খুঁজুন
, ,

থার্টি ফার্স্টে উন্মুক্ত স্থানে নাচ-গান করা যাবে না

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 12 December, 2019, 2:24 pm
থার্টি ফার্স্টে উন্মুক্ত স্থানে নাচ-গান করা যাবে না

ইংরেজি নতুন বছরের আগমন উপলক্ষে থার্টি ফার্স্ট নাইট উদযাপনের নামে উন্মুক্ত স্থানে নাচ-গানের আয়োজন করা যাবে না বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। তিনি বলেন, থার্টি ফার্স্ট নাইটে সব ধরণের অস্ত্র বহন ও প্রদর্শনও নিষিদ্ধ থাকবে।

বৃহস্পতিবার (১২ ডিসেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আসন্ন বড়দিন উদযাপন এবং থার্টি ফার্স্ট নাইট উপলক্ষে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি তুলে ধরে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। এর আগে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশসহ অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে করেন মন্ত্রী।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘বড়দিন যাতে খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীরা শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপন করতে পারে ও থার্টি ফার্স্ট নাইটে যেন কোন প্রকার উশৃঙ্খলতা পরিবেশ নষ্ট না করতে পারে সেজন্য সভা করেছি। বড়দিন উদযাপনে সংশ্লিষ্ট চার্চের সঙ্গে সমন্বয় করে সারাদেশের প্রায় ৩ হাজার ৫শ চার্চের নিরাপত্তায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের নিজস্ব স্বেচ্ছাসেবক বাহিনী কাজ করবে। তেজগাঁও, কাকরাইল, মিরপুরসহ গুরুত্বপূর্ণ চার্চে বিশেষ নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হবে। চার্চ গুলোতে সিসি ক্যামেরা, মেটাল ডিটেকটরসহ অন্যান্য ব্যবস্থা থাকবে।’

পুলিশ কন্ট্রোল রুমের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘বড়দিন উপলক্ষে পুলিশের কন্ট্রোল রুম থাকবে। তারা সকল জায়গায় যোগাযোগ রাখবে। চার্চের একজন করে ফোকাল পয়েন্ট থাকবে। তারা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সব সময় যোগাযোগ রাখবে। ২৪ থেকে ২৫ ডিসেম্বর চার্চে নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হবে। ২৫ ডিসেম্বর রাতে বিশেষ ব্যবস্থা থাকবে। রামগঞ্জ, কালিঞ্জ, ময়মনসিংহ জেলা ও দক্ষিণাঞ্চলের খ্রিস্টান অধ্যুষিত এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হবে।’

২৫ ডিসেম্বর বড় দিন ও থার্টি ফার্স্ট নাইট উপলক্ষে কূটনৈতিক এলাকায় বিশেষ নিরাপত্তার ব্যবস্থা থাকবে বলেও জানান তিনি।

থার্টি ফার্স্ট ও বড় দিন উপলক্ষে নাচ-গানের আয়োজন সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘বড় দিন ও থার্টি ফার্স্ট নাইটকে কেন্দ্র করে রাস্তা, ফ্লাইওভারে কনসার্ট ও নাচগানের আয়োজন করা যাবে না। ৩১ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ৬টার পর ঢাকা মহানগরীসহ সারাদেশে উন্মুক্ত স্থানে কোন নাচ-গানের আয়োজন করা যাবে না। ৩১ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরের দিন ১ জানুয়ারি সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত সারাদেশের সকল বার বন্ধ থাকবে। এরই মধ্যে মাদকের বিরুদ্ধে ব্যাপক অভিযান চলবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘বড়দিন ও থার্টি ফার্স্ট নাইট উপলক্ষে ভূবুজেলা বাজানো, পটকা ফোটানো এবং আতশবাজি করা যাবে না। ৩০ ডিসেম্বর বিকাল চারটা থেকে পহেলা জানুয়ারি সকাল ১০টা পর্যন্ত বৈধ আগ্নেয়াস্ত্র বহন করা যাবে না। ৩১ ডিসেম্বর রাত ৮টার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় বহিরাগত প্রবেশ নিষেধ থাকবে।’

বড়দিন ও থার্টি ফার্স্ট নাইটকে কেন্দ্র করে কোন আশঙ্কা আছে কিনা সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘কোনরকম আশঙ্কা নেই। আমি আগেই বলেছি, প্রতিটি বিশেষ দিন, বড়দিন, কিংবা জাতীয় দিবসে অথবা ধর্মীয় অনুষ্ঠানের আগে আমরা এ ধরনের আইনশৃঙ্খলা-সংক্রান্ত আয়োজন করি যাতে দিবসগুলো সুশৃঙ্খলভাবে সবাই পালন করতে পারেন।’

