খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

করোনায় থমথমে শিক্ষাব্যবস্থা, সেশনজটের শঙ্কায় চবি শিক্ষার্থীরা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ২:৫১ অপরাহ্ণ
করোনায় থমথমে শিক্ষাব্যবস্থা, সেশনজটের শঙ্কায় চবি শিক্ষার্থীরা

মেহেদী হাসান, চবি : করোনা ভাইরাসের কারণে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) সহ সারা দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় থমথমে অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। এমতবস্থায় শিক্ষাব্যবস্থা এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে গত ৬ সেপ্টেম্বর থেকে অনলাইন ক্লাস চালু করে চবি প্রশাসন।

কিন্তু অধিকাংশ শিক্ষার্থীর স্মার্টফোন ও উন্নত মোবাইল নেটওয়ার্ক এর আওতাধীন না থাকায় অনলাইন ক্লাসে পাঠগ্রহণ করতে পারছেন না।

ইতিহাস বিভাগের সহকারী অধ্যাপক দেবাশীষ প্রামাণিক বলেন, প্রথম দিকে অনলাইন ক্লাসে উপস্থিতি মোটামুটি ভালো ছিল। কিন্তু এখন সেই উপস্থিতির হার হ্রাস পেয়েছে। শতভাগ শিক্ষার্থীর স্মার্টফোন ও সবল মোবাইল নেটওয়ার্কের সুবিধা সারা দেশে না থাকায় এমন দুর্ভোগের সৃষ্টি হয়েছে।

এমন দুর্ভোগের কারণে সেশনজটের শঙ্কায় রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। বিগত কয়েক বছরের প্রচেষ্টায় সেশনজট অনেকাংশে কমে আসলেও মহামারীর কারণে ফের সেশনজটের সম্ভাবনা রয়েছে বলে ধারণা করছেন শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।

শিক্ষা ও গবেষণা ইন্সটিটিউটের শিক্ষার্থী মামুনুর রশিদ বলেন, অনলাইন ক্লাস নেওয়া হলেও অধিকাংশ শিক্ষার্থী ক্লাসে যোগদান করতে পারছে না। নানাবিধ সমস্যা ও স্মার্টফোনের অভাবে অনেকেই অনলাইন ক্লাস থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

আমাদের ইন্সটিটিউটে আগে থেকেই সেশনজট ছিল। যার কারণে আমরা অন্যান্য বিভাগের চেয়ে পিছিয়ে ছিলাম। এখন করোনার প্রভাবে সেই সেশনজট আরও জটিল সমস্যায় রুপ নিচ্ছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী নুর উদ্দিন শহীদ বলেন, মহামারী পরিস্থিতির আগে থেকেই চবির বিভিন্ন বিভাগে সেশনজট বিদ্যমান ছিল। আমি ১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী হয়েও কেবল দ্বিতীয় বর্ষ শেষ করতে পেরেছি। মহামারীর প্রভাবে আমার বিভাগসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য বিভাগের শিক্ষার্থীরাও অধিক মাত্রায় সেশনজটে পড়বে।

বাংলাদেশ স্টাডিজ বিভাগের সিদরাতুল মুনতাহা বলেন, করোনায় প্রতিকূল পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ার কারণে বিশ্ববিদ্যালয় দীর্ঘদিন বন্ধ রয়েছে। এর ফলে বিভিন্ন বিভাগে ইতোমধ্যে সেশন জটের মারাত্বক প্রভাব আঁচ করা যাচ্ছে। অনেক শিক্ষার্থীই চরম হতাশার মধ্যে দিনযাপন করছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শতভাগ শিক্ষার্থীকে অনলাইন ক্লাসের আওতাভুক্ত করতে পারলে এই সমস্যা থেকে পরিত্রাণ পাওয়া যাবে বলে জানান শিক্ষার্থীরা।

বন্ধের কারণে বিভিন্ন বিভাগের অনেক ব্যাচের পরীক্ষা স্থগিত হয়ে আছে, বিশ্ববিদ্যালয় খোলার সাথে সাথেই আটকে থাকা পরীক্ষা দ্রুততার সহিত শেষ করতে হবে এবং দ্রুত ফলাফল ঘোষণা দিলে সেশনজটের ঝুকি কিছুটা কমবে বলে ধারণা শিক্ষার্থীদের।

সেশনজট যেন না হয় সে বিষয়ে কি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্টার (ভারপ্রাপ্ত) এস এম মনিরুল হাসান বলেন, আমরা অনলাইনে ক্লাস নেওয়া শুরু করেছি। পরীক্ষার বিষয়ে একাডেমিক কাউন্সিলের সিদ্ধান্ত এখনো আসেনি।

বিশ্ববিদ্যালয় খোলা হলে আমরা সাপ্তাহিক ছুটি একদিন কমিয়ে দেব। ক্লাসের সময় বাড়িয়ে দেওয়া হবে। আশা করছি এই পদক্ষেপ গ্রহণ করলে সেশন জটের শঙ্কা কমে যাবে।

২৪ ঘণ্টা/রাজীব

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…