খুঁজুন
, ,

আমলাতান্ত্রিক জটিলতা এবং দীর্ঘসূত্রতার কারণে চট্টগ্রাম অবহেলিত-সুজন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 16 January, 2020, 6:33 pm
আমলাতান্ত্রিক জটিলতা এবং দীর্ঘসূত্রতার কারণে চট্টগ্রাম অবহেলিত-সুজন

২৪ ঘন্টা ডট নিউজ। চট্টগ্রাম ডেস্ক : চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি খোরশেদ আলম সুজন বলেন, প্রাকৃতিক ও খনিজ সম্পদে ভরপুর চট্টগ্রাম শিল্প বাণিজ্যের ক্ষেত্রে দেশ বিদেশের সবার কাছেই দারুণ আকর্ষণীয় ও গুরুত্বপূর্ণ স্থান।

দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দর এই চট্টগ্রামেই। দেশের প্রায় ৯০ শতাংশ আমদানি রপ্তানি ও ৬৫ শতাংশ রাজস্ব আহরিত হয় চট্টগ্রাম বন্দর ও কাস্টম হাউসের মাধ্যমে। জ্বালানি তেলের বিশাল তেলাধারসহ চট্টগ্রাম বন্দরের পাশেই দেশের অন্যতম এক্সপোর্ট প্রসেসিং জোন সিইপিজেড, কেইপিজেড অবস্থিত।

কালুরঘাট ও মোহরা ভারী শিল্পাঞ্চল, গ্যাসফিল্ড, দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার বৃহত্তম শিপ ব্রেকিং ইন্ডাস্ট্রিজসহ সম্ভাবনাময় নতুন নতুন শিল্প প্রতিষ্ঠান যা চট্টগ্রামের অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক গুরুত্বকে বহুলাংশে বাড়িয়ে দিয়েছে। এত কিছু সত্বেও চট্টগ্রাম আমলাতান্ত্রিক জটিলতা এবং দীর্ঘসূত্রতার কারণে অবহেলিত। 

বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় চট্টগ্রামের আবাসিক খাতে নতুন গ্যাস সংযোগ প্রদান, গ্যাসের প্রি-পেইড মিটার স্থাপন এবং নিয়মিত গ্যাসের সঞ্চালন লাইন রক্ষণাবেক্ষণের দাবীতে কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানী লিমিটেড এর কার্যালয়ের সামনে এক বিশাল মানব বন্ধনে তিনি এসব কথা বলেন।

আবাসিক খাতে নতুন গ্যাস সংযোগ প্রদানই হোক চট্টগ্রামবাসীর জন্য মুজিববর্ষের উপহার বলে অভিমত প্রকাশ করে জনদুর্ভোগ লাঘবে জনতার ঐক্য চাই শীর্ষক নাগরিক উদ্যোগের প্রধান উপদেষ্টা খোরশেদ আলম সুজন জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আগামী মার্চ মাসের মধ্যেই আবাসিক খাতে নতুন গ্যাস সংযোগ প্রদানের জন্য কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানী লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালকের নিকট অনুরোধ জানান। নতুবা চট্টগ্রামের গ্যাসের গ্রাহকদের সাথে নিয়ে ঘেরাও কর্মসূচী প্রদান করা হবে।

সুজন বলেন, দীর্ঘ ৫ বছর ধরে কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানী লিমিটেড কর্তৃপক্ষ ২৫০০ আবাসিক এবং ১০০ বানিজ্যিক গ্রাহকের টাকা নিয়ে কাঙ্খিত গ্যাস সংযোগ প্রদান করছে না যা অত্যন্ত দুঃখজনক। ইতিমধ্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় দেশে এল.এন.জি আমদানি করা হয়েছে।

চট্টগ্রামের উপর দিয়ে যাওয়া এল.এন.জি’র লাইনের মাধ্যমে ৫০০ মিলিয়নের অধিক গ্যাস সারা দেশে সরবরাহ করা হচ্ছে। অথচ ১০ থেকে ১২ মিলিয়ন গ্যাস চট্টগ্রামে সরবরাহ করা হলে চট্টগ্রামবাসী গ্যাসের দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পেতো। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রামকে সত্যিকার অর্থেই বানিজ্যিক রাজধানীতে রূপান্তর করার নানামূখী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

