খুঁজুন
, ,

এটুআই প্রকল্পের অর্থ লোপাটে জয়-পলকের ‘সংশ্লিষ্টতা’

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 22 February, 2025, 2:14 pm
এটুআই প্রকল্পের অর্থ লোপাটে জয়-পলকের ‘সংশ্লিষ্টতা’

• অকারণে প্রকল্পের অর্থ ও ব্যয় বৃদ্ধি
• একই ঠিকাদার বারবার কাজ পেয়েছে
• ১৪ জনের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে
• জয়-পলকের বিরুদ্ধে অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে

ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় এবং তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের যোগসাজশে এসপায়ার টু ইনোভেট (এটুআই) প্রকল্পের আওতায় কয়েকশ কোটি টাকা লোপাট হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি এটুআই অফিসে অভিযান চালিয়ে বেশকিছু নথিপত্র উদ্ধার করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। ৮৫৫ কোটি টাকার এই প্রকল্পে দুর্নীতি ও অনিয়ম করে রাষ্ট্রীয় অর্থের আত্মসাৎ হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে তারা।

দুদকের অভিযান
৮৫৫ কোটি টাকার প্রকল্পে লুটপাটের অভিযোগে মঙ্গলবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে আইসিটি টাওয়ারে অভিযান চালায় দুদক। সহকারী পরিচালক রাজু আহমেদের নেতৃত্বে অভিযানে অংশ নেয় দুদকের তিন সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল।

অভিযান চলাকালে দুদকের সহকারী পরিচালক রাজু আহমেদ বলেন, সরেজমিন পরিদর্শনে এটুআই প্রকল্পের সংশ্লিষ্ট ১৫০ এর বেশি টেন্ডার খতিয়ে দেখা হয়েছে। পাবলিক প্রকিউরমেন্ট আইন ও বিধিমালা (পিপিআর) লঙ্ঘন করে ওই টেন্ডারগুলোতে নির্দিষ্ট কিছু ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে কাজ দেওয়া হয়েছে, এমন প্রমাণ পাওয়া গেছে। এছাড়া, স্পেসিফিক/লজিক্যাল জাস্টিফিকেশন ছাড়া কার্যাদেশের ব্যয়ের পরিমাণ বাড়ানো হয়েছে। যার মাধ্যমে ঠিকাদারদের সঙ্গে যোগসাজশে থাকতে পারে। এটুআই ২০১৯ সালে ই-পেমেন্ট সার্ভিস ‘একপে’ চালু করে। তবে বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, তাদের অনুমোদন ছাড়াই চালু হয় ‘একপে’। এ বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানান তিনি।

এটুআই সংশ্লিষ্টদের জিজ্ঞাসাবাদ করে দুদকের এনফোর্সমেন্ট ইউনিট। এটুআই প্রকল্পের প্রাথমিক ব্যয় ৪৮৫ কোটি ৪৫ লাখ টাকা ধরা হলেও পরবর্তী সময় এর ব্যয় দাঁড়ায় ৮৫৫ কোটি ৪৮ লাখ টাকা। অভিযানকালে প্রাপ্ত অনিয়মগুলোর বিষয়ে বিস্তারিত যাচাইয়ের উদ্দেশ্যে টিম সংশ্লিষ্ট রেকর্ডপত্র সংগ্রহ করেছে।

রাজু আহমেদ বলেন, ‘দুর্নীতি অনিয়মের মাধ্যমে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগের অনুসন্ধানে আমরা সেখানে যাই। প্রকিউরমেন্টে আমরা কিছু অনিয়ম খুঁজে পেয়েছি। নথিপত্র সংগ্রহ করেছি। সেগুলো যাচাই করে রিপোর্ট দেবো। সেখানে একজন পিডির বক্তব্য গ্রহণ করেছি। প্রায় ১৫০টির বেশি প্রকিউরমেন্ট ছিল। সেগুলোর যতুটুকু যতসম্ভব দেখেছি। আমাদের কাছে কিছু অনিয়ম মনে হয়েছে।’

