খুঁজুন
, ,

মানুষ মানুষের জন্য, মানবতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার এখনই উপযুক্ত সময়:সুজন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 21 June, 2020, 8:39 am
মানুষ মানুষের জন্য, মানবতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার এখনই উপযুক্ত সময়:সুজন

খোরশেদ আলম সুজন

মানুষ মানুষের জন্য, মানবতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার এখনই উপযুক্ত সময় বলে অভিমত প্রকাশ করেছেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি খোরশেদ আলম সুজন।

তিনি শনিবার (২০ জুন) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ মত প্রকাশ করেন।

এ সময় জনদুর্ভোগ লাঘবে জনতার ঐক্য চাই শীর্ষক নাগরিক উদ্যোগের প্রধান উপদেষ্টা সুজন বলেন, করোনাভাইরাসের প্রকোপ শুরু হওয়ার সাথে সাথেই আমরা চট্টগ্রামের বিভিন্ন শিল্পগ্রুপ এবং কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানের নিকট অনুরোধ জানিয়েছিলাম চট্টগ্রামের মানুষের স্বাস্থ্য সেবায় মানবতার হাত প্রসারিত করার জন্য। আমাদের অনুরোধে সাড়া দিয়ে চট্টগ্রামের বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠান এস.আলম গ্রুপ, টিকে গ্রুপ, লায়ন্স ক্লাব ইন্টারন্যাশনালসহ বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন যেভাবে মানবতার কাজে এগিয়ে এসেছেন সেজন্য তাদের প্রতি আমাদের আন্তরিক কৃতজ্ঞতা। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয় চট্টগ্রামের আরো অনেক বড়ো বড়ো শিল্পগ্রুপ এবং কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান যারা চট্টগ্রাম থেকে হাজার কোটি টাকা আয় করেছে অথচ নগরবাসীর এ দুঃসময়ে তাদের রহস্যজনক নীরবতা চট্টগ্রামবাসীকে প্রচন্ডভাবে হতাশ করেছে। তাদেরকে লোভের খোলস ছেড়ে বেরিয়ে এসে নিজস্ব চিন্তা ভাবনায় চিকিৎসা সহায়তা নিয়ে মানুষের পাশে দাড়ানোর উদাত্ত আহবান জানান তিনি।

তাছাড়া দেখা যাচ্ছে যে বিভিন্ন মোবাইল কোম্পানী বিজ্ঞাপনের জন্য শত শত কোটি কোটি টাকা ব্যয় করছে। বিভিন্ন উৎসবেও তাদের খরচের মাত্রা আমাদের অবাক করে। কিন্তু সেই মোবাইল কোম্পানীগুলোও জনগনের চিকিৎসা সেবার সংকটময় এ মূহুর্তে জনগনের পাশে নেই। কতোখানি নিষ্টুর নির্দয় বিবেকের মানুষ হলে মানুষের সংকটময় এ মূহুর্তে নীরব থেকে হাত পা গুটিয়ে বসে থাকতে পারে? এদের দুঃখজনক নীরবতাও আমাদেরকে ব্যথিত করছে। তাদের প্রতিও আমাদের অনুরোধ থাকবে।

চট্টগ্রাম দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর। সংক্রমণের দিক থেকেও চট্টগ্রামের মাত্রা দিনের পর দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাই চট্টগ্রামের মানুষকে বাঁচাতে আপনারা আর নিঃশ্চুপ হয়ে বসে থাকবেন না। এখনই প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করুন, আপনার উদ্যোগী হলে নিশ্চয়ই চট্টগ্রামের মানুষের স্বাস্থ্য সেবার দুর্দশা কিছুটা লাঘব হবে বলে আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস। এছাড়া নগরবাসী সোচ্চার হওয়ার ফলে চট্টগ্রামের চিকিৎসা ব্যবস্থায় কিছুটা গতি এসেছে যেটা অস্বীকার করার কোন উপায় নেই। তাছাড়া নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় স্থাপিত ফিল্ড হাসপাতাল এবং আইসোলেশন সেন্টারগুলোও নগরবাসীর চিকিৎসা ব্যবস্থায় প্রশংসনীয় ভূমিকা রেখে যাচ্ছেন। তবে নগরীর পুরো চিকিৎসা সেবাকে উপযুক্ত সমন্বয় করে এক ছাতার নীচে নিয়ে আসার জন্য বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মেডিকেল কোরের একজন উর্দ্ধতন কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেওয়ার জন্য সরকারের নিকট বিনীত অনুরোধ জানান তিনি। যাতে করে রোগীর প্রয়োজন মাফিক চাহিদাটি এক ক্লিকেই পেতে পারে রোগীর স্বজনরা।

