খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিএনপির ভিশন ২০৩০’র অবস্থা জানতে চান ওবায়দুল কাদের

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ১৯ ডিসেম্বর, ২০২২, ৩:২৭ অপরাহ্ণ
বিএনপির ভিশন ২০৩০’র অবস্থা জানতে চান ওবায়দুল কাদের

বিএনপি যে ‘ভিশন ২০৩০’ ঘোষণা করেছিল তার অবস্থা জানতে চেয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

কাদের বলেন, ‘একটার পর একটা কর্মসূচি দেন। ২০৩০ সালের মধ্যে শুনেছিলাম ডিজিটাল বাংলাদেশের কাউন্টার বিএনপির ‘ভিশন ২০৩০’। এটা কোথায় এখন?’

আজ সোমবার সকালে আওয়ামী লীগের ২২তম জাতীয় কাউন্সিল উপলক্ষে স্বেচ্ছাসেবক ও শৃঙ্খলা উপ-কমিটির বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুকে বাদ দিয়ে বিজয় কল্পনাও করা যায় না। জাতির সর্বশ্রেষ্ঠ বীর, যার নামে বাংলাদেশের ইতিহাসের দরজা খুলে যায় তিনি বঙ্গবন্ধু। বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার কাছ থেকে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের অনেক কিছু শেখার আছে।’

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে চাই। শৃঙ্খলা না থাকলে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব না। তাই স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে শৃঙ্খলা ধরে রাখতে হবে।’

আওয়ামী লীগের সম্মেলন প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘সম্মেলন সাদামাটা হলেও নেতাকর্মী কমবে না। সম্মেলনে নেতাকর্মীদের ঢল নামবে। দেশের মানুষ কষ্টে আছে ভেবেই এবার সম্মেলনে সাজসজ্জা করা হয়নি। আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা দেশের মানুষকে নিয়ে ভাবেন। দেশের মানুষের কথা ভেবেই এবারের সম্মেলনে সাদামাটা করা হচ্ছে।’

করোনাভাইরাস মহামারি ও ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের প্রভাবে যে সংকট তৈরি হয়েছে, বাংলাদেশ সেই সংকট কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেছে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেছে। প্রয়োজনের চেয়ে এখন আমাদের বেশি রিজার্ভ আছে। মূল্যস্ফীতি কমেছে। স্বাধীনতা পরবর্তীকালে সংকটে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বড় শক্তি ছিল কৃষি ও কৃষক। আমাদেরও এখন সেটিই বড় শক্তি। এবারও কৃষিতে বাম্পার ফলন হয়েছে।’

সেতুমন্ত্রী বলেন ‘খেলার ফাইনাল হয়ে গেলো। কিন্তু কোথাও বিদ্যুৎ নেই, এমন হয়নি। এবার কোথাও ভাঙচুর হয়নি। অথচ আগে বিশ্বকাপ হয়েছে, কিন্তু বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে ভাঙচুর হয়নি, এমনটা দেখা যায়নি।’

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘আমাদের নিজেদের কর্মকাণ্ডে শৃঙ্খলার প্রতিফলন থাকা দরকার। আমরা গড়তে চাই স্মার্ট বাংলাদেশ। এর পূর্বশর্ত শৃঙ্খলা। সুশৃঙ্খল কর্মীবাহিনী ছাড়া স্মার্ট বাংলাদেশ গড়া সম্ভব নয়’

সম্প্রতি গঠিত জোট প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আজকে নাকি রাষ্ট্রকে মেরামত করার জোট হয়েছে। গতবার ২৩ দল ছিল, এবার ৩৩ দল হয়েছে। বাংলাদেশে জোটের অভাব নেই। এখানে বাম-ডান সব এক হয়ে গেছে। এখানে প্রগতি আর নেই। প্রগতিশীল আর প্রতিক্রিয়াশীল এক হয়ে গেছে, লক্ষ্য শেখ হাসিনাকে হঠাও।’

তিনি আরও বলেন, ‘যারা ক্ষমতায় থেকে এ রাষ্ট্রকে ধ্বংসের দ্বার প্রান্তে নিয়ে গেছেন, তারা নাকি রাষ্ট্র মেরামত করবেন? মেরামত তো শেখ হাসিনা করেছেন। ধ্বংস করেছেন আপনারা। দুর্নীতি আর লুটপাট করেছেন। রাষ্ট্রকে মেরামত আমরাই করেছি। আমরাই করবো।’

আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য এবং স্বেচ্ছাসেবক ও শৃঙ্খলা উপকমিটির আহ্বায়ক আবুল হাসনাত আবদুল্লাহর সভাপতিত্বে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন- আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য অ্যাড. জাহাঙ্গীর কবির নানক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম, অ্যাডভোকেট আফজাল হোসেন , বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জি. আব্দুস সবুর, যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ, স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মেসবাহুল হক সাচ্চু, সাধারণ সম্পাদক আফজালুর রহমানসহ শৃঙ্খলা উপ-কমিটির সদস্যরা।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…