প্রধানমন্ত্রীর নানামূখী উদ্যোগের সুফল ইতিমধ্যে জনগন ভোগ করতে শুরু করেছে। তারপরও চট্টগ্রাম বিদ্বেষী কিছু সংখ্যক অসাধু কর্মকর্তা চট্টগ্রামের প্রতি আক্রোষমূলক আচরনের মাধ্যমে নতুন সংযোগ প্রদান না করে সরকারের বিরুদ্ধে জনগনকে ক্ষেপিয়ে তোলার অসৎ উদ্দেশ্যে লিপ্ত রয়েছে। চট্টগ্রামের গুরুত্বকে আড়াল করার এহেন কর্মকান্ডের তীব্র নিন্দা জানিয়ে সুজন বলেন চট্টগ্রামবাসীর প্রতি বিমাতাসুলভ আচরন কোন ভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।

তিনি আরো বলেন গ্যাসের গ্রাহকগণ প্রি-পেইড মিটার নিয়ে আশান্বিত। তারপরও নগরীতে গ্যাসের প্রি-পেইড মিটার স্থাপনের কাজ বর্তমানে বন্ধ রয়েছে। প্রি-পেইড মিটারের কারণে গ্রাহকগণ ভোগান্তিতে রয়েছে। তিনি অতিসত্বর প্রি-পেইড মিটার স্থাপনের কাজ শুরু করার জন্য কেজিডিসিএল এর ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দৃষ্টি আকর্ষন করেন। এছাড়া নগর জুড়ে স্থাপিত গ্যাসের সঞ্চালন লাইন সমূহ নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের জন্যও আহবান জানান।আবাসিক খাতে নতুন গ্যাস সংযোগ হোক মুজিববর্ষে চট্টগ্রামবাসীর উপহার

তিনি নগরীর ৩৮নং ওয়ার্ডের গ্যাসের দীর্ঘদিনের সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে ডিআরএস মেশিন স্থাপনের প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করার জন্য কেজিডিসিএল এর ব্যবস্থাপনা পরিচালককে অনুরোধ করেন।

মানব বন্ধন শেষে সুজনের নেতৃত্বে নাগরিক উদ্যোগের দশ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল আনুষ্টানিকভাবে কেজিডিসিএল এর ব্যবস্থাপনা পরিচালকের নিকট উল্লেখিত দাবী সমূহ উপস্থাপন করেন।

কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানী লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক খায়েজ আহম্মদ মজুমদার গুরুত্বের সাথে নেতৃবৃন্দের বক্তব্য শুনেন।

তিনি বলেন দীর্ঘদিন ধরে নাগরিক উদ্যোগের নেতৃবৃন্দ গ্যাসের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। তাদের এ উদ্যোগকে আমি আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানাই।

চট্টগ্রামের আবাসিক খাতে নতুন গ্যাস সংযোগ প্রদানের বিষয়টি তাই নেতৃবৃন্দের বিভিন্ন বক্তব্য মারফত আমি আগে থেকেই অবগত আছি। আমি নিজেও হৃদয় দিয়ে গ্রাহকদের এ অসুবিধা অনুধাবন করতে পেরে ইতিমধ্যে মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পেশ করেছি। সরকারও চট্টগ্রামের নতুন গ্যাস সংযোগের বিষয়ে খুবই আন্তরিক। মন্ত্রণালয় চট্টগ্রামের গুরুত্ব বিবেচনা করে আবাসিক এবং বানিজ্যিক খাতে নতুন গ্যাস সংযোগ প্রদান করবে বলে আমি আশাবাদী।

তিনি বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশের সার্বিক উন্নয়নের লক্ষ্যে যখনই যেখানে যা প্রয়োজন তার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করছে। আশা করি প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রামের ইকনোমিক জোনের গুরুত্ব বিবেচনা করে দিকনির্দেশনামূলক সিদ্ধান্ত প্রদান করবেন। সিদ্ধান্ত হয়ে গেলে আমরাও তখন গ্রাহকদের প্রয়োজনীয় গ্যাস সংযোগ প্রদান করতে পারবো। এছাড়া গ্রাহক ভোগান্তি দূর করতে আমরা ইতিপূর্বে প্রি-প্রেইড মিটার স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছি এবং আমাদের বরাদ্ধকৃত প্রি-পেইড মিটার আমরা স্থাপনও করেছি।

