খুঁজুন
, ,

করোনায় থমথমে শিক্ষাব্যবস্থা, সেশনজটের শঙ্কায় চবি শিক্ষার্থীরা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 28 September, 2020, 2:51 pm
করোনায় থমথমে শিক্ষাব্যবস্থা, সেশনজটের শঙ্কায় চবি শিক্ষার্থীরা

মেহেদী হাসান, চবি : করোনা ভাইরাসের কারণে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) সহ সারা দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় থমথমে অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। এমতবস্থায় শিক্ষাব্যবস্থা এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে গত ৬ সেপ্টেম্বর থেকে অনলাইন ক্লাস চালু করে চবি প্রশাসন।

কিন্তু অধিকাংশ শিক্ষার্থীর স্মার্টফোন ও উন্নত মোবাইল নেটওয়ার্ক এর আওতাধীন না থাকায় অনলাইন ক্লাসে পাঠগ্রহণ করতে পারছেন না।

ইতিহাস বিভাগের সহকারী অধ্যাপক দেবাশীষ প্রামাণিক বলেন, প্রথম দিকে অনলাইন ক্লাসে উপস্থিতি মোটামুটি ভালো ছিল। কিন্তু এখন সেই উপস্থিতির হার হ্রাস পেয়েছে। শতভাগ শিক্ষার্থীর স্মার্টফোন ও সবল মোবাইল নেটওয়ার্কের সুবিধা সারা দেশে না থাকায় এমন দুর্ভোগের সৃষ্টি হয়েছে।

এমন দুর্ভোগের কারণে সেশনজটের শঙ্কায় রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। বিগত কয়েক বছরের প্রচেষ্টায় সেশনজট অনেকাংশে কমে আসলেও মহামারীর কারণে ফের সেশনজটের সম্ভাবনা রয়েছে বলে ধারণা করছেন শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।

শিক্ষা ও গবেষণা ইন্সটিটিউটের শিক্ষার্থী মামুনুর রশিদ বলেন, অনলাইন ক্লাস নেওয়া হলেও অধিকাংশ শিক্ষার্থী ক্লাসে যোগদান করতে পারছে না। নানাবিধ সমস্যা ও স্মার্টফোনের অভাবে অনেকেই অনলাইন ক্লাস থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

আমাদের ইন্সটিটিউটে আগে থেকেই সেশনজট ছিল। যার কারণে আমরা অন্যান্য বিভাগের চেয়ে পিছিয়ে ছিলাম। এখন করোনার প্রভাবে সেই সেশনজট আরও জটিল সমস্যায় রুপ নিচ্ছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী নুর উদ্দিন শহীদ বলেন, মহামারী পরিস্থিতির আগে থেকেই চবির বিভিন্ন বিভাগে সেশনজট বিদ্যমান ছিল। আমি ১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী হয়েও কেবল দ্বিতীয় বর্ষ শেষ করতে পেরেছি। মহামারীর প্রভাবে আমার বিভাগসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য বিভাগের শিক্ষার্থীরাও অধিক মাত্রায় সেশনজটে পড়বে।

বাংলাদেশ স্টাডিজ বিভাগের সিদরাতুল মুনতাহা বলেন, করোনায় প্রতিকূল পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ার কারণে বিশ্ববিদ্যালয় দীর্ঘদিন বন্ধ রয়েছে। এর ফলে বিভিন্ন বিভাগে ইতোমধ্যে সেশন জটের মারাত্বক প্রভাব আঁচ করা যাচ্ছে। অনেক শিক্ষার্থীই চরম হতাশার মধ্যে দিনযাপন করছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শতভাগ শিক্ষার্থীকে অনলাইন ক্লাসের আওতাভুক্ত করতে পারলে এই সমস্যা থেকে পরিত্রাণ পাওয়া যাবে বলে জানান শিক্ষার্থীরা।

বন্ধের কারণে বিভিন্ন বিভাগের অনেক ব্যাচের পরীক্ষা স্থগিত হয়ে আছে, বিশ্ববিদ্যালয় খোলার সাথে সাথেই আটকে থাকা পরীক্ষা দ্রুততার সহিত শেষ করতে হবে এবং দ্রুত ফলাফল ঘোষণা দিলে সেশনজটের ঝুকি কিছুটা কমবে বলে ধারণা শিক্ষার্থীদের।

