খুঁজুন
বুধবার, ২২শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৯ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জনগণের ভাগ্য নিয়ে কাউকে ছিনিমিনি খেলতে দেয়া হবে না : প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ ডিসেম্বর, ২০২২, ১০:০৮ পূর্বাহ্ণ
জনগণের ভাগ্য নিয়ে কাউকে ছিনিমিনি খেলতে দেয়া হবে না : প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বাংলাদেশের জনগণের ভাগ্য নিয়ে কেউ যেন ছিনিমিনি খেলতে না পারে তা নিশ্চিত করাই তার দলের একমাত্র লক্ষ্য।

তিনি বলেন, ‘আমাদের একটাই লক্ষ্য যে, এদেশের মানুষের ভাগ্য নিয়ে কেউ যেন ছিনিমিনি খেলা খেলতে না পারে।

গত ২৪ ডিসেম্বর দলের ২২তম কাউন্সিলের পর সোমবার সন্ধ্যায় তাঁর সরকারি বাসভবন গণভবনে আওয়ামী লীগের নবনির্বাচিত সভাপতিমন্ডলীর প্রথম বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

বাংলাদেশের জনগণ অনেক কষ্ট করেছে এবং ভবিষ্যতে তাদের আর ভোগান্তি পোহাতে হবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমাদের একমাত্র লক্ষ্য দেশের মানুষ একটি সুন্দর, উন্নত ও সমৃদ্ধ জীবন পাবে এবং আমরা তা করতে চাই।’
আওয়ামী লীগের কাউন্সিল হয়ে গেছে এবং দলের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী কমিটির বাকি অংশ পূরণ করা হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এই সংগঠন (আওয়ামী লীগ) আমাদের বড় শক্তি এবং এটা আমাদের মাথায় রাখতে হবে।’

টানা দশমবার আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হওয়া শেখ হাসিনা বলেন, সংগঠনটি (আওয়ামী লীগ) শক্তিশালী থাকলে আমরা জনগণের আস্থা ও বিশ্বাস অর্জন করতে সক্ষম হব। তাহলে সরকার পরিচালনা এবং দেশের উন্নয়ন করা কঠিন কাজ হবে না।

তিনি বলেন, ‘এটাই হচ্ছে বাস্তবতা এবং আমরা এই বাস্তবতা নিয়ে আমাদের কাজ চালিয়ে যাব।’

বাংলাদেশ ইতোমধ্যে একটি ডিজিটাল দেশে পরিণত হয়েছে উল্লেখ করে, শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের লক্ষ্য ‘২০৪১ সালের মধ্যে ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ গড়ে তোলা।’

তিনি আরো বলেন, স্মার্ট বাংলাদেশে সমস্ত মানুষই হবে স্মার্ট মানুষ, ই-পিপল। আমরা এটা করতে চাই।’ ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহার করে আমরা বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাব।

শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ এগিয়ে থাকবে এবং এটাই হচ্ছে বাস্তবতা।

আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দেশের উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তারা স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করে স্যাটেলাইট যুগে প্রবেশ করেছে। অন্যদিকে মেট্রোরেল, যা একটি বৈদ্যুতিক ট্রেন, সেটি ২৮ ডিসেম্বর চালু করা হবে।’ কিন্তু, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় না থাকলে এসব কিছুই হতো না।’

আজ কর্ণফুলী নদীর তলদেশে একটি টানেল নির্মাণ করা হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সবচেয়ে বড় হচ্ছে পদ্মা সেতু যা সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ ছিল।

‘আমরা সেই চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করেছি এবং ঘোষণা করেছি যে, আমরা আমাদের নিজস্ব অর্থায়নে এটি করব। আমরা নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণ করেছি। আমরা কারও কাছ থেকে টাকা নিইনি, আমরা সেই যোগ্যতা অর্জন করেছি,’ যোগ করেন তিনি।

