খুঁজুন
, ,

নান্দনিক রাউজানের নন্দিত জননেতা এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 30 November, 2023, 8:53 pm
নান্দনিক রাউজানের নন্দিত জননেতা এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী

মহিউদ্দিন ইমনঃ এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরী রাউজানের মানুষের আস্থা বিশ্বাস ভালোবাসার ঠিকানা। যিনি দুই যুগেরও বেশি সময় ধরে এ অঞ্চলের জনগনের সেবা করে যাচ্ছেন।

শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অবকাঠামো উন্নয়ন কর্মকান্ড সহ
ফুলে ফলে সুসজ্জিত বাগান তৈরী করে একটি উন্নত, আধুনিক, শান্তিময় উপজেলা হিসেবে সমাদৃত করেছেন নান্দনিক রাউজানের নন্দিত জননেতা এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরী। যার তুলনা তিনি নিজেই।

জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সময় ব্যয় করে যিনি আরামের ঘুমকে হারাম করে দিনরাত পরিশ্রম করে সুন্দর, সমৃদ্ধ রাউজান তৈরি করেছেন। মেধা ও মননে, শয়নে স্বপনে, একাকি নির্জনে ধ্যানে জ্ঞানে, চিন্তায় চেতনে যিনি প্রতিনিয়ত রাউজান কে ধারণ করেন তিনিই ফজলে করিম চৌধুরী।

যিনি স্বপ্ন দেখেন আবার সে স্বপ্নের বাস্তবায়নও করেন। যিনি হাসলে হাসে রাউজান, যিনি এগিয়ে গেলে রাউজান এগিয়ে যায়, যিনি জাগ্রত থাকলে রাউজানের মানুষ নিরাপদে থাকে। একজন ফজলে করিম চৌধুরি শুধু একজন এমপি নই, পুরো একটি অন্ধকার জনপদকে আলোয় আলোয় সাজিয়ে দেওয়ার সপ্নদ্রষ্টা…

যারঁ ছোঁয়ায় আজ রাউজান সুভাসিত, শৃঙ্খলিত।
সাতাশ বছর ধরে যে মানুষটি রোদ-বৃষ্টি, ঝড় -ঝঞ্চা উপেক্ষা করে, আপন সংসার-সন্তানদের মায়া ত্যাগ করে, সুখে-দুঃখে, আপদে-বিপদে, আনন্দে-বিষাদে,দৈব-দুর্বিপাকে ছাঁয়ার মত রাউজানের মানুষের পাশে ছিলেন।

সন্ত্রাস কবলিত, অনুন্নত, অনগ্রসর একটি জনপদকে যিনি আপন মনের মাধুরী মিশিয়ে সবুজে, সুন্দরে, শান্তিতে নিরাপত্তায় একটি অনন্য জনপদে পরিণত করেছেন। নিজ এলাকার বাইরে গিয়েও যিনি মানব কল্যাণে পিছপা হননি কোনোদিন। হাজার হাজার কর্মহীন যুবকের বেকারত্ব ঘুচিয়েছেন যিনি, রাউজানের মানুষের কল্যাণই যাঁর ভাবনার কেন্দ্র বিন্দু, তিনিই রাউজানের গণমানুষের প্রিয় নেতা এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরী।

১৯৯৬ সাল থেকে যাঁর হাত ধরে পরিবর্তিত হয়েছে অজস্র পরিবারের ভাগ্য, যে মানুষটা জীবনের অধিক সময় রাউজানের প্রতিটা মানুষের জন্য উৎসর্গ করেছেন, যিনি নিজেকে কাজের মাধ্যমে রাউজানের মানুষের মনে জায়গা করে নিয়েছেন, যার দক্ষ নেতৃত্বে রাউজানে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও অঙ্গসংগঠন সমূহ ঐক্যবদ্ধ ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কর্তৃক ঘোষিত সকল সভা, সমাবেশ ও কর্মসূচি পালন করেছেন, ঝড়, বৃষ্টি, রৌদ্র উপেক্ষা করে যে মানুষটা সবার আগে রাউজানে উপস্থিত হয়ে থাকেন।

যিনি রাউজানে উপজেলায় প্রতিটা ইউনিয়ন, পৌরসভায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের আশ্রয়স্থল, আওয়ামী লীগের নিজস্ব স্থায়ী কার্যালয় গড়ে তুলেছেন, যিনি রাউজানকে হরতালমুক্ত ঘোষণা করছেন। দুষ্টের দমন শিষ্টের লালন করেছেন। সাম্প্রদায়িক ও স্বাধীনতার বিপক্ষের ঘাঁটি খ্যাত রাউজানকে তিনি স্বাধীনতার পক্ষের শক্তি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ঘাঁটিতে রূপান্তরিত করেছেন, রক্তাক্ত রাউজানকে যিনি শান্তির রাউজানে পরিণত করেছেন।