সেশনজট যেন না হয় সে বিষয়ে কি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্টার (ভারপ্রাপ্ত) এস এম মনিরুল হাসান বলেন, আমরা অনলাইনে ক্লাস নেওয়া শুরু করেছি। পরীক্ষার বিষয়ে একাডেমিক কাউন্সিলের সিদ্ধান্ত এখনো আসেনি।

বিশ্ববিদ্যালয় খোলা হলে আমরা সাপ্তাহিক ছুটি একদিন কমিয়ে দেব। ক্লাসের সময় বাড়িয়ে দেওয়া হবে। আশা করছি এই পদক্ষেপ গ্রহণ করলে সেশন জটের শঙ্কা কমে যাবে।

২৪ ঘণ্টা/রাজীব

Feb2
Feb2

সোনার দাম ভরিতে বাড়ল ২ হাজার ২১৬ টাকা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 9 October, 2026, 11:05 am
সোনার দাম ভরিতে বাড়ল ২ হাজার ২১৬ টাকা

দেশের বাজারে সোনার দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভ্যাটসহ স্বর্ণালংকারে দাম প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ দুই হাজার ২১৬ টাকা পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।

​শুক্রবার (৯ অক্টোবর) এক বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস এ তথ্য জানিয়েছে। সোনার এই নতুন দাম সকাল ১০টা থেকে কার্যকর করা হয়েছে।

​বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানিয়েছে, আজ (​শুক্রবার) সকাল ৯টায় বাজুসের মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির এক বৈঠকে এই নতুন দাম নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

​নতুন মূল্য তালিকা অনুযায়ী, এখন ভ্যাটসহ সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণালংকারে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩১ হাজার ২৯৭ টাকা। যা গতকাল ছিল ২ লাখ ২৯ হাজার ৮১ টাকা।

​২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২০ হাজার ৯১৬ টাকা। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা এখন থেকে বিক্রি হবে এক লাখ ৮৯ হাজার ৭১৫ টাকায় এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার নতুন দাম ১ লাখ ৫৪ হাজার ৯৫৬ টাকা।

​সোনার দাম বাড়ানো হলেও অপরিবর্তিত রয়েছে রুপার দাম। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৪ হাজার ৩১৬ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা ৪ হাজার ১৪১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৩ হাজার ৫৫৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ২ হাজার ৬৮৩ টাকা।

জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন চট্টগ্রাম রিজিয়নের বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 8 October, 2026, 9:45 pm
জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন চট্টগ্রাম রিজিয়নের বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত

জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন (জেকেএ) চট্টগ্রাম রিজিয়নের এক বিশেষ সভা অদ্য বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬ ঘটিকায় চট্টগ্রামস্থ একটি রেস্টুরেন্ট’র হল রুমে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশনের বাংলাদেশ প্রতিনিধি ও টেকনিক্যাল ডিরেক্টর তুলুশ শামস এর সভাপতিত্বে ও চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সহ সাধারণ সম্পাদক ও ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব তানভীর মল্লিকের সঞ্চালনায় উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন ওয়ার্ল্ড ফেডারেশন বাংলাদেশের নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান রতন তালুকদার এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেকেএ এর নির্বাহী পরিচালক ইমতিয়াজ সেলিম।

সভায় জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন (জেকেএ) চট্টগ্রাম রিজিয়নাল কমিটি গঠনের সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। জাতীয় কমিটির প্রস্তাবনা অনুযায়ী চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ও চট্টগ্রামের বিশেষ ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব মুহাম্মদ শাহেদ-কে চট্টগ্রাম রিজিয়নের নতুন চেয়ারম্যান পদে মনোনীত করা হয়।

বরণ অনুষ্ঠানে জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন ওয়ার্ল্ড ফেডারেশন বাংলাদেশের নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান রতন তালুকদার নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান মুহাম্মদ শাহেদ-কে জেকেএ-এর টাই পরিয়ে দেন এবং টেকনিক্যাল ডিরেক্টর তুলুশ শামস ব্যাজ পরিয়ে তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে বরণ করে নেন।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক দিনকাল পত্রিকার ব্যুরো প্রধান হাসান মুকুল, পিআরইউর সদস্য সচিব ইমরান এমি, অরুপ বড়ুয়া, মোহাম্মদ আলী সাকী, সেলিম উদ্দিন রাসেল, জাফর আহমেদ খোকন, জিল্লুর রহমান জুয়েল, আতিকুর রহমান, জহিরুল ইসলাম, জাহাঙ্গীর আলম বাবু, মেজবাহ উদ্দিন মিন্টু, রাশেদুল কলিম, শাবাব ইয়াজদানী, মঞ্জুর আলম মঞ্জুসহ কারাতের খেলোয়াড় বৃন্দ।

