খুঁজুন
, ,

দুবাই মুশরিফ পার্কে প্রবাসী সমিতির পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 1 December, 2019, 4:58 pm
দুবাই মুশরিফ পার্কে প্রবাসী সমিতির পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত

সংযুক্ত আরব আমরিাতরে দুবাইয়ের বিখ্যাত মুশরিফ পার্কে চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার হলদিয়ার সত্তারকূল মাওলানা রমজান আলী ম্মৃতি সংসদ প্রবাসী সমতিরি উদ্যােগে শুক্রবার (২৯ নভম্বের) ১ম পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানরে আয়োজন করা হয়।

দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালায় খেলাধূলা, প্রীতিভোজ, আলোচনা সভা, উপস্থিত বক্তৃতা, লাকী কূপন ড্র, চা নাস্তা, পুরুস্কার বতিরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

আলোচনা সভা, উপস্থিত বক্তৃতা ও পুরুস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে সভাপতত্বি করনে সংগঠনরে সভাপতি মোহাম্মদ আবদুল মন্নান। সহসভাপতি মোহাম্মদ আজম খান ও সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়িার মোহাম্মদ শাহাজানরে যৌথ পরচিালনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতথি হসিবে উপস্থিত ছিলেন আবুধাবির বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আলহাজ্ব মোহাম্মদ ওসমান তালুকদার।

বিশেষ অতথি হসিবে উপস্থিত ছিলেন ব্যবসায়ী মাওলানা মোহাম্মদ আলি রেজা, মোহাম্মদ এয়াছিন মিয়া, ব্যবসায়ী আলহাজ্ব মাহাবুবুল আলম, ব্যবসায়ী মাওলানা নুরুল আলম, ইঞ্জিনিয়ার গোলামুর রহমান মঞ্জু, মোহাম্মদ মহীউদ্দীন, ইঞ্জিনিয়ার রফিকুল ইসলাম, ব্যবসায়ী তহিদুল ইসলাম মুরাদ, মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন প্রমুখ।

মোহাম্মদ হামমি আবদুল্লাহ মনিরের কুরআন তেলওয়াতের পর অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখনে মোহাম্মদ আনোয়ার উদ্দিন, মোহাম্মদ শাহাবুদ্দিন, মোহাম্মদ সোহেল চৌধুরী, ফারহান উল্লাহ, মােহাম্মদ জমির উদ্দিন মোজাম্মেল হোসেন সাদ্দামসহ অনকে।

সংগঠনের সাধারন সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ শাহাজাহান বার্ষিক প্রতিবেদন পেশ করনে।

অনুষ্ঠানে লাকী কূপনরে মাধ্যমে দুই জন ভাগ্যবান উমরার টিকেট জিতেন। তারা অনুষ্ঠানরে প্রধান অতথি আলহাজ্ব ওসমান তালুকদাররে সৌজন্যে দেয়া উমরার কাফেললা ট্রীপ টিকিট জয়ী হন। বিজয়ী দুজন হলেনন, মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক সাদ্দাম ও মোহাম্মদ রকি। তারা দুজনে আগামী সপ্তাহ হতে রমজান পর্যন্ত যেকোন সময়ে কাফেলার মাধ্যমে আবুধাবি হতে মক্কা ও মদীনা উমরা ও জিয়ারতে যেতে পারবেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত বক্তৃতায় প্রধান অতথি ও বিশেষ অতিথিগণের বিবেচনায় তিনজন বজিয়ী হন। উপস্থিত বক্তৃতায় বিজয়ীরা হলন, মোহাম্মদ মহীউদ্দনি, মোহাম্মদ আনোয়ার, মোহাম্মদ ফারমান উল্লাহ। উপস্থতি বক্তৃতায় বজিয়ীদরে মোহাম্মদ এয়াছিন মিয়ার সৌজন্যে পুরুষ্কার দেয়া হয়।

