খুঁজুন
, ,

সেবার মান নিয়ে প্রশ্ন!

টানা ছুটিতে কক্সবাজারে পর্যটকের ভিড়!

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 10 October, 2022, 6:43 pm
টানা ছুটিতে কক্সবাজারে পর্যটকের ভিড়!

শীত-গ্রীষ্ম-বর্ষা মৌসুম যাই হোক, অবকাশ যাপনের জন্য পর্যটকদের প্রধান আকর্ষণ কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত। তবে সবচেয়ে বেশি পর্যটকদের আনাগোনা থাকে শীতে। তার ওপর যদি পড়ে যায় টানা ছুটি তাহলে তো কথাই নেই। বেড়ে যায় পর্যটকদের বাড়তি চাপ। এবারও তার ব্যতিক্রম ঘটেনি। টানা ছুটি থাকায় গত ৬ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) থেকে পর্যটক আসতে শুরু করেছে সাগরকন্যা কক্সবাজারে।

সমুদ্র সৈকতে গিয়ে দেখা গেছে, সৈকতের কলাতলী পয়েন্ট থেকে লাবণী পয়েন্ট পর্যন্ত সৈকতজুড়ে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের ভিড়।

বেশি ভিড় লক্ষ্য করা গেছে সুগন্ধা পয়েন্টে। এদিকে লাবণী পয়েন্ট থেকে পশ্চিম দিকে কবিতা চত্বরের দিকেও স্থানীয়দের পদচারণা দেখা যায়।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, দূর্গাপুজো, প্রবারণা পূর্ণিমা, ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষ্যে টানা ৩ দিনের সরকারি ছুটি। এছাড়াও ১ অক্টোবর থেকে ১০ অক্টোবর পর্যন্ত চলছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছুটি।

এ ফাঁকে পরিবার পরিজন নিয়ে কক্সবাজারে ঘুরতে আসছেন পর্যটকরা। টানা ছুটিতে প্রায় ৩ লাখ পর্যটকের আগমন ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সৈকতের কলাতলী পয়েন্টে কথা হয় ঢাকা থেকে আগত রোমান আহমেদ নামে এক দম্পতির সাথে। তারা বলেন, বাচ্চাদের স্কুল ছুটি থাকায় ঘুরতে এসেছেন।

কিন্তু গাড়ি থেকে নামতেই রুম লাগবে কিনা জিজ্ঞেস করে একদল। নানান সুবিধার কথা বলে একজন একটি হোটেল রুম ঠিক করে দেন।

কিন্তু সুবিধাতো নেই-ই উল্টো ভাড়াও রাখা হচ্ছে বেশি। পর্যটন শহরে প্রশাসনের উচিত হোটেলভিত্তিক রুমের ভাড়া ও খাবারের দাম ঠিক করে দেয়া।

অপরদিকে কক্সবাজারে আগত পর্যটকদের অনেকেই ঘুরতে যান ইনানী, পাটুয়ার টেক, হিমছড়ি, রামু বৌদ্ধ মন্দির, দুলাহাজেরা সাফারি পার্ক ও মহেশখালী দ্বীপ দেখতে।

মহেশখালী থেকে অনেকে ছুটে যান নির্জন দ্বীপ সোনাদিয়ায় রাত্রি যাপন করতে। আবার কেউ কেউ ছুটে যান একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিনে।

কক্সবাজার বিএমডব্লিউ ঘাট থেকে এ মৌসুমে প্রথমবারের মত সেন্টমার্টিনের উদ্দেশ্যে সাড়ে ৭’শ যাত্রী নিয়ে এমবি কর্ণফুলী এক্সপ্রেস জাহাজটি ছেড়ে যায় ৬ অক্টোবর।

কিন্তু জাহাজের ভেতরে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ (দুর্গন্ধ) ও অব্যবস্থাপনার কারণে পর্যটকরা অসুস্থ (বমি করতে শুরু করে) হয়ে পড়েন। যে কারণে ফেরার সময় মাত্র ৩০ জন যাত্রী নিয়ে কক্সবাজার আসে জাহাজটি।

অপরদিকে সৈকতের লাবণী পয়েন্টে কথা হয় আহসান, রিফাত, আজিজসহ কয়েকজন পর্যটকের সাথে। তারা জানান, পর্যটক বুঝতে পেরে এখানকার গাড়িচালকরা অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করে।

