খুঁজুন
, ,

জাতীয় সরকার ও দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট সংসদ প্রতিষ্ঠা করতে চায় বিএনপি: স্বপন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 28 October, 2022, 10:40 pm
জাতীয় সরকার ও দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট সংসদ প্রতিষ্ঠা করতে চায় বিএনপি: স্বপন

বিএনপির মিডিয়া সেলের আহবায়ক সাবেক এমপি জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, দেশে একদলীয় শাসনক্ষমতা যেন কেউ কোনদিন প্রতিষ্ঠিত করতে না পারে সেজন্যই বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেয়া নির্বাচনোত্তর জাতীয় সরকার ও দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট সংসদ প্রতিষ্ঠা করতে চায় বিএনপি।

তিনি বলেন, একটি মানবিক রাষ্ট্র গঠনে জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র গঠন এখন সময়ের দাবি। এ জন্য আওয়ামী লীগ সরকারকে অপসারণ করে নির্দলীয় সরকারের অধীনে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন করে দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদব্যবস্থার ধারণা বাস্তবায়ন করা সম্ভব।

তিনি শুক্রবার (২৮ অক্টোবর) বিকালে চট্টগ্রাম ক্লাবে বিশিষ্টজনদের সাথে মতবিনিময় সভায় সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। ‘জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র গঠনে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন পরবর্তীতে জাতীয় সরকার এবং দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট সংসদ অপরিহার্য’ র্শীষক সভার আয়োজন করে বিএনপির মিডিয়া সেল।

জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, বিএনপি শুধু ক্ষমতার পালাবদল নয়, রাষ্ট্রকাঠামোতে গুনগত পরিবর্তন চায়। রাষ্ট্রের মালিকানা জনগনের কাছে ফিরিয়ে দেয়ার লক্ষে এবং মুক্তিযুদ্ধের মুলমন্ত্র গণতন্ত্র, সাম্য, মানবিক মর্যাদা সামাজিক সুবিচার প্রতিষ্ঠার লক্ষে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ঘোষিত ভিশন-২০৩০ আলোকে বিএনপি রাষ্ট্র রুপান্তর মুলক সংস্কারের পরিকল্পনা করছে। এজন্যই তারেক রহমান গণতন্ত্রকামী সকল দল ও শক্তিসমুহকে নিয়ে নির্বাচনোত্তর একটি ফ্যাসিবাদ বিরোধী জাতীয় সরকার গঠন এবং জনগনের সর্বস্তরের প্রতিনিধিত্বশীল দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা প্রতিষ্ঠার রোডম্যাপ উপস্থাপন করেছেন।

সভায় বিশিষ্টজনরা বিদ্যমান রাষ্ট্রব্যবস্থার যুগোপযোগী সংস্কারে নির্বাচন পরবর্তী জাতীয় সরকার গঠন ও দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদ গঠনে একমত পোষণ করে নানা ধরনের পরামর্শ দেন।

মিডিয়া সেলের সদস্য ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিনের সঞ্চালনায় মতবিনিময় সভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য সচিব সাবেক এমপি শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি।

মূল প্রবন্ধে শহিদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি বলেন, শত শত ভাই বন্ধু সহকর্মীর সন্তান পিতার খোঁজে কান্নাভেজা চোখে আকুতি জানাচ্ছে, আমার পিতা কি বেঁচে আছেন নাকি মারা গেছেন? গুম হওয়া পিতা কিংবা ভাইয়ের জন্য কোমলমতি সস্তান-স্বজনের এমন আর্তনাদই প্রমাণ করে, বছরের পর বছর ধরে বিনাভোটে দেশের রাষ্ট্রক্ষমতা কুক্ষিগত করে রাখা চলমান ফ্যাসিবাদি শাসনের ভয়াবহতা।

