খুঁজুন
রবিবার, ১৪ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দুবাই মুশরিফ পার্কে প্রবাসী সমিতির পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১ ডিসেম্বর, ২০১৯, ৪:৫৮ অপরাহ্ণ
দুবাই মুশরিফ পার্কে প্রবাসী সমিতির পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত

সংযুক্ত আরব আমরিাতরে দুবাইয়ের বিখ্যাত মুশরিফ পার্কে চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার হলদিয়ার সত্তারকূল মাওলানা রমজান আলী ম্মৃতি সংসদ প্রবাসী সমতিরি উদ্যােগে শুক্রবার (২৯ নভম্বের) ১ম পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানরে আয়োজন করা হয়।

দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালায় খেলাধূলা, প্রীতিভোজ, আলোচনা সভা, উপস্থিত বক্তৃতা, লাকী কূপন ড্র, চা নাস্তা, পুরুস্কার বতিরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

আলোচনা সভা, উপস্থিত বক্তৃতা ও পুরুস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে সভাপতত্বি করনে সংগঠনরে সভাপতি মোহাম্মদ আবদুল মন্নান। সহসভাপতি মোহাম্মদ আজম খান ও সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়িার মোহাম্মদ শাহাজানরে যৌথ পরচিালনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতথি হসিবে উপস্থিত ছিলেন আবুধাবির বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আলহাজ্ব মোহাম্মদ ওসমান তালুকদার।

বিশেষ অতথি হসিবে উপস্থিত ছিলেন ব্যবসায়ী মাওলানা মোহাম্মদ আলি রেজা, মোহাম্মদ এয়াছিন মিয়া, ব্যবসায়ী আলহাজ্ব মাহাবুবুল আলম, ব্যবসায়ী মাওলানা নুরুল আলম, ইঞ্জিনিয়ার গোলামুর রহমান মঞ্জু, মোহাম্মদ মহীউদ্দীন, ইঞ্জিনিয়ার রফিকুল ইসলাম, ব্যবসায়ী তহিদুল ইসলাম মুরাদ, মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন প্রমুখ।

মোহাম্মদ হামমি আবদুল্লাহ মনিরের কুরআন তেলওয়াতের পর অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখনে মোহাম্মদ আনোয়ার উদ্দিন, মোহাম্মদ শাহাবুদ্দিন, মোহাম্মদ সোহেল চৌধুরী, ফারহান উল্লাহ, মােহাম্মদ জমির উদ্দিন মোজাম্মেল হোসেন সাদ্দামসহ অনকে।

সংগঠনের সাধারন সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ শাহাজাহান বার্ষিক প্রতিবেদন পেশ করনে।

অনুষ্ঠানে লাকী কূপনরে মাধ্যমে দুই জন ভাগ্যবান উমরার টিকেট জিতেন। তারা অনুষ্ঠানরে প্রধান অতথি আলহাজ্ব ওসমান তালুকদাররে সৌজন্যে দেয়া উমরার কাফেললা ট্রীপ টিকিট জয়ী হন। বিজয়ী দুজন হলেনন, মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক সাদ্দাম ও মোহাম্মদ রকি। তারা দুজনে আগামী সপ্তাহ হতে রমজান পর্যন্ত যেকোন সময়ে কাফেলার মাধ্যমে আবুধাবি হতে মক্কা ও মদীনা উমরা ও জিয়ারতে যেতে পারবেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত বক্তৃতায় প্রধান অতথি ও বিশেষ অতিথিগণের বিবেচনায় তিনজন বজিয়ী হন। উপস্থিত বক্তৃতায় বিজয়ীরা হলন, মোহাম্মদ মহীউদ্দনি, মোহাম্মদ আনোয়ার, মোহাম্মদ ফারমান উল্লাহ। উপস্থতি বক্তৃতায় বজিয়ীদরে মোহাম্মদ এয়াছিন মিয়ার সৌজন্যে পুরুষ্কার দেয়া হয়।