তার ওপর খাবারের দামও চড়া। বিচে নামলে পড়তে হয় ফটোগ্রাফারদের হয়রানির মুখে।

তারা জানান, পুরো সৈকতজুড়ে ময়লা আবর্জনায় ভরপুর। এছাড়াও লাবনী বিচ ভেঙে যাওয়ায় সৈকতের সৌন্দর্য বিনষ্ট হয়েছে।

এদিকে কক্সবাজারের প্রায় হোটেল-মোটেলগুলো ইতোমধ্যে অগ্রিম বুকিং হয়ে যাওয়ায় নতুন পর্যটকদের রাত্রিযাপন নিয়ে চিন্তায় পড়েছেন হোটেল মালিকরা।

এ বিষয়ে হোটেল-মোটেল মালিক সমিতির সভাপতি আবুল কাশেম সিকদার সিভয়েসকে জানান, এখানে সাড়ে ৫’শ হোটেল-মোটেল, রিসোর্ট ও কটেজ রয়েছে।

এরই মধ্যে হোটেল-মোটেলগুলোর প্রায় রুম অগ্রিম বুকিং হওয়ায় নতুন পর্যটকদের নিয়ে চিন্তা বাড়ছে। কারণ ছুটির আরো কয়েকদিন অবশিষ্ট রয়েছে।

কক্সবাজার নাগরিক আন্দোলনের সদস্য সচিব এইচ এম নজরুল ইসলাম বলেন, কক্সবাজারে এক দেড় বছর ধরে ছিনতাই বেড়েছে। ছিনতাইকারীদের হাতে শুধু পর্যটক নয় স্থানীয়রাও শিকার হচ্ছেন হেনস্তা হচ্ছেন।

মাঝেমধ্যে পুলিশের কিছু অভিযান দেখা গেলেও সেখানে প্রকৃত ছিনতাইকারীরা থাকে ধরাছোঁয়ার বাইরে। পর্যটন মৌসুমে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর টহল জোরদার করতে হবে। প্রয়োজনে অপরাধপ্রবণ স্থানগুলো চিহ্নিত করে সেখানে পুলিশের অবস্থান নিশ্চিত করতে হবে।

ট্যুরিস্ট পুলিশ কক্সবাজার অঞ্চলের সহকারী পুলিশ সুপার চৌধুরী মিজানুজ্জামান জানান, পর্যটকদের নিরাপত্তা দিতে ট্যুরিস্ট পুলিশ সার্বক্ষণিক কাজ করছে। এছাড়াও পর্যটক বাড়ায় পুলিশের অতিরিক্ত টহল বাড়ানো হয়েছে।

এদিকে জেলা প্রশাসক মো. মামুনুর রশীদ জানান, পর্যটকদের নিরাপত্তায় সার্বক্ষণিক অতিরিক্ত ম্যাজিস্ট্রেট মাঠে রয়েছে। পর্যটকদের অভিযোগ পেলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

 

Feb2
Feb2

রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 7:52 pm
রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার উদ্যোগে ঐতিহ্যবাহী রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ প্রাঙ্গণ থেকে ৯ রবীউল আউয়াল ২৩ আগস্ট সকাল ১১ টায় পবিত্র জশনে জুলূসে ঈদে মীলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও মীলাদ মাহ্ফিল অনুষ্ঠিত হয়।

জুলূসে নেতৃত্ব দেন রাহাতিয়া দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন, পীরে কামিল শাহ্ সূফী আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ আবুল বয়ান শাহ্ নঈমী আশরাফী নকশবন্দী (মু.যি.আ.)।

রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ যিয়ারতের মাধ্যমে জুলূস শুরু হয়। রাঙ্গুনিয়া সরকারি কলেজ রোড হয়ে রাহাতুল্লাহ্ নকশবন্দী সড়ক হয়ে মরিয়ম নগর চৌমুহনী শাহী জামে মসজিদ সামনে সংক্ষিপ্ত আলোচনা ও মুনাজাত হয়। পুনরায় কাপ্তাই সড়ক প্রদক্ষিণ করে রাঙ্গুনিয়া কলেজ গেট হয়ে
রাহাতিয়া দরবার শরীফ পার্শস্থ রাহাতিয়া শাহী ঈদগাহ্ ময়দানে এসে জড়ো হয়। জুলূসে অংশ নেওয়া সুন্নী জনতার হাতে ছিল বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার পতাকা, প্লেকার্ড ও ফেস্টুন।