খুব দ্রুততার সাথে যাতে অবশিষ্ট প্রি-পেইড মিটার নগরীতে সরবরাহ করা যায় সেজন্য নীতিমালা অনুমোদন হয়ে গিয়েছে। নীতিমালা অনুমোদন হয়ে গেলে কেজিডিসিএল এর পাশাপাশি গ্রাহকগণ নিজেরাও প্রি-পেইড মিটার লাগাতে পারবে বলে নাগরিক উদ্যোগের নেতৃবৃন্দকে অবহিত করেন ব্যবস্থাপনা পরিচালক। তাছাড়া গ্যাসের সঞ্চালন লাইন রক্ষণাবেক্ষণের বিষয়ে ব্যবস্থাপনা পরিচালক জানান যে ইতিমধ্যে নিয়মিতভাবে গ্রাহকদের বাসার গ্যাস লাইনের রাইজার পরীক্ষা করণ শুরু হয়েছে এবং আমাদের এ প্রক্রিয়া চলমান থাকবে।

৩৮নং ওয়ার্ডের গ্যাসের চাপ বৃদ্ধির লক্ষ্যে ডিআরএস মেশিন স্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় বাজেট ইতিমধ্যে অনুমোদন হয়ে গেছে। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন থেকে রাস্তা কাটার অনুমতি পেলেই ডিআরএস মেশিন স্থাপন কাজ শুরু হবে বলে নেতৃবৃন্দকে অবহিত করেন তিনি।

তিনি আরো বলেন ইতিমধ্যে ৩৮নং ওয়ার্ডে ওয়াসার সঞ্চালন লাইন স্থাপনের কাজ শুরু হয়েছে। ঠিক একইভাবে সিটি কর্পোরেশন যদি দ্রুততার সাথে কেজিডিসিএলকে রাস্তা কাটার অনুমতি প্রদান করে তাহলে ৩৮নং ওয়ার্ডের এলাকাবাসী গ্যাসের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি থেকে মুক্তি পাবে। তিনি দ্রুততার সাথে রাস্তা কাটার অনুমতি দানের জন্য চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়রের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেন। এছাড়া গ্রাহকদের যে কোন অসুবিধায় তার দপ্তরে যোগাযোগ করার আহবান জানান।

মানব বন্ধনে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ন্যাপ কেন্দ্রীয কমিটির চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মিটুল দাশ গুপ্ত, রাজনীতিবিদ হাজী মোঃ ইলিয়াছ, আব্দুর রহমান মিয়া, সাইদুর রহমান, নিজাম উদ্দিন, নাগরিক উদ্যোগের সদস্য সচিব হাজী মোঃ হোসেন, কেজিডিসিএল সিবিএ সভাপতি মাকসুদুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক মোঃ আসলাম, কেজিডিসিএল ঠিকাদার কল্যাণ সমিতির সভাপতি মোঃ ইকরাম চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হোসেন, শেখ মামুনুর রশীদ, সাহেদ বশর, জাহাঙ্গীর আলম, অনির্বাণ দাশ বাবু, হাসান মোঃ মুরাদ, রকিবুল আলম সাজ্জী, মহানগর নগর ছাত্রলীগ সভাপতি এম ইমরান আহমেদ ইমু, মোঃ ওয়াসিম, আব্দুল জাহেদ মনি প্রমূখ।

Feb2
Feb2

দৈনিক দিনকাল পত্রিকার ৪০ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে চট্টগ্রামে আনন্দ সমাবেশ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 6 September, 2026, 7:38 pm
দৈনিক দিনকাল পত্রিকার ৪০ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে চট্টগ্রামে আনন্দ সমাবেশ

বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদী আদর্শের’ মুখপাত্র দৈনিক দিনকাল পত্রিকার ৪০ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন চট্টগ্রাম ব্যুরো অফিসের উদ্যোগে পলিটিক্যাল রিপোর্টার্স ইউনিটি পিআরইউ’র আহ্বায়ক ও দৈনিক দিনকাল ব্যুরো চীফ হাসান মুকুলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত।