Feb2
Feb2

৫ আগস্টের মধ্যে জুলাই স্মৃতি জাদুঘর খুলে দিতে হবে : নাহিদ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 1 July, 2026, 3:25 pm
৫ আগস্টের মধ্যে জুলাই স্মৃতি জাদুঘর খুলে দিতে হবে : নাহিদ

সরকারের উদ্দেশে জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেছেন, ৫ আগস্টের মধ্যে জুলাই স্মৃতি জাদুঘর খুলে দিতে হবে। তা না হলে জনগণ নিজেরাই জাদুঘর খুলে প্রবেশ করবে।

বুধবার (১ ‍জুলাই) রায়েরবাজারে চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের গণকবর জিয়ারত শেষে তিনি এ কথা বলেন।

নাহিদ ইসলাম বলেন, জুলাই হত্যা মামলার তদন্ত ও বিচার ধীরগতিতে হচ্ছে। এটা আরও দ্রুত করতে হবে। ওসমান হাদির হত্যাকারীদের দেশে ফেরাতে হবে। শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে ফাঁসির রায় কার্যকর করতে হবে।

তিনি বলেন, শুধু নামকাওয়াস্তে জুলাই গণঅভ্যুত্থান পালন করলে চলবে না। জুলাই সনদ ও গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করতে হবে। রাষ্ট্র কাঠামোর সংস্কার করতে হবে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষ্যে সরকার এখনো কোনো কর্মসূচি ঘোষণা করেনি। আশা করছি, সরকার দ্রুতই কর্মসূচি ঘোষণা করবে।

এ সময় ১৪ দলীয় নেতা হাসানুল হক ইনুকে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার অন্যতম সহযোগী উল্লেখ করে এই এনসিপির নেতা বলেন, ইনুর ১০ বছরের সাজা হতে পারে না। আমরা আপিলের মাধ্যমে তার কঠোর শাস্তি প্রত্যাশা করছি।

৪০ বছর পর নকআউটে জিতে বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে মেক্সিকো

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 1 July, 2026, 3:12 pm
৪০ বছর পর নকআউটে জিতে বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে মেক্সিকো

স্বপ্নের যাত্রা অব্যাহত রেখে শেষ ষোলোয় উঠেছে বিশ্বকাপের সহ-আয়োজক মেক্সিকো। বজ্রঝডের কবলে পড়ে এক ঘণ্টা দেরিতে শুরু হওয়া শেষ ৩২–এর ম্যাচে তারা ইকুয়েডরকে ২-০ গোলে হারিয়েছে। ৪০ বছরে প্রথমবার বিশ্বকাপের নকআউটে জিতে শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে মেক্সিকো।

এ নিয়ে নিজেদের সর্বশেষ ৭ ম্যাচেই জিতেছে মেক্সিকো, ২০২৬ সালে ১২ ম্যাচ খেলে জয় ১০টিতে। এ ছাড়া ১৯৯০ বিশ্বকাপে ইতালির পর মেক্সিকো প্রথম দল হিসেবে টানা চার জয় পেয়েছে কোনো গোল হজম না করেই। ঐতিহাসিক আজতেকা স্টেডিয়ামে তাদের দাপুটে জয়ের পর শেষ ষোলোয় তারা লড়বে ইংল্যান্ড-গণতান্ত্রিক কঙ্গোর মাঝে বিজয়ী দলের সঙ্গে, ৬ জুলাই।

ইকুয়েডরের বিপক্ষে মেক্সিকো দুটি গোলই করেছে প্রথমার্ধে। ম্যাচের ২২ মিনিটে দলটির হয়ে প্রথম গোল করেছিলেন হুলিয়ান কিনিয়োনেস। ৯ মিনিট পর স্বাগতিকদের আবার এগিয়ে দেন রাউল হিমেনেজ। যোগ করা সময়ের পঞ্চম মিনিটে প্রতিপক্ষের সঙ্গে মুখ ঢেকে কথা বলায় ইকুয়েডরের পিয়েরো ইনকাপিয়ে লাল কার্ড দেখেন।

