খুঁজুন
শনিবার, ১৩ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩০শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ওই দুঃসময়ের কথা কেউ ভুলে যাবেন না: প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ৬ নভেম্বর, ২০২২, ৮:২৯ অপরাহ্ণ
ওই দুঃসময়ের কথা কেউ ভুলে যাবেন না: প্রধানমন্ত্রী

২০১৩-১৫ সালে বিএনপি-জামায়াতের আন্দোলনের সময়কার অগ্নিদগ্ধ হয়ে আহত-নিহতদের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘দেশবাসীকে এটুকুই বলবো ওই দুঃসময়ের কথা যেন কেউ ভুলে না যায়।’

রোববার রাজধানীর জাতীয় জাদুঘর মিলনায়তনে আওয়ামী লীগ আয়োজিত ‘অগ্নি সন্ত্রাসের আর্তনাদ : বিএনপি-জামাতের অগ্নি সন্ত্রাস, নৈরাজ্য ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের খণ্ডচিত্র’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে তিনি এ আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে ২০১৩-১৫ সালে বিএনপি-জামায়াতের আন্দোলনের সময় অগ্নিদগ্ধ হয়ে নিহতদের স্বজন এবং আহতদের অনেকে উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের কূটনৈতিকগণও ছিলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘যারা আগুনে পুড়েছে কী অবস্থা তাদের? এক এক জনের জীবনে কত স্বপ্ন ছিল, কত আকাঙ্ক্ষা ছিল, সেই আকাঙ্ক্ষা গুলো একে একে সব পুড়ে শেষ হয়ে গেছে, একে একে পুড়ে সব ধ্বংস। আমি শুধু দেশবাসীকে এটুকুই বলবো ওই দুঃসময়ের কথা যেন কেউ ভুলে না যায়।’

ভবিষ্যতে কেউ এ ধরনের ঘটনা ঘটালে সহ্য করা হবে না জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমার খালি একটাই আহ্বান থাকবে দেশবাসীর কাছে। কেউ রাজনীতি করতে চায় সুষ্ঠু রাজনীতি করুক, আমাদের তাতে আপত্তি নেই। কিন্তু আমার এই সাধারণ মানুষের গায়ে কেউ হাত দিলে তাদের রক্ষা নেই। এটা সহ্য করা যায় না, কোন মানুষ সহ্য করতে পারে না।’

এ ধরনের ঘটনা যাতে কেউ ঘটাতে না পারে সে বিষয়ে সবাইকে সর্তক থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি দেশবাসীকে বলব এ ব্যাপারে সকলকে সজাগ থাকতে। এ ধরনের ঘটনা ভবিষ্যতে আর কেউ যেন ঘটাতে না পারে।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘দল মত নির্বিশেষে যেই হোক এদেশের প্রতিটি মানুষের স্বাধীন ভাবে বাঁচার অধিকার আছে। প্রতিটি মানুষের স্বাধীনভাবে নিজের জীবন জীবিকা নির্বাহের অধিকার আছে। প্রতিটি মানুষের সুন্দরভাবে বাঁচার অধিকার আছে। সেই অধিকার সংরক্ষণ করাই আমাদের দায়িত্ব, আমরা সেটাই চেষ্টা করে যাচ্ছি।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এটা চরম মানবাধিকার লঙ্ঘন। এর বিচার হবেই, বিচারটা বোধহয় আল্লাহর তরফ থেকেই হবে। প্রত্যেক মামলায় বিচার চলছে না কিন্তু যারা এ ধরনের অগ্নি সন্ত্রাসের সঙ্গে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে মামলা আছে, বিচার হচ্ছে অনেকে শাস্তি পাচ্ছে, ভবিষ্যতেও পাবে।’

তিনি বলেন, ‘মানুষ কীভাবে মানুষের ক্ষতি করতে পারে? এটাই নাকি তাদের আন্দোলন। এই আন্দোলন তো আমরা কখনো দেখিনি। আমরা তো কখনো স্বপ্নেও ভাবিনি পেট্রোল বোমা দিয়ে অথবা অগ্নিসংযোগ করে সাধারণ মানুষকে হত্যা করে আন্দোলন করা হবে।’

