সীতাকুণ্ডে চুরি করে রেখে দেওয়া মহিষ ধীরে ধীরে বের হয়ে আসছে
সীতাকুণ্ড প্রতিনিধি: ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের প্রভাবে প্রবল জোয়ারের পানিতে ভাসানচর থেকে সীতাকুণ্ডে ভেসে আসা মহিষ যারা চুরি করে লুকিয়ে রেখেছিল প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপের পর ধীরে ধীরে বের হয়ে আসছে। প্রথম থেকেই সীতাকুণ্ড উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ শাহাদাত হোসেন ভেসে আসা মহিষগুলো যাতে বেহাত না হয় তার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে বার বার অনুরোধ করেন।
তিনি ইতোমধ্যে ১৯১ টি মহিষ প্রকৃত মালিকদের কাছে হস্তান্তর করেছেন। বার বার বলার পরও কিছু দুষ্কৃতকারী প্রশাসনের অগোচরে মহিষ ‘চুরি’ করে রেখে দেয়। এবার সেই মহিষ উদ্ধারে নামেন উপজেলা প্রশাসন।
উপজেলার সোনাইছড়ি ইউনিয়নের জোড়ামতল এলাকায় পৃথকভাবে এ অভিযান চালিয়ে শিকদার শাজাহান ও তার স্ত্রী এবং মাবিয়া শিপইয়ার্ড এর কেয়ারটেকার আবু সালেককে আটক করা হয়। তাদের কাছ থেকে দুইটি মহিষ উদ্ধার করা হয়। অন্যের মহিষ চুরি করে রেখে দেওয়ার অপরাধে দুইজনকে ৬০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এদিকে অপরদিকে প্রশাসনের অভিযান ও জরিমানার কথা শুনে ধীরে ধীরে চুরি করে রেখে দেওয়া মহিষ বের হয়ে আসছে। ভেসে আসা মহিষগুলোর মধ্যে ভাটিয়ারী ইউনিয়নে প্রথমদিন ৪৪টি মহিষ জব্দ করা হয়। ওই মহিষগুলো প্রশাসনের মাধ্যমে প্রকৃত মালিকদের ফেরত দিলেও এলাকার কিছু ব্যক্তি গোপনে কয়েকটি মহিষ লুকিয়ে রাখে। উপজেলা প্রসাশনের কঠোর পদক্ষেপের পর স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান নাজীম উদ্দিনের সহযোগিতায় চুরি করে রেখে দেওয়ার মহিষগুলো উদ্ধার করা হয়।
বৃহস্পতিবার সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ভাটিয়ারী ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ড থেকে গোপনে রেখে দেওয়া তিনটি মহিষ উদ্ধার করা হয়। এনিয়ে উক্ত ইউনিয়ন থেকে মোট ৪৭টি মহিষ উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানান ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব নাজিম উদ্দীন।
তিনি বলেন, মহিষগুলো ছিল আমাদের কাছে আমানত। এখনো যারা মহিষ চুরি করে রেখে দিয়েছে তা ফেরত দিতে হবে না হলে উপজেলা প্রশাসন অভিযান চালিয়ে যদি কারো কাছে মহিষ পাওয়া যায় তখন জরিমানাসহ শাস্তি দেওয়া হবে।
২৪ঘণ্টা/এসএ


আপনার মতামত লিখুন