সভায় নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান মুহাম্মদ শাহেদ আগামী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে নতুন কমিটি ঘোষণার প্রতিশ্রুতি দেন।

জঙ্গল সলিমপুরে সারদার আদলে হচ্ছে পুলিশ একাডেমি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 8 October, 2026, 7:47 pm
জঙ্গল সলিমপুরে সারদার আদলে হচ্ছে পুলিশ একাডেমি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

চট্টগ্রামের জঙ্গল সলিমপুরে রাজশাহীর সারদার আদলে প্রায় ৩০০ একর জায়গাজুড়ে একটি পুলিশ একাডেমি প্রতিষ্ঠা করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। একই সঙ্গে ৭২ একর জায়গায় চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার স্থানান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে ‘বলপ্রয়োগে বাস্তুচ্যুত মিয়ানমার নাগরিকদের সমন্বয়, ব্যবস্থাপনা ও আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত জাতীয় কমিটির দ্বিতীয় সভা’ এবং ‘চট্টগ্রামের জঙ্গল সলিমপুরের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা উন্নয়নের লক্ষ্যে আয়োজিত সভা’ শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এসব কথা জানান মন্ত্রী।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, জঙ্গল সলিমপুরের সরকারি খাসজমি উদ্ধার করে এলাকাটিকে সন্ত্রাসমুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে রাজশাহীর সারদার আদলে প্রায় ৩০০ একর জায়গায় পুলিশ একাডেমি প্রতিষ্ঠা করা হবে। পাশাপাশি ৭২ একর জায়গায় চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার স্থানান্তর করা হবে।

তিনি বলেন, জঙ্গল সলিমপুরের অবৈধ অধিবাসীদের পুনর্বাসন এবং সরকারি জমিতে নিয়মতান্ত্রিক সুশাসন প্রতিষ্ঠার বিষয়টিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পের নিরাপত্তা ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, কক্সবাজারের পাহাড়ি এলাকায়, বিশেষ করে রঙ্গিখালী ও নোয়াখালীপাড়ায় পাহাড়কেন্দ্রিক অপহরণ ও মুক্তিপণ আদায়ের ঘটনা রোধে রামুর ১০ ইনফ্যান্ট্রি ডিভিশনের নেতৃত্বে দুটি সেনাবাহিনী ক্যাম্প স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া ক্যাম্পের বাইরের ক্ষতিগ্রস্ত কাঁটাতারের বেড়া পুনর্নির্মাণ, সোলার লাইট স্থাপন, সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো এবং ওয়াচ টাওয়ার ও কন্ট্রোল টাওয়ার নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ক্যাম্পের অভ্যন্তরে অপরাধ দমনে সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপ তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, মাদক কারবার, অনলাইন জুয়া, মানবপাচার ও সশস্ত্র গোষ্ঠীর তৎপরতা বন্ধে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) নেতৃত্বে সমন্বিত যৌথ অভিযান আরও জোরদার করা হবে।

তিনি জানান, এপিবিএনে কর্মরত প্রায় ৪০০ উপপরিদর্শক (এসআই) পদমর্যাদার কর্মকর্তাকে মামলার তদন্তভার দেওয়ার আইনি এখতিয়ার দেওয়া হয়েছে। এতে অপরাধ দমন কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

তবে জরুরি পরিস্থিতিতে সশস্ত্র বাহিনীর প্রতিনিধি হিসেবে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ব্রিগেডিয়ার জেনারেলের নেতৃত্বে স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) অনুযায়ী নিরাপত্তা জোরদারের বিধান বহাল রয়েছে বলেও জানান তিনি।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক মহলের সহযোগিতা এবং জাতিসংঘের সমন্বিত উদ্যোগে দ্রুততম সময়ে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন সম্ভব বলে সরকার বিশ্বাস করে।