খুঁজুন
রবিবার, ১৪ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভোট আইলে ত বোত রম কথা উনা যা, পরে খবর ন থা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৯ ডিসেম্বর, ২০১৯, ৩:৪৫ অপরাহ্ণ
ভোট আইলে ত বোত রম কথা উনা যা, পরে খবর ন থা

২৪ ঘন্টা ডট নিউজ।পূজন সেন, বোয়ালখালী : ‘বোয়ালখালীর কোঁয়াল আঁরা বছরই খালি। নির্বাচন আইয়ের যার, আঁরার কথা কনে উনের। ভোট আইলে ত বোত রম কথা উনা যা, পরে খবর ন থা’ (বোয়ালখালীর কপাল সারা বছরই খালি। নির্বাচন আসে যায়। আমাদের কথা কে শোনে। নির্বাচন আসলে অনেক রকম কথা শোনা যায়, পরে খবর থাকে না । কথা গুলো চাটগাঁর আঞ্চলিক ভাষায় বলছিলেন বোয়ালখালী উপজেলার একটি চায়ের দোকানে বসা ষাটোর্দ্ধ আবু হাশেম।

তিনি বলেন, ‘বাদল ভালা মানুষ আঁ-ছিল। যেঁ-তে এ্যাঁ-তে কথা কইত পাইরতাম। এ-রইম্যা মানুষ ত ন দেই-র। আঁ-র বাড়ির সবুরইজ্যার পোঁয়াও নেতা অই গিয়ে। কথা ন উনে, কাজ কামও ন গরে। বই বই খাঁ।’(প্রয়াত সাংসদ বাদল ভালো মানুষ ছিলেন। যখন তখন কথা বলতে পারতাম। তার মতো মানুষ দেখছি না। আমাদের বাড়ির সবুরের ছেলেও নেতা হয়ে গেছে। কথা শুনে না, কাজ করে না। বসে বসে খায়।)

চট্টগ্রাম-৮ আসনের উপ নির্বাচনে ভোট কাকে দিবেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আঁরার খবর যি-বা লইবু, যার কাছে আঁরা যাইত পাইরযুম, কথা কইত পাইরযুম তারে ভোট দিউম। উন্নি দি, অন ত বলে ভোট দ-ন ন পরে। তারপরও যাইয়ুম চাই।’ (আমাদের খবর যে নিবে, তার কাছে আমরা যেতে পারবো, কথা বলতে পারবো তাকে ভোট দেবো। শুনেছি, এখন তো বলে ভোট দিতে হয় না। তারপরও যাবো দেখি।)

নাগরিক সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করতে যিনি পারবেন এমন ব্যক্তিকেই ভোট দিয়ে নির্বাচিত করার কথা জানালেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন ৫নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা আবুল কালাম।

২০১৮ সালে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-৮ আসনে নৌকা প্রতীকে নির্বাচিত হয়েছিলেন বাংলাদেশ জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) কার্যকরী সভাপতি মঈন উদ্দিন খান বাদল। এ নিয়ে তিনি এ আসনে টানা তিনবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। গত ৭ নভেম্বর ভারতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। তাঁর মৃত্যুতে এ আসন শূণ্য ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। তাঁর মৃত্যুর পরপরই এলাকার নতুন সংসদ সদস্য কে হবেন তা নিয়ে সর্বত্র আলোচনা শুরু হয়।

তাঁর মতো গণমানুষের কাছের মানুষ জনপ্রতিনিধি হবেন এমন প্রত্যাশায় বুক বাঁধে এলাকাবাসী। শোকের মাঝেও ছিলো বাদলের আসনের উত্তসূরী কে হচ্ছেন তা নিয়ে জল্পনা কল্পনা। শেষতক এ আসনে উপ-নির্বাচনের সময় বেঁধে দিয়ে ঘোষণা হয় উপ নির্বাচনের তফশীল।

নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তফশীল অনুযায়ী চট্টগ্রাম-৮ আসনে উপ নির্বাচন আগামী ১৩ জানুয়ারী অনুষ্ঠিত হবে। এ নির্বাচনে ৮ প্রার্থী অংশ নিলেও গত ১৫ ডিসেম্বর দুই প্রার্থীর মনোনয়নপত্র যাচাই বাছাইয়ের দিন ঋণ খেলাপির অভিযোগে বাতিল করে দেয় নির্বাচন কমিশন। ওইদিন ৬ প্রার্থী মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছেন নির্বাচন কমিশন।

