খুঁজুন
, ,

চট্টগ্রাম ৮ আসনের অলিগলিতে ধানের শীষের জোয়ার সৃষ্ঠি হয়েছে:শামীম

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 25 December, 2019, 8:17 pm
চট্টগ্রাম ৮ আসনের অলিগলিতে ধানের শীষের জোয়ার সৃষ্ঠি হয়েছে:শামীম

বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মাহাবুবের রহমান শামীম বলেছেন, চট্টগ্রাম ৮ আসনে অলিগলিতে ধানের শীষের জোয়ার সৃষ্ঠি হয়েছে। যদি সুষ্ঠ নির্বাচন হয় তাহলে আবু সুফিয়ান বিপুল ভোটে জয়লাভ করবে। গণতন্ত্রকে সমুন্নত রাখতে বিএনপি নির্বাচনে যাওয়ার সিন্ধান্ত নিয়েছে। এ নির্বাচনকে আমারা চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছি। যদিও বর্তমান নির্বাচন কমিশনের অধীনে কোন সুষ্ঠ নির্বাচন হয়নি। তারা ৩০ তারিখের ভোট ২৯ তারিখ রাতে নিয়ে নিয়েছিল। বিশ্বের কোনো দেশে এর নজির নেই। এই জালিয়াতির ভোটেই আজকে শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী।

তিনি আবু সুফিয়ানকে ধানের শীষ প্রতীকে জয়যুক্ত করার আহবান জানান।

তিনি আজ ২৫ ডিসেম্বর বুধবার বিকালে চট্টগ্রাম ৮ আসনের উপ নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী আবু সুফিয়ানের সমর্থনে ৪৩নং আমীন শিল্পাঞ্চল ওয়ার্ডের আমীন জামে মসজিদের সামানে থেকে শুরু হয়ে মোহাম্মদ নগর, বাস্তহারা, নবীনগর, আলী নগর, হিলভিউ আবাসিক, হামজারবাগ, আতুরারডিপু হয়ে রউফাবাদ এলাকায় গণসংযোগ শেষে উপস্থিত ভোটারদের উদ্যেশ্যে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।

আবু সুফিয়ানের নির্বাচনী গণসংযোগ

এতে তিনি আরো বলেন, সরকারের ফরমায়েসি রায়ে বেগম খালেদা জিয়াকে অন্যায়ভাবে সাজা দিয়ে কারাগারে বন্দি করে রেখেছে। তিনি বর্তমানে গুরুতর অসুস্থ। অথচ তাকে পর্যাপ্ত সু-চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে না। তার জামিন প্রক্রিয়ায় বারবার বাধা দেওয়া হচ্ছে। তাই দেশনেত্রীকে মুক্ত করতে আবু সুফিয়ানকে ধানের শীষে জয়ী করতে হবে। ১৩ই জানুয়ারী সমস্ত ভয় ভীতিকে উপেক্ষা করে ভোট কেন্দ্রে গিয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে হবে। যদি অতীতের মত ভোট চুরি করা হয় তাহলে একদফার আন্দোলন শুরু হবে।

বিএনপি প্রার্থী ও দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহবায়ক আবু সুফিয়ান বলেন, এ নির্বাচন হচ্ছে মানুষের অধিকার আদায়ের একটি অংশ।জনগণের ভোটের আধিকার বার বার হরণ করা হয়েছে। গণতন্ত্রকে বন্দি করে রাখা হয়েছে। দেশনেত্রীকে কারাগারে বন্দি করে রাখা হয়েছে। ১৩ই জানুয়ারির নির্বাচনে ভোট প্রয়োগের মাধমে গণতন্ত্রকে মুক্ত করতে হবে।

তিনি বলেন, সরকার বিএনপিকে ধ্বংস করার অনেক চেষ্টা করেছে। কিন্ত বিএনপিকে ধ্বংস করতে পারেনি বরং বিএনপি অতীতের চেয়ে আরো শক্তিশালী হয়েছে। আমরা সকল বাধার প্রাচীর ভেঙ্গে এগিয়ে যাব। কোনো প্রতিকূলতা আমাদের দমিয়ে রাখতে পারবে না। জনজোয়ারে বালির বাধের মত সব বাধা ভেঙ্গে যাবে। বিজয় আমাদের হবেই।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর বলেন, ধানের শীষ হচ্ছে গণতন্ত্র ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার প্রতীক। বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি আন্দোলনের প্রতীক। ধানের শীষে ভোট দেওয়ার জন্য জনগণ উম্মুখ হয়ে আছে। কিন্ত সরকার বার বার জনগণের ভোট লুট করে নিয়ে যাচ্ছে। মানুষের ভোটাধিকার হরণ করছে। কিন্ত আমরা এবার সাংগঠনিক শক্তি নিয়ে ভোট যুদ্ধে অবতীর্ণ হয়েছি। ভোট চোরদের ধরে এদেশ থেকে বিতাড়িত করার জন্য। তাই ভোটের দিন সকালে সাহস নিয়ে ভোট কেন্দ্রে গিয়ে গণতন্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করবেন। বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি আন্দোলনকে বেগমান করতে আবু সুফিয়ানকে ধানের শীষে ভোট দিন।