খেলার শুরু থেকেই গতিময় ফুটবল খেলায় ইকুয়েডরকে চেপে ধরে মেক্সিকো। গ্যালারির উচ্ছ্বাসকে তারা শক্তিতে রূপ দেয় এবং ম্যাচের একেবারে শুরুতেই এগিয়ে যাওয়ার দারুণ সুযোগ তৈরি করে। লুইস রোমোর নিখুঁত ক্রসে রাউল হিমেনেস ডিফেন্ডারদের ফাঁকি দিয়ে হেড নিলেও বল অল্পের জন্য পোস্টের বাইরে চলে যায়। এরপর ১৭ বছরের কিশোর মিডফিল্ডার গিলবার্তো মোরা টুর্নামেন্টের অন্যতম সেরা গোল উপহার দেওয়ার খুব কাছাকাছি ছিলেন। দুরূহ কোণ থেকে নেওয়া তার শক্তিশালী শট ইকুয়েডরের গোলরক্ষক হার্নান গালিনদেসকে পরাস্ত করলেও দূরের পোস্ট ঘেঁষে বাইরে চলে যায়।

শুরুর চাপ সামলে ধীরে ধীরে ইকুয়েডর ম্যাচে ফেরে। পাল্টা আক্রমণে গঞ্জালো প্লাতার দ্রুতগতির মুভ থেকে জন ইয়েবোয়া নিজের মার্কারকে কাটিয়ে কোণাকুণি শট নেন। তবে সেটি পোস্টের বাইরের অংশে লেগে ফিরে আসে, ফলে স্বাগতিক সমর্থকদের স্তব্ধ করে দেওয়ার সুযোগ হাতছাড়া হয়। মেক্সিকো কাঙ্ক্ষিত গোল পায় ২২ মিনিটে, আর তাতেই আজতেকা স্টেডিয়াম জুড়ে শুরু হয় উল্লাস।

ইকুয়েডরের হাই-প্রেস ভেঙে নিখুঁত থ্রু পাস বাড়িয়ে দেন রবার্তো আলভারাদো। সেই পাস ধরে উইলিয়ান পাচোকে শক্তির লড়াইয়ে হারিয়ে নিজের শরীর ঘুরিয়ে দুর্দান্ত এক শটে বল জালে জড়ান কলম্বিয়ায় জন্ম নেওয়া ফরোয়ার্ড হুলিয়ান কিনিয়োনেস। এটি ছিল চলতি আসরে তার তৃতীয় গোল। এর মাত্র নয় মিনিট পর ব্যবধান দ্বিগুণ করে স্বাগতিকরা। কিনিয়োনেসের সঙ্গে ওয়ান-টুস পাস বিনিময়ের পর হিমেনেস দুর্দান্ত এক শটে জালের ওপরের প্রান্তে বল জড়ান। জাতীয় দলে এটি তার ৪৭তম গোল, আছেন সর্বোচ্চ গোলদাতা থেকে ৫ গোলের দূরত্বে।

শেষ পর্যন্ত উভয় দল আক্রমণ চালিয়ে গেলেও আর কেউ ২-০ স্কোরলাইনে পরিবর্তন আনতে পারেনি। ফলে লাতিন অঞ্চলের বিশ্বকাপ বাছাইয়ে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পয়েন্ট পাওয়া ইকুয়েডর আসর থেকে ছিটকে গেল।

সংসদে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট পাস, আজ থেকে কার্যকর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 1 July, 2026, 8:27 am
সংসদে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট পাস, আজ থেকে কার্যকর

জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট পাস হয়েছে। নতুন অর্থবছরের প্রথম দিন আজ ১ জুলাই থেকে এ বাজেট কার্যকর হচ্ছে। তিন সপ্তাহের আলোচনা, সমালোচনা ও একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সংশোধনীর পর কণ্ঠভোটে গতকাল মঙ্গলবার বাজেট পাস হয়। তার আগে সোমবার অর্থবিলে মোট ৬৮টি সংশোধনী আনা হয়েছে। এটি দেশের ৫৫তম বাজেট এবং চলতি বছরের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী বিএনপি সরকারের প্রথম বাজেট। ১১ জুন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জাতীয় সংসদে বাজেট উপস্থাপন করেন। এরপর সংসদ সদস্যরা টানা তিন সপ্তাহ বাজেটের ওপর আলোচনা করেন। বিরোধী দলের সদস্যরা করনীতি, মূল্যস্ফীতি, রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য, সামাজিক নিরাপত্তা ও বিভিন্ন খাতে বরাদ্দ নিয়ে সমালোচনা করেন।

