খুঁজুন
বুধবার, ৮ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৫শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ইউএনও শরীফ উল্যাহ’র ‘সান্ধ্যকালীন হোম ভিজিট’

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২২, ১০:২৮ অপরাহ্ণ
ইউএনও শরীফ উল্যাহ’র ‘সান্ধ্যকালীন হোম ভিজিট’

লোহাগাড়া প্রতিনিধিঃ মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিতকরণে, শিক্ষা কার্যক্রমে গতিশীলতা আনয়ন, শিক্ষার্থীদেরকে বইমুখী করা এবং পড়াশুনায় মনোযোগী করতে বিভিন্ন ব্যতিক্রমী উদ্যোগ ও উদ্বুদ্ধকরণ কার্যক্রম ইতোমধ্যে সমগ্র উপজেলায় ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। এরই মধ্যে ইউএনও শরীফ উল্যাহ গতকাল সন্ধ্যায় শুরু করেন ছাত্র-ছাত্রীদের বাড়িতে সশরীরে সরেজমিনে গিয়ে ‘সান্ধ্যকালীন হোম ভিজিট’ কার্যক্রম।

গতকাল সন্ধ্যা সাতটা থেকে রাত প্রায় দশটা পর্যন্ত তিনি তিনটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মোট এগারো জন শিক্ষার্থীর বাড়িতে গিয়েছন।

এসময় তিনি দেখেছেন- শিক্ষার্থীরা সন্ধ্যার পর যথাসময়ে বাসায় প্রবেশ করেছে কি না, বাড়িতে পড়াশুনা করছে কি না ও পড়াশুনার সার্বিক খোঁজখবর নেন। অভিভাবকদের সাথে কথা বলেন। কিছু পরামর্শ ও নির্দেশনা প্রদান করেন। এছাড়া প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণের একটি করে ব্যাগ প্রত্যেক শিক্ষার্থীর হাতে উপহার হিসেবে তুলে দেন।

জানা যায়, লোহাগাড়া সুখছড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ের ২০২২ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থী অমিত দেবনাথ, জুবাইরুল ইসলাম, জাহেদুল ইসলাম, দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী আবুল ইলহাম, সুখছড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থী অমি দাশ, দ্বীপ দাশ, রিদম দাশ, রক্তম দাশ পশ্চিম কলাউজান শাহ মজিদিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থী মোহাম্মদ ফয়সাল, মাহাতির মোঃ ইয়াসিন ও দশম শ্রেণির ছাত্র আবদুল্লাহ মাহিন এর বাড়িতে ‘সান্ধ্যকালীন হোম ভিজিট’ করেছেন। জানা যায়, ভিজিটকালে প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন ধরনের শিক্ষা উপকরণ ও একটি বইসহ প্রায় এক হাজার টাকার শিক্ষাসামগ্রী প্রদান করা হয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সান্ধ্যকালীন এমন আকস্মিক ভিজিটে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। যেসব শিক্ষার্থীর বাড়িতে তিনি গিয়েছেন সেসব শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা বিস্মিত, অভিভূত ও অত্যন্ত আনন্দিত হয়েছেন। তারা ধারণাই করতে পারেননি, উপজেলা প্রশাসনের সর্বোচ্চ অফিসার এভাবে সরাসরি ছাত্র-ছাত্রীদের বাড়িতে ভিজিট করতে চলে আসবেন। তারা মনে করেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মহোদয় এতটাই শিক্ষাবান্ধব যে তিনি একের পর এক নতুন নতুন ও ব্যতিক্রমী উদ্যোগ গ্রহণ করে চমক সৃষ্টি করে যাচ্ছেন! যা শিক্ষার মানোন্নয়নে অনেক বড় ভূমিকা রাখবে। তারা বলেন, এমন কার্যক্রমে আমাদের সন্তানরা পড়াশুনায় আরও বেশি আগ্রহী হয়ে উঠবে। প্রশাসনের এমন কঠোর মনিটরিং থাকলে শিক্ষার প্রতিটি স্তরে উন্নতি অবশ্যম্ভাবী।

এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার শরীফ উল্যাহ জানান, শিক্ষার্থীদেরকে ক্লোজ মনিটরিং এ নিয়ে আসা, তারা যাতে সন্ধ্যার পরে অহেতুক বাসার বাইরে না থাকে, আড্ডা না দেয়, খারাপ সঙ্গে জড়িয়ে না পরে, কিশোর গ্যাং সৃষ্টি না করে, মাদকাসক্তি ও অসামাজিক কার্যকলাপে সম্পৃক্ত না থাকে এবং তাদেরকে পড়াশুনায় মনোযোগী করা ও উদ্বুদ্ধ করার লক্ষ্যেই এ উদ্যোগটি হাতে নিয়েছি। আমাদের শিক্ষার্থীরা বইমুখী হলে, পড়াশুনায় মনোযোগ দিলে সামগ্রিক অর্থে শিক্ষা জীবনে তাদের সাফল্য ও উন্নতি হবে এবং জীবনে তারা অনেক উপরে উঠতে পারবে। একার্যক্রম ভবিষ্যতেও চলমান থাকবে। আশা করি, এতে আমাদের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে সচেতনতা তৈরি হবে।