অনুষ্ঠানে খলোধুলায় হাড়ী ভাঙ্গা, বল থ্রো ইভন্টে বিজয়ীদরে ১ম, ২য়, ৩য় স্হান নির্ধারন করা হয়। হাড়ী ভাঙ্গাতে আমনো বেগম, মোহাম্মদ হামীম আবদুল্লাহ, মোহ্ম্মদ নাজিম উদ্দনি বিজয়ী হন। বল থ্রোতে (ছোটদরে) মোহাম্মদ রায়হান, মোহাম্মদ হাসীব মুস্তাকীম, মোহাম্মদ মনির বিজয়ী হন। বড়দের বল থ্রোতে মোহাম্মদ সাদ্দাম, মোহাম্মদ জমির উদ্দিন, মোহাম্মদ সাইফুল বিজয়ী হন। রশি টানাটানিতে তিন গ্রুপকে বিজয়ী করা হয়।

পরে মোহাম্মদ আজম খান ও এম. আবদুল মন্নানের সৌজন্যে সকল বিজয়ীদরে পুরষ্কার দেয়া হয়। অনুষ্ঠানে চা নাস্তা, তৈরী, আপ্যায়ন ও পরবিশেনে মিসেস রাশেদা বেগম ও মিসেস আকলমিা সুলতানাকে বিশেষ পুরষ্কার দেয়া হয়।

অনুষ্ঠানে সকল বিজয়ীদরে মাঝে প্রধান অতথি,বিশেষ অতিথিগণ পুরুষ্কার বিতরণ করেন।
অনুষ্ঠানে কুরআন তেলওয়াত, নাতে রাসুল (সাঃ) পরিবেশন মিলাদ, কিয়াম ও সালাতু সালাম পরবিশেন করনে মাওলানা মোহাম্মদ আলী রেজা।

মোনাজাত পরচিালনা করনে মাওলানা আলহাজ্ব ওসমান গণি তালুকদার। মোনাজাতে দেশ, জাতি,প্রবাসীসহ মুসলমি উম্মার কল্যানে দোয়া করা হয়।

পরশিষে সভাপতি তার বক্তব্যে সকলকে ধন্যবাদ জানান এবং সবার সহযোগিত নিয়ে ভবিষ্যতেও এধরণের অনুষ্ঠান আরো করার আশা ব্যক্ত করনে।

Feb2
Feb2

রেলওয়ে কর্মচারী কল্যাণ ট্রাস্ট নির্বাচন নিয়ে নতুন সংকট

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 14 August, 2026, 11:03 pm
রেলওয়ে কর্মচারী কল্যাণ ট্রাস্ট নির্বাচন নিয়ে নতুন সংকট

নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশ রেলওয়ে (কর্মচারী) কল্যাণ ট্রাস্টের ঢাকা বিভাগীয় কমিটির শ্রমিক প্রতিনিধি নির্বাচন-২০২৬ ঘিরে বিরোধ ও আইনি জটিলতা আরও গভীর হয়েছে। ভোটার তালিকা, প্রার্থিতা যাচাই-বাছাই, আপিলের সময়সীমা এবং নির্বাচন কমিশনের পরবর্তী সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন এক প্রার্থী। এর মধ্যেই আগামী ১৬ আগস্ট অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনের ভোটগ্রহণে আপাতত অংশ না নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন “গ” গ্রুপ এর বৈধ প্রার্থী আহামুদুর রহমান টিটু,প্রধান সহকারী, ডিটিও,ঢাকা দপ্তর।

মামলার নথিতে বলা হয়েছে, গত ১২ জুলাই ২০২৬ বাংলাদেশ রেলওয়ে (কর্মচারী) কল্যাণ ট্রাস্টের ঢাকা বিভাগীয় কমিটির শ্রমিক প্রতিনিধি নির্বাচন-২০২৬-এর তফসিল ঘোষণা করা হয়। তফসিল অনুযায়ী ৩০ জুলাই চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ ও প্রতীক বরাদ্দের সময় নির্ধারিত ছিল।