অনুষ্ঠানে খলোধুলায় হাড়ী ভাঙ্গা, বল থ্রো ইভন্টে বিজয়ীদরে ১ম, ২য়, ৩য় স্হান নির্ধারন করা হয়। হাড়ী ভাঙ্গাতে আমনো বেগম, মোহাম্মদ হামীম আবদুল্লাহ, মোহ্ম্মদ নাজিম উদ্দনি বিজয়ী হন। বল থ্রোতে (ছোটদরে) মোহাম্মদ রায়হান, মোহাম্মদ হাসীব মুস্তাকীম, মোহাম্মদ মনির বিজয়ী হন। বড়দের বল থ্রোতে মোহাম্মদ সাদ্দাম, মোহাম্মদ জমির উদ্দিন, মোহাম্মদ সাইফুল বিজয়ী হন। রশি টানাটানিতে তিন গ্রুপকে বিজয়ী করা হয়।

পরে মোহাম্মদ আজম খান ও এম. আবদুল মন্নানের সৌজন্যে সকল বিজয়ীদরে পুরষ্কার দেয়া হয়। অনুষ্ঠানে চা নাস্তা, তৈরী, আপ্যায়ন ও পরবিশেনে মিসেস রাশেদা বেগম ও মিসেস আকলমিা সুলতানাকে বিশেষ পুরষ্কার দেয়া হয়।

অনুষ্ঠানে সকল বিজয়ীদরে মাঝে প্রধান অতথি,বিশেষ অতিথিগণ পুরুষ্কার বিতরণ করেন।
অনুষ্ঠানে কুরআন তেলওয়াত, নাতে রাসুল (সাঃ) পরিবেশন মিলাদ, কিয়াম ও সালাতু সালাম পরবিশেন করনে মাওলানা মোহাম্মদ আলী রেজা।

মোনাজাত পরচিালনা করনে মাওলানা আলহাজ্ব ওসমান গণি তালুকদার। মোনাজাতে দেশ, জাতি,প্রবাসীসহ মুসলমি উম্মার কল্যানে দোয়া করা হয়।

পরশিষে সভাপতি তার বক্তব্যে সকলকে ধন্যবাদ জানান এবং সবার সহযোগিত নিয়ে ভবিষ্যতেও এধরণের অনুষ্ঠান আরো করার আশা ব্যক্ত করনে।

Feb2

আনোয়ারায় ঘরে ঢুকে মা-মেয়েকে ছুরিকাঘাতে হত্যা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬, ১২:১৫ অপরাহ্ণ
আনোয়ারায় ঘরে ঢুকে মা-মেয়েকে ছুরিকাঘাতে হত্যা

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় বসতঘরে ঢুকে মা ও মেয়েকে ছুরিকাঘাতে নির্মমভাবে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।

শনিবার (১৩ জুন) রাত ১১টার দিকে আনোয়ারার পারৈকোড়া ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের চেনামতি গ্রামে এ জোড়া হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। হামলায় ছুরিকাঘাতে গুরুতর জখম হয়েছে পাঁচ বছর বয়সী এক শিশুসন্তান। এ ঘটনায় ইতিমধ্যে অভিযুক্তের ভাইকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে।

নিহত ব্যক্তিরা হলেন– ওই এলাকার সুজন বড়ুয়ার স্ত্রী এনি বড়ুয়া (৪০) ও তার মেয়ে প্রিয়ন্তী বড়ুয়া (১৬)। এ ঘটনায় গুরুতর আহত শিশুসন্তান পিয়াস বড়ুয়াকে (৫) উদ্ধার করে আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বেশ কিছুদিন ধরে সুজন বড়ুয়ার পরিবারে সুদের টাকাসহ অভ্যন্তরীণ ও পারিবারিক নানা বিষয় নিয়ে বিরোধ চলছিল। এর জের ধরেই গতকাল রাত ১১টার দিকে বসতঘরে ঢুকে মা, মেয়ে ও শিশুর ওপর ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায় অভিযুক্ত তেজপ্রিয় বড়ুয়া (৩৫)। তিনি ধারালো ছুরি দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করে ঘরের পেছনের দরজা দিয়ে পালিয়ে যান।

চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা এগিয়ে এসে রক্তাক্ত অবস্থায় তিনজনকে উদ্ধার করেন। এর মধ্যে এনি বড়ুয়া ও প্রিয়ন্তী বড়ুয়া ঘটনাস্থলেই মারা যান। গুরুতর আহত অবস্থায় শিশু পিয়াস বড়ুয়াকে উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে পাঠানো হয়।