কোভিড-১৯ মহামারী এবং রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কথা উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আন্তর্জাতিক পর্যায়ে এসব ধাক্কা না আসলে আমরা আজ বাংলাদেশকে আরও অনেক দুর এগিয়ে নিয়ে যেতে পারতাম।’

শেখ হাসিনা বলেন, বাঙালি জাতি এ পর্যন্ত যা পেয়েছে, তা আওয়ামী লীগের কাছ থেকে পেয়েছে।

তিনি বলেন, ১৯৭৫ থেকে ১৯৯৬ সালের পরও বাংলাদেশ এক ধাপ এগোয়নি উল্লেখ করে বাংলাদেশের জনগণকে নির্যাতিত ও বঞ্চিত করা হয়েছে কারণ তাদের ভোটাধিকার নেই, খাদ্য নেই, বস্ত্র নেই, শিক্ষা নেই, চিকিৎসা নেই এবং রাস্তা এবং অন্যান্য কোন কিছুরই উন্নয়ন নেই।

তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর দেশের মানুষ বাংলাদেশ ও মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস জানতে পেরেছে।’ তিনি বলেন, ‘আজ ফিরে এসেছে জয় বাংলার স্লোগান এবং বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ। জিয়াউর রহমান ও অন্যান্য সরকারের আমলে নিষিদ্ধ করা হয়েছিল, কিন্তু ইউনেস্কো বঙ্গবন্ধুর ভাষণকে বিশ্ব ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে ঘোষণা দিয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘সবাই অন্ধকারে আবদ্ধ ছিল এবং আওয়ামী লীগ তাদের আলোতে নিয়ে এসেছে।’

সরকার প্রধান বলেন, ১৯৯৬ থেকে ২০০১ এবং ২০০৯ সাল থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত দেশের যে উন্নয়ন হয়েছে তা আওয়ামী লীগের হাত ধরেই অর্জিত হয়েছে।

তিনি বলেন ‘আজ আমরা উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা অর্জন করেছি এবং আমাদের আরও এগিয়ে যেতে হবে। আমরা সেই পরিকল্পনা নিয়েই এগিয়ে যাচ্ছি।’

তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, তার সরকার গৃহহীনদের জমি ও ঘর দিচ্ছে এবং সবাইকে দেবে। ‘দেশে কেউ গৃহহীন থাকবে না।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, পাঁচটি মৌলিক অধিকার- খাদ্য, বস্ত্র, ঘর, শিক্ষা ও চিকিৎসা, যা সংবিধানে বলা হয়েছে, সরকার তা নিশ্চিত করেছে এবং জনগণের উন্নত জীবন নিশ্চিত করতে আরও ব্যবস্থা নিচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, ‘এখন বিশ্ব বাংলাদেশকে মর্যাদার সঙ্গে দেখছে এবং বাঙালিরা যেখানেই যায় সেখানেই সম্মান পায় এবং এটা সম্ভব হয়েছে আওয়ামী লীগের কারণে।’

Feb2

পদ্মায় টহলরত পুলিশের ওপর সন্ত্রাসী হামলা, ওসিসহ ৫ সদস্য গুলিবিদ্ধ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩৪ অপরাহ্ণ
পদ্মায় টহলরত পুলিশের ওপর সন্ত্রাসী হামলা, ওসিসহ ৫ সদস্য গুলিবিদ্ধ

পাবনা ঈশ্বরদীর লক্ষীকুন্ডা নৌফাঁড়ির পুলিশ সদস্যদের ওপর অজ্ঞাত সন্ত্রাসীদের হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ (ওসি) পুলিশের পাঁচজন সদস্য গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। কুষ্টিয়া জেলার হরিপুর এলাকায় পদ্মা নদীতে টহল ডিউটির সময় হামলার এ ঘটনা ঘটে।

মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দিবাগত রাত আনুমানিক ১টা ১০ মিনিট থেকে ১টা ৫০ মিনিটের মধ্যে এ ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন—লক্ষীকুন্ডা নৌফাঁড়ির ইনচার্জ খন্দকার শফিকুল ইসলাম, পুলিশ সদস্য ইনামুল হক, শাহিনুর হক, নাজমুল হাসান এবং মানিক মিয়া। তারা সবাই একই নৌফাঁড়িতে কর্মরত। আহতদের তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধার করে পাবনা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়।

জানা যায়, নিয়মিত টহল ডিউটি পালনকালে লক্ষীকুন্ডা নৌফাঁড়ির একটি দল পদ্মা নদীর কুষ্টিয়া অংশের হরিপুর এলাকায় পৌঁছালে সন্ত্রাসীরা অতর্কিত হামলা চালায়। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এতে ওসিসহ পাঁচজন পুলিশ সদস্য গুলিবিদ্ধ হন। আহতদের তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধার করে পাবনা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে একজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে। বর্তমানে আহত সবাই চিকিৎসাধীন।

পাবনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মশিউর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনার পর এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের পাটজাত ব্যাগ এবং স্কুল ড্রেস দেবে সরকার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৩ অপরাহ্ণ
প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের পাটজাত ব্যাগ এবং স্কুল ড্রেস দেবে সরকার

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও মুখপাত্র মাহদী আমিন বলেছেন, দেশীয় পণ্য আমাদের কোমলমতি শিক্ষার্থীদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে দেশব্যাপী পর্যায়ক্রমে পাঠজাত ব্যাগ এবং স্কুল ড্রেস পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

তিনি বলেন, পাইলট প্রকল্প হিসেবে আগামী জুলাই থেকে সারাদেশের প্রতিটি উপজেলায় দুটি করে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ক্লাস ওয়ান শিক্ষার্থীদের পাটজাত ব্যাগ এবং স্কুল ড্রেস পৌঁছে দেওয়া সিদ্ধান্ত হয়েছে। প্রথম মাসে আমরা প্রায় ১ লাখের বেশি শিক্ষার্থীর মধ্যে এই পাটজাত ব্যাগ ও স্কুল ড্রেস পৌঁছে দেব।

বুধবার (২২ এপ্রিল) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের একথা জানান তিনি।

মাহদী আমিন বলেন, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, বস্ত্র এবং পাট মন্ত্রণালয় এবং স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে জুলাই শুরু থেকে প্রাথমিকভাবে দুটি করে উপজেলা প্রতি মাসে এবং প্রতিটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ক্লাস ওয়ান থেকে শুরু হবে আমরা সব ছাত্রছাত্রীর কাছে পাটের তৈরি ব্যাগ এবং স্কুল ড্রেস পৌঁছে দেব।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে আমরা চাই আমাদের দেশে উৎপাদিত পণ্য যে ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ স্লোগান আমরা সারা বিশ্বজুড়ে পৌঁছে দিতে চাই। তার অংশ হিসেবে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের কাছে এগুলো পৌঁছে দেওয়া হবে। যার মূল উদ্দেশ্য হবে সারাদেশে আমরা যে সবসময় বলি, সমতা নিশ্চিত করা। এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তোলা, যেখানে ফেয়ারনেস থাকবে, যেখানে ন্যায্যতা থাকবে। আমরা নিশ্চিত করতে পারব যে ধনী এবং দরিদ্রের মধ্যে যে পার্থক্য সেটি যেন কমে আসে। সমাজের কিছু সমতা নিশ্চিত হয়। সমাজে ন্যায্যতা নিশ্চিত হয়। আমরা সেটি শুরু করতে যাচ্ছি একদম আমাদের কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে ক্লাস ওয়ান থেকে।

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশ একদম তৃণমূল থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ পর্যায় পর্যন্ত প্রান্তিক এলাকায় আমরা ধাপে ধাপে এই একই ধরনের পোশাক, একই ধরনের ব্যাগ এবং দেশে উৎপাদিত পণ্য পৌঁছে দেব। এই উদ্যোগের মধ্য দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর যে দীর্ঘদিনের একটা ভিশন ছিল বাংলাদেশে আমাদের নিজেদের উৎপাদিত যে কোনো পণ্য, সারা বাংলাদেশে আমরা ছড়িয়ে দিতে পারবো।

