খুঁজুন
, ,

এবার নিউ সুপার মার্কেটে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ৩০ ইউনিট

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 15 April, 2023, 10:26 am
এবার নিউ সুপার মার্কেটে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ৩০ ইউনিট

রাজধানীর নিউ মার্কেট এলাকার নিউ সুপার মার্কেটে ভয়াবহ আগুন লেগেছে। ফায়ার সার্ভিসের ৩০টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে।

শনিবার (১৫ এপ্রিল) ভোর ৫টা ৪০ মিনিটে এ আগুনের সূত্রপাত হয়।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি-মিডিয়া) শাহজাহান সিকদার বলেন, আজ ভোর ৫টা ৪০ মিনিটে নিউ সুপার মার্কেটে এ আগুন লাগে এবং ৫টা ৪৩ মিনিটের মধ্যে ঘটনাস্থলে ফায়ার সার্ভিসের ইউনিট পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। পরে ইউনিট সংখ্যা বাড়িয়ে ৩০টি করা হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের তথ্য পাওয়া যায়নি।

 

Feb2
Feb2

রাউজানে যুবককে গুলি করে হত্যা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 4 September, 2026, 10:12 am
রাউজানে যুবককে গুলি করে হত্যা

চট্টগ্রামের রাউজানে আবারও গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এতে করিম নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) রাত ৯টার দিকে উপজেলার উরকিরচর ইউনিয়নের কেরাণীহাট বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, নিহত করিম বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তবে দলের কোনো পদে ছিলেন কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

বিষয়টি নিশ্চিত করে রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম বলেন, গুলিতে এক যুবক নিহত হয়েছেন। কে বা কারা তাকে হত্যা করেছে, তা এখনো জানা যায়নি। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়েছে এবং বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর থেকে রাউজান উপজেলায় অন্তত ২১ জন হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। তাদের বেশির ভাগই প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। সর্বশেষ করিমের হত্যাকাণ্ডের পর এ সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ২২ জনে।

সাংগঠনিক প্রয়োজনে বিলুপ্ত চট্টগ্রাম মহানগর যুবদল কমিটি পুনর্বহাল করা হয়: মোনায়েম মুন্না

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 3 September, 2026, 8:12 pm
সাংগঠনিক প্রয়োজনে বিলুপ্ত চট্টগ্রাম মহানগর যুবদল কমিটি পুনর্বহাল করা হয়: মোনায়েম মুন্না

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না বলেন, সারা বাংলাদেশসহ ও দেশের বাইরে বিভিন্ন ইউনিট কমিটি মিলিয়ে সর্বমোট যুবদলের ৮২টি ইউনিট কমিটি বিদ্যামান। ঢাকার পরে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইউনিট হলো চট্টগ্রাম মহানগর যুবদল। ফ্যাসিষ্ট হাসিনা ভারতে পালিয়ে যাওয়ার পর অন্তর্বর্তী সরকারের সময় একটি বিশেষ ঘটনাকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রাম মহানগর যুবদল কমিটি বিলুপ্ত করা হয়েছিল। বিলুপ্ত হওয়ার পরও সভাপতি দিপ্তী সাধারণ সম্পাদক শাহেদ এর নেতৃত্বে কেন্দ্র ঘোষিত সকল কর্মসূচী খুব সুন্দর সুচারুরূপে পালন করে আসছে। সাংগঠনিক প্রয়োজনে বিলুপ্ত চট্টগ্রাম মহানগর যুবদল কমিটি গত ২৫ আগষ্ট পুনর্বহাল করা হয়।

তিনি আজ বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৩টায় কাজীর দেউড়ি নাসিমন ভবনস্থ চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে সম্মুখ মাঠে “সমসাময়িক বিষয়াবলী ও সাংগঠনিক স্বাভাবিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে” চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত কর্মীসভায় প্রধান অতিথি বক্তব্য তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, দ্রুত সময়ের মধ্যে চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের আওতাধীন ১৫টি থানা ও ৪৩টি সাংগঠনিক ওয়ার্ড যুবদলের কমিটি দেওয়া হবে। বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের নেতৃত্বে সবার আগে বাংলাদেশ হৃদয়ে ধারণ করে জাতীয়তাবাদী যুবদলের নেতাকর্মীরা সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড জনগণের মাঝে তুলে ধরবেন। যুবদল সবচেয়ে সুশৃঙ্খল একটি সংগঠন। যুবদলের নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধ থেকে দেশবিরোধী যেকোন ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করতে অতীতের ন্যায় প্রস্তুত। তিনি এ সময় চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের কমিটি পুনর্গঠনের ঘোষণা দেন।

চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সভাপতি মোশাররফ হোসেন দীপ্তি’র সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ শাহেদের সঞ্চালনায় এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন যুবদলের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি জিয়াউর রহমান জিয়া, মাহফুজুর রহমান মাহফুজ ও ফেরদৌস আহমেদ মুন্না, রাজশাহী মহানগর যুবদলের আহবায়ক শরিফুল ইসলাম জনি।

উক্ত কর্মীসভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি ইকবাল হোসেন, সহ-সভাপতি নুর আহমেদ গুড্ডু, এস এম শাহ আলম রব, শাহেদ আকবর, এম এ রাজ্জাক, ফজলুল হক সুমন, মোহাম্মদ ইলিয়াস, জাহাঙ্গীর আলম, আবদুল গফুর বাবুল, দিদারুল ফেরদৌস, মোহাম্মদ মুছা, মিয়া মো. হারুন, হায়দার আলী চৌধুরী, নাসির উদ্দিন চৌধুরী নাসিম, জসিমুল ইসলাম কিশোর, এডভোকেট ফিরোজ, মজিবুর রহমান, আবু সুফিয়ান, বায়েজিদ বোস্তামি থানা যুবদলের আহবায়ক অরূপ বড়ুয়া, পাঁচলাইশ থানা যুবদলের আহবায়ক মোহাম্মদ আলী সাকি, মহানগর যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক মোশাররফ হোসাইন, যুগ্ম সম্পাদক হাবিবুর রহমান মাসুম, মো. হুমায়ূন কবির, মোহাম্মদ সেলিম খাঁন, ইকবাল পারভেজ, রাশেদুল হাসান লেবু, আবদুল্লাহ আল টিটু, মো. এরশাদ উল্লাহ, মো. এরশাদ হোসেন, তাজুল ইসলাম তাজু, আবদুল হামিদ পিন্টু, সেলিম উদ্দিন রাসেল, তৌহিদুল ইসলাম রাসেল, জিয়াউল হুদা জিয়া, শাহিন পাটোয়ারী, ইকরামুল হক ছুট্টু, সাংগঠনিক সম্পাদক এমদাদুল হক বাদশা, খুলশী থানা যুবদলের আহবায়ক হেলাল হোসেন হেলাল, চান্দগাঁও থানা যুবদলের আহবায়ক গুলজার হোসেন, মহানগর যুবদলের সহ সাধারণ সম্পাদক ফেরদৌস আলম, আসাদুর রহমান টিপু, সাজ্জাদ হোসেন সাজু, শাহজালাল পলাশ, মজিবুর রহমান রাসেল, সাইফুদ্দিন মো. মারুফ, আহাদ আলী সায়েম, তানভীর মল্লিক, রাজন খান, এস এম ফারুক, সম্পাদক মন্ডলী’র সদস্য নুর হোসেন উজ্জ্বল, জিল্লুর রহমান জুয়েল, মোহাম্মদ সাগির, জসিম উদ্দিন সাগর, মোহাম্মদ আলাউদ্দিন, মোহাম্মদ আলী, মহিউদ্দিন মুকুল, এস এম বখতেয়ার উদ্দিন, ইফতেখার শাহরিয়ার আজম, মোহাম্মদ নুরুল আমিন, মোহাম্মদ ইকবাল, মোহাম্মদ নওশাদ, সহ সম্পাদক আতিকুর রহমান