খুঁজুন
, ,

জামায়াত- বিএনপি ও হেফাজতের দুর্গে ঐক্যবদ্ধ আওয়ামীলীগের বিজয়

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 17 March, 2023, 12:54 am
জামায়াত- বিএনপি ও হেফাজতের দুর্গে ঐক্যবদ্ধ আওয়ামীলীগের বিজয়

ফটিকছড়ির নাজিরহাট পৌরসভা নির্বাচনে জামায়াত- বিএনপি ও হেফাজতের দুর্গে বিজয় হয়েছে ঐক্যবদ্ধ আওয়ামীলীগের। নির্বাচনে আওয়ামীলীগের প্রার্থী (নৌকা) প্রতীকের এ কে জাহেদ চৌধুরী বেসরকারীভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর প্রাপ্ত ভোট ১০ হাজার ১ শত ৮০। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মোবাইল প্রতীকে আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী প্রার্থী আনোয়ার পাশা পেয়েছেন ৭ হাজার ১ শত ৭৪ ভোট।

বৃহস্পতিবার (১৬ মার্চ) রাত সাড়ে আট টায় ফটিকছড়ি উপজেলার বীরমুক্তিযোদ্ধা জহুরুল হক হলে নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা অতিরিক্ত আঞ্চলিক নির্বাচন অফিসার মো. তারিফুজ্জামান নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করেন।

নাজিরহাট পৌরসভা গঠনের পর প্রথম নির্বাচনে উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি মুজিবুল হককে হারিয়ে মেয়র নির্বাচিত হয়েছিলেন বিএনপি প্রার্থী সিরাজ উদ দৌলা। পরে তিনি আওয়ামীলীগে যোগদান করেন।

প্রথমবার হারলেও দ্বিতীয়বারের নির্বাচনে এ পৌরসভায় নিজেদের বিজয়ী ছিনিয়ে এনেছে আওয়ামী লীগ। চট্টগ্রাম উত্তরজেলা ও ফটিকছড়ি উপজেলা আওয়ামীলীগের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় এ বিজয় সম্ভব হয়েছে বলে জানান আওয়ামী লীগ নেতারা। ফটিকছড়ি উপজেলা আওয়ামীলীগের দীর্ঘদিনের বিভাজন ভুলে নির্বাচনের মাঠে সরব ছিলেন জেলা ও উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। ফলে জামায়াত বিএনপি ও হেফাজতের দুর্গখ্যাত এ পৌরসভায় নিজেদের বিজয় নিশ্চিত করতে সক্ষম হয়েছেন আওয়ামী লীগ। এদিকে নিশ্চিদ্র নিরাপত্তা বেষ্টনীর মধ্যে কোন ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দিপনার মধ্যদিয়ে সম্পন্ন হয়েছে নাজিরহাট পৌরসভা নির্বাচন।

বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত ভোটাররা ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) তাদের পছন্দের প্রার্থীকে সুষ্টু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট প্রদান করেন। সারাদিন শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট গ্রহণ করা হয়। সকালে ভোটকেন্দ্রগুলোতে উপস্থিতি কম থাকলেও বেলা বাড়ার সাথে সাথে ভোটার উপস্থিতি বাড়তে থাকে। তবে সকালের দিকে নারী ও বৃদ্ধ ভোটারদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। তবে ইভিএমের মেশিনের ধীরগতি ও আঙ্গুলের চাপ না মেলায় ভোটারদের কিছুটা বেগ পেতে হয়। কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া না গেলেও দুপুরের দিকে পৌরসভার ৬ নং ওয়ার্ড বাবুনগর মাদ্রাসা ভোট কেন্দ্রে সাংবাদিকদের প্রবেশে বাধাঁ প্রদানের অভিযোগ কেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসার প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা হাসান মুরাদ চৌধুরীর বিরুদ্ধে। যার তাৎক্ষনিক তীব্র প্রতিবাদ জানান স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা।

নাজিরহাট পৌরসভার ভোটাররা এই প্রথমবারের মতো ইভিএমে ভোট দেন। তাই ভোট নিয়ে ভোটারদের মধ্যে বেশ কৌতূহল ছিল। তবে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নির্বাচন আয়োজনের জন্য প্রশাসনের কমতি ছিল না। পৌরসভার ২২ টি ভোট কেন্দ্রে ৪৪ হাজার ৭শ’ ৮৬ জন। এরমধ্যে পুরুষ ভোটার ২৩ হাজার ৯শ’ ৩০ জন ও নারী ভোটার ২০ হাজার ৮ শত ৫৬ জন ভোটার তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট প্রদান করেন।

নির্বাচনে সাধারণ কাউন্সিলর পদে ১নং ওয়ার্ডে মাওলানা জয়নাল আবেদীন, ২ নং ওয়ার্ডে আমান উল্লাহ, ৩ নং ওয়ার্ডে ওসমান গণি, ৪ নং ওয়ার্ডে মোহাম্মদ শাহজাহান, ৫ নং ওয়ার্ডে মোস্তফা কামাল, ৬ নং ওয়ার্ডে মাওলানা ইয়াকুব, ৭ নং ওয়ার্ডে মাওলানা মঞ্জুর মিয়া, ৮ নং ওয়ার্ডে মোহাম্মদ আলী, ৯ নং ওয়ার্ডে মো. সোলায়মান নির্বাচিত হয়েছেন।
এছাড়াও, সংরক্ষিত ১, ২, ৩ নং ওয়ার্ডে ছলিমা আক্তার শিউলী; ৪, ৫, ৬ নং ওয়ার্ডে রহিমা বেগম এবং ৭, ৮, ৯ নং ওয়ার্ডে হাসিনা মমতাজ নির্বাচিত হয়েছেন।