তিনি বলেন, দেশে আজ মানুষের ভোটাধিকার হরণ করে বিনাভোটের ক্ষমতা দীর্ঘমেয়াদী করার জন্য গোয়েন্দা বাহিনীর তত্ত্বাবধানে গোপন ১গুম কেন্দ্র’ ও টর্চার সেল বানানো হয়েছে। গণমাধ্যমে তথ্য প্রমান হাজির করে অত্যাচারের এই গোপন কেন্দ্রগুলোকে ‘আয়নাঘর’ নামে অভিহিত করেছে। গণতন্ত্রকামী কিংবা ভিন্ন দল-মতের মানুষকে এই ‘আয়নাঘর’ আর ‘আওয়ামী লীগ’ এখন বছরের পর বছর ধরে এই ‘আয়নাঘরে’ গুম করে রাখে। জনগণ নয়, এই ‘আয়নাঘর’ই সরকারের অবৈধ ক্ষমতার উৎস।

তিনি বলেন, রাষ্ট্র রূপান্তরমূলক কর্মসূচীর অংশ হিসেবে বর্তমান কর্তৃত্ববাদী সরকার কর্তৃক ধ্বংসপ্রাপ্ত রাষ্ট্র ও প্রশাসনিক কাঠামোর সংস্কারের লক্ষ্যে একটি অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ, গ্রহণযোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনে জয়লাভের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বিএনপি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কার্যকরি উদ্যোগ গ্রহণ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

মিডিয়া সেলের সদস্য রুমিন ফারহানা এমপি বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে বড় দলতো আছেই, সঙ্গে ছোট দলের মেধাবী ও প্রাজ্ঞদের নিয়ে সরকার গঠন করা হবে। দেশে অনেক ছোট-বড় দল আছে। এসব দল বা দলের নেতারা একেবারে আম জনতার কাছে তেমন পরিচিত নয়, কিন্তু মেধাবী এবং প্রাজ্ঞ। বিএনপি ক্ষমতায় গেলে তাদেরকে নিয়ে জাতীয় সরকার গঠন করবে।

সুষ্ঠ নির্বাচন হলে বিএনপি ৩০০ আসনের মধ্যে ২৯০ আসন পাবে দাবি করে রুমিন ফারহানা বলেন, গত ১৫ বছরে রাষ্ট্রকে এমন এক জায়গায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে, যেখানে আইন বিভাগ, বিচার বিভাগ, নির্বাহী বিভাগ এবং রাষ্ট্রের অন্যান্য প্রতিষ্ঠান স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারছে না। বড় আকারের একটি রাষ্ট্র মেরামতের প্রয়োজন দেখা দিয়েছে। বিএনপি যেহেতু অংশীদারিত্বে বিশ্বাস করে, বহু মত, বহু মানুষের পক্ষে কথা বলে সুতরাং বিএনপি যদি ক্ষমতায় যায় তাহলে তারা একটি জাতীয় সরকার গঠন করবে।

তিনি বলেন, বিগত ১৫ বছরে রাষ্ট্রের যে ক্ষতি হয়েছে, বিএনপি মনে করে সেসব মেরামত বিএনপির একা করা সমিচিন হবে না। যদিও বিএনপি চাইলে করতে পারে। কিন্তু করবে না। কারণ বিএনপি বহুদলের বিশ্বাস করে। এই জন্য জাতীয় সরকারের কনসেপ্ট নিয়ে আমরা এগোচ্ছি।

তিনি বলেন, বিএনপির মানুষের কল্যাণে নিজেদের ক্ষমতাও বন্দী করতে প্রস্তুত। রাষ্ট্রের তিনটি বিভাগ- আইন বিভাগ, বিচার বিভাগ এবং নির্বাহী বিভাগ। তারমধ্যে আইন বিভাগের কাজ হলো শুধু আইন প্রণয়ন নয়, সেই সঙ্গে রাষ্ট্র প্রণয়নও। বাই দ্যা পিপল, অব দ্যা পিপল অ্যান্ড ফর দ্যা পিপল-সংসদও স্বৈরতন্ত্র হয়ে উঠতে পারে। সেজন্য দ্বিকক্ষবিশিষ্ট ধারণাটা তারেক রহমান নিয়ে আসছেন। এটির মাধ্যমে রাষ্ট্রের চেক অ্যান্ড ব্যালেন্স চলে আসবে।