বাজেটে মানবিক অর্থনীতি গড়ে তোলার একটি সমন্বিত রূপরেখা তুলে ধরেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। বাংলাদেশকে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে রূপান্তরের লক্ষ্যে অর্থমন্ত্রী বাজেটে তিন বছর মেয়াদি রোড ম্যাপ দিয়েছেন। এর আওতায় অর্থনীতি পুনরুদ্ধার, স্থিতিশীলতা এবং গতিশীলতার জন্য পুনর্গঠনের কাজ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে বিএনপি সরকার। ধাপে ধাপে এ কৌশল বাস্তবায়ন করা হবে। বাজেট পাসের আগে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী সমাপনী বক্তব্যে বলেন, সংসদ সদস্যদের বিভিন্ন মতামত ও সুপারিশ বিবেচনায় নিয়ে বেশ কয়েকটি পরিবর্তন আনা হয়েছে। বাজেট আলোচনায় বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, এনসিপি, স্বতন্ত্র ও বিরোধী দলের সদস্যরা বিভিন্ন বিষয়ে তাদের মতামত তুলে ধরেন।

সোমবার সংসদে অর্থ বিল-২০২৬ পাস হয়। এর মাধ্যমে শুল্ক-করের পরিবর্তনগুলো কার্যকর করা হয়। এ বিলে যেসব সংশোধনী আনা হয়েছে, তার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো করমুক্ত আয়সীমা ৪ লাখ টাকা করা। অন্যদিকে ব্যাংক হিসাব খুলতে টিআইএন দাখিলের শর্ত থেকেও ফিরে এসেছেন অর্থমন্ত্রী। এতে বিপুলসংখ্যক মানুষ, যাদের করযোগ্য আয় নেই, তারা বিড়ম্বনা থেকে রেহাই পাবেন। বহুল আলোচিত আবাসন খাতে বিনা প্রশ্নে কালোটাকা সাদা করার সুযোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত থেকে ফিরে এসেছে সরকার। এসব পরিবর্তনসহ বেশকিছু পরিবর্তন এনে সোমবার সংসদে অর্থবিল পাস করা হয়েছে। এতে ব্যবসায়ের ক্ষেত্রেও বেশকিছু ছাড় দেওয়া কিংবা নতুন আরোপিত কর বা শুল্ক বাতিল করেছেন অর্থমন্ত্রী, যা সংসদে পাস হয়েছে। অবশ্য বিস্তর ছাড় দেওয়ার পরও ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বিশাল রাজস্বের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা সম্ভব হবে বলে মনে করেন অর্থমন্ত্রী। ক্ষুদ্র মুদি দোকানদারদের প্যাকেজ ভ্যাটের আওতায় আনার পরিকল্পনা থেকে সরে এসেছেন তিনি। তবে অপেক্ষাকৃত বড়দের ওপর এই প্যাকেজ ভ্যাট থাকবে।

গতকাল মঙ্গলবার জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অধিবেশনে কণ্ঠভোটে বাজেট পাস হয়। বাজেট পাসের আগে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের ব্যয় নির্বাহের জন্য ৫৯টি মঞ্জুরি দাবি উত্থাপন করেন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীরা। দাবিগুলো কণ্ঠভোটে অনুমোদিত হয়। মঞ্জুরি দাবির বিপরীতে বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা মোট ১ হাজার ৩৪২টি ছাঁটাই প্রস্তাব উত্থাপন করেন। তবে কণ্ঠভোটে সব প্রস্তাব নাকচ হয়ে যায়। পরে নির্দিষ্টকরণ বিল-২০২৬ পাসের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে বাজেট অনুমোদন দেওয়া হয়।

পাস হওয়া বাজেটের আকার ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা, যা ২০২৫-২৬ অর্থবছরের মূল বাজেট ৮ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকার চেয়ে ১ লাখ ৪৮ হাজার কোটি টাকা বেশি। এবারের বাজেটে মোট রাজস্ব আয়ের লক্ষ্য ধরা হয়েছে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা, এর মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) মাধ্যমে আদায়ের লক্ষ্য ৬ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকা। বাজেটে ঘাটতি ধরা হয়েছে ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকা, যা মোট দেশজ উত্পাদনের (জিডিপি) ৩ দশমিক ৬ শতাংশ। এবারের বাজেটে সরকার মূল্যস্ফীতি ৭ দশমিক ৫ শতাংশে নামিয়ে আনা এবং জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৬ দশমিক ৫ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে।