খুঁজুন
, ,

সীমান্তে এখনই সেনাবাহিনী মোতায়েন নিয়ে ভাবছি নাঃ সচিব

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 18 September, 2022, 9:38 pm
সীমান্তে এখনই সেনাবাহিনী মোতায়েন নিয়ে ভাবছি নাঃ সচিব

ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্রসচিব রিয়ার অ্যাডমিরাল (অব.) মো. খুরশেদ আলম বলেছেন, ‘মিয়ানমার সীমান্তে বিজিবি ও কোস্টডার্ড ছাড়া আর কোনো বাহিনী নেই। এখনই সীমান্তে সেনাবাহিনী মোতায়েনের কথা ভাবছি না।’

আজ রোববার সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন। এর আগে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত অং কিউ মোয়েকে তলব করে মিয়ানমার সীমান্তে চলমান ঘটনার প্রতিবাদলিপি দেওয়া হয় এবং প্রায় আধঘণ্টা কূটনৈতিক আলোচনা করা হয়। এছাড়া একটি উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বিজিবি ও কোস্টগার্ডকে সীমান্তে সজাগ থাকতে বলা হয়েছে উল্লেখ করে ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্রসচিব বলেন, ‘রিইনফোর্সমেন্ট যেখানে যতটুকু লাগে, যা করা লাগে করবে। যাতে সাগর দিয়ে বা অন্য কোনোভাবে রোহিঙ্গা আমাদের দেশে প্রবেশ করতে না পারে সে বিষয়ে সতর্ক দৃষ্টি রাখার জন্য অনুরোধ করেছি। এ বিষয়ে আমাদের দেশেরও কিছু লোক জড়িত আছে, সেটা যাতে না হয় সে বিষয়ে আমাদের সকল এজেন্সিকে অনুরোধ করেছি।’

তিনি বলেন, ‘মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে ডেকে আমরা প্রতিবাদলিপি দিয়েছি। সীমান্তে যেসব ঘটনা ঘটছে সেগুলোর পুনরাবৃত্তি যাতে না হয়। আমরা বলেছি, এটা আপনাদের অভ্যন্তরীণ ব্যাপার। কিভাব সমাধান করবে তা মিয়ানমারকে চিন্তা করতে হবে। কিন্তু মিয়ানমারের গোলা যাতে আমাদের ভূখণ্ডে না আসে- সেটা দেখা দায়িত্ব আমাদের না। সেটা দেখার দায়িত্ব তাদের। বাংলাদেশ দায়িত্বশীল শান্তিকামী রাষ্ট্র। আমরা ধৈর্যের সাথে অনেকদিন ধরে এসব সহ্য করে যাচ্ছি। আমরা বলেছি, আপনাদের সমস্যার সমাধান করুন। যাতে আমাদের এখানে কোনো রক্তারক্তি না হয়, প্রাণ না যায়।’

এছাড়া আজ একটি উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক করা হয়েছে জানিয়ে ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্রসচিব খুরশেদ আলম বলেন, ‘বাংলাদেশের যত এজেন্সি আছে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছি। আমরা তো একটা দায়িত্বশীল রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিবেশীকে যা নিয়ম মাফিক করা যায় সেটাই করছি।’

‘আমরা শক্ত অবস্থান থেকে প্রতিবাদ জানিয়েছি। চেষ্টা করছি আসিয়ান দেশের রাষ্ট্রদূতদেরও ব্রিফ করতে। যাতে আমরা তাদেরকে বলতে পারি, বারবার একই অবস্থা শুনে গিয়েও তারা (মিয়ানমার) কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না, এটা প্রতিবেশী হিসেবে খুব দুঃখজনক। আমরা এই ঘটনার পুনরাবৃত্তি চাই না। আমরা ভবিষ্যতে কীভাবে মিয়ানমারকে এসব কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রাখা যায় সে চেষ্টা চালিয়ে যাব।’