উক্ত অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বিনিময়, আনন্দ সুধী সমাবেশ ও সংস্কৃতি অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি’র কেন্দ্রীয় কমিটির চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ প্রশাসক মাহবুবের রহমান শামীম, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব নাজিমুর রহমান, চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান ‌ অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আল মামুন চৌধুরী, মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক এডভোকেট আব্দুস সাত্তার, আব্দুল হালিম শাহ আলম, চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচি, মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক আর ইউ চৌধুরী শাহিন, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপি’র সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক কাজী সালাউদ্দিন, মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আহমেদুল আলম চৌধুরী রাসেল, শওকত আজম খাজা, সাবেক কমিশনার নিয়াজ মোহাম্মদ খাঁন, মহানগর যুবদল সভাপতি মোশারফ হোসেন দীপ্তি, সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ শাহেদ, মহানগর বিএনপির সাবেক সহ-দপ্তর সম্পাদক ইদ্রিস আলী, চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা মুরাদ, সাংবাদিক নেতা মিয়া মোহাম্মদ আরিফ, সাংবাদিক নেতা সালেহ নোমান, মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য কামরুল ইসলাম, গাজী মোহাম্মদ সিরাজ উল্লাহ , ডা: এসএম সারোয়ার আলম, আবু সালেহ, ফজলুল হক সুমন, মামুনুর রশিদ শিপন, সাইফুল ইসলাম টুটুল, জসীম উদ্দীন চৌধুরী, তানভীর মল্লিক, মিয়া মোহাম্মদ হারুন, মহানগর যুবদলের সহ-দপ্তর সম্পাদক ও লেখক জহিরুল ইসলাম জহির, স্বেচ্ছাসেবক দল চট্টগ্রাম মহানগর আহ্বায়ক কমিটির সদস্য’ ও জিয়া স্মৃতি পাঠাগার চট্টগ্রামের সহ- প্রচার সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন খাঁন, ড্যাব নেতা ডাক্তার এস এম রিয়াসাদ সাহাবুদ্দিন, ডাক্তার ইফতেখার আদনান, ডাক্তার মেহেদী হাসান, ডাক্তার সৈয়দ মোঃ হোসেন ফাহাদ, ডাক্তার মাইমুন রিদোয়ান চৌধুরী, ডাক্তার সামিউল, এস এম শাহরিয়ার জিয়া, ডাক্তার হাসিবুল হাবিব, ডাক্তার সামেদ আহাম্মেদ, সাইফুল ইসলাম ইমন, ডাক্তার সাজিদ রোহান, মোঃ মুশফিকুর রহমান, শাহেদ হাওলাদার, সাবেক কাউন্সিলর জেসমিন খাঁনম, বেগম খালেদা বোরহান, জিন্নাতুন নিছা জিনিয়া, সেলিম উদ্দিন রাসেল, শাহেদুল ইসলাম, মেজবাহ উদ্দিন মিন্টু, বেগম শামসুন নাহার বাবুল, জসীম উদ্দীন সাগর, হাফেজ মোঃ কামাল উদ্দিন, লায়ন সালাউদ্দিন আলী, মিম ইসলাম, সানজিদা ইসলাম, খোরশেদ আলম কে আলম, হামিদুল হক চৌধুরী, মোছাঃ নাসরিন, মইনুদ্দিন খাঁন রাজিব, আসিফ চৌধুরী লিমন, সৌরভ প্রিয় পাল, এ্যাব নেতা প্রকৌশলী জাহাঙ্গীর আলম, প্রকৌশলী শহিদুল ইসলাম, সৈয়দ মোস্তফা আলম মাসুম, দিদারুল ইসলাম, মোহাম্মদ কলিম উল্লাহ, ইমরান হোসেন, সৈয়দ সাফওয়ান আলী, সাংবাদিক বিপ্লব পার্থ, পলিটিক্যাল রিপোর্টার্স ইউনিটির সদস্য সচিব ইমরান এমি, সূফিবাদী ঐক্য ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা নুর মোহাম্মদ রানা, মোরশেদ রনী, কাজী সরোয়ার মঞ্জু, ফরহাদুল ইসলাম, জাহেদ চৌধুরী, এএফ রুমী, এডভোকেট রেজাউল, ইকবাল হায়দার, দীপক চৌধুরী কালু, সাজু দাস, টিটু মহাজন, জাভেদ ওমর, সাংবাদিক নেতা সাইফুল ইসলাম, জাহাঙ্গীর আলম, ইসমাইল ইমন, কামরুল কুতুবী, শফিউল শামু, মেহেদী হাসান রায়হান, জাহেদ হোসেন ইফতি, মোঃ সালাউদ্দিন, নাহিদা নাজু, এস. বি‌‌ সুমী, ইকবাল পিন্টু, রিফাত চৌধুরী লিজা, আলমগীর, মোঃ মামুন, কুতুব উদ্দিন নয়ন, শাহাদাত হোসেন সাজ্জাদ, সত্যজিৎ বড়ুয়ার রুপু, বোরহানুল হক, এস এম তৈয়ব, মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন, জাহেদুল ইসলাম জাহেদ, সালেহ আহাম্মদ খোকন, নজরুল ইসলাম, জুলাই যোদ্ধা রিদওয়ান সিদ্দিকী, কাজী সাকলাইন মোস্তফা, ইলিয়াস আকাশ, মুহাম্মদ সারোয়ার, মীর মোহাম্মদ মোবারক হোসেন, মোঃ রুবেল, শরিফুল ইসলাম আবীর, মঞ্জরুল আলম, মো: রাকিব, জাহিদুল ইসলাম আরাফাত সহ- পলিটিক্যাল রিপোর্টার্স ইউনিটি পিআর ইউ’র নেতৃবৃন্দ।

