খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সীতাকুণ্ডে ৮ বছর পর বেদখল হওয়া কয়েক কোটি টাকার সম্পদ ফিরে পেলেন মালিক

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ১ মার্চ, ২০২৩, ১০:০০ অপরাহ্ণ
সীতাকুণ্ডে ৮ বছর পর বেদখল হওয়া কয়েক কোটি টাকার সম্পদ ফিরে পেলেন মালিক

সীতাকুণ্ড প্রতিনিধি: সীতাকুণ্ডে বেদখল হওয়ার ৮ বছর পর প্রকৃত মালিককে কয়েক কোটি টাকা মূল্যের সম্পত্তি বুঝিয়ে দিলেন বিজ্ঞ আদালত।

বুধবার উপজেলার ভাটিয়ারী ইউনিয়নের অক্সিজেন রোডের পশ্চিমে সাগর উপকূলে অবস্থিত উক্ত জায়গাটি আদালতের নির্দেশে জেলা প্রশাসনের ম্যাজিষ্ট্রেট স্বশরীরে উপস্থিত হয়ে মালিককে বুঝিয়ে দেন। এতে আইনের শাষন প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বলে দাবী করেছেন জায়গার মালিক।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ২০১০ সালের দিকে সীতাকুণ্ডের ভাটিয়ারী অক্সিজেন রোডস্থ সাগর উপকূলবর্তী শিপইয়ার্ডে অবস্থিত জনৈক নুরুল ইসলামের মালিকানাধীন ১৫.৮৪ শতক জায়গা (সোস্যাল ইসলামী ব্যাংক, ভাটিয়ারী শাখায় বন্ধক থাকা) অর্থ ঋণ আদালত নিলামে বিক্রি করলে তা কিনে নেন স্থানীয় ইসমাঈল ষ্টিল এন্টারপ্রাইজ এর এমডি লায়ন মোহাম্মদ ইমরান। সেই থেকে তিনি জায়গাটিতে শিপব্রেকিংসহ কার্যক্রম পরিচালনা করলেও ২০১৫ সালের একদিন প্রভাব খাটিয়ে তা দখল করে নেন পার্র্শ্ববর্তী ইয়ার্ড মালিকরা। পরবর্তী এ জায়গা ফিরে পেতে আদালতের দ্বারস্থ হন মোহাম্মদ ইমরান। সেই থেকে দীর্ঘ ৮ বছর আইনি প্রক্রিয়া শেষে মোহাম্মদ ইমরান জায়গার মালিকানা বিষয়ে তার পক্ষে রায় পেলে বিজ্ঞ আদালত জায়গাটি প্রকৃত মালিককে বুঝিয়ে দিতে জেলা প্রশাসনকে নির্দেশ দেন। সেই নির্দেশ পেয়ে বুধবার বিজ্ঞ আদালতের নির্দেশে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট হুছেইন মোহাম্মদ জায়গাটির অবস্থান চিহ্নিত করে তাতে খুঁটি পুঁতে সাইনবোর্ড ও পতাকা দিয়ে জায়গার মালিক আলহাজ্ব মোহাম্মদ ইমরানকে পুনরায় বুঝিয়ে দেন।

এসময় আদালতের প্রতিনিধি, কোর্ট পুলিশ, সীতাকুণ্ড থানা পুলিশ, স্থানীয় বিভিন্ন সংবাদকর্মীসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন। এ বিষয়ে জানতে চাইলে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট হুছেইন মোহাম্মদ বলেন, বিজ্ঞ আদালতে জায়গা নিয়ে মামলা চলছিলো। মামলা শেষে আদালত আলহাজ্ব মোহাম্মদ ইমরানকে তার জায়গাটি বুঝিয়ে দিতে নির্দেশ দিলে আমরা আজ এখানে এসেছি বুঝিয়ে দিতে। মূলত এখানে যেন কোন আইন-শৃঙ্খলার অবনতি না হয় সেটি দেখাই আমাদের কাজ।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…