মনোনয়ন বাতিল হওয়া প্রার্থীরা হলেন গণফ্রণ্টের উত্তম চৌধুরী ও জাপার প্রার্থী জিয়া উদ্দিন বাবলু। তবে মনোনয়ন ফিরে পেতে আপিল করে আপিল শুনানিতে ফের বৈধতা ফিরে পাই জিয়া উদ্দিন আহম্মেদ বাবলু।

ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন সংগ্রহ করেন ১৯জন প্রার্থী। বিএনপি থেকে মনোনয়ন চান ৩প্রার্থী। এরমধ্যে নৌকার প্রার্থী কে হচ্ছেন তাও নিয়ে বিরাজ করে টানটান উত্তেজনা।

গত ১০ডিসেম্বর সন্ধ্যায় আওয়ামী লীগের এক সভায় দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা মোছলেম উদ্দিন আহমদকে মনোনীত করেন আওয়ামী লীগ। মোছলেম উদ্দিন দলীয় মনোনয়ন পাওয়ায় আওয়ামী লীগের কর্মী সমর্থকরা উল্লাসে ফেটে পড়েন। নগর, জেলা, উপজেলার আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতৃবৃন্দরা সক্রিয় হয়ে ওঠেন মোছলেম উদ্দিনের পক্ষে।

অন্যদিকে বিএনপি’র মনোনয়নে প্রার্থী হন দক্ষিণ জেলা বিএনপি’র আহ্বায়ক আবু সুফিয়ান। তবে বিএনপি থেকে সরে আসা সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও বিএনপি ভাইস চেয়ারম্যান মোরশেদ খান স্বতন্ত্রপ্রার্থী হওয়ার বাসনায় মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করলেও শেষতক তা জমা দেননি।

এদিকে জাতীয় পার্টির মনোনয়ন নিয়ে নির্বাচনি মাঠে হাওয়া গরম করে দেন জিয়া উদ্দিন বাবলু। তবে তাতে ভাটা পড়ে যায় গত ১৫ ডিসেম্বর নির্বাচন কমিশনের মনোনয়ন যাছাই-বাচাইয়ের দিন। তবে ঋণ খেলাপির আপত্তিতে বাতিল হয়ে যাওয়া মনোনয়ন পত্র ফিরে পেতে এবং নির্বাচনে প্রতিদ্বন্ধিতায় ফিরে আসতে তিনি আপিল করেন।

আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার আগারগাঁও নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ে আপিল শুনানি শেষে বাতিল হওয়া মনোনয়ন পত্রের ফের বৈধতা ফিরে পান বাবলু। আরো খবর : আপিল শুনানিতে বৈধ হল বাবলুর মনোনয়ন

এছাড়া নির্বাচনি মাঠে রয়েছেন বাংলাদেশ ন্যাশানালিস্ট ফ্রণ্টের(বিএনএফ) প্রার্থী আবুল কালাম আদাজ, ইসলামিক ফ্রণ্টের প্রার্থী ফরিদুল আলম, ন্যাপের প্রার্থী বাপন দাশগুপ্ত ও স্বতন্ত্রপ্রার্থী এমদাদুল হক।

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, আগামী ১৩ জানুয়ারি সকাল ৯ থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ১৮৯টি কেন্দ্রে ইল্কেট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। চট্টগ্রাম-৮ আসনে ভোটার রয়েছেন ৪লক্ষ ৭৫হাজার ৯৯৬ জন।

এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লক্ষ ৪১হাজার ৯২২জন। মহিলা ভোটার ২লক্ষ ৩৪ হাজার ৭৪জন। তৎমধ্যে নগরের ৫টি (৩-৭) ওয়ার্ডে ভোটার রয়েছেন ৩ লক্ষ ১১হাজার ৯৯৬জন। বোয়ালখালী (শ্রীপুর খরণদ্বীপ ইউনিয়ন ব্যতীত) উপজেলায় ১ লক্ষ ৬৪হাজার ভোটার।

Feb2

ক্রিকেটার নাঈম হাসানকে হেনস্তা: খুলশী থানার ওসি বদলি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬, ১২:২৯ পূর্বাহ্ণ
ক্রিকেটার নাঈম হাসানকে হেনস্তা: খুলশী থানার ওসি বদলি

