খুঁজুন
, ,

নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে ব্যবসায়ী, সরকারি দপ্তর ও ভোক্তাদের সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 13 February, 2023, 5:27 pm
নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে ব্যবসায়ী, সরকারি দপ্তর ও ভোক্তাদের সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ

বর্তমান সরকারের স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মানে মূলভিত্তি নির্ধারণ করা হয়েছে স্মার্ট সিটিজেন, স্মার্ট ইকোনমি, স্মার্ট গভর্নমেন্ট এবং স্মার্ট সোসাইটি। আর স্মার্ট সিটিজেন তৈরীতে নিরাপদ খাদ্য ও ভোক্তা অধিকার সুরক্ষিত না হলে বর্তমান সরকার তাদের ঘোষিত রূপকল্প ২০৪১ কর্মসূচি সোনার বাংলা বাস্তবায়ন সম্ভব নয়। কারন খাদ্যে ভেজালের কারনে মেধাবী ও বৃদ্ধিমত্তাসম্পন্ন নেতৃত্ব পাওয়া যাবে না। আবার খাদ্য-পণ্যের দাম অতিরিক্ত হলে মানুষ খাদ্য নিরাপত্তাহীনতা এবং পুষ্টিহীনতার সম্মুখীন হবে। ফলে কর্মক্ষম জাতি পাওয়া সম্ভব হবে না। তাই নিরাপদ খাদ্য ও নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে ব্যবসায়ী, সরকারি দপ্তর ও ভোক্তাদের সমন্বিত উদ্যোগের ওপর জোর দিয়েছেন বিশিষ্ঠ জনেরা। শুধু আইন প্রয়োগের মাধ্যমে এই সমস্যা সমাধান সম্ভব নয়। সকলের সচেতনতা বৃদ্ধি, যেরকম দরকার তেমনি সরকারি সেবা ও আইনপ্রয়োগকারী সংস্থাগুলিকে আরও জনমূখি করা দরকার।

সোমবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) নগরীর চট্টগ্রাম সিটিকরপোরেশন এর কেবি আবদুস সাত্তার মিলনায়তনে কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) চট্টগ্রাম এর উদ্যোগে নিরাপদ খাদ্য ও ভোক্তা অধিকার সুরক্ষায় অংশীজনের ভূমিকা বিষয়ক বিভাগীয় পরামর্শ সভায় বিভিন্ন বক্তাগন উপরোক্ত মন্তব্য করেন।

ক্যাব কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি এস এম নাজের হোসাইনের সভাপতিত্বে পরামর্শ সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র মোঃ রেজাউল করিম চৌধুরী। মূখ্য আলোচক ছিলেন চট্টগ্রাম বিভাগের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (রাজস্ব) ডঃ প্রকাশ কান্তি চৌধুরী, বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মোঃ তৌহিদুল ইসলাম, জেলা প্রশাসনের স্থানীয় সরকারের উপ-পরিচালক বদিউল আলম, চট্টগ্রাম চেম্বারের পরিচালক অহিদ সিরাজ স্বপন।

ক্যাব বিভাগীয় সাধারন সম্পাদক কাজী ইকবাল বাহার ছাবেরী ও ক্যাব যুব গ্রুপের সদস্য মিনা আক্তারের সঞ্চালনায় পরামর্শ সভায় মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষন অধিদপ্তর এর বিভাগীয় উপ-পরিচালক মোহাম্মদ ফয়েজউল্যাহ, জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা নাজমুস সুলতানা সীমা।

আলোচনায় অংশনেন সমাজ সেবা অধিদপ্তদরের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ শাহী নেওয়াজ, জেলা প্রাণী সম্পদ অধিদপ্তরের ডাঃ শরমিন আক্তার, বাংলাদেশ রেস্তোরা মালিক সমিতি চট্টগ্রাম মহানগরের সভাপতি ইলিয়াছ ভুইয়া, সাধারন সম্পাদক আবদুল হান্নান বাবু, বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি, চট্টগ্রাম মহানগরের সভাপতি হাজী ছালামত আলী, বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি, চট্টগ্রাম জেলা সভাপতি আলহাজ্ব সালে আহমদ সুলেমান, ট্টগ্রাম ড্রিংকিং ওয়াটার ম্যানুফ্যাক্চার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ফয়সল আবদুল্লাহ আদনান, ফুলকলি গ্রুপের মহাব্যবস্থাপক, আলহাজ্ব এম এ সবুর প্রমুখ।

ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন ক্যাব চট্টগ্রাম মহানগরের সভাপতি জেসমিন সুলতানা পারু।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র রেজাউল করিম বলেন পবিত্র মাহে রমজান আসন্ন। এই মাসে ব্যবসায়ী ও খাদ্য বিক্রেতারা ভেজাল ও মানহীন পণ্য বিক্রয়ে বিরত থাকবেন এবং পণ্যমূল্য সহনীয় মাত্রায় রাখবেন এ প্রত্যাশা করি। দাম বাড়িয়ে ও মানহীন পণ্য বিক্রি করে মানুষের দুদর্শা বাড়ানো কোন সুস্থ ও বিবেকবান মানুষের কাজ হতে পারে না বলে মন্তব্য করেন। সিটি করপোরেশন নগরবাসীর নাগরিক সুবিধা বাড়াতে প্রতিনিয়তই কাজ করছে নিরাপদ খাদ্য ও ভোক্তা অধিকার সুরক্ষায় ক্যাবসহ সরকারের অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের সাথে সমন্বিতভাবে কাজ করবে। সাধারন মানুষ যাতে স্বল্পমূল্যে পণ্য ক্রয় করতে পারেন সে জন্য হলিডে মার্কেট ও ইফতারী মার্কেট তৈরীর চিন্তা করা হচ্ছে। নিরাপদ খাদ্য নগরী গড়ে তুলতে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।

মূখ্য আলোচক অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার ডঃ প্রকাশ কান্তি চৌধুরী আইন প্রয়োগের পাশাপাশি সর্বসাধারনের মাঝে শিক্ষা ও সচেতনতা সৃষ্ঠিতে একযোগে কাজ করার ওপর গুরুত্বআরোপ করেন। কারন যারা ব্যবসায়ী, খাদ্য উৎপাদক, যোগানদাতা ও আইন প্রয়োগকারী, দিন শেষে তারাও ভোক্তা। তাই ভোক্তা হিসাবে সচেতন হলেই তারা খাদ্যে ভেজাল মিশ্রন ও মানহীন খাবার বিক্রি করা অথবা অন্য ভোক্তার অধিকার খর্ব করতে পারেন না।

পরামর্শ সভায় বক্তারা নিরাপদ খাদ্য ও ভোক্তা অধিকার সুরক্ষায় তরুন প্রজন্মকে বিষয়গুলি শিক্ষা ও সচেতনতায় আরও রাস্ট্রীয় বিনিয়োগ বাড়ানোর আহবান জানান। পবিত্র মাহে রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্য-পণ্য মূল্য স্থিতিশীল রাখতে সরকারের সমন্বিত বাজার তদারকি জোরদার করার আহবান জানান। গুটিকয়েক অসাধুব্যবসায়ীর কারনে পুরো ব্যবসায়ী সমাজের সুনাম ও মর্যদা ক্ষুন্ন হচ্ছেন বলে দাবি করে এসমস্ত গুটিকয়েক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে কঠোর ও দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবি জানান। প্রয়োজনে এসমস্তগুটি কয়েক অসাধু ব্যবসায়ীদের সামাজিকভাবে বয়কটের আহবান জানান।

পরামর্শ সভায় নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি, সিটিকর্পোরেশনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, শিক্ষা, স্বাস্থ্য বিভাগ, চট্টগ্রাম চেম্বার, মেট্রোপলিটন, ওমেন চেম্বার, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ, প্রাণী সম্পদ বিভাগ, মৎস্য, কৃষি সম্প্রসারণ, বিএসটিআই, পরিবেশ অধিদপ্তর, সিভিল সার্জন, হোটেল ও রেস্তোরা মালিক সমিতি, দোকান মালিক সমিতি, চট্টগ্রাম সিটিকর্পোরেশন এলাকার গুরুত্বপুর্ন বাজার সমিতির প্রতিনিধি ও ক্যাব সদস্য/সদস্যাসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার প্রতিনিধিরা অংশগ্রহন করেন।

Feb2
Feb2

৪ লাখ মানুষ পানিবন্দি, ৭ উপজেলায় সেনা মোতায়েন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 11 July, 2026, 6:47 am
৪ লাখ মানুষ পানিবন্দি, ৭ উপজেলায় সেনা মোতায়েন

চট্টগ্রামে টানা ভারী বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢলের কারণে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যায় অন্তত ৪ লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা দিতে ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার-এর আওতায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে জেলার সাতটি উপজেলায় মোতায়েন করা হয়েছে।

শুক্রবার (১০ জুলাই) রাতে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের জরুরি অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১০ পদাতিক ডিভিশন ও ২৪ পদাতিক ডিভিশনের সদস্যরা বন্যাদুর্গত এলাকায় অনুসন্ধান, উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।

টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে চট্টগ্রামের লোহাগাড়া, সাতকানিয়া, চন্দনাইশ ও বাঁশখালী উপজেলা ব্যাপকভাবে প্লাবিত হয়েছে। এতে এসব এলাকার প্রায় ৪ লাখ মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছেন এবং পানিবন্দি হয়ে আছেন। পরিস্থিতি মোকাবিলায় ১০ পদাতিক ডিভিশনের উদ্ধারকারী দল ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম দ্রুত দুর্গত এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে।

এদিকে, ভারী বর্ষণের কারণে বোয়ালখালী, হাটহাজারী ও ফটিকছড়ি উপজেলাতেও ভয়াবহ বন্যা দেখা দিয়েছে। এসব এলাকায় জরুরি উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ২৪ পদাতিক ডিভিশনের সেনাসদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে।