 

৪১ বছর পর্দাপন অনুষ্ঠানে নেতৃবৃন্দ বলেন, আজ একটি আনন্দ ও গৌরবের দিন। আজ দৈনিক দিনকাল তার গৌরবময় পথচলার ৪১ বছর পূর্ণ করেছে। এই দীর্ঘ পথচলায় পত্রিকাটি বাংলাদেশের সংবাদপত্রের জগতে একটি পরিচিত নাম হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে। ৪১ বছর শুধু একটি সংখ্যা নয়—এটি চার দশকেরও বেশি সময়ের শ্রম, নিষ্ঠা, সাহস, প্রতিকূলতার সঙ্গে লড়াই এবং পাঠকের ভালোবাসার প্রতিফলন।

একটি সংবাদপত্রের মূল শক্তি হলো সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের প্রতি তার অঙ্গীকার। সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে সংবাদমাধ্যমের ধরন ও প্রযুক্তি বদলেছে, পাঠকের প্রত্যাশা বদলেছে; কিন্তু মানুষের জানার অধিকার, সত্য জানার আকাঙ্ক্ষা এবং ন্যায়ের পক্ষে কথা বলার প্রয়োজন কখনো বদলায়নি। সেই দায়িত্বকে সামনে রেখে দিনকাল-এর পথচলা আরও সমৃদ্ধ হোক—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।

আজকের এই দিনে আমরা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করি পত্রিকাটির প্রতিষ্ঠা ও বিকাশের সঙ্গে যুক্ত সকল ব্যক্তি, সাংবাদিক, সম্পাদক, লেখক, কর্মী ও শুভানুধ্যায়ীদের। যাঁদের শ্রম ও অবদানে দিনকাল আজকের অবস্থানে পৌঁছেছে, তাঁদের প্রতি রইল আন্তরিক কৃতজ্ঞতা।

বর্তমান সময়ে গণমাধ্যমের সামনে নানা চ্যালেঞ্জ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের দ্রুত বিস্তার, ভুয়া তথ্যের প্রবাহ এবং প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের এই যুগে একটি সংবাদপত্রের জন্য বিশ্বাসযোগ্যতা ধরে রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই আগামী দিনের দিনকালকে আরও আধুনিক, অনুসন্ধানী, জনবান্ধব এবং প্রযুক্তিনির্ভর সংবাদমাধ্যম হিসেবে এগিয়ে যেতে হবে।

রাষ্ট্র মালিকানাধীন ৬ ব্যাংকের খেলাপি ঋণ দেড় লাখ কোটি টাকা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 6 September, 2026, 4:15 pm
রাষ্ট্র মালিকানাধীন ৬ ব্যাংকের খেলাপি ঋণ দেড় লাখ কোটি টাকা

জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, রাষ্ট্র-মালিকানাধীন ৬ ব্যাংকের খেলাপি ঋণের পরিমাণ প্রায় দেড় লাখ কোটি টাকা। রাষ্ট্র-মালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ খেলাপি ঋণ রয়েছে জনতা ব্যাংক পিএলসিতে। গত ৩০ জুনের হিসাবে এ তথ্য জানিয়েছেন মন্ত্রী।

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে বাগেরহাট-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. আব্দুল আলীমের প্রশ্নোত্তরে তিনি এ তথ্য জানান। ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল সভাপতিত্ব করেন। প্রশ্নোত্তর টেবিলে উত্থাপিত হয়।

বাগেরহাট-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. আব্দুল আলীম প্রশ্ন রেখে বলেন, দেশের রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোতে বর্তমান খেলাপি ঋণের পরিমাণ কত এবং ব্যাংকভিত্তিক হিসাব কী?