জাতীয় ক্রিকেট দলের স্পিনার নাঈম হাসানকে হেনস্তার অভিযোগ ওঠার পর চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আরিফুর রহমানকে বদলি করা হয়েছে। শনিবার (১৩ জুন) চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের পুলিশ কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী স্বাক্ষরিত এক আদেশে এ বদলি করা হয়।

শনিবার রাত পৌনে ১২টার দিকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) সহকারী পুলিশ কমিশনার (সদর), অতিরিক্ত দায়িত্বে সহকারী পুলিশ কমিশনার (জনসংযোগ) আমিনুর রশিদ।

আদেশ অনুযায়ী, খুলশী থানার ওসি মো. আরিফুর রহমানকে সিএমপির লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে।

একইসঙ্গে সিটিএসবিতে কর্মরত নিরস্ত্র পুলিশ পরিদর্শক মো. জাহেদুল কবিরকে বাকলিয়া থানার ওসি এবং বাকলিয়া থানার ওসি মোহাম্মদ সোলাইমানকে খুলশী থানার ওসি হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।

এর আগে শুক্রবার (১২ জুন) রাতে জাতীয় ক্রিকেট দলের স্পিনার নাঈম হাসানকে পুলিশ পরিচয়ে আটক, মারধর ও হেনস্তার অভিযোগ ওঠে।

এ ঘটনায় ইতোমধ্যে খুলশী থানার এক উপপরিদর্শক (এসআই) ও দুই কনস্টেবলকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

বাজেট উপস্থাপনের পর কোনো জিনিসের দাম বাড়েনি : প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ৮:৫০ অপরাহ্ণ
বাজেট উপস্থাপনের পর কোনো জিনিসের দাম বাড়েনি : প্রধানমন্ত্রী

বাজেট উপস্থাপনের পর এই প্রথমবারের মতো বাজারে কোনো জিনিসপত্রের দাম বাড়েনি বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শনিবার (১৩ জুন) সন্ধ্যায় কক্সবাজারের চকরিয়া পৌর বাস টার্মিনালে চকরিয়া উপজেলা ও পৌরসভা বিএনপি আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকে সকালে যখন আমি ঢাকা থেকে প্লেনে উঠলাম, তখন প্লেনে পত্রিকা থাকে, আমি পত্রিকাগুলো দেখলাম কী কী নিউজ আছে। পত্রিকাগুলোর মধ্যে দেখলাম সবগুলো পত্রিকা কমবেশি একটি নিউজ করেছে যে, প্রতিবছর বাজেট উপস্থাপনের পরদিন বিভিন্ন জিনিসপত্রের দাম বেড়ে যেত। কিন্তু আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহর রহমতে গত পরশুদিন বাজেট উপস্থাপনের পর এই প্রথমবারের মতো কোনো জিনিসপত্রের দাম বাড়েনি।

তিনি বলেন, যেই বাজেট উপস্থাপন করলে জিনিসের দাম বাড়ে না, সেই বাজেট জনগণের পক্ষের বাজেট। এই বাজেটে আমরা বিভিন্ন ওষুধপত্র থেকে শুরু করে বিভিন্ন চিকিৎসার যে বিষয়গুলো ছিল, সেগুলোর ওপর থেকে আমরা ট্যাক্স কমিয়ে এনেছি।

চট্টগ্রামে পাঁচ বছরে দেড় কোটি বৃক্ষরোপণের লক্ষ্য: ডিসি জাহিদ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ৮:৩৭ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রামে পাঁচ বছরে দেড় কোটি বৃক্ষরোপণের লক্ষ্য: ডিসি জাহিদ

চট্টগ্রামে আগামী পাঁচ বছরে প্রায় দেড় কোটি বৃক্ষরোপণের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। তিনি বলেছেন, জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশগত বিপর্যয় মোকাবিলায় বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। তবে শুধু গাছ লাগালেই হবে না, সেগুলোকে বাঁচিয়ে রেখে পরিচর্যার মাধ্যমে বড় করে তুলতে হবে।