প্রতিবাদলিপি প্রদান ও কূটনৈতিক আলোচনাকালে মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতের তেমন কোনো জবাব পাওয়া যায়নি বলে জানান ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্রসচিব। তিনি জানান, রাষ্ট্রদূত তথ্যগুলো নেপিদোতে তাঁর ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানাবেন বলে। তারা যাতে এ ব্যাপারে কার্যকরী ব্যবস্থা নিতে পারে।

ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্রসচিব সাংবাদিকদের আরও বলেন, ‘আমরা আগেও ওনাদের (মিয়ানমার) বলেছি, রাষ্ট্রদূত মনোযোগ দিয়ে শুনেছেন। উনি আশ্বাস দিয়েছেন। আমরা মর্টার শেল পড়া, প্রাণহানিসহ কয়েকজন আহত হওয়ার কথা বলেছি, যা শুনে উনি অস্বীকার করেননি। কিন্তু ওনাদের বক্তব্য হলো, এগুলো আরাকান আর্মির গোলাগুলিতে হতে পারে। আমাদের বক্তব্য হলো, আপনাদের দেশের (মিয়ানমারের) অভ্যন্তর থেকে যা কিছু আসুক না কেন এটা আপনাদের দায়িত্ব। এটা আপনারা দেখবেন। আপনাদের পার থেকে যেন কিছু না আসে সেটা আপনারা নিশ্চিত করবেন। এর জন্য যা কিছু দরকার তা সে পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।’

বাংলাদেশে নিহত হওয়ার দায় কে নেবে— এমন প্রশ্নের জবাবে ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্রসচিব বলেন, ‘এটা একটা দুর্ঘটনা বলা যায়। যেহেতু আমরা নিশ্চিত করতে পারছি না গুলিটা কে করেছে। কারণ, গুলির গায়ে লেখা আছে মিয়ানমার আর্মি। কিন্তু মিয়ানমার বলছে এই গুলি চুরি করে আরাকান আর্মি নিয়ে গেছে এবং তারা এই গুলি করছে। যাতে করে বাংলাদেশের সঙ্গে মিয়ানমারের দূরত্বের সৃষ্টি হয়। কাজেই এরকম একটা জায়গায় কে দায়িত্ব নেবে সেটা নিরূপণ করা কঠিন কাজ।’

তিনি বলেন, ‘সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে। কিন্তু রোহিঙ্গা সমাধান তো দেখতেছেন। সমাধান কি হচ্ছে? পাঁচ বছর ধরে জাতিসংঘসহ এমন কোনো জায়গা নেই। এমন কোনো দেশ নেই, সংস্থা নেই, যেখানে আমরা যাইনি। ধরনা দেইনি। কিন্তু সমাধান কি হয়েছে? ইউএনএইচসিআর কি পেরেছে?’

দ্বিপাক্ষিক ইস্যুর ওপরে সমাধানে সময় লাগবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘ধৈর্য ধরতে হবে। আমার বিশ্বাস, যদি আমরা শক্ত থাকি এর সমাধান আসবে।’

উল্লেখ্য, কয়েক মাস ধরে রাখাইনে আরাকান আর্মির বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করছে মিয়ানমার সেনাবাহিনী। এর ফলে বাংলাদেশে বেশ কয়েকটি মর্টার শেল এসে পড়ে। শনিবার একটি মর্টার শেল এসে বাংলাদেশে বিস্ফোরিত হলে একজন নিহত ও ৬ জন আহত হন।

মিয়ানমার সীমান্তে চলমান ঘটনায় গত এক মাসে মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে কয়েক দফা তলব করে প্রতিবাদলিপি দিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। তাতেও কাজ না হওয়ায় আজ প্রতিবেশী দেশটির রাষ্ট্রদূতকে আবারও ডেকে প্রতিবাদলিপি দেওয়া হয়।