শেখ হাসিনা বলেন, ২০১৩ সালেই প্রায় তিন হাজার ৬০০ জনকে পেট্রোল বোমা মেরে তারা আহত করেছে, ২০১৪-২০১৫ তে করেছে।’

আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, ‘এই আন্দোলন কী রকম আন্দোলন সেটা আমি জানি না। মানুষের জন্য আন্দোলন করতে হলে মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হলে মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হলে মানুষকে নিয়েই তো আন্দোলন করবে। আর তারা আক্রমণ চালিয়েছে, হত্যা, পাশবিক অত্যাচার ও বাড়ি দখল করেছে।

অনুষ্ঠানে বিগত সময়ে বিএনপি-জামায়াতের আন্দোলনের সময়কার অগ্নিদগ্ধ হয়ে আহত-নিহত এবং আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত যানবাহনসহ বিভিন্ন ঘটনার ভিডিও চিত্র প্রদর্শন করা হয়।

অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী নিহতদের স্বজন এবং আহতদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। তাদের খোঁজ খবর নেন।

এ সময় বিএনপি জামায়াতের আন্দোলনের সময় নিহতদের স্বজন এবং অগ্নিদগ্ধে আহতদের বেশ কয়েকজন তাদের সেই কষ্টের স্মৃতিচারণ করেন। সেই সব হামলার জন্য বিএনপিকে দায়ী করে তাদের বিচার দাবি করেন।

২৪ঘণ্টা/এনআর

Feb2

বাজেট উপস্থাপনের পর কোনো জিনিসের দাম বাড়েনি : প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ৮:৫০ অপরাহ্ণ
বাজেট উপস্থাপনের পর কোনো জিনিসের দাম বাড়েনি : প্রধানমন্ত্রী

বাজেট উপস্থাপনের পর এই প্রথমবারের মতো বাজারে কোনো জিনিসপত্রের দাম বাড়েনি বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শনিবার (১৩ জুন) সন্ধ্যায় কক্সবাজারের চকরিয়া পৌর বাস টার্মিনালে চকরিয়া উপজেলা ও পৌরসভা বিএনপি আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকে সকালে যখন আমি ঢাকা থেকে প্লেনে উঠলাম, তখন প্লেনে পত্রিকা থাকে, আমি পত্রিকাগুলো দেখলাম কী কী নিউজ আছে। পত্রিকাগুলোর মধ্যে দেখলাম সবগুলো পত্রিকা কমবেশি একটি নিউজ করেছে যে, প্রতিবছর বাজেট উপস্থাপনের পরদিন বিভিন্ন জিনিসপত্রের দাম বেড়ে যেত। কিন্তু আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহর রহমতে গত পরশুদিন বাজেট উপস্থাপনের পর এই প্রথমবারের মতো কোনো জিনিসপত্রের দাম বাড়েনি।

তিনি বলেন, যেই বাজেট উপস্থাপন করলে জিনিসের দাম বাড়ে না, সেই বাজেট জনগণের পক্ষের বাজেট। এই বাজেটে আমরা বিভিন্ন ওষুধপত্র থেকে শুরু করে বিভিন্ন চিকিৎসার যে বিষয়গুলো ছিল, সেগুলোর ওপর থেকে আমরা ট্যাক্স কমিয়ে এনেছি।

চট্টগ্রামে পাঁচ বছরে দেড় কোটি বৃক্ষরোপণের লক্ষ্য: ডিসি জাহিদ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ৮:৩৭ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রামে পাঁচ বছরে দেড় কোটি বৃক্ষরোপণের লক্ষ্য: ডিসি জাহিদ

চট্টগ্রামে আগামী পাঁচ বছরে প্রায় দেড় কোটি বৃক্ষরোপণের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। তিনি বলেছেন, জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশগত বিপর্যয় মোকাবিলায় বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। তবে শুধু গাছ লাগালেই হবে না, সেগুলোকে বাঁচিয়ে রেখে পরিচর্যার মাধ্যমে বড় করে তুলতে হবে।

