খুঁজুন
, ,

আনোয়ারায় বন্দর সেন্টারে ফুটপাত দখল করে ব্যবসা,দুর্ভোগে পথচারীরা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 4 July, 2022, 9:07 am
আনোয়ারায় বন্দর সেন্টারে ফুটপাত দখল করে ব্যবসা,দুর্ভোগে পথচারীরা

আনোয়ারা প্রতিনিধি: আনোয়ারা উপজেলার সিইউএফএল সড়ক, বন্দর মহানখান বাজারের সড়কের উভয় পাশে ফুটপাত দখল করে দোকান করার কারণে প্রতিদিন সৃষ্টি হচ্ছে দীর্ঘ যানজট। যানজটের আটকে পড়ে ভোগান্তির শিকার হচ্ছে হাজার হাজার মানুষ। দীর্ঘ যানজট নিরসনের কোন উদ্যোগ নেই আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর।

সরেজমিনের পরিদর্শন করে দেখা যায়, সিইউএফএল সড়কের এবং বন্দর সেন্টার মোড়ে সড়ক দখল করে উভয় পাশে বসেছে বেশ কিছু ফলের দোকান ও অটোরিকশা স্ট্যান্ড। সড়কটিতে দেখা যায় গাড়ির দীর্ঘ যানজটের এমন চিত্র।

জানা যায়, সিইউএফএল সড়কের সেন্টার মোড়ে এসে মোহছেন আউলিয়া সড়কে প্রবেশ ধারে রাস্তাটি দুইটি অংশে ভাগ হয়েছে। এর দুইটি অংশ দিয়ে একদিকে সিইউএফএল, কাফকো, ড্যাপ সারকারখানা ও কর্ণফুলী টানেলের বড় বড় ট্রাক ও লরীসহ ভারী যানবাহন চলাচল করে। অপর দিকে মোহছেন আউলিয়া রাস্তা দিয়ে লোকাল বাস, বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর বড় বড় গাড়ি, রুস্তম হাটের ব্যবসায়ীদের শহর থেকে মাল বোঝাই ট্রাক চলাচল করে। সেন্টার মোড়ে বড় গাড়ীগুলো মোড় ফিরতে রাস্তার উপর বেশ কিছু ফলের দোকান ও অটোরিকশা রাখায় প্রতিনিয়ত যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে। প্রতিদিন সন্ধ্যায় কোরিয়ান ইপিজেডের কারখানাগুলো ছুটি হলে শ্রমিকদের বহনকারী শত শত গাড়ীর চাপে সৃষ্টি হচ্ছে অসহনীয় যানজট।

ভুক্তভোগী যাত্রী আরফাত হোসেন জানান, সড়কের উভয় পাশে ভাসমান দোকান বাসানোর কারণে দীর্ঘ যানজট লেগে থাকে। তারমধ্য যানজট নিরসনের জন্য নেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কোনো তৎপরতা। আমরা সড়ক দিয়ে চলাচলের নানা দিক সমস্যা সম্মুখীন শিকার হচ্ছি। আমরা কর্তৃপক্ষের কাছে সড়কের পাশে গড়ে ওঠা অবৈধ ভাসমান দোকানপাট উচ্ছেদ করা আহবান জানাচ্ছি।

স্থানীয় ব্যবসায়ী আরফাত হক জানান, বন্দর সেন্টারে অর্থনীতিক অঞ্চল অন্য দিকের নন্দিত মিনি কক্সবাজারের নামে পরিচিত পারকী সমুদ্রের সৈকতের পর্যটনরা ভ্রমণ করতে আসতেছে। বিভিন্ন জেলা, উপজেলা থেকে জনসাধারণ মানুষ দীর্ঘ যানজট সম্মুখীন শিকার হচ্ছে। জরুরি সময়ে মুমূর্ষ রোগীদের অ্যাম্বুলেন্সে এই দীর্ঘ যানজটের আটকা পড়ে।

এ ব্যাপারে সিইউএফএলের ভূমি অফিসার আমিনুল ইসলাম (লাভলু) বলেন, সিইউএফএলের জায়গায় ভাসমান দোকানগুলো একাধিক বার উচ্ছেদ করা হয়েছে কিন্তু পরবর্তীতে তারা আবার বসে যায়। ইতিমধ্যে আমরা প্রশাসনের নিকট দরখাস্ত দিয়েছি। প্রশাসনের সহযোগিতা নিয়ে অতি শীঘ্রই উচ্ছেদ অভিযান শুরু করব। দ্রুত সময়ে সড়কটি চারলাইনে প্রশস্ত করতে সকল অফিসিয়ালি কার্যক্রম শেষ হচ্ছে।

কর্ণফুলী বন্দর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আব্দুর রহিম বলেন, সড়কের উপর অটোরিকশাগুলোর ব্যাপারে একাধিকবার অভিযান চালানো হয়েছে এবং সড়কে গাড়ী না রাখতে বলার পরেও তারা আবারো সড়কে ওঠে যায়। দ্রুত সময়ে অটোরিকশা চালকদেরকে ডেকে সড়কের উপর যাতে কোন ধরণের রিকশা না রাখে সে ব্যবস্থা করা হবে।

Feb2
Feb2

রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 7:52 pm
রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার উদ্যোগে ঐতিহ্যবাহী রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ প্রাঙ্গণ থেকে ৯ রবীউল আউয়াল ২৩ আগস্ট সকাল ১১ টায় পবিত্র জশনে জুলূসে ঈদে মীলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও মীলাদ মাহ্ফিল অনুষ্ঠিত হয়।

