খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

থানায় যুবলীগ নেতার জন্মদিন পালন করলেন ওসি!

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০১৯, ৭:০৭ অপরাহ্ণ
থানায় যুবলীগ নেতার জন্মদিন পালন করলেন ওসি!

রাজশাহী নগরীর চন্দ্রিমা থানায় ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও বলাৎকারের অভিযোগে বহিষ্কৃত যুবলীগ নেতা তৌহিদুল হক সুমনের জন্মদিন পালন করেছেন ওসি গোলাম মোস্তফা।

রবিবার রাতে আলোচিত যুবলীগ নেতা তৌহিদুল হক সুমনকে নিয়ে ওসি নিজ চেম্বারে কেক কাটেন। পরে কাউন্সিলর সুমন ওসির আমন্ত্রণে থানায় জন্মদিন পালনের খবর নিজের ফেসবুক পেজে ছবিসহ শেয়ার করেন।

জানা গেছে, গত ৮ ডিসেম্বর ছিল রাজশাহী সিটি করপোরেশনের (রাসিক) ১৯নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর তৌহিদুল হক সুমনের জন্মদিন। এ উপলক্ষে দিনভর ওই ওয়ার্ডে নানা ব্যক্তির উদ্যোগে কেক কাটা হয়। সুমন নিজের ফেসবুকে সেগুলোর বর্ণনাসহ কৃতজ্ঞতা জানান। পরে রাতে নগরীর চন্দ্রিমা থানার ওসি গোলাম মোস্তফার কক্ষে কেক কাটার আয়োজন করা হয়। ওসির আমন্ত্রণে সুমন থানায় হাজির হন। এসময় ওসি গোলাম মোস্তফা তাকে ফুলের তোড়া দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। পরে ওসিকে সঙ্গে নিয়ে জন্মদিনের কেক কাটেন সুমন। এসময় ওসি গোলাম মোস্তফা তাকে কেক খাইয়েও দেন। অনুষ্ঠানে চন্দ্রিমা থানার ওসি (তদন্ত) শরিফুল ইসলাম ও একজন এসআইও উপস্থিত ছিলেন।

থানায় জন্মদিন পালনের বিষয়ে সুমন ছবিসহ নিজের ফেসবুকে লিখেন, ‘চন্দিমা থানার ওসি সাহেব গোলাম মোস্তফা মহোদয়ের স্নেহময় ভালোবাসায়’। ছবিতে দেখা যায়, কাউন্সিলর সুমন এবং ওসি মোস্তফা মোমবাতি জ্বালিয়ে কেক কাটছেন। তাদের পাশে দাঁড়িয়ে হাত তালি দিচ্ছেন ওসি (তদন্ত) শরিফুল ইসলাম ও একজন এসআই।

এবিষয়ে কাউন্সিলর সুমন বলেন, ‘সবার ভালবাসায় বিভিন্নস্থানে কেক কেটে তিনি জন্মদিন উদযাপন করেন। চন্দ্রিমা থানার ওসি মোস্তফা সাহেব তাকে ভালবাসেন। তাই তিনি আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। তার আমন্ত্রণেই গিয়ে কেক কেটেছেন।’

যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে, চন্দ্রিমা থানার ওসি গোলাম মোস্তফার সরকারি ফোন রিসিভ করেন ওসি (তদন্ত) শরিফুল ইসলাম। এসময় তিনি বলেন, ‘স্যার (ওসি) মিটিংয়ে আছেন’। তবে কাউন্সিলর সুমনের জন্মদিনে থানায় কেক কাটা অনুষ্ঠানের কথা অস্বীকার করেন তিনি।

উল্লেখ্য, ২০১৮ সালে যুবলীগ নেতা সুমনের বিরুদ্ধে নগরীর শিরোইল এলাকার এক কিশোরকে বলাৎকারের অভিযোগ ওঠে। তখন এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও ফেসবুকে ভাইরাল হয়। এরপরই সুমনকে মহানগর যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদকের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…