নিহত এনি বড়ুয়ার স্বামী সুজন বড়ুয়া বলেন, ‘প্রতিবেশী তেজপ্রিয় বড়ুয়ার সঙ্গে আমাদের আর্থিক লেনদেন ছিল। এ-সংক্রান্ত কাগজপত্রের খোঁজে বাড়িতে এসে হামলার ঘটনা ঘটানো হয়ে থাকতে পারে। ঘটনার সময় আমি শহরে ছিলাম। রাতে বড় ভাইয়ের মোবাইল ফোন পেয়ে বাড়িতে এসে দেখি সব শেষ হয়ে গেছে।’

আনোয়ারা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জুয়েল আহমেদ বলেন, হত্যাকাণ্ডের খবর পেয়ে রাতেই পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে যায়। পুলিশ নিহত মা-মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে এসেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, পারিবারিক বিরোধের জেরে এই জোড়া খুনের ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার পর থেকে জড়িত ব্যক্তি পলাতক রয়েছেন।

রক্তদাতাকে পাঁচ রোগ থেকে মুক্ত থাকতে হবে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬, ১০:৩৭ পূর্বাহ্ণ
রক্তদাতাকে পাঁচ রোগ থেকে মুক্ত থাকতে হবে

আজ ১৪ জুন বিশ্ব রক্তদান দিবস। ২০০৫ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য অধিবেশনের পর থেকে প্রতি বছর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এ দিবস পালনে তাগিদ দিয়ে আসছে। যারা স্বেচ্ছায় ও বিনামূল্যে রক্তদান করে লাখ লাখ মানুষের প্রাণ বাঁচাতে ভূমিকা রাখছেন তাদেরসহ সাধারণ জনগণকে রক্তদানে উত্সাহিত করাই বিশ্ব রক্তদান দিবসের উদ্দেশ্য।

১৮ থেকে ৬০ বছরের যে কোনো শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ ও সক্ষম ব্যক্তি, যার শরীরের ওজন ৪৫ কেজির ওপরে, তারা চার মাস পরপর নিয়মিত রক্তদান করতে পারেন। তবে রক্ত দিতে হলে কিছু রোগ থেকে মুক্ত থাকতে হবে। বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশ অনুযায়ী নিরাপদ রক্ত সঞ্চালনের জন্য রক্তদাতার শরীরে কমপক্ষে পাঁচটি রক্তবাহিত রোগের অনুপস্থিতি পরীক্ষা করে নিশ্চিত হতে হবে। এ রোগগুলো হলো হেপাটাইটিস ‘বি’, হেপাটাইটিস ‘সি’, এইচআইভি বা এইডসের ভাইরাস, ম্যালেরিয়া ও সিফিলিস। রোগের স্ক্রিনিং করার পর এসব রোগ থেকে মুক্ত থাকলেই সেই রক্ত রোগীর শরীরে দেওয়া যাবে। অবশ্য একই সঙ্গে রোগীর এবং রক্তদাতার রক্তের গ্রুপিং ও ক্রসম্যাচিং করাটাও জরুরি। এছাড়া রক্তদাতা শারীরিকভাবে রক্তদানে উপযুক্ত কি না, তা জানার জন্য তার শরীরের ওজন, তাপমাত্রা, নাড়ির গতি, রক্তচাপ, রক্তস্বল্পতার উপস্থিতি ইত্যাদি পরীক্ষা করে দেখা হয়।

রক্ত মানবদেহের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। শরীরে পূর্ণমাত্রায় রক্ত থাকলে মানবদেহ থাকবে সজীব ও সক্রিয়। আর রক্তশূন্যতা বা অ্যানিমিয়া দেখা দিলেই শরীর অকেজো ও দুর্বল হয়ে পড়ে, প্রাণশক্তিতে ভাটা পড়ে। বিশিষ্ট মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ইমেরিটাস অধ্যাপক ডা. এ বি এম আবদুল্লাহ বলেন, রক্তদানে উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি কমে এবং রক্তের কোলেস্টেরলের মাত্রাও কমে যায়। ফলে হৃদরোগ, স্ট্রোক ইত্যাদি মারাত্মক রোগের আশঙ্কা হ্রাস পায়। নিয়মিত রক্তদান করলে অস্থিমজ্জা থেকে নতুন কণিকা তৈরি হয়, ফলে অস্থিমজ্জা সক্রিয় থাকে। এতে যে কোনো দুর্ঘটনা বা অন্য কোনো কারণে হঠাৎ রক্তক্ষরণ হলেও শরীর খুব সহজেই তা পূরণ করতে পারে। রক্তদানের সময় রক্তে নানা জীবাণুর উপস্থিতি আছে কি না তার জন্য পরীক্ষানিরীক্ষা করা হয়। ফলে রক্তদাতা জানতে পারেন, তিনি কোনো সংক্রামক রোগে ভুগছেন কি না। অনেক সময় রক্তদাতার শরীরের রোগপ্রতিরোধক্ষমতাও বৃদ্ধি পায়। যাদের রক্তে আয়রন জমার প্রবণতা আছে, রক্তদান তাদের জন্য ভালো।