জুলূসে নেতৃত্ব দেন রাহাতিয়া দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন, পীরে কামিল শাহ্ সূফী আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ আবুল বয়ান শাহ্ নঈমী আশরাফী নকশবন্দী (মু.যি.আ.)।

রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ যিয়ারতের মাধ্যমে জুলূস শুরু হয়। রাঙ্গুনিয়া সরকারি কলেজ রোড হয়ে রাহাতুল্লাহ্ নকশবন্দী সড়ক হয়ে মরিয়ম নগর চৌমুহনী শাহী জামে মসজিদ সামনে সংক্ষিপ্ত আলোচনা ও মুনাজাত হয়। পুনরায় কাপ্তাই সড়ক প্রদক্ষিণ করে রাঙ্গুনিয়া কলেজ গেট হয়ে
রাহাতিয়া দরবার শরীফ পার্শস্থ রাহাতিয়া শাহী ঈদগাহ্ ময়দানে এসে জড়ো হয়। জুলূসে অংশ নেওয়া সুন্নী জনতার হাতে ছিল বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার পতাকা, প্লেকার্ড ও ফেস্টুন।

জলূসে অংশগ্রহণকারীদের কণ্ঠে “ইয়া নবী সালাম আলাইকা”, “মুস্তফা জানে রহমত পেহ্ লাখো সালাম” ইত্যাদি হামদ, না’তে রাসূল (সা.) এবং “না’রায়ে তাকবীর আল্লাহু আকবর”, “না’রায়ে রিসালাত ইয়া রাসুলাল্লাহ্ (দ.)”।

রাহমাতুল্লিল আলামীন (সা.)-এর শুভাগমণের শুকরগুযার সম্পর্কিত স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত হয়।

রাহাতিয়া দরবার শরীফের নায়েবে সাজ্জাদানশীন, পীরযাদাহ্ মাওলানা সৈয়্যদ মুহাম্মদ গোলাম রসুল শাহ্ নঈমী (মু.যি.আ.)-এর সার্বিক তত্ত্বাবধান ও পরিচালনায় এতে প্রধান মেহমান ছিলেন ভারত থেকে আগত পীরযাদাহ্ মাওলানা মুহাম্মদ বায়েজীদ আশরাফী।

বক্তব্য রাখেন আনজুমান-এ আহলে তাসাওউফ বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাওলানা গাজী মুঈনুদ্দীন রিজভী, বায়েজীদ দায়রায়ে মঈনিয়া রহমানিয়ার মুনতাজিম, মাওলানা মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম আশরাফী মাইজভান্ডারী, বাংলাদেশ সূফীবাদী ঐক্য ফোরাম বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান সাংবাদিক নূর মোহাম্মদ রানা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার মহাসচিব মুহাম্মদ নঈম উদ্দিন প্রমুখ।

না’তে রাসূল (সা.) পরিবেশন করেন শায়ের ওমর ফারুক ইরন, শায়ের আলভী হাসান।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত, না’তে রাসূল (সা.) শেষে মীলাদ, ক্বিয়াম ও মুনাজাতের মাধ্যমে মুসলিম উম্মাহ্’র শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ দু’আ করা হয়।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 2:52 pm
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন করার নামে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তিন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৫ অক্টোবর দিন ধার্য করা হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের অপর সদস্য বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

তিন সাংবাদিক হলেন, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত, একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল বাবু এবং একই প্রতিষ্ঠানের সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ফারজানা রুপা।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর জহিরুল আমিন, মার্জিনা রায়হান, তারেক আবদুল্লাহসহ অন্যান্য প্রসিকিউটর।

শুনানিতে প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ১৭ আগস্ট প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করা হয়েছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাদের আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। এ মামলায় তিনজনকেই গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করছে প্রসিকিউশন। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দুই মাস সময় চান তিনি।

শুনানি শেষে প্রসিকিউশনের আবেদন মঞ্জুর করে শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। পাশাপাশি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

প্রসিকিউশন জানায়, ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই গণভবনে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই দিন তাকে প্রশ্ন করার নামে কিছু উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছিলেন কয়েকজন সাংবাদিক। এর পরিপ্রেক্ষিতে আন্দোলনকারীদের রাজাকারের বাচ্চা ও রাজাকারের নাতিপুতি বলেছিলেন শেখ হাসিনা।

রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, ওই উসকানিমূলক প্ররোচনার ধারাবাহিকতায় জুলাইয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়। এ মামলায় ১৪ জুলাইয়ের ওই ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে।

নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 1:11 pm
নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ফেনীর সোনাগাজীর বহুল আলোচিত মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত হত্যা মামলায় সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ আসামিকে খালাস ও চার আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে যে দুই আসামির তারা হলেন-সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা (৫৭) এবং শাহাদাত হোসেন শামীম(২০)।

আলোচিত এই মামলায় ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর রায় দিয়েছিলেন। রায়ে মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ ১৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।

নথিপত্র অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে নুসরাতের শ্লীলতাহানি করেন। এ ঘটনায় মামলা হলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলা তুলে না নেওয়ায় ৬ এপ্রিল মাদ্রাসার ছাদে ডেকে নিয়ে নুসরাতের হাত-পা বেঁধে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই বছরের ১০ এপ্রিল নুসরাতের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান (নোমান) সোনাগাজী থানায় মামলা করেন। পরে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।