তবে বাদীপক্ষের অভিযোগ, ভোটার তালিকায় একাধিক কর্মচারীর নাম, পদবি ও কর্মস্থলসংক্রান্ত ভুল-ত্রুটি,অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী, চাকুরী হইতে অব্যাহতি নেওয়া কর্মচারী, মৃত ব্যক্তির নাম,বদলীজনিত ব্যক্তি,কর্মস্থল থেকে অনেক দূরের কর্মচারী ছিল। কয়েকজনের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়া এবং একই ব্যক্তির নাম একাধিক কেন্দ্রে থাকার বিষয়ও মামলার নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে। এসব সংশোধনের জন্য ০২ আগস্ট নির্বাচন কমিশনের কাছে লিখিত আবেদন করা হলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
অন্যদিকে, ২৯ জুলাই প্রকাশিত মনোনয়ন যাচাই-বাছাইয়ের খসড়া তালিকায় একজন প্রার্থীকে বৈধ এবং অন্য ০২ জন কে অবৈধ ঘোষণা করা হয়। পরে আপিলের সুযোগ দেওয়া নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। বাদীপক্ষের দাবি, নির্বাচনী নীতিমালা ও তফসিলে আপিলের কোনো বিধান না থাকা সত্ত্বেও আপিলের সুযোগ দেওয়া হয়।

মামলার নথিতে আরও দাবি করা হয়েছে, প্রাথমিকভাবে অবৈধ ঘোষিত এক প্রার্থী নির্ধারিত সময়ের ০৮ মিনিট পর আপিল জমা দেন। নথিতে আপিল গ্রহণের সময় ১৪:০৮ মিনিট উল্লেখ রয়েছে।

পরবর্তী সময়ে ৩০ জুলাই সন্ধ্যা সাড়ে সাড়ে সাতটার দিকে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীকে ‘সাময়িকভাবে বৈধ’ বা ‘স্থগিত’ প্রার্থী হিসেবে রাখা হয় বলে মামলার নথিতে উল্লেখ রয়েছে। ওই প্রার্থীকে তার সংশ্লিষ্ট মামলার নিষ্পত্তির প্রমাণ দাখিলের জন্য সময় দেওয়া হয়।

এরপর ৬ আগস্ট নির্বাচন কমিশনের একটি অফিস স্মারকের মাধ্যমে ওই প্রার্থীকে চূড়ান্তভাবে বৈধ ঘোষণা এবং ‘গোলাপ ফুল’ প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে বলে মামলার নথিতে উল্লেখ রয়েছে। বাদীপক্ষ এই সিদ্ধান্তের বৈধতা নিয়ে আদালতের হস্তক্ষেপ চেয়েছে।

আদালতে কারণ দর্শানোর নোটিশ
বিষয়টি আদালতে গড়ানোর পর সংশ্লিষ্টদের প্রতি কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি হয়েছে। নথিতে ৬ আগস্টের নির্বাচন কমিশন-সংক্রান্ত অফিস স্মারক বাতিল, ভোটার তালিকা সংশোধন এবং মনোনয়ন যাচাই-বাছাইয়ের ভিত্তিতে প্রার্থিতা নির্ধারণসহ বিভিন্ন বিষয়ে আদালতের আদেশ চাওয়া হয়েছে।
এছাড়া মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট অফিস স্মারকের ওপর অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা এবং নির্বাচন কার্যক্রম স্থগিত রাখার আবেদনও করা হয়েছে।

ভোটে অংশ না নেওয়ার ঘোষণা দেন ” গ” গ্রুপ এর মই মার্কার বৈধ প্রার্থী আহামুদুর রহমান টিটু।

এই আইনি জটিলতার মধ্যেই সংশ্লিষ্ট প্রার্থী এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, উদ্ভূত পরিস্থিতিতে তিনি ১৬ আগস্টের নির্বাচনে আপাতত ভোটগ্রহণে অংশ নেবেন না। এ বিষয়ে তিনি নির্বাচন কমিশনারকে লিখিতভাবে অবহিত করেছেন বলেও জানিয়েছেন।

বিবৃতিতে তিনি বলেন, তার সিদ্ধান্ত কোনো ব্যক্তি বা পক্ষের বিরুদ্ধে নয়; বরং একটি সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বার্থে তিনি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। একই সঙ্গে আদালতে বিচারাধীন কার্যক্রমের প্রতি পূর্ণ শ্রদ্ধা জানিয়ে আদালত যে সিদ্ধান্ত দেবেন, তা মেনে নেওয়ার কথাও জানিয়েছেন তিনি।