জলূসে অংশগ্রহণকারীদের কণ্ঠে “ইয়া নবী সালাম আলাইকা”, “মুস্তফা জানে রহমত পেহ্ লাখো সালাম” ইত্যাদি হামদ, না’তে রাসূল (সা.) এবং “না’রায়ে তাকবীর আল্লাহু আকবর”, “না’রায়ে রিসালাত ইয়া রাসুলাল্লাহ্ (দ.)”।

রাহমাতুল্লিল আলামীন (সা.)-এর শুভাগমণের শুকরগুযার সম্পর্কিত স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত হয়।

রাহাতিয়া দরবার শরীফের নায়েবে সাজ্জাদানশীন, পীরযাদাহ্ মাওলানা সৈয়্যদ মুহাম্মদ গোলাম রসুল শাহ্ নঈমী (মু.যি.আ.)-এর সার্বিক তত্ত্বাবধান ও পরিচালনায় এতে প্রধান মেহমান ছিলেন ভারত থেকে আগত পীরযাদাহ্ মাওলানা মুহাম্মদ বায়েজীদ আশরাফী।

বক্তব্য রাখেন আনজুমান-এ আহলে তাসাওউফ বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাওলানা গাজী মুঈনুদ্দীন রিজভী, বায়েজীদ দায়রায়ে মঈনিয়া রহমানিয়ার মুনতাজিম, মাওলানা মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম আশরাফী মাইজভান্ডারী, বাংলাদেশ সূফীবাদী ঐক্য ফোরাম বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান সাংবাদিক নূর মোহাম্মদ রানা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার মহাসচিব মুহাম্মদ নঈম উদ্দিন প্রমুখ।

না’তে রাসূল (সা.) পরিবেশন করেন শায়ের ওমর ফারুক ইরন, শায়ের আলভী হাসান।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত, না’তে রাসূল (সা.) শেষে মীলাদ, ক্বিয়াম ও মুনাজাতের মাধ্যমে মুসলিম উম্মাহ্’র শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ দু’আ করা হয়।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 2:52 pm
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন করার নামে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তিন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৫ অক্টোবর দিন ধার্য করা হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের অপর সদস্য বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

তিন সাংবাদিক হলেন, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত, একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল বাবু এবং একই প্রতিষ্ঠানের সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ফারজানা রুপা।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর জহিরুল আমিন, মার্জিনা রায়হান, তারেক আবদুল্লাহসহ অন্যান্য প্রসিকিউটর।

শুনানিতে প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ১৭ আগস্ট প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করা হয়েছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাদের আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। এ মামলায় তিনজনকেই গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করছে প্রসিকিউশন। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দুই মাস সময় চান তিনি।

শুনানি শেষে প্রসিকিউশনের আবেদন মঞ্জুর করে শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। পাশাপাশি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

প্রসিকিউশন জানায়, ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই গণভবনে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই দিন তাকে প্রশ্ন করার নামে কিছু উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছিলেন কয়েকজন সাংবাদিক। এর পরিপ্রেক্ষিতে আন্দোলনকারীদের রাজাকারের বাচ্চা ও রাজাকারের নাতিপুতি বলেছিলেন শেখ হাসিনা।

রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, ওই উসকানিমূলক প্ররোচনার ধারাবাহিকতায় জুলাইয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়। এ মামলায় ১৪ জুলাইয়ের ওই ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে।

নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 1:11 pm
নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ফেনীর সোনাগাজীর বহুল আলোচিত মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত হত্যা মামলায় সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ আসামিকে খালাস ও চার আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে যে দুই আসামির তারা হলেন-সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা (৫৭) এবং শাহাদাত হোসেন শামীম(২০)।

আলোচিত এই মামলায় ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর রায় দিয়েছিলেন। রায়ে মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ ১৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।

নথিপত্র অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে নুসরাতের শ্লীলতাহানি করেন। এ ঘটনায় মামলা হলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলা তুলে না নেওয়ায় ৬ এপ্রিল মাদ্রাসার ছাদে ডেকে নিয়ে নুসরাতের হাত-পা বেঁধে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই বছরের ১০ এপ্রিল নুসরাতের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান (নোমান) সোনাগাজী থানায় মামলা করেন। পরে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।