খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শিক্ষকের উপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভে উত্তাল মিরসরাই

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ১ মার্চ, ২০২৩, ১০:০৫ অপরাহ্ণ
শিক্ষকের উপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভে উত্তাল মিরসরাই

মিরসরাই প্রতিনিধি::::মিরসরাইয়ে স্কুল শিক্ষকের উপর দফায় দফায় হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ, মানব বন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে বিদ্যালয়ের সম্মিলিত ছাত্র-শিক্ষক ও উপজেলা শিক্ষক সমিতি। এসময় উপজেলার বিভিন্ন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, শিক্ষক নেতৃবৃন্দ, ছাত্র-শিক্ষক ও স্থানিয় জনসাধারণসহ হাজার খানেক প্রতিবাদি উপস্থিত ছিলেন।

বুধবার (১ মার্চ) সকাল সাড়ে ১০টায় উপজেলার সাহেরখালী ভোরের বাজারে এই বিক্ষোভ মিছিল, মানব বন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

প্রতিবাদ সমাবেশে উপজেলা শিক্ষক সমিতির যুগ্ম সম্পাদক মীর হোসেনেরর সঞ্চালনায় সভাপতিত্ব করেন সাহিরখালি স্কুল পরিচালনা কমিটির সভাতি হাসান মাহফুজ চৌধুরী।

এসময় শিক্ষকের উপর নেক্কারজনক হামালার প্রতিবাদে হামলাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সুভাষ সরকার, ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আবুছালেক, বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির (ফেডারেশন) আঞ্চলিক শাখার সাধারণ সম্পাদক কমল ভৌমিক, মহালঙ্কা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ইদ্রিস মিয়া, আবুল কাশেম বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গিয়াস উদ্দিন, শফিউল আলম উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবু সুফিয়ান, মিরসরাই বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আজিম উদ্দিন ভূইয়া, সাহেরখালী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এইচ এম মেজবাউল হক প্রমুখ।

এছাড়া শিক্ষাথিদের মধ্যে থেকে বক্তব্য রাখে ১০ম শ্রেণীর শিক্ষার্থী মাসফিয়া জান্নত ও অপূর্ব দেবনাথ। এসময় উপস্থিত ছিলেন হাইতকান্দি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো: শাহজাহান, মঘাদিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দিদারুল আলম, আবুতোরাব উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারি প্রধান শিক্ষক রতন দাশ সহ শতাধিক ছাত্র শিক্ষক ও স্থানিয় জনসাধারণ।

মানববন্ধন শেষে বক্তারা জানান, শিক্ষক আবু ইউসুফ রাসেল একজন ছাত্র বান্ধব শিক্ষক। হামলার আগেরদিনও ওই ছাত্রকে নিজ হাতে প্রশংসা পত্র লিখে প্রধান শিক্ষকের কাছ থেকে সাক্ষর নিয়েদেন। পরদিনই ওই শিক্ষকের উপর দফায় দফায় স্বপরিবারে হামলা করে ধারালো অস্ত্রদিয়ে আঘাত করে হত্যার উদ্দেশ্যে। হামলার পরবর্তী হামলাকারিদের সাথে এক পুলিশ কর্মাকর্তার সক্ষতার কারনে এখনো থানায় মামলা না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন তারা। এছাড়া বুধবারের মধ্যে থানায় মামলা নিয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত পুর্বক দোষিদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনা না হলে অনির্দিষ্ট কালের জন্য স্কুলের কার্যক্রম বন্ধ করে বৃহৎ পরিসরে আন্দোলন হুমকি দেন শিক্ষক নেতারা।

মিরসরাই উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সুভাষ সরকার জানান, আমারা শিক্ষকের উপর হামলার বিচারের দাবিতে ক্রমান্বয়ে এগিয়ে যাবো। সেই উপলক্ষে প্রাথমিক পর্যায়ে আজকের এই আনোদলন। আন্দোলন শেষে আমরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সাথে সৌজন্য সাক্ষাত করে তাকে অবহিত করেছি। তিনি আজকের মধ্যে মামলা রুজুকরে মামলা নাম্বার দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

উল্লেখ্য গত ২৬ মার্চ বিকালে দুই দফায় হামলা হয় শিক্ষক আবু ইউসুফ রাসেলের উপর। প্রথমবার সড়কে হামলার পর অভিযুক্ত ইউনুসের পরিবারের সদস্য ও বহিরাগতরা একত্রিত হয়ে শিক্ষকের বাড়িতে অতর্কিত হামলা চালায়। এসময় শিক্ষকের চিৎকারে পরিবার ও আশপাশের লোকজন তাকে বাঁচাতে এলে শিক্ষক ইউসুফের ভাই ও আহত হয়। এসময় স্থানিয়রা একত্রিত হয়ে হামলাকারীদের ধাওয়া করলে হামলাকারীদের মধ্যে এক নারী পড়েগিয়ে মাথায় আঘাত পায়। এসময় স্থানিয়রা হামলাকারীদের দুইজনকে আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। অভিযোগ উঠেছে পুশলিশ হামলাকারীদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা না নিয়ে রহস্যজনক কারনে তাদেরকে ছেড়ে দেয় এবং হামলাকারীদের কাছ থেকে একটি অভিযোগ গ্রহন করে। হামলার ঘটনার ৩দিনেও অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কোন আইনি পদক্ষেপ না নেয়ায় পুলিশের ভুমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন প্রতিবাদকারীরা‌।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…