খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মিরসরাইয়ে বিএসআরএম কারখানায় রেকার চাপায় দিনমজুরের মৃত্যু

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১৪ জানুয়ারি, ২০২৪, ৮:৪৮ অপরাহ্ণ
মিরসরাইয়ে বিএসআরএম কারখানায় রেকার চাপায় দিনমজুরের মৃত্যু

মিরসরাই প্রতিনিধি::::চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে বিএসআরএম কারখানায় স্ক্রাপ আলোড় করার সময় রেকারের চাকার নিচে পৃষ্ঠ হয়ে এক দিনমজুরের মৃত্যু হয়েছে। নিহতের নাম সুজন চন্দ্র নাথ (৩০)।

রোববার (১৪ জানুয়ারি) দুপুর ১টার দিকে উপজেলার সোনাপাহাড় এলাকায় বিএসআরএম কারখানার অব্যন্তরে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত সুজন উপজেলার কাটাছরা ইউনিয়নের তেতৈয়া গ্রামের সুভাষ চন্দ্র নাথের ছেলে।

বিশ্বস্থ সুত্রে জানাযায়, লোহার দরপতন ও স্ক্রাপ জাহাজ কাটা বন্ধ থাকায় গত দুই মাস বন্ধ ছিল বিএসআরএম কারখানায় স্ক্রাপ আনলোডিং এর কাজ। দীর্ঘ ২ মাস বন্ধ থাকার পর আজ রবিবার ১৪ জানুয়ারি পুনরায় শুরু হয় লরি থেকে স্ক্রাপ আনলোডিং এর কাজ। ২ মাসের বেকারত্ব শেষে অন্যান্য দিনমজুরের সাথে কাজে যোগ দেন এতিম সুজন। কাজের ফাঁকে লরি থেকে স্ক্রাপ রিসিভ করে মোভ করার সময় বিএসআরএম কারখানায় একটি নিজ্বস্ব রেকারের সামনের চাকার নিচে পৃষ্ঠ হন সুজন। এতে রেকারের চাকার চাপে অন্ডকোষ ফেটে গিয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান তিনি। নিহত সুজন হাইটেক ইঞ্জিনিয়ারিং নামে একটি শ্রমিক সাপ্লাইয়ার এজেন্টের মাধ্যমে বিএসআরএম কারখানায় অন্যান্যদের মতোই দিন মজুর হিসেবে কাজ করতেন। তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে বিএসআরএম এর স্ক্রাপ আনলোডিং এর মতো ঝুঁকি পূর্ণ কাজ করলেও নিহত সুজনদের মতো কয়েক হাজার দিনমজুর কেউ বিএসআরএম কারখানার নিয়োগপ্রাপ্ত শ্রমিক কিংবা দিনমজুর নয়। ফলে এখানে প্রতিনিয়ত দূর্ঘটনায় বহু শ্রমিক মারা গেলেও তাদের দায় এড়িয়ে যায় এই বৃহৎ শিল্প প্রতিষ্ঠানটি।

শ্রমিক মৃত্যুর বিষয়ে জানতে চাইলে প্রতিষ্ঠানটির মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা পরিচালক দেলোয়ার হোসেন মোল্লা বলেন, শ্রমিকটি বিএসআরএম কারখানার অভ্যন্তরে সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেছেন। তবে কর্মক্ষেত্রে শ্রমিক মৃত্যুতে ক্ষতি পুরনের সুনির্দিষ্ট নীতিমালা আছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন শ্রমিকরা বিএসআরএম কারখায় সরাসরি নিয়োগপ্রাপ্ত নয় তাই তাদের জন্য সুনির্দিষ্ট নীতিমালা নেই। তারা সাপ্লাইয়ারদের মাধ্যমে কারখানায় কাজ করে তবুও কেই ক্ষতিগ্রস্ত হলে যতটুক সম্ভব সহায়তা করা হয়।

জোরারগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ আবদুল্লাহ আল হারুন জানান, বিএসআরএম কারখানায় শ্রমিক নিহতের ঘটনায় থানায় কেউ লিখিত অভিযোগ দায়ের করেনি। নিহতের মৃতদেহ তার পরিবারের হেফাজতে রয়েছে।
বাংলাদেশ শিল্প ও কলকারখানা পরিদর্শন অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক কুসুম আক্তার সোমা জানান, যে কোন কলকারখানায় শ্রমিক দুর্ঘটনা কিংবা নিহতসহ নিরাপত্তা জনিত যে কোন ঘটনার তথ্য আমাদেরকে অবহিত করার নিয়ম রয়েছে। কিন্তু মিরসরাইয়ের সোনাপাহাড় এলাকায় অবস্থিত বিএসআরএম কারখানায় যেকোন দূর্ঘটনার তথ্য অধিদপ্তরকে অবহিত করা হয়না। আজকের ঘটনা আমরা জানতে পেরেছি। খোঁজখবর নিয়ে যাচাই করে দেখা হবে নিরাপত্তার কোন ঘাটতির কারনে শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে কিনা।

স্থানীয় ৩নং ইউপি চেয়ারম্যান রেজাউল করিম মাষ্টার জানান, বিএসআরএম কারখানায় তার ঠিকাদারি কাজ না থাকায় কারখানার অভ্যন্তরের বিষয়গুলো জানা নেই। শ্রমিক মৃত্যুর খবরটি তিনি জানেন না।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…