আমীন শিল্পাঞ্চল ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি এডভোকেট এফ এ সেলিমের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক কামরুল ইসলামের পরিচালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সংযুক্ত আরব আমিরাত বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম তালুকদার,দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য মোঃ ইদ্রিস মিয়া চেয়ারম্যান, মহনগর বিএনপির সহ-সভাপতি ইকবাল চৌধুরী, এস এম আবুল ফয়েজ, যুগ্ম সম্পাদক কাজী বেলাল উদ্দিন,ইসকান্দর মির্জা, আর ইউ চৌধুরী শাহীন, ইয়াসিন চৌধুরী লিটন, মঞ্জুর আলম মঞ্জু, আনোয়ার হোসেন লিপু, সহ সাধারণ সম্পাদক জি এম আইয়ুব খান, প্রশিক্ষণ সম্পাদক ইয়াকুব চৌধুরী, বায়েজিদ থানা বিএনপির সভাপতি আব্দুল্লাহ আল হারুন, বোয়ালখালী পৌর মেয়র আবুল কালাম আবু, নগর বিএনপির সম্পাদকবৃন্দ রফিকুল ইসলাম, মোঃ ইদ্রিস আলী, আবু মুসা, আব্দুল হাই,ওয়ার্ড় বিএনপি নেতা মোঃ আসলাম, মোঃ বেলাল, এস এম আবুল কালাম আবু, মামুন আলম, মোজম্মেল হক হাসান, আব্দুল বাতেন, নগর যুবদলের ম.হামিদ, মোশারফ হোসেন, হুমায়ুন কবির, জিয়াউর রহমান জিয়া, এরশাদ হোসেন, তৌহিদুল ইসলাম রাসেল, সেলিম উদ্দিন রাসেল, রাজন খান, মুহাম্মদ আলী সাকি, গুলজার হোসেন, মহিউদ্দিন মকুল, হাফেজ মোঃ কামাল, নগর ছাত্রদল নেতা, ফখরুল ইসলাম শাহীন, আকবর হোসেন মানিক, শফিউল বাশার সামু, মোঃ আলতাফ, বিএনপি নেতা, আবুল বশর, শাহ আলম, মজিবুল হক মজু, আব্দুল হালিম, মনির হোসেন খসরু, মোঃ আলী, মোঃ কালাম, মোঃমিজান, নুরুল ইসলাম, মোঃ আমজাদ হোসেন, যুবদল নেতা মোঃ হাসান, জুনায়েদ হোসেন রানা, ফয়সাল আহমদ মানিক, মোঃ কামাল, মাহুবুব আলম উজ্বল, রবিউল হোসেন, বেলাল হোসেন হামজা, হামিদ রানা প্রমুখ।

Feb2
Feb2

রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 7:52 pm
রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার উদ্যোগে ঐতিহ্যবাহী রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ প্রাঙ্গণ থেকে ৯ রবীউল আউয়াল ২৩ আগস্ট সকাল ১১ টায় পবিত্র জশনে জুলূসে ঈদে মীলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও মীলাদ মাহ্ফিল অনুষ্ঠিত হয়।

জুলূসে নেতৃত্ব দেন রাহাতিয়া দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন, পীরে কামিল শাহ্ সূফী আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ আবুল বয়ান শাহ্ নঈমী আশরাফী নকশবন্দী (মু.যি.আ.)।

রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ যিয়ারতের মাধ্যমে জুলূস শুরু হয়। রাঙ্গুনিয়া সরকারি কলেজ রোড হয়ে রাহাতুল্লাহ্ নকশবন্দী সড়ক হয়ে মরিয়ম নগর চৌমুহনী শাহী জামে মসজিদ সামনে সংক্ষিপ্ত আলোচনা ও মুনাজাত হয়। পুনরায় কাপ্তাই সড়ক প্রদক্ষিণ করে রাঙ্গুনিয়া কলেজ গেট হয়ে
রাহাতিয়া দরবার শরীফ পার্শস্থ রাহাতিয়া শাহী ঈদগাহ্ ময়দানে এসে জড়ো হয়। জুলূসে অংশ নেওয়া সুন্নী জনতার হাতে ছিল বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার পতাকা, প্লেকার্ড ও ফেস্টুন।