তিনি আরও বলেন, এই উদ্যোগের প্রথম ধাপে আমরা গরীব মেধাবী ছাত্রদেরকে প্রাধান্য দিয়েছি। আমরা সন্ধ্যার পরপরই তাদের বাড়ি বাড়ি গিয়েছি। প্রথমদিন আমরা মোট এগারো জন শিক্ষার্থীর বাড়িতে গিয়েছি। এর মধ্যে নয়জন ২০২২ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থী আর দুইজন দশম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত। এছাড়া গরীব মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদেরকে কিছু প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণ দিয়েও সহায়তা করা হয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসারের এমন আকস্মিক ‘সান্ধ্যকালীন হোম ভিজিটের’ বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকাবাসী, সচেতন সমাজ, অভিভাবক ও শিক্ষকমহলে ব্যাপকভাবে আলোচিত ও প্রশংসিত হয়। তাদের মতে, এটি সম্পূর্ণরূপে নতুন একটি বিষয়, যা অতীতে আমরা কখনোই দেখিনি। এই প্রথম এমন উদ্যোগ দেখলাম। শিক্ষা ক্ষেত্রে এটি একটি ভিন্ন মাত্রা যোগ করবে। শিক্ষাসচেতনতা বৃদ্ধিতে ও শিক্ষার প্রকৃত উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের এমন উদ্যোগ অনেক বেশি কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে তারা বিশ্বাস করেন। একইসাথে তারা চান, শিক্ষা ক্ষেত্রে মানসম্মত পরিবর্তন আনয়নে ও আমাদের আগামীর প্রজন্মকে সঠিক দিক-নির্দেশনা দিয়ে গড়ে তুলতে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের অন্যান্য ব্যতিক্রমী কার্যক্রমের পাশাপাশি এই কার্যক্রমও যাতে চলমান থাকে।

মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার অফিসার জনাব নুরুল ইসলাম জানান, আমার দীর্ঘ চাকুরি জীবনে ইউএনও কর্তৃক ‘সান্ধ্যকালীন হোম ভিজিট’ অতীতে কখনই দেখিনি। আসলে আমাদের ইউএনও মহোদয় সার্বিক শিক্ষা কার্যক্রমকে বেগবান ও কার্যকর করার লক্ষ্যে এই উপজেলায় যোগদানের পর থেকেই যেভাবে কাজ করে যাচ্ছেন, বিভিন্ন নতুন নতুন বিষয় সংযোজন করছেন ইতোমধ্যেই সর্বমহলে সেগুলো খুবই প্রশংসিত হয়েছে। আশা করি, অচিরেই আমরা লোহাগাড়ার শিক্ষা ক্ষেত্রে ব্যাপক ইতিবাচক পরিবর্তন দেখতে পাবো।

উপজেলা নির্বাহী অফিসারের ‘সান্ধ্যকালীন হোম ভিজিটে’ প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শাওন ভূঁইয়া, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার নুরুল ইসলাম, সুখছড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক দেবাশীষ আচার্য্য ও মাস্টার মোবারক হোসেন সাথে ছিলেন।

Feb2

অবৈধ তেল মজুদদারদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে জেলা প্রশাসন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:০৮ অপরাহ্ণ
অবৈধ তেল মজুদদারদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে জেলা প্রশাসন

চট্টগ্রাম মহানগরীর বায়েজীদ ও খুলশী থানা এলাকায় জেলা প্রশাসন, চট্টগ্রাম, র‍্যাব-০৭, সিএমপি এবং বিভাগীয় কার্যালয়, বিএসটিআই এর সমন্বয়ে একটি যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

বুধবার (৮ এপ্রিল) উক্ত যৌথ অভিযান ও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসন, চট্টগ্রামের সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জনাব শাকিব শাহরিয়ার।

উক্ত অভিযানে আমানত প্যাকেজিং এন্ড মার্কেটিং, গুলবাগ আবাসিক এলাকা, বায়েজীদ, চট্টগ্রাম নামক একটি প্রতিষ্ঠান কর্তৃক বিএসটিআই হতে সিএম সনদ গ্রহণ ব্যতিরেকে ফর্টিফাইড সয়াবিন তেল পণ্য বোতলজাতকরণ এবং পণ্যের মোড়কে মানচিহ্ন ব্যবহারপূর্বক বাজারজাতকরণের অপরাধে প্রতিষ্ঠানটিতে মজুদ প্রায় ১০৪২ লিটার ভোজ্যতেল, আনুমানিক ১০,০০০ পিস পণ্যের মোড়ক এবং বেশ কিছু খালি বোতল জব্দ করে সংশ্লিষ্ট থানার জিম্মায় দেয়া হয় এবং প্রতিষ্ঠান মালিকের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়।

