খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চট্টগ্রামে সবজির বাজারে আগুন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৯ জানুয়ারি, ২০২৪, ১০:৩৪ পূর্বাহ্ণ
চট্টগ্রামে সবজির বাজারে আগুন

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন শেষ হয়ে মন্ত্রিপরিষদ গঠন হয়ে গেছে। অথচ এখনও লাগামহীন চট্টগ্রামের সবজির বাজার। বিক্রেতাদের মুখে নানা ইঙ্গিতে ভেসে আসছে নির্বাচন প্রসঙ্গ। শীতের ভরা মৌসুম, অথচ চড়া দামেই সবজি কিনতে হচ্ছে ভোক্তাদের। প্রায় বেশিরভাগ সবজি বিক্রি হচ্ছে ৭০-৮০ টাকার ওপরে। ফলে নাভিশ্বাস দেখা দিয়েছে ক্রেতাদের মধ্যে। তবে সরবরাহ কম হওয়ার পাশাপাশি পরিবহন খরচকে দুষছেন বিক্রেতারা। এ কারণেই সবজির এমন দাম বলে জানিয়েছে তারা।

শুক্রবার (১৯ জানুয়ারি) চট্টগ্রামের দুই নম্বর গেট এলাকার কর্ণফুলী কমপ্লেক্স ঘুরে দেখা গেছে, প্রায় সব দোকানেই শিম প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকায়। এখনও দাম কমেনি বাঁধাকপি ও ফুলকপির। প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৭০ টাকায়। গোল কিংবা যে কোনো বেগুনের অবস্থা একই, বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৮০-৯০ টাকা দরে।

চট্টগ্রামের কাজীর দেউরি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ঝিঙ্গা, চিচিঙ্গা ও বরবুটির প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৯০ থেকে ১০০ টাকায়। কম নেই টমেটুর দামও, এখনও ১২০ টাকায় টমেটু বিক্রি করছেন দোকানিরা।

রিয়াজউদ্দিন বাজারে আসা গার্মেন্ট শ্রমিক চন্দ্রনাথ বড়ুয়া বলেন, পৌষ শেষে এখন মাঘ মাস চলছে। অথচ সবজির বাজারে আগুন জ্বলছে। কেনা যাচ্ছে না কোনো পণ্যই। এমন পরিস্থিতির লাগাম টানতে কি প্রশাসনের কোনো দায়বদ্ধতা নেই।

নগরের বহদ্দারহাট কাঁচা বাজারের চিত্রও একই। ৮০ থেকে ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে কাঁচা মরিচ। ৭০-৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে প্রতিকেজি শসা। করলা বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকায়।

নগরের কাপ্তাই রাস্তার মাথা এলাকায় বাজার করতে আসা কামাল উদ্দিন বলেন, প্রতি বছর সবজির দাম কম থাকে, তাই চাহিদা বেড়ে যায়। কিন্তু এ বছরের চিত্র উল্টো। শীতের মৌসুম চলছে, কিন্তু সবজির দাম কিছুতেই কমছে না। সব জিনিসের দাম বাড়তি।

নগরের রিয়াজউদ্দিন বাজারের আড়তদার আবু হানিফ বলেন, অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার সবজির দাম অনেক বেশি।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…