খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দুর্ঘটনা থেকে রক্ষায় অগ্নি নিরাপত্তা ব্যবস্থা ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে: জেলা প্রশাসক

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৩, ৯:৫৫ অপরাহ্ণ
দুর্ঘটনা থেকে রক্ষায় অগ্নি নিরাপত্তা ব্যবস্থা ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে: জেলা প্রশাসক

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক (ডিসি) আবুল বাসার মোহাম্মদ ফখরুজ্জামান বলেছেন, অগ্নি নিরাপত্তা ব্যবস্থা না থাকায় সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানী ঢাকার বঙ্গবাজারে সংঘটিত ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে মালামাল পুড়ে যাওয়ায় ব্যবসায়ীরা সর্বশান্ত হয়ে পথে বসেছে। সীতাকুণ্ডে কয়েক দফায় বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে ও সর্বশেষ সেখানকার ইউনিটেক্স তুলার গুদামে আগুন লেগে ৮০ থেকে ১’শ কোটি টাকার তুলা সামগ্রী পুড়ে গিয়ে মারাত্বক ক্ষতি হয়েছে। আসন্ন পবিত্র ঈদ-উল ফিতরকে সামনে রেখে চট্টগ্রামের ব্যবসায়ীরা তাদের প্রতিষ্ঠানে অতিরিক্ত পণ্য মজুদ করেছে। দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেতে হলে অগ্নি নিরাপত্তা ব্যবস্থা ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি প্রত্যেক মার্কেটে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করে ২৪ ঘন্টা/৭ দিন নজরদারী করে সমিতি কর্তৃক ফুটেজ সংগ্রহে রাখবে এবং ৩ জন কর্মচারী ৮ ঘন্টা করে দায়িত্ব পালন করলে কোন ধরণের দুর্ঘটনা ঘটছে কি না তা তাৎক্ষণিক জানা যাবে।

আজ ১০ এপ্রিল সোমবার বেলা সাড়ে ১২টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত মহানগরীর বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অগ্নি নিরাপত্তা জোরদারকরণ এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে দোকান মালিক সমিতি ও ব্যবসায়ীদের সাথে বিশেষ সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলে।

তিনি বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগণ ইতোমধ্যে জহুর হকার্স মার্কেট, টেরিবাজার, রেয়াজউদ্দিন বাজার ও তামাকুমÐি লেইনে অগ্নিদুর্ঘটনা রোধে মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালনা করেছে, ব্যবসায়ীদের সতর্ক করা হয়েছে। এর পরেও মার্কেটগুলো অগ্নিঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। এ ব্যাপারে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে আমরা কয়েকটি টিম গঠন করতে চাই। মার্কেট বা ব্যবসা প্রতিষ্টানে অগ্নিদুর্ঘটনাসহ অন্যান্য দণর্হটনা রোধে যুগোপযুগী পরিকল্পনা গ্রহল করতে হবে। অর্থিক ক্ষতি থেকে কিছুটা হলেও লাঘবে ব্যবসায়ীদেরকে বীমার আওতায় আনা যায় কি না সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের মতামত চাওয়া হবে। জনসাধারণের চলাচল নির্বিঘ্ন করতে সড়কের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে সিটি করপোরেশনকে অবহিত করা হবে।

ডিসি আরও বলেন, শুধু ফায়ার লাইসেন্স থাকলে হবেনা, অগ্নি নির্বাপনের সুবিধার্থে প্রত্যেক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে সচল ফায়ার এস্টিংগুইসার ও বালতি ভর্তি বালি রাখতে হবে এবং এগুলোর যথাযথ ব্যবহার জানতে হবে। যে কোন সময় অগ্নি দুর্ঘটনা রোধে মার্কেটে বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ওয়াটার রিজার্ভার, ট্যাংক ভর্তি পানি মজুদ ও ফায়ার সার্ভিসের অগ্নিনির্বাপক দলের গাড়ি যাতায়াতের সুব্যবস্থা রাখতে হবে। পরীর পাহাড় ও নন্দনকাননস্থ বিটিসিএল পাহাড়ে ১০ হাজার লিটারের পানির ট্যাংক স্থাপন ও স্থায়ী ওয়াটার রিজার্ভার করা যায় কি না সে ব্যাপারে খতিয়ে দেখা হবে। পানি সংগ্রহের সুবিধার্থে নগরীর সকল পুকুর সংরক্ষণ করে সেগুলোর চতুর্দিকে ওয়াকওয়ে করার পরিকল্পনা আমাদের রয়েছে। এতে করে লোকজন হাঁটাচলা করতে পারবে।

জেলা প্রশাসক বলেন, মার্কেটে ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যুতের তার ঝুঁকিমুক্ত করতে বিদ্যুৎ বিভাগকে অবহিত করা হবে এবং অগ্নি দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেতে বিদ্যুতের তারের সাথে লাগিয়ে রাখা ডিশ লাইন ক্যাবলগুলো কনসিলের মাধ্যম চিকন পাইপ দিয়ে আন্ডার গ্রাউন্ড দিয়ে নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন ডিসি।

অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) রাকিব হাসানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সিএমপি’র অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার পংকজ দত্ত, চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজের পরিচালক অহিদ সিরাজ চৌধুরী স্বপন, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সহকারী পরিচালক মোঃ আবদুল মালেক, কোর্ট পুলিশ পরিদর্শক মোঃ আবদুল গফফার খান, ক্যাব’র সাধারণ সম্পাদক কাজী ইকবাল বাহার ছাবেরী, ক্যাব সদস্য সেলিম জাহাঙ্গীর, সাংবাদিক রনজিত কুমার শীল, তামাকুমণ্ডি লেইন বণিক সমিতির সভাপতি সরওয়ার কামাল, সহ-সভাপতি মোঃ সেলিম, দোকান মালিক সমিতি চট্টগ্রাম জেলার সভাপতি সালেহ আহমেদ সুলেমান, বিপনি বিতান ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ সাগির, বহদ্দারহাট কাঁচা বাজার কল্যাণ সমিতির সভাপতি হাজী মোহাম্মদ জানে আলম, জহুর হকার্স মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম, চাক্তাই-খাতুনগঞ্জ ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক এহসান উল্লাহ জাহেদী, ফকিরহাট ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি এম.এ আজাদ চৌধুরী প্রমূখ। সভায় চট্টগ্রাম নগরীর বিভিন্ন মার্কেট-দোকান মালিক সমিতি ও ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…