তিনি আরও জানিয়েছেন, নির্বাচনসংক্রান্ত বিরোধের কারণ, প্রাসঙ্গিক তথ্য ও তাদের অবস্থান গণমাধ্যমের সামনে তুলে ধরেছেন।

কী হতে যাচ্ছে?
১৬ আগস্ট নির্বাচন অনুষ্ঠানের নির্ধারিত সময় ঘনিয়ে আসার মধ্যে আদালতে বিচারাধীন বিরোধ এবং সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর ভোটগ্রহণে অংশ না নেওয়ার ঘোষণা নির্বাচন প্রক্রিয়াকে নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রে নিয়ে এসেছে।

তবে মামলার অভিযোগগুলো এখনো আদালতে চূড়ান্তভাবে প্রমাণিত হয়নি। নির্বাচন কমিশন ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য পক্ষের বক্তব্য এবং আদালতের পরবর্তী আদেশের ওপরই এ বিরোধের চূড়ান্ত পরিণতি নির্ভর করবে।

এখন সবার নজর আদালতের পরবর্তী সিদ্ধান্ত এবং নির্বাচন কমিশনের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে।

স্পোর্টসকে অর্থনীতির মূলধারায় নিয়ে আসার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে: অর্থ এবং পরিকল্পনা মন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 14 August, 2026, 7:37 pm
স্পোর্টসকে অর্থনীতির মূলধারায় নিয়ে আসার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে: অর্থ এবং পরিকল্পনা মন্ত্রী

অর্থ এবং পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, খেলাধুলাকে শুধু বিনোদন হিসেবে দেখলে হবে না; এটিকে একটি সম্ভাবনাময় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড ও ক্যারিয়ার হিসেবেও গড়ে তুলতে হবে। ক্রীড়াঙ্গনের সঙ্গে সরাসরি ও পরোক্ষভাবে লাখ লাখ মানুষ সম্পৃক্ত। তাই স্পোর্টস ইকোনমিকে অর্থনীতির মূলধারায় নিয়ে আসার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

মন্ত্রী আজ চট্টগ্রাম জেলা স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) চট্টগ্রাম মহানগর আয়োজিত শহীদ জিয়া ও খালেদা জিয়া স্মৃতি আন্তঃস্কুল গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৬ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, শুধু বই পড়ার মধ্য দিয়ে একটি শিশুর পরিপূর্ণ বিকাশ সম্ভব নয়। লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলা, সংস্কৃতিচর্চা ও কারিগরি শিক্ষার সমন্বয়ের মাধ্যমে আগামী প্রজন্মকে গড়ে তুলতে হবে। সুস্থ ও দক্ষ নাগরিক তৈরিতে খেলাধুলার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে দেশের খেলার মাঠ, খেলোয়াড় এবং ক্রীড়াঙ্গন নানা দিক থেকে পিছিয়ে পড়েছে। নতুন প্রজন্মকে খেলাধুলার সুযোগ-সুবিধার সঙ্গে সম্পৃক্ত করার মাধ্যমে তাদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশ নিশ্চিত করতে হবে। স্কুল পর্যায় থেকেই শিশু-কিশোরদের খেলাধুলার প্রতি আগ্রহী করে তুলতে হবে।

তিনি আরো বলেন, বর্তমান সময়ে শিশু-কিশোরদের একটি বড় অংশ মোবাইল ফোনে অতিরিক্ত সময় ব্যয় করছে। তাদের মোবাইল আসক্তি থেকে বের করে খেলার মাঠে নিয়ে আসতে হবে।সেইসাথে সংস্কৃতিচর্চার সঙ্গেও তাদের সম্পৃক্ত করতে হবে।