পরবর্তীতে খুলশী থানা, চট্টগ্রাম এলাকায় ২টি প্রতিষ্ঠানে খাদ্যপণ্য মজুতের প্রয়োজনীয় লাইসেন্স ব্যতিরেকে প্রায় ৫০ ড্রাম (প্রতি ড্রাম ২০০ লিটার) ফর্টিফায়েড সয়াবিন তেল মজুত এবং অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে ড্রামজাত ফর্টিফায়েড সয়াবিন তেল মজুতের অভিযোগে ২টি প্রতিষ্ঠানের মালিককে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ এর সংশ্লিষ্ট ধারা অনুযায়ী মোট ৬০,০০০ টাকা জরিমানা আরোপ করা হয়।

চট্টগ্রাম জেলার জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞার সার্বিক নির্দেশনায় জ্বালানি খাতে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে নিয়মিত মোবাইল কোর্ট ও অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। এ পর্যন্ত জেলায় ২৬৯টি অভিযান চালিয়ে প্রায় ৬,৭৭,০০০/- টাকা জরিমানা করা হয়েছে এবং জেলা প্রশাসন, পুলিশ, র‍্যাব, কোস্টগার্ড সহ বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার যৌথ অভিযানে প্রায় ৭৫,৮২৪ লিটার তেল জব্দ করা হয়েছে। অবৈধ মজুদ ও অতিরিক্ত দামে জ্বালানি বিক্রির বিরুদ্ধে এই অভিযান ভবিষ্যতেও জোরদারভাবে অব্যাহত থাকবে।

নিষিদ্ধই থাকছে আ.লীগের কার্যক্রম, সংসদে বিল পাস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:৪৯ অপরাহ্ণ
নিষিদ্ধই থাকছে আ.লীগের কার্যক্রম, সংসদে বিল পাস

ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করতে অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা অধ্যাদেশ বিল আকারে সংসদে পাস হয়েছে।

বুধবার (০৮ এপ্রিল) দুপুরে জাতীয় সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ কর্তৃক উত্থাপিত সন্ত্রাসবিরোধী বিল ২০২৬ সংসদে ‘হ্যাঁ’ ভোটে জয়যুক্ত হয়েছে।

এর মাধ্যমে বিদ্যমান সন্ত্রাসবিরোধী আইনকে আরও সংশোধন ও কঠোর করা হচ্ছে। এতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধই থাকছে।

সংসদে বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আগে থেকেই দেশে সন্ত্রাসবিরোধী আইন থাকলেও সাম্প্রতিক পরিস্থিতি ও জনমতের প্রেক্ষিতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার একটি বিশেষ অধ্যাদেশ জারি করে। সেই অধ্যাদেশে গণহত্যার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলোর কার্যক্রম নিষিদ্ধ করার বিধান রাখা হয়, যার আওতায় আওয়ামী লীগের কার্যক্রমও নিষিদ্ধ করা হয় বলে উল্লেখ করেন তিনি।

এর আগে বেলা ১১টায় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের বৈঠক পুনরায় শুরু হয়।

জুলাই যোদ্ধাদের সুরক্ষা ও দায়মুক্তি দিয়ে সংসদে বিল পাস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:৪২ অপরাহ্ণ
জুলাই যোদ্ধাদের সুরক্ষা ও দায়মুক্তি দিয়ে সংসদে বিল পাস

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া ‘জুলাই যোদ্ধা’দের আইনি ও সাংবিধানিক সুরক্ষা এবং দায়মুক্তি দিয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে বিল সর্বসম্মত কণ্ঠভোটে পাস হয়েছে।

বুধবার (৮ এপ্রিল) স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংসদ অধিবেশনে বিলটি উত্থাপন করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দীন আহমদ। পরে তা সর্বসম্মত কণ্ঠভোটে পাস হয়।

সংসদে পাস হওয়া ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান (সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ) অধ্যাদেশ, ২০২৬’ বিলের মাধ্যমে অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের বিরুদ্ধে করা সব ধরনের দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলা এবং আইনি কার্যধারা প্রত্যাহারের পথ প্রশস্ত হলো।

আইন অনুযায়ী, নির্ধারিত বিধান অনুসরণ করে এসব অভিযোগ বাতিল করা হবে। এ ছাড়া এই অভ্যুত্থানের সঙ্গে জড়িত কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে ভবিষ্যতে নতুন করে কোনো মামলা বা আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ আইনত বাধা (বারিত) হিসেবে গণ্য হবে।

একই দিনে সংসদে ‘সন্ত্রাসবিরোধী আইনের সংশোধনী অধ্যাদেশ বিল-২০২৬’ পাস হয়েছে। এর ফলে ক্ষমতাচ্যুত দল আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়ার আইনি ভিত্তি নিশ্চিত হলো।

নতুন এই সংশোধনী অনুযায়ী, এখন থেকে কোনো ব্যক্তি বা সত্তার পাশাপাশি কোনো রাজনৈতিক দল বা সংগঠনকেও সন্ত্রাসে জড়িত থাকার অভিযোগে নিষিদ্ধ করার ক্ষমতা পাবে সরকার।