Feb2
Feb2

রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 7:52 pm
রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার উদ্যোগে ঐতিহ্যবাহী রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ প্রাঙ্গণ থেকে ৯ রবীউল আউয়াল ২৩ আগস্ট সকাল ১১ টায় পবিত্র জশনে জুলূসে ঈদে মীলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও মীলাদ মাহ্ফিল অনুষ্ঠিত হয়।

জুলূসে নেতৃত্ব দেন রাহাতিয়া দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন, পীরে কামিল শাহ্ সূফী আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ আবুল বয়ান শাহ্ নঈমী আশরাফী নকশবন্দী (মু.যি.আ.)।

রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ যিয়ারতের মাধ্যমে জুলূস শুরু হয়। রাঙ্গুনিয়া সরকারি কলেজ রোড হয়ে রাহাতুল্লাহ্ নকশবন্দী সড়ক হয়ে মরিয়ম নগর চৌমুহনী শাহী জামে মসজিদ সামনে সংক্ষিপ্ত আলোচনা ও মুনাজাত হয়। পুনরায় কাপ্তাই সড়ক প্রদক্ষিণ করে রাঙ্গুনিয়া কলেজ গেট হয়ে
রাহাতিয়া দরবার শরীফ পার্শস্থ রাহাতিয়া শাহী ঈদগাহ্ ময়দানে এসে জড়ো হয়। জুলূসে অংশ নেওয়া সুন্নী জনতার হাতে ছিল বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার পতাকা, প্লেকার্ড ও ফেস্টুন।

জলূসে অংশগ্রহণকারীদের কণ্ঠে “ইয়া নবী সালাম আলাইকা”, “মুস্তফা জানে রহমত পেহ্ লাখো সালাম” ইত্যাদি হামদ, না’তে রাসূল (সা.) এবং “না’রায়ে তাকবীর আল্লাহু আকবর”, “না’রায়ে রিসালাত ইয়া রাসুলাল্লাহ্ (দ.)”।

রাহমাতুল্লিল আলামীন (সা.)-এর শুভাগমণের শুকরগুযার সম্পর্কিত স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত হয়।

রাহাতিয়া দরবার শরীফের নায়েবে সাজ্জাদানশীন, পীরযাদাহ্ মাওলানা সৈয়্যদ মুহাম্মদ গোলাম রসুল শাহ্ নঈমী (মু.যি.আ.)-এর সার্বিক তত্ত্বাবধান ও পরিচালনায় এতে প্রধান মেহমান ছিলেন ভারত থেকে আগত পীরযাদাহ্ মাওলানা মুহাম্মদ বায়েজীদ আশরাফী।

বক্তব্য রাখেন আনজুমান-এ আহলে তাসাওউফ বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাওলানা গাজী মুঈনুদ্দীন রিজভী, বায়েজীদ দায়রায়ে মঈনিয়া রহমানিয়ার মুনতাজিম, মাওলানা মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম আশরাফী মাইজভান্ডারী, বাংলাদেশ সূফীবাদী ঐক্য ফোরাম বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান সাংবাদিক নূর মোহাম্মদ রানা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার মহাসচিব মুহাম্মদ নঈম উদ্দিন প্রমুখ।

না’তে রাসূল (সা.) পরিবেশন করেন শায়ের ওমর ফারুক ইরন, শায়ের আলভী হাসান।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত, না’তে রাসূল (সা.) শেষে মীলাদ, ক্বিয়াম ও মুনাজাতের মাধ্যমে মুসলিম উম্মাহ্’র শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ দু’আ করা হয়।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 2:52 pm
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন করার নামে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তিন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৫ অক্টোবর দিন ধার্য করা হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের অপর সদস্য বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

তিন সাংবাদিক হলেন, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত, একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল বাবু এবং একই প্রতিষ্ঠানের সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ফারজানা রুপা।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর জহিরুল আমিন, মার্জিনা রায়হান, তারেক আবদুল্লাহসহ অন্যান্য প্রসিকিউটর।

শুনানিতে প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ১৭ আগস্ট প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করা হয়েছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাদের আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। এ মামলায় তিনজনকেই গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করছে প্রসিকিউশন। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দুই মাস সময় চান তিনি।

শুনানি শেষে প্রসিকিউশনের আবেদন মঞ্জুর করে শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। পাশাপাশি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

প্রসিকিউশন জানায়, ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই গণভবনে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই দিন তাকে প্রশ্ন করার নামে কিছু উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছিলেন কয়েকজন সাংবাদিক। এর পরিপ্রেক্ষিতে আন্দোলনকারীদের রাজাকারের বাচ্চা ও রাজাকারের নাতিপুতি বলেছিলেন শেখ হাসিনা।

রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, ওই উসকানিমূলক প্ররোচনার ধারাবাহিকতায় জুলাইয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়। এ মামলায় ১৪ জুলাইয়ের ওই ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে।

নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 1:11 pm
নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ফেনীর সোনাগাজীর বহুল আলোচিত মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত হত্যা মামলায় সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ আসামিকে খালাস ও চার আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে যে দুই আসামির তারা হলেন-সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা (৫৭) এবং শাহাদাত হোসেন শামীম(২০)।

আলোচিত এই মামলায় ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর রায় দিয়েছিলেন। রায়ে মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ ১৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।

নথিপত্র অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে নুসরাতের শ্লীলতাহানি করেন। এ ঘটনায় মামলা হলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলা তুলে না নেওয়ায় ৬ এপ্রিল মাদ্রাসার ছাদে ডেকে নিয়ে নুসরাতের হাত-পা বেঁধে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই বছরের ১০ এপ্রিল নুসরাতের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান (নোমান) সোনাগাজী থানায় মামলা করেন। পরে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।