খুঁজুন
, ,

রাউজানের কেউটিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২শ’ বছর পূর্তি ও পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান সম্পন্ন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 26 December, 2019, 5:47 pm
রাউজানের কেউটিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২শ’ বছর পূর্তি ও পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান সম্পন্ন

নেজাম উদ্দিন রানা, রাউজান (চট্টগ্রাম) : কেউবা এসেছিল লাঠিতে ভর দিয়ে, কেউবা পরিবার-পরিজন নিয়ে। দীর্ঘদিন পর একই সামিয়ানার নিচে পুরনো দিনের বন্ধুকে কাছে পেয়ে খুশির পালে যেন লেগেছিল উঞ্চ হাওয়া। শীতের কুয়াশাময় সকালটা যেন উৎসবের আনন্দে রঙিন করে তুলেছিল রাউজানের কউটিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রাক্তণ কয়েক শতাধিক শিক্ষার্থী।

বয়সের পার্থক্য ভুলে হাসি-আনন্দে মাতোয়ারা হয়ে উঠেছিল নবীণ-প্রবীণ সকলে। মঞ্চের ব্যানারে বড় হরফে লেখা, আয়, আরেকটি বার আয়রে সখা প্রাণের মাঝে আয়…কথাটিই যেন এই বিদ্যালয়ের প্রাক্তণ শিক্ষার্থীদের প্রাণে সৃষ্টি করেছিল ভালোলাগার শিররণ।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে রেলপথ মন্ত্রণালয় সম্পকির্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী এমপি বলেছেন, ২০০ বছর আগে কেউটিয়া স্কুল প্রতিষ্ঠিত হয়েছে জেনে নিজেকে গৌরবান্বিত মনে হচ্ছে। এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অনেক কৃতি শিক্ষার্থী আজ স্ব স্ব কর্মক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত। তখনকার সমাজ হিতৈসীরা শিক্ষার জন্য চিন্তা করেছিল। আজ তারা নেই কিন্তু তারা অমর। আমি সসবসময় স্বাস্থ্য, শিক্ষা, বাসস্থান ও শৃঙ্খল জীবনের কথা চিন্তা করি। সেলক্ষ্য আমি কাজ করে যাচ্ছি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের জন্য দৈনিক ১৯ ঘন্টা কাজ করে। তার যোগ্য নেতৃত্বে এই দেশ উন্নত বিশ্বে আজ রোল মডেল। রাজনীতিবিদরা প্রধানমন্ত্রীর মত নিষ্টার সাথে করলে এই দেশ সোনার বাংলায় পরিনত হবে।

অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক ছিলেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ের সহ সভাপতি বাংলাদেশ প্রতিদিন চট্টগ্রাম ব্যুরো সাংবাদিক রিয়াজ হায়দার চৌধুরী।

প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রী পুনর্মিলনী উদযাপন পরিষদের ২০১৯ এর সভাপতি ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মো. নুরুল আমিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানের উদ্বোধক ছিলেন রাউজান আর্যমৈত্রেয় ইনস্টিটিউশনের সভাপতি আলহাজ্ব শাহ আলম চৌধুরী।

পুনর্মিলনী উদযাপন পরিষদের সচিব সনজীব দত্তের সঞ্চালনায় অলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন রেলপথ মন্ত্রণালয়ের উপ সচিব শিবির বিচিত্র বড়ুয়া, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জোনায়েদ কবির সোহাগ, উপজেলা সিনিয়র সহকারী কমিশনার (ভূমি) মামনুন আহমেদ অনিক, ডেপুটি অ্যাটর্নী জেনারেল এডভোকেট অপূর্ব ভট্টচার্য্য, উপজেলা শিক্ষা অফিসার মো. আব্দুল কুদ্দুস, স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান বি.এম. জসিম উদ্দিন হিরু, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান শাহ আলম চৌধুরী, সমাজসেবক আলহাজ্ব মোহাম্মদ আলী, সিপ্লাস টিভির চীফ রিপোর্টার খোরশেদুল আলম শামীম। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আবু জাফর চৌধুরী, মুক্তিযোদ্ধা শফিকুল ইসলাম, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আলহাজ্ব মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম হেলালী, ইউপি সদস্য প্রভাত পাল কালু, সারজু মোহাম্মদ নাছের, শওকত হোসেন, উদযাপন পরিষদের প্রধান সমন্বয়কারী পার্থ প্রতিম ভট্টাচার্য্য, সিনিয়র সহ সভাপতি শিক্ষক সমীর কান্তি ভট্টাচার্য্য, এসএম লিটন প্রমুখ।