মন্ত্রী উল্লেখ করেন যে,যারা প্রতিভাবান এবং খেলাধুলায় ভালো করবে, তাদের সামনে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে। রাষ্ট্রীয়ভাবে ক্রীড়াবিদদের সহযোগিতা এবং স্কুল পর্যায়ে খেলোয়াড়দের প্রয়োজনীয় উপকরণ সরবরাহের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীদের জার্সি, ব্যাগ, জুতা ও যাতায়াতসহ প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেওয়ার মাধ্যমে তাদের খেলাধুলায় উৎসাহিত করা হচ্ছে।

মন্ত্রী আরো উল্লেখ করে বলেন, বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ এই স্কুলের ছেলেমেয়েরা। তাদের লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলার সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত করতে হবে। কারণ একজন শিক্ষার্থীকে পরিপূর্ণ মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে শিক্ষা, ক্রীড়া, সংস্কৃতি ও কারিগরি শিক্ষার সমন্বিত বিকাশ প্রয়োজন।

ক্রীড়া সংগঠকদের উদ্দেশ্যে মন্ত্রী বলেন, ক্রীড়াঙ্গনে দলাদলি ও বিভাজন পরিহার করে খেলাধুলার উন্নয়নে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। যারা খেলাধুলাকে ভালোবাসেন, তাদের ক্রীড়ার উন্নয়নে এবং যারা সংস্কৃতিকে ভালোবাসেন, তাদের সংস্কৃতির বিকাশে ভূমিকা রাখতে হবে।

শহীদ জিয়া ও খালেদা জিয়া স্মৃতি আন্তঃস্কুল গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট কমিটির আহ্বায়ক নিয়াজ মোহাম্মদ খানেঁর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে
চট্টগ্রাম ৯ আসনের সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদীদল বিএনপি চট্টগ্রাম মহানগরের সদস্য সচিব নাজিমুর রহমান বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন। শহীদ জিয়া ও খালেদা জিয়া স্মৃতি আন্তঃস্কুল ফুটবল টুর্নামেন্ট কমিটির সদস্য সচিব মশিউল আলম স্বপন সঞ্চালনা করেন।

অনুষ্ঠানে খেলোয়াড়, ক্রীড়া সংগঠক, শিক্ষক, অভিভাবক এবং দীর্ঘদিন ধরে ক্রীড়াঙ্গনের উন্নয়নে কাজ করে আসা ব্যাক্তিবর্গসহ প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিক বৃন্দ উপস্থিত ছিলেন ।

পরে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী শহীদ জিয়া ও খালেদা জিয়া স্মৃতি আন্তঃস্কুল গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৬ আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেন। উদ্বোধনের পর মাঠে টুর্নামেন্টের খেলা শুরু হয়।

শিপইয়ার্ডে প্রত্যেক নিহতের পরিবার পাবে ১০ লাখ টাকা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 14 August, 2026, 7:05 pm
শিপইয়ার্ডে প্রত্যেক নিহতের পরিবার পাবে ১০ লাখ টাকা

সীতাকুণ্ডের ফেরদৌস স্টিল শিপ ব্রেকিং ইয়ার্ডের একটি এলএনজি জাহাজ কাটার সময় বিষাক্ত গ্যাস ছড়িয়ে নিহত প্রত্যেকের পরিবারকে ১০ লাখ টাকা করে দেওয়া হবে।

শুক্রবার (১৪ আগস্ট) চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিহতদের স্বজনদের সান্ত্বনা ও আহত শ্রমিকের চিকিৎসার খোঁজ নিতে এসে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা এ তথ্য জানান।

জেলা প্রশাসক বলেন, নিহতদের প্রত্যেকের পরিবারকে ১০ লাখ টাকা করে দেওয়া হবে। বাংলাদেশ শিপ ব্রেকার্স অ্যান্ড রিসাইক্লার্স অ্যাসোসিয়েশন এ টাকা দেবে।

তিনি জানান, ঘটনাস্থলে সেনাবাহিনীর টিম গেছে। বিস্ফোরক অধিদপ্তরের টিম গেছে। একটি তদন্ত টিম গঠন করা হবে। যাতে বিশেষজ্ঞ থাকবে। রিপোর্ট পেলে বুঝতে পারব সেফটি নিশ্চিত করা হয়েছিল কিনা।