এছাড়া চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, জেনারেল হাসপাতাল, মা ও শিশু হাসপাতাল, নগরীর বেসরকারি হাসপাতালসমূহ, বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা কর্তৃক স্থাপিত ফিল্ড হাসপাতাল এবং আইসোলেশন সেন্টারে মোট কতখানি আইসিইউ-ভেন্টিলেশন বেড কিংবা সাধারণ বেড রয়েছে তার পরিসংখ্যান সরজমিনে পরিদর্শন পূর্বক একটি ডাটাবেইজে সংরক্ষণ করারও আহবান জানান তিনি।

রোগী সাধারণের ব্যবহারের পর কয়টা সিট অবশিষ্ট রয়েছে সে তালিকাও যদি রোগীর স্বজনরা চাহিবা মাত্র পেয়ে যায় তাহলে রোগী নিয়ে স্বজনদের হাসপাতালে দ্বারে দ্বারে দৌড়াদৌড়ি অনেকাংশে কমে আসবে বলেও মত প্রকাশ করেন সুজন। তখন শুধুমাত্র চাহিদা মাফিক সেবার জন্য নির্দিষ্ট হাসপাতালেই যোগাযোগ করবেন রোগীর স্বজনরা। এতে করে আইসিইউ-ভেন্টিলেশন নিয়ে চট্টগ্রামের রোগীদের সন্দেহ এবং অবিশ্বাসও নিরসন হবে বলে মত প্রকাশ করেন তিনি।

এছাড়া লকডাউন পরিস্থিতি নিয়ে মত প্রকাশ করতে গিয়ে তিনি বলেন ১০নং উত্তর কাট্টলী ওয়ার্ডে সরকার এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় নির্দেশিত লকডাউন আজ তিনদিন অতিক্রান্ত হতে চলেছে। দেখা যাচ্ছে যে যেভাবে লকডাউন পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার কথা ঠিক সেভাবে সামাল দেওয়া হচ্ছে না। যেভাবে হটলাইনে জনগনের কাছে সেবা পৌঁছে দেওয়ার কথা ছিল সেভাবে কাংখিত সেবা পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে না। এতে করে জনগনের মনে কিছুটা ক্ষোভ দেখা যাচ্ছে। মানুষের চাহিদামতো জিনিসপত্র এবং ঔষধ সামগ্রী ঘরে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করার লক্ষ্যে দক্ষ কর্মপন্থা নির্ধারন করার জন্য সিটি কর্পোরেশনের নিকট বিনীত অনুরোধ জানান তিনি।

তিনি আরো বলেন, অনেক অনুনয় বিনয় করা সত্ত্বেও চট্টগ্রামের ইপিজেডসমূহ তাদের শ্রমিক কর্মচারীদের জন্য নিজস্ব আইসোলেশন সেন্টার এবং করোনা পরীক্ষাগার স্থাপন করার কোন প্রকার উদ্যোগ গ্রহণ করেনাই। এতে করে ইপিজেডসমূহে কর্মরত হাজার হাজার শ্রমিক কর্মচারীদের মধ্যে আতংক ছড়িয়ে পড়ছে। দেখা যাচ্ছে অনেকে করোনা উপসর্গ নিয়েই চাকুরি চালিয়ে যাচ্ছে জীবিকার তাগিদে। নিজস্ব আইসোলেশন সেন্টার এবং করোনা পরীক্ষাগার না থাকার ফলে করোনা আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে ভীতি কাজ করছে। তাছাড়া ইপিজেড এলাকার পার্শ্ববর্তী এলাকাসমূহেও ইপিজেডে কর্মরত শ্রমিক কর্মচারীদের নিয়ে এক প্রকার অস্বস্তি লেগে রয়েছে। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখ ও পরিতাপের বিষয় এই যে দেশের অর্থনীতিকে বাঁচানোর নাম করে তারা তাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান চালু করলেও সমাজ, রাষ্ট্র এমনকি যাদের শ্রম ঘামে তাদের এতো বিত্ত বৈভব সেই শ্রমিক কর্মচারীদের প্রতিও তাদের কোন প্রকার মমত্ব কিংবা দায়িত্ববোধ নেই।