শোভাযাত্রা, আলোচনা সভা, স্মৃতিচারণ, মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, মধ্যাহ্ন ভোজসহ নানা কর্মসূচির মাধ্যমে প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রী পুনর্মিলনী ও ঐতিহ্যের দুইশত বছর পুর্তি উদযাপন করেছে নবীন প্রবীন সমন্বয়ে। জাতীয় সংগীত পরিবেশন সহকারে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, শান্তির প্রতীক পায়রা ও বেলুন উড়িয়ে অনুষ্ঠানের শুভ সুচনা করা হয়।

Feb2
Feb2

২০০ টাকার নিচে নেই মাছ ও মুরগি, ডিমের ডজন ১৫০

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 7 August, 2026, 12:20 pm
২০০ টাকার নিচে নেই মাছ ও মুরগি, ডিমের ডজন ১৫০

বাণিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রামের বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যের দাম এখনও সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে। ২০০ টাকার নিচে মিলছে না মাছ ও ব্রয়লার মুরগি। প্রতি ডজন ডিম বিক্রি হচ্ছে প্রায় ১৫০ টাকায় এবং গরুর মাংসের কেজি ৮০০ টাকার আশপাশে। ব্রয়লার, পাঙাশ ও তেলাপিয়ায় লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধিতে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের ওপর বাড়ছে চাপ। বাজার নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন ক্রেতারা।

আজ শুক্রবার (৭ আগস্ট) নগরীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা যায়। গত সপ্তাহের তুলনায় ব্রয়লার মুরগি ও ডিমের দাম বেড়েছে। তবে স্থিতিশীল রয়েছে শুধুমাত্র গরুর মাংসের দাম।

সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, সপ্তাহের ব্যবধানে মাছে ২০ থেকে ৩০ টাকা প্রতি কেজিতে বেড়েছে। প্রতি কেজি গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৮০০ টাকায়, আর ডিম ১৫০ থেকে ১৫৫ টাকা ডজন। ব্রয়লার মুরগির দাম কেজিতে ১০ টাকা বেড়ে ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে সোনালি, হাইব্রিড ও লেয়ার মুরগির দামে পরিবর্তন নেই। সোনালি মুরগি ৩২০ থেকে ৩৪০ টাকা, হাইব্রিড ২৯০ থেকে ৩০০ এবং লেয়ার ৩৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে পুকুরে চাষ করা মাছ পাঙাশ, তেলাপিয়া, রুই, কাতলা, মৃগেল, পোয়ায় কেজি প্রতি ২০ থেকে ৩০ টাকা বেড়েছে। প্রতি কেজি জীবিত পাঙাশ ২৩০ টাকা, তেলাপিয়া ২৬০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। মানভেদে চিংড়ির কেজি ৮০০ থেকে ৯০০, পাবদা ৩৫০ থেকে ৪০০, বড় আকারের রুই ৪৫০ থেকে ৫০০ ও ট্যাংরা ৭০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ভেটকি ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা, মৃগেল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, বাইম ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, দেশি কই ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা, চাষের কই ৩০০ টাকা, পোয়া ২৬০ টাকা এবং শোল ৭০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আকারভেদে চাষের শিং মাছ বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা দরে। মাঝারি আকারের রুই কেনা যাচ্ছে ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা দরে। এ ছাড়া, রূপচাঁদা, শোল ও নদীর বেলে মাছ কিনতে গেলে হাজারের বেশি টাকা গুনতে হচ্ছে।

পাহাড়তলী বাজারের মুরগি বিক্রেতা মাহবুব বলেন, বাজারে মুরগির চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ নেই। গত সপ্তাহের তুলনায় ১০ থেকে ২০ টাকা কেজিতে বেড়েছে। সোনালি মুরগির দাম স্থিতিশীল রয়েছে। আজ প্রতি কেজি ২০০ টাকায় ব্রয়লার এবং ৩৩০ টাকায় সোনালি মুরগি বিক্রি করছি। বাজারে সরবরাহ ভালো থাকায় দামে তেমন ওঠানামা নেই।