আতিক, কামাল উদ্দিন, মনোয়ার হোসেন মানিক, শাহেদুল ইসলাম শাহেদ, জহিরুল ইসলাম জহির, কমল জ্যৌতি বড়ুয়া, কামরুল ইসলাম, জিয়াউল হুদা মিন্টু, মোহাম্মদ মঞ্জুরুল আলম মঞ্জু, মাহবুবুর রহমান, কোরবান আলী, মেজবাহ উদ্দিন মিন্টু, হাফেজ মুহাম্মদ কামাল উদ্দিন, আনোয়ার হোসেন আনু, মোহাম্মদ ইদ্রিস, সালাহউদ্দিন, আরিফ হোসেন, ইয়াছিন আজাদ, আবুল কালাম, মো. জসিম উদ্দিন, নুরুল ইসলাম আজাদ, সিরাজুল ইসলাম শিকদার, দেলোয়ার হোসেন, ফারুক হোসেন স্বপন, ইদ্রিস আলম, গুলজার হোসেন মিন্টু, আবদুল্লাহ আল মামুন জিতু, মোহাম্মদ খোরশেদ, জাহাঙ্গীর আলম বাবু, হোসেন উজ জামান, নুর জাহেদ বাবলু, জাহাঙ্গীর আলম মানিক, এ কে আজাদ, মো. সাইদুল ইসলাম, মিজানুর রহমান দুলাল, মিফতাহ উদ্দীন শিকদার টিটু, মোহাম্মদ ইউসুফ, জাহাঙ্গীর আলম মানিক, বেলাল উদ্দিন, মহানগর সদস্য হাবিবুল্লাাহ খান, শাবাব ইয়াজদানী, মাহমুদ খান জনি, মোহাম্মদ কলিম উল্লাহ, সোহাগ খান, প্রফেসর মোহাম্মদ সাইদুল হক শিকদার, আবদুল্লাহ আল মামুন, সাব্বির ইসলাম ফারুক, আবদুস সাত্তার, আইয়ুব আলী, জাহেরু মাসুদ, আজিজ চৌধুরী, আবদুল করিম, শাখাওয়াত কবির সুমন, থানা যুবদলের আহবায়ক নুর হোসেন নুরু, শফিউল আজম, বজল আহমেদ, গিয়াস উদ্দিন টুনু, কুতুব উদ্দিন, ইসমাইল হোসেন লেদু, মোশাররফ আমিন সোহেল, খোরশেদ আলম, হোসনে মোবারক রিয়াদ, মোহাম্মদ ইসমাইল, থানা যুবদলের সদস্য সচিব মোহাম্মদ হাসান, মঞ্জুরুল আলম মঞ্জু, শওকত খান রাজু, মো: মুসা, মুসফিকুর রহমান নয়ন, ইলিয়াস খান, তাজ উদ্দিন তাজু, মোহাম্মদ রাশেদ, থানা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক মোর্শেদ কামাল, নুর খান, মুস্তাকিম মাহমুদ, আশিক মল্লিক, সাইফুল আলম রুবেল, মো: ইয়াছিন, খালেদ সাইফুল্লাহ, সাজ্জাদ আহমেদ সাদ্দাম, মো. সোহেল, ওয়ার্ড যুবদলের আহবায়ক আবু বকর বাবু, এস এম আলী, আক্তার হোসেন, সাইফুল আলম, সাদেক আহমেদ, মোহাম্মদ ইউনুছ, বাদশা আলমগীর, মোহাম্মদ হাসান, জহিরুল ইসলাম জহির, মোহাম্মদ মুজাহিদ, মোহাম্মদ এস্কান্দার, সাইফুল ইসলাম, মোহাম্মদ মাসুদ, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক মেহেদী হাসান রানা, রাসেল খান, সদস্য সচিব আবু তৌহিদ, সোলেয়মান হোসেন মনা প্রমুখ।

