খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কুমিল্লায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৪, আহত ৪০

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৪ অক্টোবর, ২০১৯, ৯:৩৪ অপরাহ্ণ
কুমিল্লায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৪, আহত ৪০

.jpg

ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লা সদর দক্ষিণ মডেল থানা সংলগ্ন দয়াপুর (লইপুরা) নামক স্থানে শুক্রবার সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৪ এ দাঁড়িয়েছে।

শুক্রবার বিকালে তিনটি বাস ও ড্রাম ট্রাকের মুখোমুখী সংর্ঘষে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতদের মধ্যে একজন স্কুলশিক্ষক, এক শিশু এবং দুই বাসের হেলপার রয়েছে। এছাড়া ৪০ জন বাসযাত্রী আহত হয়েছেন এ ঘটনায়।

খবর পেয়ে সদর দক্ষিণ ফায়ার সার্ভিস, সদর দক্ষিণ মডেল থানা ও হাইওয়ে পুলিশ হতাহতদের উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেছে। পুলিশ দুর্ঘটনার শিকার তিনটি বাস ও ড্রাম ট্রাকটি উদ্ধার করেছে।

স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, শুক্রবার বিকাল সোয়া চারটায় কুমিল্লা সদর দক্ষিণ মডেল থানা সংলগ্ন ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কের দয়াপুর (লইপুরা) নামক স্থানে শহীদ আব্দুল মতিন সড়ক থেকে একটি ড্রাম ট্রাক ডানে-বায়ে না দেখে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ইউটার্ন দিয়ে দক্ষিণ পাশে যাওয়ার জন্য উঠে পড়ে। এ সময় চট্রগ্রামগামী হানিফ পরিবহণের বাস (ঢাকা মেট্রো-ব-১৪-৮৩০৩) ড্রাম ট্রাকটিকে রক্ষা করতে ফোরলেন সড়কের দক্ষিণ পাশে মোড় নেয়।

একই সময় ঢাকাগামী শাপলা পরিবহনের বাস (ঢাকা মেট্রো-ব-১৪-৪৪৭৭) ও শান্তি পরিবহনের বাস (ঢাকা মেট্রো-ব-১১-০৮০৮) এর মুখোমুখী সংঘর্ষ হয়। এতে সদর দক্ষিণ উপজেলার মধ্যম বিজয়পুর গ্রামের আব্দুল মান্নানের পুত্র ও বাগিচাগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সাজেদুর রহমান (৪৮) ও চট্টগ্রামের সীতাকুন্ড উপজেলার বারইয়াডালা গ্রামের মৃত ছলিম উল্লাহর পুত্র বাসের হেলপার রহিম উদ্দিন মানিক (৪২) নিহত হয়েছেন।

পরে কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে অজ্ঞাত পরিচয় একশিশু ও অপর বাসের আরেক হেলপার নিহত হয়েছেন। তাৎক্ষণিকভাবে নিহত ঐ শিশু ও হেলপার এবং আহতদের পরিচয় পাওয়া যায়নি। তবে নিহতদের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশংকা করা হচ্ছে।

কুমিল্লা সদর দক্ষিণ মডেল খানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মামুন-উর-রশিদ পিপিএম সড়ক দুর্ঘটনায় চারজন নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…