আলোচনায় অংশ নেন বিশিষ্ট সাংবাদিক ও মিডিয়া সেলের সদস্য কাদের গণি চৌধুরী, রুমিন ফারহানা এমপি, বিএনপির চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের রহমান শামীম, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহবায়ক ডা. শাহাদাত হোসেন, চবি রসায়ন বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক হায়াত হোসেন, বিশিষ্ট চিসিৎসক অধ্যাপক ডা. জসিম উদ্দিন, এড. এ এস এম বদরুল আনোয়ার, অধ্যাপক আবদুল আলিম, ড. ছিদ্দিক আহমেদ চৌধুরী, এড. আবদুস সাত্তার, ডা. তমিজ উদ্দিন আহমেদ মানিক, সাংবাদিক জাহিদুল করিম কচি, ডা. খুরশিদ জামিল চৌধুরী, এড. মফিজুল হক ভুঁইয়া, অধ্যাপক এস এম নসরুল কদির, এড. এনামুল হক, সাংবাদিক মো. শাহনওয়াজ, ইঞ্জি. সেলিম জানে আলম, ডা. কামরুন্নাহার দস্তগীর, এড. নাজিম উদ্দীন চৌধুরী।

Feb2
Feb2

নিলামে পণ্য বিক্রি করে প্রায় ৬০০ কোটি টাকা আয় করেছে চট্টগ্রাম কাস্টমস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 8 September, 2026, 9:11 am
নিলামে পণ্য বিক্রি করে প্রায় ৬০০ কোটি টাকা আয় করেছে চট্টগ্রাম কাস্টমস

অনলাইন ও প্রকাশ্য নিলামের মাধ্যমে পণ্য বিক্রি করে ২০২১ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত সাড়ে পাঁচ বছরে ৫৯৯ কোটি ৫৯ লাখ টাকা আয় করেছে চট্টগ্রাম কাস্টমস।

এর মধ্যে গত দেড় বছরেই আয় হয়েছে ২৮৫ কোটি ১৫ লাখ টাকা, যা নিলাম রাজস্বে একটি উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধির চিত্র তুলে ধরে। একই সঙ্গে এ উদ্যোগের ফলে চট্টগ্রাম বন্দরের ইয়ার্ডে দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা পণ্য সরানোর পাশাপাশি সরকারের রাজস্বও বাড়ছে।

কর্মকর্তারা জানান, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা কনটেইনার খালি করতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে। এর আওতায় নিলামযোগ্য পণ্য নিলামে বিক্রি করা হচ্ছে এবং নিলামের উপযোগী নয়-এমন পণ্য ধ্বংস করা হচ্ছে।

চট্টগ্রাম কাস্টমসের নিলাম সংক্রান্ত তথ্য অনুযায়ী, ২০২১ সালে ২৪টি নিলাম অনুষ্ঠিত হয়। এসব নিলামে ১ হাজার ৮১৪টি লট বিক্রি করে ১১৫ কোটি ৬৪ লাখ টাকা রাজস্ব আয় হয়।

২০২২ সালে ৪২টি নিলামের মাধ্যমে ১ হাজার ৩৮১টি লট বিক্রি করে আয় হয় ১৩০ কোটি ৩৭ লাখ টাকা। ২০২৩ সালে ২৩টি নিলামে ৬৩২টি লট বিক্রি করে রাজস্ব আসে ৪১ কোটি ১৩ লাখ টাকা।

২০২৪ সালে ৫৫টি নিলামের মাধ্যমে ৫১১টি লট বিক্রি করে ২৭ কোটি ২৯ লাখ টাকা আয় হয়। ২০২৫ সালে ৬০টি নিলামে ১ হাজার ৪০টি লট বিক্রি করে আয় হয় ১২৭ কোটি ৬৭ লাখ টাকা।

চলতি বছরের জুন পর্যন্ত ৪৫টি অনলাইন ও প্রকাশ্য নিলাম অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে ৩৮৩টি লট বিক্রি করে ১৫৭ কোটি ৪৮ লাখ টাকা আয় হয়েছে।

