খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বশেমুবিপ্রবিতে ইতিহাস বিভাগ চালু রাখার দাবিতে চবির ইতিহাস বিভাগের সংহতি সমাবেশ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ১২:৩৭ অপরাহ্ণ
বশেমুবিপ্রবিতে ইতিহাস বিভাগ চালু রাখার দাবিতে চবির ইতিহাস বিভাগের সংহতি সমাবেশ

মেহেদী হাসান, চবি প্রতিনিধি : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বশেমুবিপ্রবি) ইতিহাস বিভাগ চালু রাখার দাবিতে সংহতি সমাবেশ করেছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) ইতিহাস বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।

রবিবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের জয় বাংলা ভাস্কর্যের সামনে এ সংহতি সমাবেশ করে তারা।

সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক ড. মো মাহবুবুল হক, সহযোগী অধ্যাপক ড. শওকত আরা বেগম, সহকারী অধ্যাপক ড. সালমা বিনতে শফিক ও ড. আনন্দ বিকাশ চাকমা, প্রভাষক রন্টু দাশ ও দেবাশীষ কুমার প্রামাণিক এবং ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোঃ মোরশেদুল আলম।

এছাড়া ইতিহাস বিভাগের প্রায় ৩০০ জন শিক্ষার্থী সমাবেশে উপস্থিত ছিল।

মোঃ মোরশেদুল আলম বলেন, ইতিহাস বিভাগের মাধ্যমে বাংলাদেশের ইতিহাসকে লালন ধারণ করা হয়। সেখানে ইউজিসি কিভাবে ইতিহাস বিভাগ বন্ধ করে দেয়? সকল প্রতিষ্ঠানে ইতিহাস বিভাগ চালু হচ্ছে। ইউজিসির সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে এই আন্দোলনে সংহতি প্রকাশ করছি।

আনন্দ বিকাশ চাকমা বলেন, বাংলাদেশের ক্ষেত্রে ইতিহাস অনেক গুরুত্বপূর্ণ। ইউজিসির এমন সিদ্ধান্ত দেশপ্রেম বিরোধী ও আত্মঘাতী। ইউজিসির প্রতি আহবান থাকবে যেন ইতিহাস বিভাগকে অনুমোদন দেওয়া হয়।

রন্টু দাশ বলেন, বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ সম্পর্কে জানতে হলে অবশ্যই ইতিহাস জানতে হবে। সেখানে বঙ্গবন্ধুর নামে বিশ্ববিদ্যালয়ে ইতিহাস বিভাগ বন্ধ করা খুবই দুঃখজনক বিষয়। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য এ সিদ্ধান্ত হবে হুমকিস্বরূপ।

বিভাগের শিক্ষার্থী ইব্রাহিম রনি বলেন, বশেমুবিপ্রবির ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের সাথে আমরা একাত্মতা প্রকাশ করছি। ইউজিসির প্রতি আমাদের দাবি ইতিহাস বিভাগ পুনর্বহাল রাখতে হবে।

উল্লেখ্য যে, ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষ থেকে ইউজিসির অনুমোদন ছাড়াই বশেমুরবিপ্রবিতে যাত্রা শুরু করে ইতিহাস বিভাগ। বর্তমানে বিভাগটিতে ৪১৩ জন শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত রয়েছে। গত বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) এক সভায় বশেমুবিপ্রবিতে আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে ইতিহাস বিভাগে কোন নতুন শিক্ষার্থী ভর্তি না করার নির্দেশ দেয়া হয়। বতর্মান অধ্যায়নরত শিক্ষার্থীদের অনুমোদন দিলেও ইতিহাস বিভাগের অনুমোদন দেয়া হয়নি।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…