এটুআই হেড অব প্রোজেক্ট ম্যানেজমেন্ট আব্দুল্লাহ আল ফাহিম বলেন, এরইমধ্যে অভ্যন্তরীণ তদন্তে অনিয়মের প্রমাণ মেলায় ১৪ জনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। অনিয়মের পেছনে সজীব ওয়াজেদ জয় ও জুনাইদ আহমেদ পলকের সম্পৃক্ততাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

আরও যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আছে
যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তারা হলেন, ইউএনডিপির নিয়োগকৃত প্রকল্প পরামর্শক আনীর চৌধুরী, ই-গভর্মেন্ট অ্যানালিস্ট হিসেবে ফরহাদ জাহিদ শেখ, প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট স্পেশালিস্ট মো. মাজেদুল ইসলাম, প্রজেক্ট অ্যানালিস্ট (এইচডি মিডিয়া) পূরবী মতিন, ক্যাপাসিটি ডেভেলপমেন্ট স্পেশালিস্ট মানিক মাহমুদ, রিসোর্স মোবিলাইজেশন স্পেশালিস্ট মো. নাসের মিয়া, ডিজিটাল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস স্পেশালিস্ট তহুরুল হাসান টুটুল, সলিউশন আর্কিটেকচার স্পেশালিস্ট রেজওয়ানুল হক জামী এবং টেকনোলজি অ্যানালিস্ট মো. হাফিজুর রহমান।

দুদকের মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন বলেন, রেকর্ডপত্রগুলো পূর্ণাঙ্গরূপে বিশ্লেষণ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

২০০৯ সালে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির (ইউএনডিপি) অর্থায়নে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনে ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নে অ্যাকসেস টু ইনফরমেশন (এটুআই) প্রকল্প শুরু হয়। পরবর্তী সময়ে শেখ হাসিনার নির্দেশনায় ২০১৮ সালে এটুআই প্রোগ্রামকে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের অধীনে নেওয়া হয়। পরে ২০২০ সালে অ্যাকসেস টু ইনফরমেশনের নাম পরিবর্তন করে এসপায়ার টু ইনোভেট (এটুআই) রাখা হয়।

প্রকল্পটি থেকে আরও জানা যায়, পাঁচটি উদ্দেশ্য নিয়ে প্রকল্প শুরু হয় যার মধ্যে ছিল স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা উন্নয়নের মাধ্যমে বাংলাদেশের এসডিজি অর্জনকে দ্রুততর করা, সরকারি সেবাগুলো ডিজিটালাইজেশনের মাধ্যমে সময়, খরচ ও যাতায়াত কমিয়ে সুশাসনে সততার পরিবেশ সৃষ্টিতে সহযোগিতা প্রদান, সরকারের মধ্যে তথ্য-উপাত্তভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের সংস্কৃতি গড়ে তোলা, ডিজিটাল পেমেন্ট ইকোসিস্টেম তৈরিতে সহায়তা সহায়তা প্রদান করা।

প্রকল্পের মেয়াদ ও অর্থ
প্রকল্পটিতে ২০১৯ সাল থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত তিনজন প্রকল্প পরিচালক (পিডি) দায়িত্ব পালন করেছেন। প্রকল্পটির মেয়াদ ছিল ২০২০ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত। শুরুতে প্রাক্কলিত ব্যয়ের মধ্যে সরকারের ব্যয় ছিল ৪০৩ কোটি ৬৫ লাখ টাকা। আর সহায়তা তহবিল থেকে আসার কথা ৮১ কোটি ৮০ লাখ টাকা। কিন্তু পরে প্রাক্কলিত ব্যয় সংশোধন করে মোট ব্যয় দাঁড়ায় ৮৫৫ কোটি ৪৮ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকারের ব্যয় ৪০৩ কোটি ৬৫ লাখ থেকে বেড়ে ৫৫৩ কোটি ৬৫ লাখ টাকা হয়। আর সহায়তা থেকে আসা ব্যয় ৮১ কোটি ৮০ লাখ থেকে বেড়ে ৩০১ কোটি ৮৩ লাখ টাকা দাঁড়ায়।