চট্টগ্রাম কাস্টমসের নিলাম ব্যবস্থাপনা ও শ্রমিক ঠিকাদার হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান কে এম করপোরেশনের ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ মোরশেদ জানান, কাস্টমস কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী নিলাম ব্যবস্থাপনা, পণ্যের তালিকা প্রস্তুত (ইনভেন্টরি) এবং নিলামকৃত পণ্য বুঝিয়ে দেওয়ার কাজে তার প্রতিষ্ঠান দীর্ঘদিন ধরে যুক্ত রয়েছে।

তিনি বলেন, ২০২৫ থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত নিলামের মাধ্যমে ২৮৫ কোটি ১৫ লাখ টাকা আয় হয়েছে, যা এত স্বল্প সময়ে নিলাম থেকে রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রে একটি রেকর্ড।

চট্টগ্রাম কাস্টমসের নিলাম শাখার সহকারী কমিশনার আবু সুফিয়ান বলেন, এনবিআরের নির্দেশনা অনুযায়ী খালাস না হওয়া পণ্য অনলাইন ও প্রকাশ্য নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, ‘গত কয়েক বছরে নিলামের সংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নিলাম করা পণ্য বিক্রি থেকে রাজস্ব আয়ও বেড়েছে।’

তিনি আরও জানান, নিলামের উপযোগী নয়-এমন পণ্য সরিয়ে বন্দরের ইয়ার্ড খালি করার প্রচেষ্টাও অব্যাহত রয়েছে।

ইতালিতে হামলার শিকার অভিনেত্রী বাঁধন, লাইভে যা বললেন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 8 September, 2026, 8:34 am
ইতালিতে হামলার শিকার অভিনেত্রী বাঁধন, লাইভে যা বললেন

ইতালিতে বাংলাদেশের অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধনকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত ও মানসিক হেনস্তা করার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। বাংলাদেশ সময় সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক ভিডিওবার্তায় বাঁধন নিজেই এই ঘটনার বিবরণ দেন।

অভিনেত্রী জানান, ইতালির একটি স্থানীয় পার্কে তিনি তার ভাইয়ের পরিবারের সঙ্গে ঘুরতে গিয়েছিলেন। সেখানে একদল ব্যক্তি হুট করে তার ওপর হামলা চালায়। এ সময় হামলাকারীরা তাকে লক্ষ্য করে কোল্ড ড্রিংকস (কোক) ও ডিম ছুড়ে মারে এবং শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে। তা ছাড়া তার হাত থেকে মোবাইল ফোনও কেড়ে নিয়ে ছুড়ে ফেলে দেয়া হয়।

বাঁধনের অভিযোগ, হামলাকারীরা তাকে ‘জুলাইযোদ্ধা’ আখ্যা দিয়ে তাদের উদ্দেশ্য হাসিল করার চেষ্টা করে। বাঁধন দাবি করেন, আক্রমণকারীরা তাকে জোরপূর্বক ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান দিতে বাধ্য করে এবং পুরো ঘটনাটির ভিডিও ধারণ করে। পুরো সময় জুড়ে তার সঙ্গে অত্যন্ত গালমন্দ ও অসংগত আচরণ করা হয়।

ভিডিওবার্তায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বাঁধন বলেন, ‘‘আমার গায়ে হাত তোলা হয়েছে এবং আমার ভাইয়ের স্ত্রীকেও ধাক্কা দেয়া হয়েছে। আপনাদের এ ধরনের অসংলগ্ন ও সহিংস আচরণ থেকে বের হয়ে আসা উচিত। এভাবে উদ্দেশ্য হাসিল বা নিজেদের অবস্থান ফেরানো সম্ভব নয়।’’

ভিডিওটিতে তিনি সজীব ওয়াজেদ জয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করার অনুরোধ জানিয়ে বলেন, ‘‘সজীব ওয়াজেদ জয় নিজেও বর্তমানে ভেনিসে অবস্থান করছেন। আশা করি আপনারা বিষয়টি তার কাছে পৌঁছে দেবেন।’’

এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কয়েকটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একদল লোক নিজেদের ছাত্রলীগ কর্মী বলে দাবি করে বাঁধনকে ‘জুলাই জঙ্গি’ বলে গালিগালাজ করছে এবং বারবার তার ওপর চড়াও হওয়ার চেষ্টা করছে।

উল্লেখ্য, ‘রেহানা মরিয়ম নূর’ চলচ্চিত্রে অনবদ্য অভিনয়ের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক খ্যাতি অর্জন করা আজমেরী হক বাঁধন বর্তমানে ঐতিহ্যবাহী ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসবে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করছেন।

চট্টগ্রামে পাহাড় কাটার অভিযোগে রাতব্যাপী অভিযান, সরেজমিনে পরিদর্শন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 7 September, 2026, 9:10 pm
চট্টগ্রামে পাহাড় কাটার অভিযোগে রাতব্যাপী অভিযান, সরেজমিনে পরিদর্শন

চট্টগ্রাম নগরীর বিভিন্ন এলাকায় পাহাড় কাটার অভিযোগ ও পাহাড়ের ঢালে নির্মাণকাজের বিষয়ে সরেজমিনে পরিদর্শন করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। গতকাল ৬ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ১০টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত পরিবেশ অধিদপ্তরের প্রতিনিধি, পরিবেশকর্মী শফিক আহমেদ এবং পুলিশ ফোর্সের সমন্বয়ে এ পরিদর্শন পরিচালনা করা হয়।

পরিদর্শনকালে বায়েজিদ বোস্তামী থানাধীন ‘রুপসী’ নামক পাহাড়, আকবর শাহ থানাধীন উত্তর পাহাড়তলী মৌজার দাগ নং ১৭৭, ১৭৮, ১৮৯ ও ১৮০-এ বিদ্যমান পাহাড় এবং উত্তর পাহাড়তলী মৌজার হারবাতলী মা আমেনা মসজিদ সংলগ্ন পাহাড় সরেজমিনে পরিদর্শন করা হয়।

পরিদর্শনকালে উত্তর পাহাড়তলী মৌজার দাগ নং ১৭৭, ১৭৮, ১৮৯ ও ১৮০-এ বিদ্যমান পাহাড়ের ঢালে কিছু দেওয়াল সদ্য নির্মিত অবস্থায় পাওয়া যায়। পাহাড়ের ঢালে এ ধরনের দেওয়াল নির্মাণের বিষয়ে পরিবেশ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট ভূমি মালিককে ৭ সেপ্টেম্বর সকালে নোটিশ প্রদান করা হয়েছে। তবে রাতের সরেজমিন পরিদর্শনকালে সেখানে কোনো ব্যক্তিকে পাহাড় কাটার কাজে নিয়োজিত অবস্থায় পাওয়া যায়নি।

এছাড়া আকবর শাহ থানাধীন উত্তর পাহাড়তলী মৌজার হারবাতলী মা আমেনা মসজিদ সংলগ্ন পাহাড় পরিদর্শনকালে পাহাড় কাটার কোনো আলামত পাওয়া যায়নি। পরিদর্শনকালে সেখানে কোনো ব্যক্তিকেও পাহাড় কাটার কাজে নিয়োজিত অবস্থায় পাওয়া যায়নি।

অন্যদিকে, বায়েজিদ বোস্তামী থানাধীন ‘রুপসী’ নামক পাহাড় পরিদর্শনকালে কোনো ব্যক্তিকে পাহাড় কাটতে দেখা যায়নি। তবে নির্মাণস্থলের ভূমির শ্রেণি ‘ছনখোলা’ বা ‘নাল’ নাকি পাহাড়—তা যাচাই করে পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, চট্টগ্রাম নগরীর পাহাড় ও পরিবেশ সুরক্ষায় নিয়মিতভাবে এ ধরনের সরেজমিন পরিদর্শন ও নজরদারি অব্যাহত থাকবে। পাহাড় কাটার অভিযোগ বা পরিবেশবিধি লঙ্ঘনের তথ্য পাওয়া গেলে তা যাচাই করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।