপি ছাপানো হচ্ছে বিভিন্ন মডেল মসজিদ ও মাদ্রাসাগুলোতে বিনামূল্যে উপহার দেওয়ার জন্য, যাতে সবাই পড়তে পারে। এর বাইরে যদি ব্যক্তিগতভাবে নিতে চায় তাহলে বাঁধাইয়ের খরচটুকু দিয়ে নিতে পারবেন।’

হাতে কোরআন লেখার অনুভূতির কথা জানতে চাইলে দিয়া বলেন, ‘এ কাজটি আমার জীবনের সেরা একটি অর্জন। মানুষের জীবন তো খুব বড় নয়। আমি না থাকলেও আমার এ কাজের জন্য মানুষ হয়তো আমাকে মনে রাখবে।’

এন-কে

Feb2

হরমুজে নতুন প্রকল্প ‘প্রোজেক্ট ফ্রিডম’ ঘোষণা করলেন ট্রাম্প

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ৪ মে, ২০২৬, ১০:০১ পূর্বাহ্ণ
হরমুজে নতুন প্রকল্প ‘প্রোজেক্ট ফ্রিডম’ ঘোষণা করলেন ট্রাম্প

ইরানের অবরোধের কারণে গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক বাণিজ্য জলপথ হরমুজ প্রণালিতে আটকা পড়া বাণিজ্যিক জাহাজগুলো লক্ষ্য করে ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ নামের নতুন একটি প্রকল্প শুরু করতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। গতকাল রোববার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে পোস্ট করা এক বার্তায় এ ঘোষণা দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

আরব উপসাগর ও পারস্য উপসাগরকে সংযুক্তকারী ১৬৭ কিলোমিটার দীর্ঘ হরমুজ প্রণালি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক বাণিজ্য জলপথ। বিশ্বের এক পঞ্চমাংশ তেল-গ্যাস ও জ্বালানি পণ্য এই প্রণালি দিয়ে পরিহবন করা হয়। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধ শুরুর পর হরমুজ প্রণালিতে অবরোধ জারি করে ইরান। ফলে প্রণালি, আরব উপসাগর ও পারস্য উপসাগরে আটকা পড়ে শতাধিক জাহাজ।

রোববারের পোস্টে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছেন, ‘প্রোজেক্ট ফ্রিডম’-এর মূল উদ্দেশ্য হবে হরমুজ প্রণালি ও তার আশপাশে আটকা পড়া বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে নিরাপদে প্রণালি পার হতে সহায়তা করা; অর্থাৎ হরমুজ পেরোতে বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে প্রহরা দেবে যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী।

ট্রুথ সোশ্যাল পোস্টে ট্রাম্প বলেছেন, “বিশ্বের অনেক দেশের বাণিজ্যিক জাহাজ হরমুজে আটকা পড়েছে। এসব দেশের অধিকাংশই মধ্যপ্রাচ্যে চলমান আঞ্চলিক সংঘাতের সঙ্গে সরাসরি সংশ্লিষ্ট নয় এবং তারা আমাদের কাছে অনুরোধ জানিয়েছে যে আমাদের নৌবাহিনী যেন আটকা পড়া বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে প্রণালি থেকে বের হতে সহযোগিতা করে।”

“আমরা তাদের অনুরোধে ইতিবাচক সাড়া দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আটকা পড়া বাণিজ্যিক জাহাজগুলো যেন নিশ্চিন্তে তাদের গন্তব্য রওনা হতে পারে— তা নিশ্চিত করতে এবং সেসব জাহাজের নিরপেক্ষ-নিরপরাধ ক্রুদের মুক্ত করতে হরমুজ প্রণালিতে শিগগিরই প্রজেক্ট ফ্রিডম প্রকল্প শুরু হচ্ছে।”

যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় সোমবার সকাল, অর্থাৎ বাংলাদেশ স্থানীয় সময় সোমবার রাত থেকে হরমুজে ‘প্রোজেক্ট ফ্রিডম’ শুরু হচ্ছে বলে ট্রুথ সোশ্যাল পোস্টে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট।

রোববারের পোস্টে ট্রাম্প হরমুজের নতুন এই প্রকল্পকে ‘মানবিক সহায়তা প্রচেষ্টা’ উল্লেখ করে বলেছেন, দিনের পর দিন আটকে থাকার কারণে অনেক জাহাজে ক্রুদের খাদ্য ও জরুরি সরবরাহের সংকট দেখা দিয়েছেন। ‘প্রোজেক্ট ফ্রিডম’ কার্যকর হলে এই প্রকল্প থেকে সবপক্ষ লাভবান হবে বলেও দাবি করেছেণ তিনি।

“আমি আমার সব প্রতিনিধিকে এই মর্মে নির্দেশ দিয়েছি যে তারা যেন বিভিন্ন দেশকে জানায় যে তাদের জাহাজ এবং ক্রুদের নিরাপদে হরমুজ থেকে বের করতে আমরা আমাদের সেরা প্রচেষ্টা চালাব।”