পাহাড়তলী বাজারের মাছ বিক্রেতা খোকন বলেন, আজকে মাছের দাম আগের মতোই। কিছু মাছের দাম সব সময় বেশি থাকে। বর্তমানে বিভিন্ন ধরনের সামুদ্রিক মাছ বিক্রি হচ্ছে। সেগুলোর দাম সব সময় বেশি। তবে পুকুরে চাষের মাছের দামও দিন দিন বাড়ছে। আমাদের বেশি দামে কিনতে হয়, এ জন্য বিক্রিও বেশি দামে করতে হয়। মাছের দাম বাড়ার কারণে আমাদের পুঁজিও বেশি লাগতেছে।

আরও দেখা যায়, গত সপ্তাহের তুলনায় ডিমের দাম ডজনে ১০ থেকে ১৫ টাকা বেড়েছে। ফার্মের ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ১৫০ টাকা থেকে ১৫৫ টাকা। প্রতি কেজি গরুর মাংস কেজি ৭৫০ থেকে ৮০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। খাসির মাংস কিনতে গেলে কেজিতে খরচ করতে হবে এক হাজার ১০০ থেকে এক হাজার ২০০ টাকা।

বাজারে কেনাকাটা করতে আসা মিজানুর রহমান বলেন, ব্রয়লার মুরগির দাম বাড়লে তার প্রভাব নিম্ন আয়ের মানুষের উপরে সরাসরি পড়ে। আমরা তো দেশি মুরগি বা পাকিস্তানি সোনালি মুরগি কিনে খেতে পারবো না। ব্রয়লার, পাঙাশ ও তেলাপিয়া আমাদের ভরসা। সেখানে দাম বাড়লে পকেটে টান পড়ে।

বগুড়ায় বাসচাপায় নিহত ৬

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 7 August, 2026, 12:06 pm
বগুড়ায় বাসচাপায় নিহত ৬

বগুড়া-নওগাঁ আঞ্চলিক মহাসড়কের সদর উপজেলার এরুলিয়ায় বাসচাপায় ৬ জন শ্রমিক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অনেকে।

শুক্রবার (৭ আগস্ট) ভোর পৌনে ৬টার দিকে এরুলিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে দুর্ঘটনায় ৬ জন নিহতের বিষয়টি জানা গেছে। তবে নিহতের সংখ্যা বাড়তে পারে।

নিহতদের মধ্যে চারজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তারা হলেন- গাইবান্ধার আমিরুল, নূর আলম ও বেলাল এবং জয়পুরহাটের তাজমুল। বাকি তিনজনের পরিচয় শনাক্তের কাজ চলছে।

আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাদের বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

বগুড়া সদর থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) শফিকুল ইসলাম শফিক বলেন, ঢাকা থেকে নওগাঁগামী শাহ ফতেহ আলী পরিবহনের একটি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত বাস শুক্রবার ভোরে এরুলিয়া এলাকায় পৌঁছালে চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। এ সময় বাসটি সড়কের পাশে অবস্থানরত দিনমজুর ও কৃষিশ্রমিকদের ওপর উঠে যায়।

তিনি আরও বলেন, দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই তিনজন নিহত হন। পরে আহতদের উদ্ধার করে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে আরও চারজন মারা যান। আহত অন্তত ১৫ জন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। নিহতদের পরিচয় শনাক্ত এবং দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে কাজ চলছে।

সিলেটের ওসমানী নগরে দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৮

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 7 August, 2026, 11:55 am
সিলেটের ওসমানী নগরে দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৮

সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলায় দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে আটজন নিহত হয়েছে।

আজ শুক্রবার সকালে সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার কাশিকাপন এলাকায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

ওসমানীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম মোস্তফা এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে আটজন নিহত হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও বেশ কয়েকজন।’

ওসমানীনগর থানার ডিউটি অফিসার ও উপপরিদর্শক (এসআই) আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘সকালে ইউনিক পরিবহন ও বেঙ্গল পরিবহনের দুটি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। তাৎক্ষণিকভাবে হতাহত ব্যক্তিদের পরিচয় জানা যায়নি। পুলিশ তাদের পরিচয় জানার চেষ্টা করছে।’