জবাবে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, রাষ্ট্র-মালিকানাধীন ৬টি ব্যাংক (অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক পিএলসি, বেসিক ব্যাংক পিএলসি, জনতা ব্যাংক পিএলসি, রূপালী ব্যাংক পিএলসি এবং সোনালী ব্যাংক পিএলসি) এর ৩০ জুন ২০২৬ ভিত্তিক খেলাপি ঋণের পরিমাণ ১ লাখ ৪৭ হাজার ৭৭৬ কোটি ৩৬ লাখ টাকা। রাষ্ট্র-মালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ খেলাপি ঋণ রয়েছে জনতা ব্যাংক পিএলসিতে।

তিনি জানান, অগ্রণী ব্যাংক পিএলসির খেলাপি ঋণের পরিমাণ ২৯০২৯ .৬৭ কোটি টাকা, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক পিএলসির খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৮৮৮.৭৯ কোটি টাকা, বেসিক ব্যাংক পিএলসির খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৮১৩১.০৯ কোটি টাকা, জনতা ব্যাংক পিএলসির খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৭৫৩৯৬.৬৭ কোটি টাকা, রূপালী ব্যাংক পিএলসির খেলাপি ঋণের পরিমাণ ১৯২৮১.৭৪ কোটি টাকা এবং সোনালী ব্যাংক পিএলসির খেলাপি ঋণের পরিমাণ ১৫০৪৮.৩৯ কোটি টাকা।

দূষণমুক্ত নদী ও বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিতের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 6 September, 2026, 1:46 pm
দূষণমুক্ত নদী ও বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিতের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য দূষণমুক্ত নদী ও একটি পরিচ্ছন্ন, বাসযোগ্য পরিবেশ রেখে যেতে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন।

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) সকালে বাংলাদেশ সচিবালয়ে রাজধানী ঢাকার চারপাশের নদ-নদীর দূষণ নিয়ন্ত্রণ, বর্জ্য অপসারণ, সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা, নাব্যতা নিশ্চিতকরণ এবং বৃত্তাকার নৌপথের উন্নয়নসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে পর্যালোচনা সভায় এই আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।

সভায় বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, ধলেশ্বরী, বালু ও শীতলক্ষ্যা নদী এবং তৎসংলগ্ন খাল ও ড্রেনের দূষণ নিয়ন্ত্রণ, বর্জ্য অপসারণ, নদ-নদীর নাব্যতা ও পানির স্বাভাবিক প্রবাহ নিশ্চিত করা এবং ঢাকার চারপাশে বিদ্যমান বৃত্তাকার নৌপথের উন্নয়নসংক্রান্ত কার্যক্রমের সার্বিক বিষয় পর্যালোচনা করা হয়।

এ পর্যন্ত গৃহীত পরিকল্পনাগুলো দ্রুত বাস্তবায়নে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থাগুলোর মধ্যে যথাযথ সমন্বয় নিশ্চিত করে কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, নিজেদের পাশাপাশি পরবর্তী প্রজন্মের জন্যও দূষণমুক্ত নদী ও একটি বাসযোগ্য পরিবেশ রেখে যাওয়ার চেষ্টা করতে হবে। এ জন্য শুধু সরকারি নির্দেশনার জন্য অপেক্ষা করলে হবে না, ব্যক্তিগত দায়িত্ববোধ থেকেও কাজ করতে হবে।

সভায় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু, শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি, নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম ও প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ড. সাইমুম পারভেজ, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার এবং বাংলাদেশ নৌবাহিনীর কমান্ডার ঢাকা নৌ অঞ্চল রিয়ার অ্যাডমিরাল আব্দুল্লাহ-আল-মাকসুসসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সচিব, ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক এবং সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।