যদি নতুন এই প্রকল্প কার্যকরের পথে কোনো প্রকার ‘হস্তক্ষেপ’ ঘটে— তাহলে যুক্তরাষ্ট্র ‘শক্তির সঙ্গে’ তার বিরুদ্ধে সাড়া দেবে বলে হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।

শপথ নিলেন সংরক্ষিত নারী আসনের ৪৯ এমপি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ৩ মে, ২০২৬, ১০:৫০ অপরাহ্ণ
শপথ নিলেন সংরক্ষিত নারী আসনের ৪৯ এমপি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত মহিলা আসনে নব-নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ নিয়েছেন।

রোববার (৩ মে) জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের শপথ কক্ষে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্যদের শপথ পড়ান স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

সংসদ সচিবালয় জানায়, রাত ৯টায় সংসদ ভবনের পূর্ব ব্লকের লেভেল-১ এ অবস্থিত শপথ কক্ষে এই শপথ অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়। জাতীয় সংসদের স্পিকার নব-নির্বাচিত এই নারী জনপ্রতিনিধিদের শপথ বাক্য পাঠ করান। নব-নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের এই শপথ গ্রহণের মাধ্যমে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ পূর্ণাঙ্গ রূপ পেল।

এর আগে, গত ৩০ এপ্রিল নির্বাচন কমিশন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ৪৯ জনের গেজেট প্রকাশ করে।

রিটার্নিং কর্মকর্তা জানান, ৫৩ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন (এনসিপি নেত্রী নুসরাত তাবাসসুম বাদে, তিনি ১৯ মিনিট পর মনোনয়ন জমা দিয়েছিলেন)। এদের মধ্যে বিএনপি জোটে ৩৬ জন বৈধ প্রার্থী, জামায়াত জোটের ১২ জন বৈধ প্রার্থী ও স্বতন্ত্রদের জোটের এক বৈধ প্রার্থীরসহ মোট ৪৯ জন বৈধ প্রার্থীকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করে তাদের নামে গেজেট প্রকাশ করা হয়।

বিএনপির ৩৬ নির্বাচিত নারী সংসদ সদস্য (এমপি) হলেন – সেলিমা রহমান, শিরিন সুলতানা, রাশেদা বেগম হিরা, রেহানা আক্তার রানু, নেওয়াজ হালিমা আর্লি, মোছাম্মত ফরিদা ইয়াসমিন, বিলকিস ইসলাম, শাকিলা ফারজানা, হেলেন জেরিন খান, নিলুফার চৌধুরী মনি, নিপুণ রায় চৌধুরী, জেবা আমিন খান, মাহমুদা হাবিবা, সাবিরা সুলতানা, সানসিলা জেবরিন, সানজিদা ইসলাম তুলি, সুলতানা আহমেদ, ফাহমিদা হক, আন্না মিঞ্জ, সুবর্ণা শিকদার, শামীম আরা বেগম স্বপ্না, শাম্মী আক্তার, ফেরদৌসী আহমেদ, বিথীকা বিনতে হুসাইন, সুরাইয়া জেরিন, মানছুরা আক্তার, জহরত আদিব চৌধুরী, মমতাজ আলম, ফাহিমা নাসরিন, আরিফা সুলতানা, সানজিদা ইয়াসমিন, শওকত আর আক্তার, মাধবী মারমা, সেলিনা সুলতানা ও রেজেকা সুলতানা।

জামায়াত জোটের ১২ এমপি হলেন- নুরুন্নিসা সিদ্দীকা, মারজিয়া বেগম, সাবিকুন্নাহার মুন্নী, নাজমুন নাহার নীলু, মাহফুজা হান্নান, সাজেদা সামাদ, শামছুন্নাহার বেগম, ইঞ্জি: মারদিয়া মমতাজ, রোকেয়া বেগম, ডা. মাহমুদা আলম মিতু, তাসমিয়া প্রধান ও ইঞ্জি: মাহবুবা হাকিম।

এছাড়া স্বতন্ত্র জোটের সুলতানা জেসমিনকে এমপি নির্বাচিত ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে।

হামের উপসর্গে আরও ১০ শিশুর মৃত্যু

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ৩ মে, ২০২৬, ৭:৪০ অপরাহ্ণ
হামের উপসর্গে আরও ১০ শিশুর মৃত্যু

গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে আরও ১০ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। পাশাপাশি এই সময়ে নতুন করে আরও এক হাজার ২৬১ শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।

রোববার (০৩ মে) বিকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চের পর থেকে এ পর্যন্ত হামে ৫০ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে সন্দেহভাজন হামজনিত মৃত্যুর সংখ্যা ২৪৪ জন।

১৫ মার্চের পর থেকে এ পর্যন্ত নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছেন ৫ হাজার ৩১৩ জন। একই সময়ে সন্দেহভাজন হামে আক্রান্তের সংখ্যা ৪০ হাজার ৪৯১ জন।

এ পর্যন্ত হাম সন্দেহে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২৭ হাজার ৮১৬ জন এবং হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন ২০ হাজার ৯০ জন।