তিনি গার্মেন্টস মালিকদের হৃদয়ের সবটুকু দিয়ে শ্রমিকদের দুঃখ দুর্দশা উপলব্দি করার জন্য বিনীত অনুরোধ জানান।

২৪ ঘণ্টা/এম আর

Feb2
Feb2

সোনার দাম ভরিতে বাড়ল ২ হাজার ২১৬ টাকা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 9 October, 2026, 11:05 am
সোনার দাম ভরিতে বাড়ল ২ হাজার ২১৬ টাকা

দেশের বাজারে সোনার দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভ্যাটসহ স্বর্ণালংকারে দাম প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ দুই হাজার ২১৬ টাকা পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।

​শুক্রবার (৯ অক্টোবর) এক বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস এ তথ্য জানিয়েছে। সোনার এই নতুন দাম সকাল ১০টা থেকে কার্যকর করা হয়েছে।

​বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানিয়েছে, আজ (​শুক্রবার) সকাল ৯টায় বাজুসের মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির এক বৈঠকে এই নতুন দাম নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

​নতুন মূল্য তালিকা অনুযায়ী, এখন ভ্যাটসহ সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণালংকারে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩১ হাজার ২৯৭ টাকা। যা গতকাল ছিল ২ লাখ ২৯ হাজার ৮১ টাকা।

​২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২০ হাজার ৯১৬ টাকা। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা এখন থেকে বিক্রি হবে এক লাখ ৮৯ হাজার ৭১৫ টাকায় এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার নতুন দাম ১ লাখ ৫৪ হাজার ৯৫৬ টাকা।

​সোনার দাম বাড়ানো হলেও অপরিবর্তিত রয়েছে রুপার দাম। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৪ হাজার ৩১৬ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা ৪ হাজার ১৪১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৩ হাজার ৫৫৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ২ হাজার ৬৮৩ টাকা।

জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন চট্টগ্রাম রিজিয়নের বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 8 October, 2026, 9:45 pm
জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন চট্টগ্রাম রিজিয়নের বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত

জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন (জেকেএ) চট্টগ্রাম রিজিয়নের এক বিশেষ সভা অদ্য বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬ ঘটিকায় চট্টগ্রামস্থ একটি রেস্টুরেন্ট’র হল রুমে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশনের বাংলাদেশ প্রতিনিধি ও টেকনিক্যাল ডিরেক্টর তুলুশ শামস এর সভাপতিত্বে ও চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সহ সাধারণ সম্পাদক ও ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব তানভীর মল্লিকের সঞ্চালনায় উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন ওয়ার্ল্ড ফেডারেশন বাংলাদেশের নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান রতন তালুকদার এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেকেএ এর নির্বাহী পরিচালক ইমতিয়াজ সেলিম।

সভায় জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন (জেকেএ) চট্টগ্রাম রিজিয়নাল কমিটি গঠনের সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। জাতীয় কমিটির প্রস্তাবনা অনুযায়ী চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ও চট্টগ্রামের বিশেষ ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব মুহাম্মদ শাহেদ-কে চট্টগ্রাম রিজিয়নের নতুন চেয়ারম্যান পদে মনোনীত করা হয়।

বরণ অনুষ্ঠানে জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন ওয়ার্ল্ড ফেডারেশন বাংলাদেশের নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান রতন তালুকদার নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান মুহাম্মদ শাহেদ-কে জেকেএ-এর টাই পরিয়ে দেন এবং টেকনিক্যাল ডিরেক্টর তুলুশ শামস ব্যাজ পরিয়ে তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে বরণ করে নেন।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক দিনকাল পত্রিকার ব্যুরো প্রধান হাসান মুকুল, পিআরইউর সদস্য সচিব ইমরান এমি, অরুপ বড়ুয়া, মোহাম্মদ আলী সাকী, সেলিম উদ্দিন রাসেল, জাফর আহমেদ খোকন, জিল্লুর রহমান জুয়েল, আতিকুর রহমান, জহিরুল ইসলাম, জাহাঙ্গীর আলম বাবু, মেজবাহ উদ্দিন মিন্টু, রাশেদুল কলিম, শাবাব ইয়াজদানী, মঞ্জুর আলম মঞ্জুসহ কারাতের খেলোয়াড় বৃন্দ।