বঙ্গবন্ধুরর আদর্শ বাস্তবায়নে জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশিত পথে ইস্পাত কঠিন দৃঢ়তায় ৯৬ সাল হতে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। যিনি ২০০১, ২০০৭ সালে রাজনীতিতে চরম দুঃসময়ে নেতাকর্মীদের সাথে যোগাযোগ রেখেছেন, নেতাকর্মীরা বিপদে আপদে পাশে পেয়েছেন তাঁকে,তৃনমুলের কর্মীদের সাথে সবসময় যোগাযোগ রয়েছে তাঁর।

তিনি বিগত সময়ে বিএনপি-জামাত জোটের যুদ্ধাপরাধের বিচার ও জাতীয় নির্বাচন ২০০৯ বানচাল করার ষড়যন্ত্র, ত্বরিকতের নামে নৈরাজ্য , হেফাজতের তান্ডব, জালাও পোড়াও পেট্রোল সন্ত্রাস ও মানুষ হত্যা রাজনীতির বিপরীতে তিনি দলের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের নিয়ে প্রতিরোধ করেছেন । এই অবস্থানে আসার পথ মসৃণ ছিল না। অনেক ত্যাগ ও মাসূল দিয়ে এরকমভাবে উঠে আসা রাজনীতির মাঠে বিরল।

তিনি গ্রীন, ক্লিন, পিংক রাউজানে রূপান্তরিত করার পাশাপাশি রাউজানের মানুষের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক চট্টগ্রাম রাঙ্গামাটি সড়কে চার লেইন উপহার, রাউজানে পিংক সিটি-১, পিংক সিটি-২ গড়ে তুলেছেন, রাউজানের মানুষের চিকিৎসা সেবার জন্য অত্যাধুনিক ট্রমা সেন্টার, সায়মা ওয়াজেদ পুতুল অটিজম সেন্টার, ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বৃদ্ধাশ্রম গড়ে তুলছেন রাউজানের মানুষের কর্মসংস্থান এর কথা বিবেচনা করে শিল্পনগর গড়ে তুলেছেন।

যিনি নিজে পায়ে হেঁটে হেঁটে পুরা রাউজানের মানুষের কথা শুনেছেন, দেখেছেন এবং সেটা তাৎক্ষণিক সমাধান করেছেন। রাউজানে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে সরকারিকরণ, এমপিওভুক্তকরণ ও নতুন নতুন ভবন উপহার দিয়েছেন। রাউজানকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন গোলাপি রাউজান হিসেবে পরিচিতি দিয়েছেন।

করোনাকালীন সময়ে রাউজানের মানুষকে বিনামূল্যে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ, আইসোলেশন সেন্টার প্রতিষ্ঠা করেছেন,জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রতিটি ইউনিয়নে নিজে উপস্থিত থেকে প্রতিনিয়ত অসহায় মানুষের মাঝে খাদ্য,স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী গুলো সুষ্টভাবে বিতরন করেছেন। তাঁরই সার্বক্ষণিক তদারকিতে হেল্পডেক্স টিমের মাধ্যমে করোনায় মৃত ব্যাক্তিদের দাফন কাফন,সৎকার এর ব্যবস্থা করছেন।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে রাউজান উপজেলা, থানা, পৌরসভা, ইউনিয়ন, ভূমি অফিস, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্রের মধ্যে ডিজিটাল সেবা কার্যক্রম বাস্তবায়ন করেছেন।মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে গৃহহীন মানুষের জন্য জায়গাসহ ঘর উপহার দিয়েছেন। রাউজানের কৃষকদের জন্য প্রতিনিয়ত বিনামূল্যে বীজ, সার উপহার দিয়ে যাচ্ছেন। সরকার কর্তৃক প্রদত্ত সকল ভাতা জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করেছেন।

রাউজানকে অসাম্প্রদায়িক রাউজান হিসেবে গড়ে তুলেছেন। রাউজানের মানুষ আজ নিজ নিজ ধর্ম নির্বিঘ্নে পালন করে যাচ্ছেন। তরুণদের খেলার প্রতি আগ্রহ বাড়াতে খেলা মাঠ তৈরি ও উন্নতমানের দর্শক গ্যালারী উপহার দিয়েছেন। রাউজানে যুবকদের জন্য ডিজিটাল কম্পিউটার সেন্টার ও কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র উপহার দিয়েছেন। রাউজানের মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য মুক্তিযুদ্ধ কমপ্লেক্স, শেখ কামাল কমপ্লেক্স, মার্স্টার দা সূর্যসেন কমপ্লেক্স গড়ে তুলছেন। রাউজানে অসংখ্য অসংখ্য নতুন নতুন রাস্তাঘাট, ব্রিজ গড়ে তুলছেন এবং সংস্কার করেছেন।

এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরীর বুদ্ধিমত্তা, ধের্য্যর সাথে এগিয়ে চলা, সিদ্ধান্তে অবিচলতা, প্রতিকূলতা মোকাবেলা করার অতুলনীয় শক্তি ও সাহস,কর্মীর সঠিক মূল্যায়নের ক্ষমতা, অসীম সাহসীকতা, মানবিকতা, ও আত্মপ্রত্যয়ের মাধ্যমে দায়িত্ব৬ পালন। যিনি কর্মে, শ্রমে,অবস্থানে, দক্ষতায়, নৈপুণ্যে সব দিক থেকে এগিয়ে অসম্ভব কে সম্ভব করেছেন তিনি।

স্মার্ট রাউজানের রূপকার এ বি এম
ফজলে করিম চৌধুরীর রাজনীতিতে একজন পরিক্ষিত, ত্যাগী, কর্মপরায়ণ, ব্যাক্তিগত জীবনের একজন সাহসী মানুষ হিসেবে পরিচিত ও সকলের কাছে সমাদৃত হয়েছেন।

মানুষের প্রাপ্য সম্মান থেকে তাঁকে কোন ভাবেই উচিত নয়। বঙ্গবন্ধু কন্যা, সফল রাষ্টনায়ক মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ও মনোনয়ন বোর্ড কে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই।

বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের ক্ষুধা-দারিদ্র, শোষণ মুক্ত স্বনির্ভর সোনার বাংলা বিনার্মাণে জননেত্রী শেখ হাসিনার বিশ্বস্থ সারথি হিসেবে একজন কর্মোদ্যম, সৎ,যোগ্য,করিৎকর্মা জননেতা জনাব এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরী নৌকা প্রতীকে নির্বাচন করে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়ে শিক্ষা বান্ধব শান্তি সমৃদ্ধি আধুনিক রাউজানের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত থাকবে এটাই কামনা করছি।

Feb2
Feb2

সাইকেল চালানো সুস্থ থাকার অন্যতম কার্যকর উপায়

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 9 October, 2026, 2:50 pm
সাইকেল চালানো সুস্থ থাকার অন্যতম কার্যকর উপায়

অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, সাইকেল চালানো শুধু যাতায়াতের মাধ্যম নয়, এটি সুস্থ থাকার অন্যতম কার্যকর উপায়। বিশ্বের অনেক দেশে মানুষ সাইকেলে করে কর্মস্থলে যাতায়াত করেন। সাইক্লিং পরিবেশবান্ধব এবং শারীরিক সুস্থতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই সাইকেল চালানোর জন্য নিরাপদ ও নির্দিষ্ট জায়গা তৈরি করা নাগরিকদের প্রতি সরকারের দায়িত্বের অংশ।

তিনি শুক্রবার (৯ অক্টোবর) দুপুরে চট্টগ্রাম বিমানবন্দর সড়কে (ভিআইপি রোড) বিমানবন্দর সড়কের উন্নয়ন ও বাংলাদেশের প্রথম সাইকেল ট্র্যাকের শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

নাগরিকদের সুস্বাস্থ্য, পরিবেশবান্ধব যাতায়াত ও উন্নত জীবনযাপনের সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে চট্টগ্রাম নগরীতে বাংলাদেশের প্রথম সাইকেল ট্র্যাক চালু করেছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক)। বিমানবন্দর সড়কের উন্নয়ন ও সৌন্দর্যবর্ধন কার্যক্রমের অংশ হিসেবে নির্মিত এই সাইকেল ট্র্যাক নগরীর যোগাযোগ ব্যবস্থায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

অনুষ্ঠানে নগরবাসীর হাঁটাচলা, শরীরচর্চা ও বিনোদনের সুযোগ বাড়াতে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় সাইকেল ট্র্যাক ও ওয়াকওয়ে নির্মাণের পরিকল্পনার কথা জানান আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে বাস্তবায়িত এ কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম-৮ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব এরশাদ উল্লাহ, চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান এবং চট্টগ্রাম-১২ আসনের সংসদ সদস্য এনামুল হক এনাম।