২৪ঘণ্টা/এনআর

Feb2
Feb2

দেশের যেকোনো সংকটে জনগণ বিএনপির ওপর আস্থা রেখেছে: তারেক রহমান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 5 September, 2026, 8:11 pm
দেশের যেকোনো সংকটে জনগণ বিএনপির ওপর আস্থা রেখেছে: তারেক রহমান

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, দেশের যেকোনো সংকটকালে দেশের মানুষ বিএনপির ওপর আস্থা রেখেছে। নেতাকর্মীদের নিয়ে কাজ করে অতীতের বিভিন্ন সংকট মোকাবিলা করা হয়েছে।

তিনি বলেন, বর্তমানে দেশের সবচেয়ে বড় সমস্যা জ্বালানি সংকট। আমরা তা অস্বীকার করছি না। তবে বৈশ্বিক কারণেই এই সংকট তৈরি হয়েছে। তারপরও ভবিষ্যতে এ ধরনের সমস্যায় যাতে পড়তে না হয়, সে জন্য মহাপরিকল্পনা নিয়ে কাজ করা হচ্ছে।

শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) বিকালে রাজধানীর খামারবাড়ীতে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর সভাপতিত্বে সভায় কেন্দ্রীয় নেতারা বক্তব্য রাখেন।

তারেক রহমান বলেন, ‘আপনারা জানেন, অতীতে দেশ কীভাবে চলেছে? মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ করা হয়েছিল। অর্থনৈতিক ভিত্তি দুর্বল করে দেওয়া হয়েছিল। তাই অতীতের মতো বিগত নির্বাচনেও জনগণ বিএনপিকে সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে ভোট দিয়ে সরকার গঠনের সুযোগ দিয়েছে।’

তিনি বলেন, ক্ষমতায় আসার পর একটি ভঙ্গুর অর্থনীতি পাওয়া গেছে। যুদ্ধের কারণে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সংকট তৈরি হয়েছে। তবে অচিরেই এই সংকটের সমাধান হবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

চট্টগ্রাম অভিমুখী ১১ দলীয় ঐক্যের ‘লংমার্চ’ শুরু

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 5 September, 2026, 10:12 am
চট্টগ্রাম অভিমুখী ১১ দলীয় ঐক্যের ‘লংমার্চ’ শুরু

গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ, তেল, গ্যাস ও সার সংকট নিরসন, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধ চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি বন্ধ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং সংকীর্ণ দলীয়করণ বন্ধের দাবিতে ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখী ‘লংমার্চ’ শুরু হয়েছে।

এর আগে আজ (শনিবার) সকাল ৭টায় রাজধানীর শাপলা চত্বরে উদ্বোধনী সমাবেশ করেন ১১ দলীয় ঐক্য। সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। সমাবেশ শেষে চট্টগ্রাম অভিমুখী এ ‘লং মার্চ’ শুরু হয়।

পবিত্র কোরআন তেলাওয়ায়াতরে মাধ্যমে শুরু হওয়া সমাবেশে উদ্বোধনী বক্তব্য দেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও ১১ দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক ড. এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ।

এতে বক্তব্য রাখছেন ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতারা। ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতা, বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের বক্তব্যের পর চট্টগ্রাম অভিমুখে লং মার্চের বহর রওনা হয়।

লং মার্চের রুটে পূর্বনির্ধারিত বিভিন্ন পয়েন্টে পথসভা হবে। প্রথমটি নারায়ণঞ্জের কাচপুর ব্রিজের কাছে ট্রাকস্টান্ডে, কুমিল্লার পদুয়া বাজার বিশ্বরোড, ফেনীর মহীপাল, মীরের সরাই এবং সবশেষ চট্টগ্রামের লালদিঘি ময়দানে জনসভা অনুষ্ঠিত হবে।

সিফাতকে ছেড়ে দেন, ভালোই ভালোই ছেড়ে দেন : শফিকুর রহমান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 5 September, 2026, 9:57 am
সিফাতকে ছেড়ে দেন, ভালোই ভালোই ছেড়ে দেন : শফিকুর রহমান

জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, অতিষ্ঠ হয়ে, বিরক্ত হয়ে সিফাত নামের একজন তরুণ কী বলেছিল, তাতে বাংলাদেশ উলটপালট হয়ে যাওয়ার মতো করে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। দলীয় সন্ত্রাসীরা থানায় নিয়ে তাকে নাজেহাল করেছে। ওকে ছেড়ে দেন। ভালোই ভালোই ছেড়ে দেন। যদি না ছাড়েন, তাহলে মনে রাখবেন, এক নূর হোসেন, এক ইয়াসমিন, এক ডাক্তার মিলন অনেকের গদিকে একদম ওলটপালট করে দিয়েছিল। কখন যে পচা শামুকে পা কাটবে, কেউ বলতে পারবে না।

শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকালে মতিঝিলে ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখী শান্তিপূর্ণ লং মার্চের উদ্বোধনী সমাবেশ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, আমরা পরিষ্কারভাবে বলে দিতে চাই, সিফাতের মুখের ভাষা দিয়ে নয়, কিন্তু যে বিষয়ে সে প্রতিবাদ করেছে, এই বিষয়ে বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষ প্রয়োজনে সিফাত হয়ে গর্জন করবে।

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের দাবি স্পষ্ট, ছয় দফা দাবি আপনারা দেখেছেন। তার সাথে সপ্তম দফা হবে, কোনো চাঁদাবাজ এবং দুর্নীতিবাজের অস্তিত্ব বাংলাদেশে আমরা বরদাস্ত করব না।’

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জনগণ চাঁদাবাজদের জ্বালায় অতিষ্ঠ। দুর্নীতিবাজদের হাতে জনগণের অধিকার লুণ্ঠিত। গ্যাস নাই, পানি নাই, ইলেকট্রিসিটি নাই। কিন্তু গ্যাসের বিলও যথারীতি আছে। কারেন্টের ভূতুড়ে বিল আছে। পানির জন্য কথা বলা যাবে না।

তিনি বলেন, ঢাকাবাসী আপনারা দোয়া করবেন। আমরা আপনাদের এ দেশের ১৮ কোটি মানুষের দাবি আদায়ের জন্য অঙ্গীকারবদ্ধ। সেই অঙ্গীকার পূরণ করতেই আমরা এই কর্মসূচি শুরু করেছি। আমরা দেখতে পাচ্ছি, আমাদের কর্মসূচির ঔষধ ইতোমধ্যে কাজ করতে শুরু করেছে।

তিনি আরও বলেন, ‘বিভিন্ন জায়গায় তার ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া শুরু হয়েছে। ক্রিয়া হলে মোবারকবাদ। প্রতিক্রিয়া হলে আমরা বলে দিচ্ছি। আপনারা বলছেন, এই করলে সেই করলে ছাড় দিয়ে কথা বলা হবে না। আমরা পরিষ্কার বলে দিচ্ছি, জনগণের অধিকার নিয়ে ছিনিমিনি করলে জনগণও কাউকে ছাড় দিয়ে কথা বলবে না।’

তিনি আরও বলেন, আমরা আজ কোনো দল, ব্যক্তিগোষ্ঠীর জন্য এই রাস্তায় নামিনি। আমরা নেমেছি বাংলাদেশে ১৮ কোটি মানুষের পক্ষে। আমরা জনগণের জন্য রাস্তায় নেমেছি। জনগণের অধিকার আদায় করে ঘরে ফিরব। আমাদের এই আন্দোলন চলবে রাস্তায়, রাজপথে এবং জাতীয় সংসদে। সমান্তরালে আন্দোলন চলতে থাকবে যতক্ষণ পর্যন্ত ১৮ কোটি মানুষের প্রত্যেকটি অধিকার প্রতিষ্ঠিত না হবে।