জলূসে অংশগ্রহণকারীদের কণ্ঠে “ইয়া নবী সালাম আলাইকা”, “মুস্তফা জানে রহমত পেহ্ লাখো সালাম” ইত্যাদি হামদ, না’তে রাসূল (সা.) এবং “না’রায়ে তাকবীর আল্লাহু আকবর”, “না’রায়ে রিসালাত ইয়া রাসুলাল্লাহ্ (দ.)”।

রাহমাতুল্লিল আলামীন (সা.)-এর শুভাগমণের শুকরগুযার সম্পর্কিত স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত হয়।

রাহাতিয়া দরবার শরীফের নায়েবে সাজ্জাদানশীন, পীরযাদাহ্ মাওলানা সৈয়্যদ মুহাম্মদ গোলাম রসুল শাহ্ নঈমী (মু.যি.আ.)-এর সার্বিক তত্ত্বাবধান ও পরিচালনায় এতে প্রধান মেহমান ছিলেন ভারত থেকে আগত পীরযাদাহ্ মাওলানা মুহাম্মদ বায়েজীদ আশরাফী।

বক্তব্য রাখেন আনজুমান-এ আহলে তাসাওউফ বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাওলানা গাজী মুঈনুদ্দীন রিজভী, বায়েজীদ দায়রায়ে মঈনিয়া রহমানিয়ার মুনতাজিম, মাওলানা মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম আশরাফী মাইজভান্ডারী, বাংলাদেশ সূফীবাদী ঐক্য ফোরাম বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান সাংবাদিক নূর মোহাম্মদ রানা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার মহাসচিব মুহাম্মদ নঈম উদ্দিন প্রমুখ।

না’তে রাসূল (সা.) পরিবেশন করেন শায়ের ওমর ফারুক ইরন, শায়ের আলভী হাসান।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত, না’তে রাসূল (সা.) শেষে মীলাদ, ক্বিয়াম ও মুনাজাতের মাধ্যমে মুসলিম উম্মাহ্’র শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ দু’আ করা হয়।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 2:52 pm
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন করার নামে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তিন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৫ অক্টোবর দিন ধার্য করা হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের অপর সদস্য বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

তিন সাংবাদিক হলেন, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত, একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল বাবু এবং একই প্রতিষ্ঠানের সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ফারজানা রুপা।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর জহিরুল আমিন, মার্জিনা রায়হান, তারেক আবদুল্লাহসহ অন্যান্য প্রসিকিউটর।

শুনানিতে প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ১৭ আগস্ট প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করা হয়েছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাদের আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। এ মামলায় তিনজনকেই গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করছে প্রসিকিউশন। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দুই মাস সময় চান তিনি।

শুনানি শেষে প্রসিকিউশনের আবেদন মঞ্জুর করে শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। পাশাপাশি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

প্রসিকিউশন জানায়, ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই গণভবনে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই দিন তাকে প্রশ্ন করার নামে কিছু উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছিলেন কয়েকজন সাংবাদিক। এর পরিপ্রেক্ষিতে আন্দোলনকারীদের রাজাকারের বাচ্চা ও রাজাকারের নাতিপুতি বলেছিলেন শেখ হাসিনা।

রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, ওই উসকানিমূলক প্ররোচনার ধারাবাহিকতায় জুলাইয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়। এ মামলায় ১৪ জুলাইয়ের ওই ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে।

নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 1:11 pm
নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ফেনীর সোনাগাজীর বহুল আলোচিত মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত হত্যা মামলায় সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ আসামিকে খালাস ও চার আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে যে দুই আসামির তারা হলেন-সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা (৫৭) এবং শাহাদাত হোসেন শামীম(২০)।

আলোচিত এই মামলায় ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর রায় দিয়েছিলেন। রায়ে মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ ১৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।

নথিপত্র অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে নুসরাতের শ্লীলতাহানি করেন। এ ঘটনায় মামলা হলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলা তুলে না নেওয়ায় ৬ এপ্রিল মাদ্রাসার ছাদে ডেকে নিয়ে নুসরাতের হাত-পা বেঁধে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই বছরের ১০ এপ্রিল নুসরাতের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান (নোমান) সোনাগাজী থানায় মামলা করেন। পরে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।