আইএসপিআর আরও জানিয়েছে, দুর্গত এলাকায় আটকে পড়া মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিরলসভাবে অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম আরও দ্রুত ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করতে ২৪ পদাতিক ডিভিশন ইতোমধ্যে বন্যাকবলিত এলাকায় তিনটি ক্যাম্প স্থাপন করেছে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, দেশের যেকোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগে বেসামরিক প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে সাধারণ মানুষের জানমাল রক্ষায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। দুর্গত এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত সেনাবাহিনীর উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার না করতে গণমাধ্যমের প্রতি সরকারের অনুরোধ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 11 July, 2026, 6:37 am
শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার না করতে গণমাধ্যমের প্রতি সরকারের অনুরোধ

ক্ষমতাচ্যুত ও পলাতক শেখ হাসিনার কোনো ধরনের ভাষণ, বিবৃতি বা বক্তব্য টেলিভিশন, বেতার, সংবাদপত্র, অনলাইন নিউজ পোর্টাল বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার ও প্রকাশ না করতে দেশের সব গণমাধ্যমের প্রতি বিশেষ অনুরোধ জানিয়েছে সরকার।

আদালতের নির্দেশনা ও প্রচলিত আইন মেনে চলার স্বার্থে শুক্রবার (১০ জুলাই) তথ্য অধিদপ্তরের এক তথ্যবিবরণীতে এ আহ্বান জানানো হয়।

তথ্যবিবরণীতে দেশের প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক, অনলাইন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ সব ধরনের গণমাধ্যমের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলা হয়, ২০২৪ সালের ৫ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি) ক্ষমতাচ্যুত ও পলাতক শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিলেন।

বাংলাদেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী, আদালত কর্তৃক সাজাপ্রাপ্ত কোনো পলাতক অপরাধীর বক্তব্য, সাক্ষাৎকার কিংবা অডিও-ভিডিও ভাষণ গণমাধ্যমে প্রচারের ওপর আইনি নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।

তাই দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং আদালতের নির্দেশনার প্রতি সম্মান জানিয়ে পলাতক শেখ হাসিনার যেকোনো ধরনের ভাষণ, বিবৃতি বা বক্তব্য (সরাসরি কিংবা ধারণকৃত) টেলিভিশন, বেতার, সংবাদপত্র, নিউজ পোর্টাল বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার ও প্রকাশ না করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা যাচ্ছে।

সরকার প্রত্যাশা করে, দেশের সব গণমাধ্যম, সংশ্লিষ্ট অংশীজন এবং নাগরিকবৃন্দ প্রচলিত আইন ও আদালতের নির্দেশনার প্রতি যথাযথ শ্রদ্ধা প্রদর্শন করবেন এবং তা প্রতিপালনে সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদান করবেন।

বন্যাদুর্গতদের পাশে দাঁড়াতে প্রশাসন-নেতাকর্মীদের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 11 July, 2026, 6:28 am
বন্যাদুর্গতদের পাশে দাঁড়াতে প্রশাসন-নেতাকর্মীদের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

সারা দেশে ভারী বর্ষণ ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন এবং দলীয় নেতাকর্মীদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শুক্রবার (১০ জুলাই) প্রায় সারাদিনই তিনি বন্যাকবলিত ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন জেলার জেলা প্রশাসক (ডিসি), পুলিশ সুপার (এসপি) এবং সিভিল সার্জনদের সঙ্গে কথা বলে সার্বিক পরিস্থিতির খোঁজখবর নেন।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর মন্ত্রী, সচিব এবং বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গেও কথা বলেন। তিনি উদ্ধার, ত্রাণ, চিকিৎসা ও পুনর্বাসন কার্যক্রম আরও সমন্বিত ও কার্যকরভাবে পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন। তিনি জানান, বন্যাকবলিত জেলাগুলোতে উদ্ধার, পুনর্বাসন ও চিকিৎসাসহ সার্বিক কার্যক্রম সমন্বয়ের জন্য বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ ইসলাম অমিতকে দায়িত্ব দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় শনিবার তিনি, ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এম. ইকবাল হোসেইন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়ে চট্টগ্রামে যাবেন।

আতিকুর রহমান রুমন জানান, কয়েকটি এলাকায় বন্যার পানি কমতে শুরু করেছে বলে প্রধানমন্ত্রীকে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। তবে পরিস্থিতি এখনো নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী বন্যাকবলিত এলাকার নারী ও শিশু, বিশেষ করে গর্ভবতী নারীদের প্রতি বিশেষ যত্নশীল থাকার নির্দেশনা দেন। পাশাপাশি দুর্যোগকালীন পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে যেন কোনো অসাধু চক্র চুরি-ডাকাতি বা অন্য কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়াতে না পারে, সে বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকারও নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। এ ছাড়া ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য পর্যাপ্ত খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি, চিকিৎসাসেবা এবং অন্যান্য জরুরি সহায়তা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন তিনি।

এদিকে, বৃহত্তর চট্টগ্রাম অঞ্চলের মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যরা শুরু থেকেই বন্যাকবলিত এলাকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা ও ত্রাণ কার্যক্রমে সম্পৃক্ত রয়েছেন।