খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

প্রধানমন্ত্রীর সমাবেশ অভিমুখে নেতাকর্মীদের ঢল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০২২, ১২:৫৫ অপরাহ্ণ
প্রধানমন্ত্রীর সমাবেশ অভিমুখে নেতাকর্মীদের ঢল

চারদিকে সাজসাজ রব, ফেস্টুন-ব্যানারে দুই সপ্তাহ ধরেই উৎসবমুখর চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক পলোগ্রাউন্ড মাঠের চারপাশ। বিভিন্ন ধরনের টুপি, গেঞ্জিসহ নানা রঙের পোশাক পরে মাঠে আসছেন নেতাকর্মীরা।

আজ রোববার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জনসভাকে ঘিরে সকাল থেকেই আসতে শুরু করেছেন আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগসহ বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

আজ সকাল ১০টায় সিআরবি, ওয়াসা, কোতোয়ালি মোড়, টাইগারপাস, নিউমার্কেট, কাজির দেউড়ি মোড়সহ বিভিন্ন এলাকায় দেখা গেছে, বিভিন্ন পয়েন্ট দিয়ে পলোগ্রাউন্ডে যেতে শুরু করেছেন নেতাকর্মীরা। এ সময় নেতাকর্মীদের লাল-সবুজের পতাকা হাতে ও টুপি মাথায় উচ্ছ্বসিত দেখা যায়। ঢোল-বাদ্যের তালে তালে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানিয়ে দিচ্ছেন বিভিন্ন স্লোগান।

সকাল সাড়ে ১০টার দিকে লালখানবাজার মোড় এলাকায় দেখা যায়, রাউজান উপজেলা সমাবেশস্থলে রওনা দিয়েছে একটি বড় মিছিল। এ সময় তাদের হাতে দেখা গেছে পতাকা, পানির বোতল ও শুকনো খাবার।

মিছিলে যোগ দেওয়া মোহাম্মদ হারুন পাশা ও মোহাম্মদ মুছা বলেন, আমরা রাউজান থেকে সকালে এসেছি। সকালে দামপাড়া নেমেছি। সেখান থেকে মিছিল নিয়ে পলোগ্রাউন্ডের দিকে যাচ্ছি।

চন্দনাইশ থেকে আসা ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ নেতা হাসান মো. মঈনউদ্দিন কালবেলাকে বলেন, কমলা কালারের টুপি পরে মিছিল নিয়ে জনসভায় যাচ্ছি। ১০ বছর পর চট্টগ্রামে কোনো জনসভায় নেত্রীকে দেখব আজ। খুবই খুশি লাগছে।

নগরীর প্যারেড ময়দানসহ যেসব স্পটে পার্কিং স্পেস করা হয়েছে, সেগুলোতেও বাস, মিনি ট্রাক, পিকআপ ঢুকতে শুরু করেছে। সমাবেশ শেষে তারা আবার ফিরে যাবেন এখান থেকেই।

এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত (সকাল সাড়ে ১০টা) চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলা থেকে বিভিন্ন পরিবহনে আরও নেতাকর্মী ঢুকছেন শহরের প্রবেশমুখগুলো দিয়ে।

উপজেলার পাশাপাশি নগরের নেতাকর্মীর উপস্থিতিও চোখে পড়ার মতো। পলোগ্রাউন্ডে আসা নেতাকর্মীরা জানান, প্রধানমন্ত্রীর জনসভায় যোগ দিতে বিভিন্ন এলাকা থেকে ভোরেই রওনা দিয়েছেন তারা। সঙ্গে রেখেছেন মুড়ি, বিস্কুট, পানিসহ শুকনো খাবার। উদ্দেশ্য মাঠের খুব কাছ থেকেই নেত্রীকে একপলক দেখবেন, শুনবেন বক্তব্য।

পাহাড়তলী ওয়ার্ডের যুবলীগ নেতা সুফিয়ান বলেন, প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য শুনতে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি সকাল থেকেই। মঞ্চের কাছাকাছি থেকে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনাকে একনজর দেখতেই এসেছি। সঙ্গে আমার বাবাও এসেছেন।

প্রায় ১০ বছর পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চট্টগ্রামের ঐহিত্যবাহী পলোগ্রাউন্ডের সমাবেশ ঘিরে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে নেতাকর্মীর মধ্যে। আরও দুই সপ্তাহ আগে থেকেই চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকা সাজিয়ে তোলা হয়েছে ফেস্টুন-ব্যানারে। পলোগ্রাউন্ডের জনসভায় বিকেল ৩টায় বক্তব্য দেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এদিন ৩০টি প্রকল্প উদ্বোধন হবে প্রধানমন্ত্রীর হাতে। এ ছাড়া চারটি প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন তিনি। এর আগে সবশেষ ২০১২ সালে চট্টগ্রাম নগরীতে জনসভায় এসেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর প্রায় ১০ বছর প্রধানমন্ত্রীর জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করেছেন চট্টগ্রামের নেতাকর্মীরা। অবশ্য ২০১৮ সালের মার্চে চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলায় দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের আয়োজিত রাজনৈতিক কর্মসূচিতে যোগ দিয়েছিলেন শেখ হাসিনা।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…