এসময় আমীর খসরু বলেন, চট্টগ্রাম নগরীতে সাইকেল চালানো ও হাঁটার সুযোগ বাড়াতে মেয়র যে উদ্যোগ নিয়েছেন, তা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। বিমানবন্দর সড়কের এই সাইকেল ট্র্যাক কেবল শুরু। নগরীর বিভিন্ন এলাকায় পর্যায়ক্রমে আরও সাইকেল ট্র্যাক ও ওয়াকওয়ে নির্মাণ করা প্রয়োজন, যাতে মানুষ শরীরচর্চা, বিনোদন ও দৈনন্দিন চলাচলের জন্য এসব সুবিধা ব্যবহার করতে পারেন।

মন্ত্রী আরও বলেন, নাগরিকদের জন্য হাঁটার জায়গা, সাইকেল চালানোর পথ ও উন্মুক্ত পরিসর তৈরি করা কোনো বিলাসিতা নয়, এগুলো মানুষের দৈনন্দিন জীবনের মৌলিক চাহিদার অংশ। মানুষকে ঘরের মধ্যে বন্দি রেখে সুস্থ ও সুন্দর জীবন নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। তাই নগরীর খালের দুই পাড়সহ উপযুক্ত জায়গাগুলোতে হাঁটার পথ নির্মাণের উদ্যোগ নিতে হবে। এ ধরনের নাগরিক সুবিধা সম্প্রসারণে সংশ্লিষ্ট সংসদ সদস্যদেরও নিজ নিজ এলাকায় উদ্যোগী হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

সভাপতির বক্তব্যে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, বাংলাদেশের প্রথম সাইকেল ট্র্যাক নির্মাণ চট্টগ্রাম নগরীর জন্য একটি গর্বের অর্জন। প্রায় তিন কিলোমিটার দীর্ঘ এই ট্র্যাকের পাশাপাশি হাঁটার পথ নির্মাণ এবং দুই পাশের সৌন্দর্যবর্ধনে বিভিন্ন প্রজাতির ফুলগাছ লাগানো হয়েছে। পরিকল্পিতভাবে সবুজায়ন ও নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করার মাধ্যমে বিমানবন্দর সড়ককে আরও নান্দনিক করে তোলার চেষ্টা করা হয়েছে।

মেয়র বলেন, বিমানবন্দর এলাকা থেকে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে পর্যন্ত সড়কের সৌন্দর্যবর্ধন ও উন্নয়ন পরিকল্পনার অংশ হিসেবে নাগরিকদের জন্য সাইক্লিং ও হাঁটার সুযোগ তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রীর পরামর্শ ও উৎসাহ এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। মন্ত্রীর সংসদীয় এলাকা থেকে এই কার্যক্রম শুরু করতে পেরে তিনি আনন্দিত।

তিনি বলেন, চট্টগ্রাম নগরীতে বড় সড়কের পাশাপাশি খালকেন্দ্রিক উন্নয়নেও সাইকেল ট্র্যাক ও ওয়াকওয়ে নির্মাণের সম্ভাবনা রয়েছে। খালের দুই পাড়ে প্রয়োজনীয় জায়গা পাওয়া গেলে সেখানে হাঁটার পথ, সাইকেল চালানোর সুবিধা ও সবুজায়ন করা সম্ভব হবে। এতে নগরবাসীর শরীরচর্চার সুযোগ বাড়ার পাশাপাশি নগরীর সৌন্দর্যও বৃদ্ধি পাবে।

নগরীর উন্নয়ন অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণের ওপর গুরুত্ব দিয়ে মেয়র বলেন, শুধু উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করলেই হবে না, সেগুলো রক্ষা করার দায়িত্বও সবার। সাইকেল ট্র্যাক ও ওয়াকওয়ে যেন অবৈধ দখল, স্থাপনা কিংবা প্রতিবন্ধকতার কারণে ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে না পড়ে, সে জন্য চসিকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা কর্মচারীদের নিয়মিত তদারকি করতে হবে। পাশাপাশি গাছপালার পরিচর্যা ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে হবে।

মেয়র আরও জানান, বিমানবন্দর সড়ক থেকে দেওয়ানহাট পর্যন্ত সড়কের স্থায়িত্ব বাড়াতে আরসিসি সড়ক নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি বন্দরের ভারী যানবাহনের চাপ সামলানো এবং সড়কের দীর্ঘস্থায়ী সমাধান নিশ্চিত করার বিষয়েও কাজ করছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম ওয়াসার চেয়ারম্যান আলহাজ্ব ইদ্রিস মিয়া, ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী সেলিম মোহাম্মদ জানে আলম, চসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব মোহাম্মদ আশরাফুল আমিন, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন শামীম মোহাম্মদ খান, প্রধান প্রকৌশলী আনিসুর রহমান, নির্বাহী প্রকৌশলী আশিকুল ইসলাম, সহকারী প্রকৌশলী মোহাম্মদ আলী সহ বিভিন্ন পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তা, সাইক্লিস্ট ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।