সভায় নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান মুহাম্মদ শাহেদ আগামী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে নতুন কমিটি ঘোষণার প্রতিশ্রুতি দেন।

জঙ্গল সলিমপুরে সারদার আদলে হচ্ছে পুলিশ একাডেমি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 8 October, 2026, 7:47 pm
জঙ্গল সলিমপুরে সারদার আদলে হচ্ছে পুলিশ একাডেমি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

চট্টগ্রামের জঙ্গল সলিমপুরে রাজশাহীর সারদার আদলে প্রায় ৩০০ একর জায়গাজুড়ে একটি পুলিশ একাডেমি প্রতিষ্ঠা করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। একই সঙ্গে ৭২ একর জায়গায় চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার স্থানান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে ‘বলপ্রয়োগে বাস্তুচ্যুত মিয়ানমার নাগরিকদের সমন্বয়, ব্যবস্থাপনা ও আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত জাতীয় কমিটির দ্বিতীয় সভা’ এবং ‘চট্টগ্রামের জঙ্গল সলিমপুরের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা উন্নয়নের লক্ষ্যে আয়োজিত সভা’ শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এসব কথা জানান মন্ত্রী।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, জঙ্গল সলিমপুরের সরকারি খাসজমি উদ্ধার করে এলাকাটিকে সন্ত্রাসমুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে রাজশাহীর সারদার আদলে প্রায় ৩০০ একর জায়গায় পুলিশ একাডেমি প্রতিষ্ঠা করা হবে। পাশাপাশি ৭২ একর জায়গায় চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার স্থানান্তর করা হবে।

তিনি বলেন, জঙ্গল সলিমপুরের অবৈধ অধিবাসীদের পুনর্বাসন এবং সরকারি জমিতে নিয়মতান্ত্রিক সুশাসন প্রতিষ্ঠার বিষয়টিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পের নিরাপত্তা ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, কক্সবাজারের পাহাড়ি এলাকায়, বিশেষ করে রঙ্গিখালী ও নোয়াখালীপাড়ায় পাহাড়কেন্দ্রিক অপহরণ ও মুক্তিপণ আদায়ের ঘটনা রোধে রামুর ১০ ইনফ্যান্ট্রি ডিভিশনের নেতৃত্বে দুটি সেনাবাহিনী ক্যাম্প স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া ক্যাম্পের বাইরের ক্ষতিগ্রস্ত কাঁটাতারের বেড়া পুনর্নির্মাণ, সোলার লাইট স্থাপন, সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো এবং ওয়াচ টাওয়ার ও কন্ট্রোল টাওয়ার নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ক্যাম্পের অভ্যন্তরে অপরাধ দমনে সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপ তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, মাদক কারবার, অনলাইন জুয়া, মানবপাচার ও সশস্ত্র গোষ্ঠীর তৎপরতা বন্ধে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) নেতৃত্বে সমন্বিত যৌথ অভিযান আরও জোরদার করা হবে।

তিনি জানান, এপিবিএনে কর্মরত প্রায় ৪০০ উপপরিদর্শক (এসআই) পদমর্যাদার কর্মকর্তাকে মামলার তদন্তভার দেওয়ার আইনি এখতিয়ার দেওয়া হয়েছে। এতে অপরাধ দমন কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

তবে জরুরি পরিস্থিতিতে সশস্ত্র বাহিনীর প্রতিনিধি হিসেবে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ব্রিগেডিয়ার জেনারেলের নেতৃত্বে স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) অনুযায়ী নিরাপত্তা জোরদারের বিধান বহাল রয়েছে বলেও জানান তিনি।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক মহলের সহযোগিতা এবং জাতিসংঘের সমন্বিত উদ্যোগে দ্রুততম সময়ে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন সম্ভব বলে সরকার বিশ্বাস করে।