খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ভোটার তালিকায় চীনা নারী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর, ২০১৯, ১:৫৪ পূর্বাহ্ণ
ভোটার তালিকায় চীনা নারী

চীনা নাগরিক জোয়াং জিং নামের এক নারীর নাম বাংলাদেশের ভোটার তালিকায় থাকার প্রমাণ পাওয়া গেছে।

এমনকি তাকে জাতীয় পরিচয়পত্রও (এনআইডি) দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। তবে বর্তমানে তার এনআইডি’র স্ট্যাটাসে ‘ডিলিট’ লেখা রয়েছে। এছাড়া ওই চীনা নারীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিচ্ছে কমিশন।

নির্বাচন কমিশন (ইসি) সূত্র জানায়, মিথ্যা তথ্য দিয়ে ভোটার হওয়ায় সম্প্রতি ওই চীনা নারীর বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা করার জন্য মাঠপর্যায়ে নির্দেশনা দিয়েছে কমিশন।

এছাড়া এই কাজে সহযোগিতার জন্য ফেনী সদর উপজেলার এক পিয়নের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

সম্প্রতি ফেনী সদর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও রেজিস্ট্রেশন অফিসারের কাছে ইসির সহকারী সচিব মো. মোশাররফ হোসেন স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় বলা হয়, চীনা নাগরিক ‘জোয়াং জি’ (এনআইডি নং- ১৯৮৬৩০২২৯০৯০০০০১৮) মিথ্যা তথ্য দিয়ে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলার জন্য নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত দিয়েছে। তার বিরুদ্ধে ভোটার তালিকা আইন, ২০০৯-এর ১৮ অনুযায়ী ফৌজদারি মামলার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।

এছাড়া এ বিষয়ে ফেনী প্রশাসনের কাছে দেওয়া ইসির এক অনাপত্তিতে উল্লেখ করা হয়, চীনা নাগরিক আয়েশা জোয়াং জিং আক্তারকে জন্মসনদ ও নাগরিত্ব সনদের ভিত্তিতে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

তাকে বাংলাদেশি নাগরিক হিসেবে প্রত্যায়নপত্র ইস্যুকারী ফেনী পৌরসভার মেয়র আশরাফুল আলম রীটার, জন্মসনদ ও নাগরিক সনদ ইস্যুকারী সিন্দুরপুর ইউপির চেয়ারম্যান নূর নবী ও ২নং ওয়ার্ডের মেম্বার মো. আলমগীর এবং নিবন্ধন ফরমে শনাক্তকারী ও যাচাইকারী হিসেবে স্বাক্ষরকারী বা সহায়তা প্রদানকারী ফেনীর দাগনভূঞার কৌশল্যা গ্রামের মো. বেলাল হোসেন ও ফেনী পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ড কমিশনার সিরাজুল ইসলাম পাটোয়ারীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ বিষয়ে নির্বাচন কমিশন অনাপত্তি জ্ঞাপন করেছেন। পরবর্তী বিষয়ে প্রয়োজনীয় কার্যক্রমের জন্য প্রেরণ করা হলো।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ইসির সহকারী সচিব মো. মোশাররফ হোসেন বলেন, আমরা বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গে ওই নারীর জাতীয় পরিচয়পত্র ‘লক’ করে দিয়েছি। এটি দিয়ে তিনি আর কোনো কাজ করতে পারবেন না। এছাড়া তার বিরুদ্ধে ভোটার তালিকা আইন অনুযায়ী মামলার নির্দেশ দিয়েছে কমিশন।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…