প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত ‘পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে শনিবার ( ১৩ জুন) কর্ণফুলী উপজেলার চাদগাঁও বেড়িবাঁধ এলাকায় আয়োজিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে ‘গ্রিন অ্যান্ড ক্লিন নারায়ণগঞ্জ’ কর্মসূচির আওতায় মাত্র দুই মাসে এক লাখ বৃক্ষরোপণ করে আলোচনায় আসা জাহিদুল ইসলাম বলেন, “সারা দেশে আজ থেকে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে। চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন, বন বিভাগ, পরিবেশ অধিদপ্তর, সিডিএসহ সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠান এ কর্মসূচির সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়েছে।”

তিনি বলেন, “আমরা ইতিমধ্যে ৭০ হাজার বৃক্ষরোপণের কার্যক্রম শুরু করেছি। আগামী পাঁচ বছরে শুধু চট্টগ্রাম জেলাতেই প্রায় দেড় কোটি বৃক্ষরোপণ করা হবে। চলতি বছর জেলায় প্রায় ২৫ লাখ চারা রোপণের পরিকল্পনা রয়েছে।”

জেলা প্রশাসক বলেন, “পৃথিবী মানুষের বসবাসের একমাত্র গ্রহ। কিন্তু মানুষের কর্মকাণ্ডের কারণেই পরিবেশ বিপর্যয় বাড়ছে। এ পরিস্থিতিতে পরিবেশ রক্ষার জন্য বৃক্ষরোপণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আজ যে গাছগুলো রোপণ করা হচ্ছে, সেগুলো সঠিকভাবে পরিচর্যা করা গেলে ভবিষ্যতে পরিবেশগত ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব হবে।”

অনুষ্ঠানে একটি সোনালু গাছের চারা রোপণের মাধ্যমে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক।

কর্মসূচির আওতায় কর্ণফুলী বেড়িবাঁধের চাদগাঁও এলাকায় প্রায় ১ দশমিক ৫০ একর জমিতে ১৯ প্রজাতির ১ হাজার ২০০টি চারা রোপণ করা হয়। রোপিত চারার মধ্যে রয়েছে সোনালু, চালতা, জারুল, রাধাচূড়া, কৃষ্ণচূড়া, বকুল, পলাশ, মহুয়া, কাঞ্চন, আমলকি, অর্জুন, জলপাই, কাঠবাদাম, ঝাউ, হিজল, বহেরা, চিকরাশি ও মেহগনি।

জেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, এ বছর চট্টগ্রাম জেলায় প্রায় ২৫ লাখ চারা রোপণ করা হবে। এর মধ্যে বন বিভাগের আওতায় প্রায় ১৮ লাখ চারা রোপণের পরিকল্পনা রয়েছে। চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগে ৭ লাখ ৫০ হাজার, দক্ষিণ বন বিভাগে ৮ লাখ ৩৪ হাজার ৫০০, উপকূলীয় বন বিভাগে ২ লাখ ৩২ হাজার ৫০০ এবং চট্টগ্রাম বোটানিক্যাল গার্ডেনে ১৫ হাজার ২৮৯টি চারা রোপণ করা হবে।

এ ছাড়া সিডিএ ও বন বিভাগের যৌথ উদ্যোগে কর্ণফুলী বেড়িবাঁধ সড়কের দুই পাশে প্রায় ১৬ হাজার গাছ লাগানো হবে।

গাছের সুরক্ষার বিষয়ে জেলা প্রশাসক বলেন, “প্রতিটি চারার উচ্চতা ন্যূনতম পাঁচ ফুট নিশ্চিত করা হয়েছে। গবাদিপশুর ক্ষতি থেকে রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় সুরক্ষা ব্যবস্থাও নেওয়া হবে। তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো নাগরিক সচেতনতা। এই গাছ আমাদের পরিবেশ, জীবন ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে রক্ষা করবে।”

তিনি আরও বলেন, “করোনাকালে আমরা অক্সিজেনের গুরুত্ব উপলব্ধি করেছি। তাই প্রত্যেক নাগরিককে নিজের গাছ মনে করে এসব চারার পরিচর্যা করতে হবে।”

অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোহাম্মদ হোছাইন, চট্টগ্রাম দক্ষিণ বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোহাম্মদ সোহেল রানা, উপকূলীয় বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা এম এ হাসান এবং চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী প্রকৌশলী ও প্রকল্প পরিচালক রাজীব দাশসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করছেন, সরকারের এই বৃহৎ সবুজায়ন কর্মসূচি চট্টগ্রামে পরিবেশ সংরক্ষণ, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা এবং সবুজায়ন বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

চট্টগ্রামবাসী গর্বিত, সর্ববিষয়ে বিশারদ একজন সর্বমন্ত্রী পেয়েছেন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ৭:৫৮ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রামবাসী গর্বিত, সর্ববিষয়ে বিশারদ একজন সর্বমন্ত্রী পেয়েছেন

বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াত ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, চট্টগ্রামবাসী গর্বিত, সর্ববিষয়ে বিশারদ একজন সর্বমন্ত্রী পেয়েছেন। সত্যি আপনারা ভাগ্যবান যে এক মন্ত্রী সব মন্ত্রণালয় চালায়। এমনকি প্রধানমন্ত্রীর কথাও তাকে বলতে হয়।

শনিবার (১৩ জানুয়ারি) বিকেলে চট্টগ্রামের লালদিঘি ময়দানে ১১ দলীয় ঐক্যের বিভাগীয় সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য তিনি এসব কথা বলেন।

এ সময় সমাবেশে নেতাকর্মীরা ভুয়া ভুয়া স্লোগান দিলে জামায়াত আমির বলেন, নিজেদের সন্তানকে ভুয়া বলতে নেই। নিজের সন্তান কানা হলেও তো পদ্মলোচন।

প্রধানমন্ত্রীর জন্য আমার কষ্ট হয় উল্লেখ করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, তিনি আশেপাশে কাদেরকে বসিয়েছেন? ওনি কুমিল্লায় এসে ইপিজেড দেন। ফরিদপুরে গিয়ে সয়াবিন তেল দেন। তিনি দিনাজপুরে গিয়ে আম উপহার দেন। সিলেটে গিয়ে সাড়ে নয় ঘণ্টা উপহার দেন। জাতীয় সংসদে গিয়ে প্রাথমিক বিশ্ববিদ্যালয় উপহার দেন। আর কক্সবাজারে এসে তিনি বলেন বিরোধী দল বাজেটে মাদক ও ধূমপান জাতীয় দ্রব্যমূল্যের টেক্স বাড়ানো হয়েছে বলে তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে মিছিল করেছে—এগুলো মিথ্যা, আর ভুয়া।

জামায়াত আমির বলেন, ‘বিরোধী দলের কেউ এটা করেনি। আমার করুনা লাগে। প্রধানমন্ত্রীর পদটা রাষ্ট্রীয় পদ। তিনি রাষ্ট্রের প্রধান নির্বাহী। তার দিকে তাকিয়ে বিশ্বের লোকজন বাংলাদেশকে হিসাব করবে। তার মুখ দিয়ে যদি অনবরত এসমস্ত ভুলভাল কথা বের হতে থাকে, তাহলে বাংলাদেশ লজ্জিত হবে, ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, ওদেরকে চিহ্নিত করুন যারা আপনাকে ভুল বুঝাচ্ছে। তারা আপনার সম্মান আর বাংলাদেশের সম্মান ধ্বংস করছে। এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেন। নইলে ক্ষতিগ্রস্ত শুধু আপনি হবেন না, গোটা জাতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করবেন।

বাজেটে বিরোধী দল প্রতিক্রিয়া জানাবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এটা গণতন্ত্রের সৌন্দর্য। এতে রাগ করার কি আছে? অল্পতে ধৈর্য হারালে ১৮ কোটি মানুষের দায়িত্ব পালন করবেন কীভাবে? তবে হা জনগণ যখন দেখবেন, জনআকাঙ্খা বাস্তবায়নে আপনি এবং আপনার সরকার আন্তরিক, তখন আপনাদের প্রশংসা করবে। কিন্তু যখন জনগণ দেখবে আপনারা ৭০ ভাগ মানুষের রায়কে অপমান অগ্রাহ্য করছেন, তখন জনগণ বসে বসে আঙুল চষবে না।

সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন– জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম এবং লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমদ, খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মামুনুল হকসহ অন্যান্য রাজনৈতিক দলের নেতারা।