চিকিৎসার মাঝপথেই মানুষের টানে ফিরে এসেছি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 3 September, 2026, 6:53 pm
চিকিৎসার মাঝপথেই মানুষের টানে ফিরে এসেছি

দীর্ঘদিন বিদেশে হৃদ্‌রোগের চিকিৎসাধীন থাকার পর প্রথমবারের মতো জাতীয় সংসদের অধিবেশনে যোগ দিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েছেন ঢাকা-৮ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপি নেতা মির্জা আব্বাস। ২০০৬ সালের পর দীর্ঘ বিরতি দিয়ে সংসদে ফিরে কান্নাজড়িত কণ্ঠে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে ত্রয়োদশ সংসদের অধিবেশনে প্রথমবারের মতো বক্তব্য দেন মির্জা আব্বাস। সংসদ অধিবেশনে হুইল চেয়ারে বসে নিজের বক্তব্য দেন বিএনপির এই প্রবীণ রাজনীতিবিদ।

মির্জা আব্বাস বলেন, দীর্ঘ সাড়ে পাঁচ মাস তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন। নির্বাচনের পরপরই একটি দলীয় রাজনৈতিক সভায় অংশ নেওয়া অবস্থায় তিনি স্ট্রোক আক্রান্ত হন। এরপর তাকে চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়ায় অবস্থান করতে হয়েছে। চিকিৎসা শেষ না হলেও এবং শরীর পুরোপুরি সুস্থ না থাকা সত্ত্বেও নিছক ভালোবাসা, আবেগ ও জনগণের প্রতি মানবিক দায়বদ্ধতার কারণে তিনি আজকের সংসদে উপস্থিত হতে বাধ্য হয়েছেন। সংসদ অধিবেশনে বক্তব্য দেওয়ার সময় আবেগে তার কণ্ঠ বারবার বুজে আসছিল এবং তিনি নিজের অশ্রু সংবরণের চেষ্টা করছিলেন।

বক্তব্যের শুরুতেই মহান আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করে মির্জা আব্বাস শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং বাংলাদেশের গণতন্ত্রের আপসহীন নেত্রী সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে।

তিনি আবেগঘন কণ্ঠে বলেন, ২০০৬ সালের পর আজ আবার এই কক্ষে একজন সংসদ সদস্য হিসেবে দাঁড়িয়ে কথা বলার সুযোগ পাওয়া তার রাজনৈতিক জীবনের অন্যতম আবেগপূর্ণ ও স্মরণীয় মুহূর্ত। এটি তার জন্য আনন্দের ও গর্বের বিষয়।

নিজের শারীরিক অবস্থা ও চিকিৎসা সফর নিয়ে কথা বলতে গিয়ে মির্জা আব্বাস বলেন, অসুস্থতার খবর শুনে জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার নিজে তাকে দেখতে গিয়েছিলেন। এ ছাড়া রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সার্বিকভাবে নিয়মিত তার শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর রেখেছেন।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় স্পিকারের এই আচরণ তাকে গভীরভাবে স্পর্শ করেছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, এটি কেবল একজন অসুস্থ মানুষের প্রতি সাধারণ সমবেদনা ছিল না, বরং তা ছিল আমাদের সংসদীয় গণতন্ত্রের এক অপূর্ব ও মানবিক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। তাদের এই আন্তরিকতা ও ভালোবাসা তিনি কোনোদিন ভুলবেন না।

সংসদীয় রাজনীতির প্রকৃত দর্শন পুনর্ব্যক্ত করে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, ‘আজ এই সংসদে ফিরে এসে আমার মনে হচ্ছে রাজনীতি কেবল দলীয় পার্থক্য বা রাজনৈতিক সংঘাতের বিষয় নয়; রাজনীতি মূলত মানুষের সেবা করার জন্য। সংসদ কোনো নেহাত বিতর্কের মঞ্চ নয়, এটি গণমানুষের স্বপ্ন ও আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটানোর পবিত্রতম স্থান।’

তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, ‘আল্লাহ তাআলা যেন আমাকে দ্রুত পূর্ণ সুস্থতা দান করেন যাতে আমার নির্বাচনী এলাকা তথা সমগ্র বাংলাদেশের মানুষের জন্য জীবনের বাকি সময়টুকু নিষ্ঠা ও সততার সঙ্গে কাজ করে যেতে পারি।’

বক্তব্যের শেষভাগে তিনি তাকে দেখতে আসা, খোঁজখবর নেওয়া এবং অসুস্থতার দিনগুলোতে যার যার অবস্থান থেকে দোয়া ও প্রার্থনা করা সমস্ত সহকর্মী সংসদ সদস্য, রাজনৈতিক সহযোদ্ধা এবং দেশবাসীর প্রতি চিরকৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

মির্জা আব্বাস বলেন, ২০০৬ সালের দীর্ঘ ব্যবধানের পর আজ আবার সংসদে দাঁড়িয়ে তিনি মানুষের কাছে কেবল একটি কথাই বলতে চান, মানুষের সেবায় এবং প্রিয় বাংলাদেশের সমৃদ্ধির স্বার্থে কাজ করতেই তিনি আবার ফিরে এসেছেন। দেশ ও জাতির সেবায় যেন বাকি জীবনটুকু আত্মনিয়োগ করতে পারেন, সেজন্য দলমত নির্বিশেষে দেশের সকল মানুষের কাছে দোয়া চেয়ে তিনি নিজের বক্তব্য শেষ করেন তিনি।