তিনি আরো বলেন, আরেকটা বিষয় হচ্ছে এই যে পাটের ব্যাগটা আমরা দিচ্ছি এটাও একটা বিষয় এই যে, পরিবেশের সঙ্গে যাতে এটা আমাদের কোমলমতি শিশুদের একটা লার্নিং শুরু হয়। এখান থেকে এই পাটজাত পণ্য দ্রব্যগুলো ব্যবহারে মানুষকে উৎসাহিত করা। আমাদের হারানো ঐতিহ্য, গৌরবকে ফিরিয়ে আনার জন্য আমরা এটা আমাদের কোমলমতি শিশুদের মধ্যে দিয়ে এটা একটা সিগনাল দিচ্ছি যে, আমরা এই পলিথিন বা এই ব্যাপারে যে আমরা পরিবেশ নষ্ট করে এটার বিরুদ্ধে, এটাকে চেঞ্জ করে আমরা এই পাটজাত পণ্যের দিকে মানুষকে ধাবিত করা, উৎসাহিত করা।

সরকার সংবাদপত্রের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী : প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:৩৪ পূর্বাহ্ণ
সরকার সংবাদপত্রের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী : প্রধানমন্ত্রী

সরকার সংবাদপত্রের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সচিবালয়ে নিউজ পেপার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (নোয়াব)-এর সদস্যদের সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী এমন মন্তব্য করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সংবাদপত্রের স্বাধীনতার প্রতি আমাদের অবস্থান পরিস্কার। আমাদের সরকার সংবাদপত্রের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে।’

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জনপ্রশাসনের সভাকক্ষে এই বৈঠক হয়।

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব আবু আব্দুল্লাহ এম ছালেহ বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের সঙ্গে সংবাদপত্র মালিকদের সংগঠন নিউজপেপার্স ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ এর সদস্যরা সাক্ষাৎ করেছেন। তারা সংবাদপত্র শিল্পের নানা সমস্যার কথা বলেছেন। প্রধানমন্ত্রী উনাদের বক্তব্য অধীর আগ্রহের সঙ্গে শুনেছেন।’

প্রেস সচিব জানান, বৈঠকে সংবাদ পত্রের স্বাধীনতার প্রতি প্রধানমন্ত্রী তার সরকারের দৃঢ় অবস্থানের কথা স্পষ্টভাবে বলেছেন।

প্রেস সচিব বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী বৈঠকে বলেছেন তিনি নিয়মিত পত্রিকা পড়েন এবং টেলিভিশন দেখেন। পত্রিকা ও গণমাধ্যমে খবরকে গুরুত্ব দেন। প্রকাশিত খবরের বিষয়ে তিনি খোঁজ-খবর নিয়ে প্রয়োজন অনুযায়ী সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেন।’

গত ১৭ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেবার পরে এটিই নোয়াব সদস্যদের সঙ্গে প্রথম সাক্ষাৎ।

বৈঠকে নোয়াবের সহ-সভাপতি এএসএম শহীদুল্লাহ খান, কোষাধ্যক্ষ আলতামাশ কবির, সদস্য এ কে আজাদ, দৈনিক প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমান, দ্য ডেইলি স্টার সম্পাদক মাহফুজ আনাম, ইনকিলাব সম্পাদক এএমএম বাহাউদ্দীন, বণিক বার্তা সম্পাদক দেওয়ান হানিফ মাহমুদ, করতোয়া সম্পাদক মোজাজ্জেল হক, পূর্বকোণ সম্পাদক ডা. রমীজউদ্দিন চৌধুরী এবং ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস-এর প্রকাশক নাসিম মনজুর উপস্থিত ছিলেন।