সোনার দাম ভরিতে বাড়ল ২ হাজার ২১৬ টাকা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 9 October, 2026, 11:05 am
সোনার দাম ভরিতে বাড়ল ২ হাজার ২১৬ টাকা

দেশের বাজারে সোনার দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভ্যাটসহ স্বর্ণালংকারে দাম প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ দুই হাজার ২১৬ টাকা পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।

​শুক্রবার (৯ অক্টোবর) এক বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস এ তথ্য জানিয়েছে। সোনার এই নতুন দাম সকাল ১০টা থেকে কার্যকর করা হয়েছে।

​বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানিয়েছে, আজ (​শুক্রবার) সকাল ৯টায় বাজুসের মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির এক বৈঠকে এই নতুন দাম নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

​নতুন মূল্য তালিকা অনুযায়ী, এখন ভ্যাটসহ সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণালংকারে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩১ হাজার ২৯৭ টাকা। যা গতকাল ছিল ২ লাখ ২৯ হাজার ৮১ টাকা।

​২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২০ হাজার ৯১৬ টাকা। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা এখন থেকে বিক্রি হবে এক লাখ ৮৯ হাজার ৭১৫ টাকায় এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার নতুন দাম ১ লাখ ৫৪ হাজার ৯৫৬ টাকা।

​সোনার দাম বাড়ানো হলেও অপরিবর্তিত রয়েছে রুপার দাম। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৪ হাজার ৩১৬ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা ৪ হাজার ১৪১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৩ হাজার ৫৫৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ২ হাজার ৬৮৩ টাকা।

জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন চট্টগ্রাম রিজিয়নের বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 8 October, 2026, 9:45 pm
জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন চট্টগ্রাম রিজিয়নের বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত

জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন (জেকেএ) চট্টগ্রাম রিজিয়নের এক বিশেষ সভা অদ্য বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬ ঘটিকায় চট্টগ্রামস্থ একটি রেস্টুরেন্ট’র হল রুমে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশনের বাংলাদেশ প্রতিনিধি ও টেকনিক্যাল ডিরেক্টর তুলুশ শামস এর সভাপতিত্বে ও চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সহ সাধারণ সম্পাদক ও ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব তানভীর মল্লিকের সঞ্চালনায় উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন ওয়ার্ল্ড ফেডারেশন বাংলাদেশের নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান রতন তালুকদার এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেকেএ এর নির্বাহী পরিচালক ইমতিয়াজ সেলিম।

সভায় জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন (জেকেএ) চট্টগ্রাম রিজিয়নাল কমিটি গঠনের সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। জাতীয় কমিটির প্রস্তাবনা অনুযায়ী চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ও চট্টগ্রামের বিশেষ ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব মুহাম্মদ শাহেদ-কে চট্টগ্রাম রিজিয়নের নতুন চেয়ারম্যান পদে মনোনীত করা হয়।

বরণ অনুষ্ঠানে জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন ওয়ার্ল্ড ফেডারেশন বাংলাদেশের নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান রতন তালুকদার নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান মুহাম্মদ শাহেদ-কে জেকেএ-এর টাই পরিয়ে দেন এবং টেকনিক্যাল ডিরেক্টর তুলুশ শামস ব্যাজ পরিয়ে তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে বরণ করে নেন।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক দিনকাল পত্রিকার ব্যুরো প্রধান হাসান মুকুল, পিআরইউর সদস্য সচিব ইমরান এমি, অরুপ বড়ুয়া, মোহাম্মদ আলী সাকী, সেলিম উদ্দিন রাসেল, জাফর আহমেদ খোকন, জিল্লুর রহমান জুয়েল, আতিকুর রহমান, জহিরুল ইসলাম, জাহাঙ্গীর আলম বাবু, মেজবাহ উদ্দিন মিন্টু, রাশেদুল কলিম, শাবাব ইয়াজদানী, মঞ্জুর আলম মঞ্জুসহ কারাতের খেলোয়াড় বৃন্দ।

সভায় নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান মুহাম্মদ শাহেদ আগামী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে নতুন কমিটি ঘোষণার প্রতিশ্রুতি দেন।