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে ছাত্র আন্দোলনের মুখে ক্ষমতাচ্যুত হয় আওয়ামী লীগ সরকার। গত বছরের ৩১ আগস্ট তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ এ প্রকল্পের অনিয়ম খতিয়ে দেখতে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। পরে সেই কমিটি তাদের তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করে। তদন্ত প্রতিবেদনে প্রকল্পে নিযুক্ত একাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগ আনা হয়। সে অনুযায়ী বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে।

প্রকল্পের ৮৫৫ কোটি টাকা দুর্নীতির খবরটি সঠিক নয় বলে বিজ্ঞপ্তি

এদিকে, অ্যাসপায়ার টু ইনোভেট (এটুআই) প্রকল্পের ৮৫৫ কোটি টাকা দুর্নীতির খবরটি সঠিক নয় বলে জানিয়েছে সরকারের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ এবং এটুআই কর্তৃপক্ষ। বুধবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ সংক্রান্ত সংবাদের ব্যাখ্যা দেওয়া হয়। এটুআই প্রোগ্রামের প্রকল্প পরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) আইসিটি বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. মামুনুর রশিদ ভূঁইয়া ওই বিজ্ঞপ্তিতে সই করেন।

Feb2
Feb2

পতেঙ্গায় ২ টন চোরাচালানের কয়লাসহ ২টি কাঠের বোট জব্দ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 21 September, 2026, 10:31 am
পতেঙ্গায় ২ টন চোরাচালানের কয়লাসহ ২টি কাঠের বোট জব্দ

চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় অভিযান চালিয়ে ২ টন খনিজ কয়লা ও চোরাচালানের কাজে ব্যবহৃত দুটি কাঠের বোট জব্দ করেছে কোস্ট গার্ড। জব্দ করা কয়লার আনুমানিক মূল্য ৩ লাখ ৪০ হাজার টাকা। তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক করা যায়নি।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) পতেঙ্গা থানাধীন কর্ণফুলী চ্যানেলের ১৮ নম্বর ঘাটসংলগ্ন এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান চালায় কোস্ট গার্ড আউটপোস্ট পতেঙ্গা।

কোস্ট গার্ড জানায়, অভিযান চলাকালে ওই এলাকায় সন্দেহজনক দুটি কাঠের বোটে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় বোট দুটি থেকে প্রায় ২ টন খনিজ কয়লা জব্দ করা হয়। একই সঙ্গে চোরাচালানের কাজে ব্যবহৃত দুটি সাম্পান বোটও জব্দ করা হয়।

কোস্ট গার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে চোরাকারবারিরা পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। জব্দ করা কয়লা ও বোটের বিষয়ে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে কোস্ট গার্ড। চোরাচালান রোধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানানো হয়েছে।

ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসররা আন্দোলন না করে নাশকতা করছে : রেলপথ প্রতিমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 21 September, 2026, 9:22 am
ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসররা আন্দোলন না করে নাশকতা করছে : রেলপথ প্রতিমন্ত্রী

রেলপথে নাশকতা ঠেকাতে স্টেশন ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় নিরাপত্তা জোরদার এবং নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন রেলপথ প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব। তিনি বলেন, নাশকতার সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় এনে উপযুক্ত শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে। ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসররা আন্দোলন না করে নাশকতা করছে।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে ঢাকার কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি। এর আগে রাত সাড়ে ৯টার দিকে স্টেশনের ২ নম্বর প্লাটফর্মে দাঁড়িয়ে থাকা একটি যাত্রীবাহী ট্রেনের কোচে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা।

রেলপথ প্রতিমন্ত্রী বলেন, যারা নাশকতা করছে, তারা নাশকতাকারী এবং জুলাই-আগস্টে পতিত ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসর। তারা ডিসেম্বরকে সামনে রেখে আন্দোলনের ঘোষণা দিয়েছে। কিন্তু আন্দোলন না করে নাশকতা করছে। দেশের মানুষ তাদের বিতাড়িত করেছে এবং তারা পালিয়ে গেছে। এখন জনসমর্থন না থাকায় পরাজিত ও পলাতক সেই শক্তি নাশকতার মাধ্যমে জনমনে ভীতি তৈরি করতে চাচ্ছে।

