খুঁজুন
, ,

হায়ার কিংবদন্তী ক্রিকেট কার্নিভাল, সিজন-৭’র শিরোপা জিতলো মিলেনিয়াম টাইগার্স তেজগাঁও

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 31 January, 2026, 1:08 pm
হায়ার কিংবদন্তী ক্রিকেট কার্নিভাল, সিজন-৭’র শিরোপা জিতলো মিলেনিয়াম টাইগার্স তেজগাঁও

এসএসসি ২০০০ ও এইচএসসি ২০০২ ব্যাচের সাবেক শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে আয়োজিত বহুল প্রতীক্ষিত হায়ার কিংবদন্তী ক্রিকেট কার্নিভাল, সিজন–৭ সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। জমজমাট এই আসরের ফাইনালে রোমাঞ্চকর লড়াইয়ের পর মিলেনিয়াম টাইগার্স তেজগাঁও চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে।

ফাইনাল ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয় ঢাকার মিরপুরে পুলিশ স্টাফ কলেজ মাঠে। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে মিরপুর কিংস ১৪.২ ওভারে সবকটি উইকেট হারিয়ে সংগ্রহ করে ১৩২ রান। জবাবে মিলেনিয়াম টাইগার্স তেজগাঁও ১৪.৪ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে লক্ষ্যে পৌঁছে যায় এবং মাত্র ১ উইকেটের নাটকীয় ব্যবধানে জয় তুলে নেয়।

এর আগে সকালে অনুষ্ঠিত দুটি সেমিফাইনালেও ছিল দারুণ উত্তেজনাকর।

প্রথম সেমিফাইনালে মিরপুর কিংস, টিম মাইটি সিক্সার্সকে ২৪ রানে পরাজিত করে ফাইনালে ওঠে।
অপর সেমিফাইনালে মিলেনিয়াম টাইগার্স তেজগাঁও, স্টার অব কুষ্টিয়া দলকে ৫ উইকেটে হারিয়ে ফাইনাল নিশ্চিত করে।

টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হিসেবে মিলেনিয়াম টাইগার্স তেজগাঁও পেয়েছে ৫ লক্ষ টাকা প্রাইজমানি ও একটি আকর্ষণীয় ট্রফি। রানারআপ দল মিরপুর কিংস অর্জন করেছে ২ লক্ষ টাকা প্রাইজমানি।

ফাইনাল ম্যাচে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের জন্য মিলেনিয়াম টাইগার্স তেজগাঁওয়ের সাকিব নূর নির্বাচিত হন ম্যান অব দ্য ম্যাচ। পুরো টুর্নামেন্টে ধারাবাহিক নৈপুণ্যের স্বীকৃতি হিসেবে টুর্নামেন্ট সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হন মিরপুর কিংসের আক্তারুজ্জামান।

আয়োজনের ফেয়ার প্লে ট্রফি পেয়েছে স্টার অব কুষ্টিয়া দল এবং স্পিরিট অব ক্রিকেট পুরস্কার পেয়েছেন টিম মাইটি সিক্সার্সের জামাল।

এই আয়োজনের টাইটেল স্পন্সর ছিল “হায়ার”।
ফাইনালের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সাবেক জাতীয় ক্রিকেটার ফরহাদ রেজা; হায়ার বাংলাদেশ-এর হেড অফ মার্কেটিং মলয় শাহা, ট্রিপ টেইলর-এর স্বত্বাধিকারী আশরাফুল সজিব এবং আমরাই কিংবদন্তী-এর অ্যাডমিন নাজমুল হোসেন। এছাড়াও বিভিন্ন পৃষ্ঠপোষক ও আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ অনুষ্ঠানের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করেন।

আয়োজকরা জানান, বন্ধন, স্মৃতি ও খেলাধুলার মাধ্যমে প্রজন্মকে একত্রিত করার পাশাপাশি সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকেই এই ক্রিকেট কার্নিভালের আয়োজন করা হয়।

“আমরাই কিংবদন্তী” নিয়মিতভাবে বিভিন্ন মানবিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকে—যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলোঃ
(১) অসহায় ও দরিদ্র মানুষের মাঝে শীতবস্ত্রসহ বিভিন্ন সাহায্য উপকরণ বিতরণ,
(২) প্রাকৃতিক দুর্যোগে ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রম,
(৩) স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি এবং
(৪) সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষা সহায়তা কার্যক্রম।

ভবিষ্যতেও আরও বৃহৎ পরিসরে এই আয়োজন অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন আয়োজকরা।

Feb2
Feb2

রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 7:52 pm
রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার উদ্যোগে ঐতিহ্যবাহী রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ প্রাঙ্গণ থেকে ৯ রবীউল আউয়াল ২৩ আগস্ট সকাল ১১ টায় পবিত্র জশনে জুলূসে ঈদে মীলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও মীলাদ মাহ্ফিল অনুষ্ঠিত হয়।

জুলূসে নেতৃত্ব দেন রাহাতিয়া দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন, পীরে কামিল শাহ্ সূফী আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ আবুল বয়ান শাহ্ নঈমী আশরাফী নকশবন্দী (মু.যি.আ.)।

রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ যিয়ারতের মাধ্যমে জুলূস শুরু হয়। রাঙ্গুনিয়া সরকারি কলেজ রোড হয়ে রাহাতুল্লাহ্ নকশবন্দী সড়ক হয়ে মরিয়ম নগর চৌমুহনী শাহী জামে মসজিদ সামনে সংক্ষিপ্ত আলোচনা ও মুনাজাত হয়। পুনরায় কাপ্তাই সড়ক প্রদক্ষিণ করে রাঙ্গুনিয়া কলেজ গেট হয়ে
রাহাতিয়া দরবার শরীফ পার্শস্থ রাহাতিয়া শাহী ঈদগাহ্ ময়দানে এসে জড়ো হয়। জুলূসে অংশ নেওয়া সুন্নী জনতার হাতে ছিল বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার পতাকা, প্লেকার্ড ও ফেস্টুন।

জলূসে অংশগ্রহণকারীদের কণ্ঠে “ইয়া নবী সালাম আলাইকা”, “মুস্তফা জানে রহমত পেহ্ লাখো সালাম” ইত্যাদি হামদ, না’তে রাসূল (সা.) এবং “না’রায়ে তাকবীর আল্লাহু আকবর”, “না’রায়ে রিসালাত ইয়া রাসুলাল্লাহ্ (দ.)”।

রাহমাতুল্লিল আলামীন (সা.)-এর শুভাগমণের শুকরগুযার সম্পর্কিত স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত হয়।

রাহাতিয়া দরবার শরীফের নায়েবে সাজ্জাদানশীন, পীরযাদাহ্ মাওলানা সৈয়্যদ মুহাম্মদ গোলাম রসুল শাহ্ নঈমী (মু.যি.আ.)-এর সার্বিক তত্ত্বাবধান ও পরিচালনায় এতে প্রধান মেহমান ছিলেন ভারত থেকে আগত পীরযাদাহ্ মাওলানা মুহাম্মদ বায়েজীদ আশরাফী।

বক্তব্য রাখেন আনজুমান-এ আহলে তাসাওউফ বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাওলানা গাজী মুঈনুদ্দীন রিজভী, বায়েজীদ দায়রায়ে মঈনিয়া রহমানিয়ার মুনতাজিম, মাওলানা মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম আশরাফী মাইজভান্ডারী, বাংলাদেশ সূফীবাদী ঐক্য ফোরাম বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান সাংবাদিক নূর মোহাম্মদ রানা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার মহাসচিব মুহাম্মদ নঈম উদ্দিন প্রমুখ।

না’তে রাসূল (সা.) পরিবেশন করেন শায়ের ওমর ফারুক ইরন, শায়ের আলভী হাসান।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত, না’তে রাসূল (সা.) শেষে মীলাদ, ক্বিয়াম ও মুনাজাতের মাধ্যমে মুসলিম উম্মাহ্’র শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ দু’আ করা হয়।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 2:52 pm
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন করার নামে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তিন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৫ অক্টোবর দিন ধার্য করা হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের অপর সদস্য বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

তিন সাংবাদিক হলেন, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত, একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল বাবু এবং একই প্রতিষ্ঠানের সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ফারজানা রুপা।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর জহিরুল আমিন, মার্জিনা রায়হান, তারেক আবদুল্লাহসহ অন্যান্য প্রসিকিউটর।

শুনানিতে প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ১৭ আগস্ট প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করা হয়েছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাদের আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। এ মামলায় তিনজনকেই গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করছে প্রসিকিউশন। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দুই মাস সময় চান তিনি।

শুনানি শেষে প্রসিকিউশনের আবেদন মঞ্জুর করে শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। পাশাপাশি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

প্রসিকিউশন জানায়, ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই গণভবনে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই দিন তাকে প্রশ্ন করার নামে কিছু উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছিলেন কয়েকজন সাংবাদিক। এর পরিপ্রেক্ষিতে আন্দোলনকারীদের রাজাকারের বাচ্চা ও রাজাকারের নাতিপুতি বলেছিলেন শেখ হাসিনা।

রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, ওই উসকানিমূলক প্ররোচনার ধারাবাহিকতায় জুলাইয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়। এ মামলায় ১৪ জুলাইয়ের ওই ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে।

নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 1:11 pm
নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ফেনীর সোনাগাজীর বহুল আলোচিত মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত হত্যা মামলায় সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ আসামিকে খালাস ও চার আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে যে দুই আসামির তারা হলেন-সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা (৫৭) এবং শাহাদাত হোসেন শামীম(২০)।

আলোচিত এই মামলায় ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর রায় দিয়েছিলেন। রায়ে মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ ১৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।

নথিপত্র অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে নুসরাতের শ্লীলতাহানি করেন। এ ঘটনায় মামলা হলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলা তুলে না নেওয়ায় ৬ এপ্রিল মাদ্রাসার ছাদে ডেকে নিয়ে নুসরাতের হাত-পা বেঁধে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই বছরের ১০ এপ্রিল নুসরাতের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান (নোমান) সোনাগাজী থানায় মামলা করেন। পরে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।