খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মিরসরাইয়ে প্রতি ৩ মোটরসাইকেলের ২টি অবৈধ চোরাই মোটরসরাইকেলে বাড়াছে অপরাধ প্রবণতা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ নভেম্বর, ২০২২, ৬:২০ অপরাহ্ণ
মিরসরাইয়ে প্রতি ৩ মোটরসাইকেলের ২টি অবৈধ চোরাই মোটরসরাইকেলে বাড়াছে অপরাধ প্রবণতা

মিরসরাই প্রতিনিধি::::মিরসরাইয়ে ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে অবৈধ মোটরসাইকেলের ব্যাবহার। উপজেলায় ব্যাবহৃত প্রতি ৩টি মোটরসাইকেলের মধ্যে দুটিই অবৈধ। এসব অবৈধ মোটসরাইকেল ব্যাবহার হচ্ছে অপরাধ কর্মকান্ডে। রেজিষ্ট্রেশন বিহিন মোটরসাইকেলের বিরুদ্ধে পুলিশের কোন অভিযান না থাকায় চোরাই মোটরসাইকেল ব্যবহারের প্রবণতা বেড়েছে উপজেলা ঝুড়ে।

প্রশাসনিক নিরাবতায়, রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় উঠতি বয়সের কিশোর গ্যাং, স্কুল-কলেজের বেশির ভাগ ব্যাপরোয়া রাজনৈতিক কর্মীরা ব্যবহার করছে এসব চোরাই ও রেজিষ্ট্রেশন বিহিন মোটরসাইকেল।

সরজমিনে পরিদর্শন করে দেখা গেছে ১৫ বছরের কিশোর থেকে ২৫ বছরের যুবকদের শত করা ৯০জন রেজিষ্ট্রেশন বিহিন চোরাই মোটর সাইকেল ব্যাবহার করছে। আর এসব চোরাই মোটরসাইকেল বেশির ভাগ বিলাশি ও দামি অথচ ব্যবহারকারীদের কোন আয়ের উৎস নেই। উঠতি বয়সের কিশোর ও যুবকরা এসব মোটর সাইকেল ব্যাপরোয়া ভাবে সড়কে প্রদক্ষিণ করে, স্কুল কলেজের সামনে দাড়ীয়ে হিরো সাজার চেষ্টা করে ও স্কুল কলেজের ছাত্রীদের ইভটিজিং করে। সড়ক দূর্ঘটনায় মৃত্যুর মুখে ঢলে পড়ে অনেকেই পঙ্গুত্ব বরণ করে।

সাম্প্রতিক ঘটে যাওয়া বেশ কিছু চুরি, ছিনতাইয়ে দেখা গেছে চোরাই মোটরসাইকেলের ব্যাপক ব্যাবহার। রেজিষ্ট্রেশন বিহীন মোটরসাইকেল ব্যাবহার করে সাম্প্রতিক মিরসরাইয়ে এক প্রবাসীকে অপহরনের ঘটনাও ঘটেছে। রেজিষ্ট্রেশন বিহীন মোটরসাইকেলের সহজ ব্যাবহার মোটরসাইকেল চোর সিন্ডিকেটকে চুরিতে উৎসাহ দেয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন অনেকে। যাদের মোটরসাইকেল চুরি হয়েছে এমন কয়েকজন ভুক্তিভোগি অভিযোগ করে বলেন, রেজিষ্ট্রেশ বিহীন ও ডিজিটাল নাম্বার প্লেট বিহীন মোটরসাইকেলের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান থাকলে কারো মোটরসাইকেল চুরি হতো না। কিন্তু পুলিশের নাকের ডগায় রেজিষ্ট্রেশন বিহীন মোটরসাইকেল দাপড়িয়ে বেড়ালেও রাজনৈতিক ও রহস্যজনক কারনে নীরব ভুমিকা পালন করে। এসব মোটরসাইকেল ব্যবহার করে মহাসড়কে ছিনতাই ডাকাতি নিত্য ব্যাপার। মোটরসাইকেলে করে ইয়াবা, গাঁজা সহ বিভিন্ন মাদক ও অবৈধ অস্ত্র বহন করে মাদক কারবারীরা।

মিরসরাইয়ের সচেতন মহলের দাবি, প্রশাসনিক উদাসীনতার কারনেই রেজিষ্ট্রেশন বিহীন ও চোরাই মোটরসাইকেলের ব্যাবহার মারাতœক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। চোরাই মোটরসাইকেল অবাধে ব্যবহারের সুযোগ থাকায় বৃদ্ধি পেয়েছে মোটরসাইকেল চুরি।

মিরসরাই থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কবির হোসেন জানান, রেজিষ্ট্রেশন বিহীন মোটরসাইকেলের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান চলমান রয়েছে। মোটরসাইকেল আটক পরবর্তী ট্রাফিক সার্জেনের মাধ্যমে মামলা দেয়া হয়। তবে এই পর্যন্ত কয়টি চোরাই ও রেজিষ্ট্রেশনবিহিন মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়েছে জানতে চাইলে তিনি বলেন হিসেব করে বলতে হবে।

মিরসরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিনহাজুর রহমান জানান, ৭ থেকে ৮ মাস আগে রেজিস্ট্রেশন বিহীন মোটরসাইকেলের বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা নিতে উপজেলা আইনশৃঙ্খলা সভায় একটি রেজুলেশন করে ৮দিন মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়েছিল। পরবর্তীতে সকল ইউনিয়ন ও রাজনৈতিক দায়িত্বশীলদের অবগত করা হয় যেন ৩ মাসের মধ্যে সকলেরর মোটরসাইকেলের কাগজ পত্র ও রেজিস্ট্রেশন নাম্বার সংযুক্ত করা হয়। বর্তমানে অপরাধ প্রবণতা বাড়ায় এটি পুনরায় চালু করা হবে।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…