২৮ বছর পর বিশ্বকাপে ফিরে পয়েন্ট টেবিলে ব্রাজিলকে টপকাল স্কটল্যান্ড

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬, ৯:৫৫ পূর্বাহ্ণ
২৮ বছর পর বিশ্বকাপে ফিরে পয়েন্ট টেবিলে ব্রাজিলকে টপকাল স্কটল্যান্ড

১৯৯৮ সালের পর প্রথমবার বিশ্বকাপে খেলতে নেমেছিল স্কটল্যান্ড। বিপরীতে তাদের প্রতিপক্ষ হাইতি ৫২ বছর পর বিশ্বকাপের টিকিট কাটে। যেখানে ২৮ বছর পর খেলতে নামা স্কটিশরা ৩৬ বছর পর মেগা ইভেন্টে নিজেদের প্রথম জয় পেয়েছে। এমনকি ‘সি’ গ্রুপের শক্তিশালী দুই দল ব্রাজিল-মরক্কো ১-১ গোলে ড্র করায় পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে এখন স্কটল্যান্ড।

আজ (রোববার) ফক্সবোরোর বোস্টন স্টেডিয়ামে জন ম্যাকগিনের গোলে হাইতিকে ১-০ গোলে হারাল ইউরোপীয় দেশটি। যদিও ২৮তম মিনিটে ম্যাকগিনের শট প্রতিপক্ষ ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে বল জালে জড়িয়ে যায়। হাইতির গোলরক্ষক জনি প্লাসিডকে পরাস্ত করে আসে স্কটল্যান্ডের জয়সূচক গোলটি।

১৯৯০ সালের পর স্কটিশরা বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম জয় পেয়েছে। অবশ্য মাঝে তারা বিশ্বকাপ খেলতে পারেনি ২৮ বছর। শেষবার তারা সুইডেনকে ২-১ গোলে হারিয়েছিল। অন্যদিকে, ১৯৭৪ সালে পশ্চিম জার্মানিতে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে প্রথমবার অংশগ্রহণের পর এবার দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপে খেলছে হাইতি। তবে এখনও বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম পয়েন্টের অপেক্ষায় রয়েছে তারা।

স্কটল্যান্ডের হয়ে ম্যাকগিনের গোলটি আসে বক্সের ভেতরে চে অ্যাডামসের মিস করা শট থেকে। বলটি হাইতির গোলরক্ষক প্লাসিডের গায়ে লেগে ফাঁকা জায়গায় চলে যায়। ১৩ গজ দূর থেকে ম্যাকগিনের নেওয়া শট প্রতিপক্ষ ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে দিক পরিবর্তন করে জালে প্রবেশ করে। এর আগে অবশ্য ম্যাচের ১৭তম মিনিটেও গোলের খুব কাছে ছিল স্কটল্যান্ড। অধিনায়ক স্কট ম্যাকটমিনে ফাঁকা জায়গা পেয়ে শট নেন, তবে সেটি পোস্টের উপরের অংশ ছুঁয়ে বাইরে চলে যায়।

হাইতি কয়েকটি ভালো সুযোগ তৈরি করে দ্বিতীয়ার্ধে। ৭৪তম মিনিটে রুবেন প্রভিডেন্সের ক্রস থেকে উইলসন ইসিডর বল জালে পাঠানোর চেষ্টায় সফল হতে পারেননি। এরপর ৮৪তম মিনিটে ফ্রান্টজডি পিয়েরোর হেড অল্পের জন্য বাম পাশ দিয়ে বাইরে চলে যায়।

আগামী ২০ জুন পরবর্তী ম্যাচে স্কটল্যান্ড জিলেট স্টেডিয়ামে মরক্কোর মুখোমুখি হবে। একইদিন ফিলাডেলফিয়ায় হাইতির প্রতিপক্ষ হবে ব্রাজিল।