প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত ‘পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে শনিবার ( ১৩ জুন) কর্ণফুলী উপজেলার চাদগাঁও বেড়িবাঁধ এলাকায় আয়োজিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে ‘গ্রিন অ্যান্ড ক্লিন নারায়ণগঞ্জ’ কর্মসূচির আওতায় মাত্র দুই মাসে এক লাখ বৃক্ষরোপণ করে আলোচনায় আসা জাহিদুল ইসলাম বলেন, “সারা দেশে আজ থেকে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে। চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন, বন বিভাগ, পরিবেশ অধিদপ্তর, সিডিএসহ সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠান এ কর্মসূচির সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়েছে।”

তিনি বলেন, “আমরা ইতিমধ্যে ৭০ হাজার বৃক্ষরোপণের কার্যক্রম শুরু করেছি। আগামী পাঁচ বছরে শুধু চট্টগ্রাম জেলাতেই প্রায় দেড় কোটি বৃক্ষরোপণ করা হবে। চলতি বছর জেলায় প্রায় ২৫ লাখ চারা রোপণের পরিকল্পনা রয়েছে।”

জেলা প্রশাসক বলেন, “পৃথিবী মানুষের বসবাসের একমাত্র গ্রহ। কিন্তু মানুষের কর্মকাণ্ডের কারণেই পরিবেশ বিপর্যয় বাড়ছে। এ পরিস্থিতিতে পরিবেশ রক্ষার জন্য বৃক্ষরোপণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আজ যে গাছগুলো রোপণ করা হচ্ছে, সেগুলো সঠিকভাবে পরিচর্যা করা গেলে ভবিষ্যতে পরিবেশগত ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব হবে।”

অনুষ্ঠানে একটি সোনালু গাছের চারা রোপণের মাধ্যমে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক।

কর্মসূচির আওতায় কর্ণফুলী বেড়িবাঁধের চাদগাঁও এলাকায় প্রায় ১ দশমিক ৫০ একর জমিতে ১৯ প্রজাতির ১ হাজার ২০০টি চারা রোপণ করা হয়। রোপিত চারার মধ্যে রয়েছে সোনালু, চালতা, জারুল, রাধাচূড়া, কৃষ্ণচূড়া, বকুল, পলাশ, মহুয়া, কাঞ্চন, আমলকি, অর্জুন, জলপাই, কাঠবাদাম, ঝাউ, হিজল, বহেরা, চিকরাশি ও মেহগনি।

জেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, এ বছর চট্টগ্রাম জেলায় প্রায় ২৫ লাখ চারা রোপণ করা হবে। এর মধ্যে বন বিভাগের আওতায় প্রায় ১৮ লাখ চারা রোপণের পরিকল্পনা রয়েছে। চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগে ৭ লাখ ৫০ হাজার, দক্ষিণ বন বিভাগে ৮ লাখ ৩৪ হাজার ৫০০, উপকূলীয় বন বিভাগে ২ লাখ ৩২ হাজার ৫০০ এবং চট্টগ্রাম বোটানিক্যাল গার্ডেনে ১৫ হাজার ২৮৯টি চারা রোপণ করা হবে।

এ ছাড়া সিডিএ ও বন বিভাগের যৌথ উদ্যোগে কর্ণফুলী বেড়িবাঁধ সড়কের দুই পাশে প্রায় ১৬ হাজার গাছ লাগানো হবে।

গাছের সুরক্ষার বিষয়ে জেলা প্রশাসক বলেন, “প্রতিটি চারার উচ্চতা ন্যূনতম পাঁচ ফুট নিশ্চিত করা হয়েছে। গবাদিপশুর ক্ষতি থেকে রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় সুরক্ষা ব্যবস্থাও নেওয়া হবে। তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো নাগরিক সচেতনতা। এই গাছ আমাদের পরিবেশ, জীবন ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে রক্ষা করবে।”

তিনি আরও বলেন, “করোনাকালে আমরা অক্সিজেনের গুরুত্ব উপলব্ধি করেছি। তাই প্রত্যেক নাগরিককে নিজের গাছ মনে করে এসব চারার পরিচর্যা করতে হবে।”

অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোহাম্মদ হোছাইন, চট্টগ্রাম দক্ষিণ বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোহাম্মদ সোহেল রানা, উপকূলীয় বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা এম এ হাসান এবং চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী প্রকৌশলী ও প্রকল্প পরিচালক রাজীব দাশসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করছেন, সরকারের এই বৃহৎ সবুজায়ন কর্মসূচি চট্টগ্রামে পরিবেশ সংরক্ষণ, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা এবং সবুজায়ন বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।