খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আন্দোলন, আশ্বাস ও মিটিং এই নিয়ে কুবির পরিবহন পুল!

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ১০:১৬ অপরাহ্ণ
আন্দোলন, আশ্বাস ও মিটিং এই নিয়ে কুবির পরিবহন পুল!

কুবি প্রতিনিধি: কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় (কুবি) প্রতিষ্ঠার প্রায় ১৪ বছরেও পরিবহন সমস্যার সমাধান করতে পারেনি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

প্রশাসন বিভিন্ন সময় শিক্ষার্থীদের আশ্বাস দিয়েও বাস সংকটের কোনো সমাধান করতে পারেনি।

প্রতিনিয়ত শিক্ষার্থীদের পোহাতে হয় চরম দুর্ভোগ। এই দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পেতে আজ সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস গেট থেকে গোল চত্বর পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা মানববন্ধন করে।

মানব বন্ধনে আসা শিক্ষার্থীরা বলেন,কুবি প্রশাসনকে বার বার বলার পরও তারা আমাদের এই পরিবহন ব্যবস্থা নিয়ে কোন দৃষ্টিপাত করছে না। ধারণ ক্ষমতার অতিরিক্ত যাত্রী বহন করার কারণে বিভিন্ন সময় দূর্ঘটনা ঘটছে এবং তা আরও বাড়ার আশংকা করছে সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল ইসলাম মাজেদ বলেন, পরিবহন সংকট মহামারি আকার ধারণ করেছ। ছাত্রলীগের ১৩ দফা দাবির এটা ছিল ১ম দফা। শিক্ষার্থীদের এই আন্দোলনের সাথে ছাত্রলীগ এক মত পোষন করছে বলেও জানা তিনি।

পরিবহণ পুলের প্রধান উপদেষ্টা মো. এমদাদুল হকের কাছে বাস সংকটের সমাধান জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমরা চেষ্টা করছি বাস সমস্যা সমাধান করার। তিনটা নতুন বাস ক্রয়ের প্রক্রিয়া চলমান আছে, যা তিন মাসের মধ্যে শেষ হবে। আপদকালীন সমস্যা সমাধানের বিষয়ে জানতে চাইলে বলেন: আমরা মিটিংয়ে বসার সিদ্ধান্ত নিয়েছি এই বিষয়ের ।

প্রায় ৪/৫ মাস ধরে নষ্ট বাস ঠিক করা নিয়ে মেরামত কমিটি বলেন, সমাবর্তনের কাজের কারণে এটা নিয়ে কাজ করা যায় নি। আমরা অতি তাড়াতাড়ি এটার কাজ শেষ করবো। এটা নিয়ে আমরা মিটিংয়ে বসবো। কথা বলে জানা গেছে, মেরামত কমিটিতে দক্ষ জনবল নেই। গাড়ি সম্পর্কে ধারনা আছে এমন কোন টেকনিক্যাল লোক না থাকার কারণে বাস প্রায়ই নষ্ট হচ্ছে।

উল্লেখ্য, পরিবহন ব্যবহার নীতিমালা নিয়ে কুবি প্রশাসন সুনিদির্ষ্ট নীতিমালা প্রণয়ন না করে নিজেদের ইচ্ছে মতো যানবাহন ব্যবহার করছে এবং পরিবহন সেক্টরের কোন বার্ষিক পরিকল্পনাও নেই।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…