তিনি বলেন, গণতন্ত্র ও ভোটাধিকারের জন্য ছাত্র-জনতা বুকের রক্ত দিয়ে গণতান্ত্রিক ধারা বাস্তবায়ন করেছে। নাশকতাকারীদের আইনের আওতায় এনে শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে। বাংলাদেশের মানুষের নিরাপত্তা ও গণতন্ত্র অব্যাহত রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রেলপথ প্রতিমন্ত্রী বলেন, রেল কর্তৃপক্ষ, আরএনবি, পুলিশ, রেলওয়ে পুলিশসহ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের নিরাপত্তা ও নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নাশকতাকারীরা যেসব স্থান দিয়ে রেলস্টেশনে প্রবেশ করতে পারে, সেসব জায়গা চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। গতকালের ঘটনায় একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাকে রিমান্ডে নেওয়া হবে। নাশকতার সঙ্গে যারাই জড়িত, তাদের ধরে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ঘটনাস্থলে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, অনেক প্রশাসনিক কর্মকর্তা মিডিয়ার সামনে কথা বলতে অভ্যস্ত নন। তবে নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সার্বক্ষণিক সিসি ক্যামেরা ও পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।

অগ্নিকাণ্ডের স্থান সম্পর্কে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ঘটনাটি মূল প্ল্যাটফর্মে ঘটেনি। ওয়াশ প্ল্যান্টের দিক থেকে ট্রেনটি আসার সময় সেখানে গানপাউডার ব্যবহার করে আগুন দেওয়া হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আগুন খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছিল। এতে বোঝা যায়, যারা এই কাজ করেছে তারা পরিকল্পনা করেই এসেছিল। তবে নিরাপত্তা বাহিনীর দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার কারণে আগুন ছড়িয়ে পড়তে পারেনি। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে দেখা গেছে, যেখানে আগুন লাগানো হয়েছে সেখানে অন্ধকার ছিল। স্টেশনে আসার পরপরই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

অগ্নিকাণ্ডে ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে রেলপথ প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে একটি গ্যারেজ পুরোপুরি পুড়ে গেছে। এর বাইরে ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত তদন্তের পর জানা যাবে।

আরও নাশকতার আশঙ্কা আছে কি না— এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যারা নাশকতাকারী, তারা নাশকতার চেষ্টা করবেই। নাশকতা করে কোনো গণতান্ত্রিক সরকারের পতন ঘটানো যায়নি। বিএনপি সরকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার এবং তারাই জনগণের প্রতিনিধিত্ব করছেন। নাশকতাকারীদের জনগণ ও প্রশাসন মিলে প্রতিহত করবে।

রেলপথের নিরাপত্তা নিয়ে তিনি বলেন, ঘটনাস্থলে প্রশাসন, আরএনবি, পুলিশ ও রেল কর্তৃপক্ষ উপস্থিত হয়েছে। এখন আরও নিরাপত্তা জোরদার করা হবে, যাতে কোনো দিক দিয়ে অঘটন না ঘটে। দুষ্কৃতিকারীরা চেষ্টা করবে, একই সঙ্গে তাদের প্রতিহত করার চেষ্টাও করা হবে।

অগ্নিকাণ্ডের কারণে রেল চলাচলে বড় ধরনের শিডিউল বিপর্যয় হবে না বলেও জানান রেলপথ প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, ঘটনার কারণে প্রায় এক ঘণ্টা বিলম্ব হয়েছে। তবে এর কারণে বড় ধরনের শিডিউল বিপর্যয় হবে না।

যুক্তরাষ্ট্রের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 21 September, 2026, 8:42 am
যুক্তরাষ্ট্রের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করেছেন।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকাল পৌনে ৬টার দিকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে নিউইয়র্কের উদ্দেশে যাত্রা করেন তিনি। সফরসঙ্গী হিসেবে রয়েছেন তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান।

এ সফরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সরকারের কয়েকজন মন্ত্রিপরিষদ সদস্য, রাজনীতিক ব্যক্তিত্ব, ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তা এবং ব্যক্তিগত কর্মকর্তারা রয়েছেন।