খুঁজুন
, ,

চসিক নির্বাচনে আ.লীগের কাউন্সিলর প্রার্থী যারা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 19 February, 2020, 10:07 pm
চসিক নির্বাচনে আ.লীগের কাউন্সিলর প্রার্থী যারা

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) নির্বাচনে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সাধারণ কাউন্সিলর এবং সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলর পদে দলীয় প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করেছে। এ দুটি পদে দলীয় প্রতীকে নির্বাচন না হলেও দলীয় সমর্থন দেয়া হয়।

বুধবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) বিকালে গণভবনে আওয়ামী লীগের স্থানীয় সরকার জনপ্রতিনিধি মনোনয়ন বোর্ডের এক সভায় এই প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন দলীয় সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আগামী ২৯ মার্চ চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। মেয়র পদে নগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম চৌধুরীকে ইতিমধ্যে দলীয় মনোনয়ন দেয়া হয়েছে। আর আজ ৪১টি সাধারণ ওয়ার্ড এবং ১৪টি সংরক্ষিত ওয়ার্ডে প্রার্থী দিলো আওয়ামী লীগ।

কাউন্সিলর পদে মনোনয়ন পেলেন যারা

ওয়ার্ড নং- ০১ (পাহাড়তলী): গাজী মো. শফিউল আজিম; সভাপতি, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ।

ওয়ার্ড নং- ০২ (জালালবাদ): মোহাম্মদ ইব্রাহিম; সদস্য, চট্টগ্রাম মহানগর যুবলীগ।

ওয়ার্ড নং- ০৩ (পাঁচলাইশ): কফিল উদ্দিন খান; বর্তমান কাউন্সিলর।

ওয়ার্ড নং- ০৪ (চান্দগাঁও): মো. সাইফুদ্দিন খালেদ; বর্তমান কাউন্সিলর ও যুগ্ম-আহ্বায়ক, চান্দগাঁও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ।

ওয়ার্ড নং- ০৫ (মোহরা): মোহাম্মদ কাজী নুরুল আমিন; সাবেক তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক, মহানগর ছাত্রলীগ।

ওয়ার্ড নং- ০৬ (পূর্ব ষোলশহর): এম আশরাফুল আলম; বর্তমান কাউন্সিলর ও সাধারণ সম্পাদক, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ।

ওয়ার্ড নং- ০৭ (পশ্চিম ষোলশহর): মো. মোবারক আলী; বর্তমান কাউন্সিলর ও সাবেক ছাত্রলীগ নেতা।

ওয়ার্ড নং- ০৮ (শুলক বহর): মো. মোরশেদ আলম; বর্তমান কাউন্সিলর ও সদস্য, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ

ওয়ার্ড নং- ০৯ (উত্তর পাহাড়তলী): নুরুল আবছার মিয়া, সভাপতি, পাহাড়তলী থানা আওয়ামী লীগ।

ওয়ার্ড নং- ১০ (উত্তর কাট্টলী): নিছার উদ্দিন আহমেদ; বর্তমান কাউন্সিলর ও সভাপতি, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ।

ওয়ার্ড নং- ১১ (দক্ষিণ কাট্টলী): মো. ইসমাইল; সভাপতি, ১১নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ।

ওয়ার্ড নং- ১২ (সরাইপাড়া): মো. নুরুল আমিন; আহ্বায়ক, ১২নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ।

ওয়ার্ড নং- ১৩ (পাহাড়তলী): মো. ওয়াসিম উদ্দিন চৌধুরী; সদস্য, আহ্বায়ক কমিটি, মহানগর যুবলীগ।

ওয়ার্ড নং- ১৪ (লালখান বাজার): আবুল হাসনাত মো. বেলাল; সদস্য, চট্টগ্রাম মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগ।

ওয়ার্ড নং- ১৫ (বাগমনিরাম): মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন; বর্তমান কাউন্সিলর ও সভাপতি, ১৫নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ।

ওয়ার্ড নং- ১৬ (চকবাজার): সাইয়েদ গোলাম হায়দার মিন্টু; বর্তমান কাউন্সিলর ও উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য, চকবাজার থানা আওয়ামী লীগ।

ওয়ার্ড নং- ১৭ (পশ্চিম বাকলিয়া): মোহাম্মদ শহিদুল আলম; উপ-প্রচার সম্পাদক, চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগ।

ওয়ার্ড নং- ১৮ (পূর্ব বাকলিয়া): মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ; বর্তমান কাউন্সিলর ও সাধারণ সম্পাদক, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ।

ওয়ার্ড নং- ১৯ (দক্ষিণ বাকলিয়া): মো. নূরুল আলম সভাপতি, ১৯নং ওয়ার্ড যুবলীগ।

ওয়ার্ড নং- ২০ (দেওয়ান বাজার): চৌধুরী হাসান মাহমুদ হাসনী বর্তমান কাউন্সিলর ও সাংগঠনিক সম্পাদক, চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগ।

ওয়ার্ড নং- ২১ (জামালখান): শৈবাল দাশ সুমন; বতর্মান কাউন্সিলর ও সদস্য, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ।

ওয়ার্ড নং- ২২ (এনায়েতবাজার): মোহাম্মদ সলিম উল্লাহ; বর্তমান কাউন্সিলর ও সাধারণ সম্পাদক, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ।

ওয়ার্ড নং- ২৩ (উত্তর পাঠানটুলি): মোহাম্মদ জাবেদ; বর্তমান কাউন্সিলর ও সদস্য, চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগ।

ওয়ার্ড নং- ২৪ (উত্তর আগ্রাবাদ): নাজমুল হক; বর্তমান কাউন্সিলর ও যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ।

ওয়ার্ড নং- ২৫ (রামপুর): আব্দুস সবুর লিটন; যুগ্ম আহ্বায়ক, ২১নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ।

ওয়ার্ড নং- ২৬ (উত্তর হালিশহর): মোহাম্মদ হোসেন; ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক, চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগ।

ওয়ার্ড নং- ২৭ (দক্ষিণ আগ্রাবাদ): মো. শেখ জাফরুল হায়দার চৌধুরী; যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ।

ওয়ার্ড নং- ২৮ (পাঠানটুলি): নজরুল ইসলাম বাহাদুর; সভাপতি, ২৮নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ।

ওয়ার্ড নং- ২৯ (পশ্চিম মাদারবাড়ী): গোলাম মোহাম্মদ জোবায়ের; বর্তমান কাউন্সিলর ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ।

ওয়ার্ড নং- ৩০ (পূর্ব মাদারবাড়ী): আতাউল্লাহ চৌধুরী; যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ।

ওয়ার্ড নং- ৩১ (আলকরণ): মো. আবদুস সালাম; সদস্য, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ

ওয়ার্ড নং- ৩২ (আন্দরকিল্লা): জহর লাল হাজারী; বর্তমান কাউন্সিলর ও উপ-দপ্তর সম্পাদক, মহানগর আওয়ামী লীগ।

ওয়ার্ড নং- ৩৩ (ফিরিঙ্গী বাজার): মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন; সাবেক সাধারণ সম্পাদক, মহানগর ছাত্রলীগ।

ওয়ার্ড নং- ৩৪ (পাথরঘাটা): পুলক খাস্তগীর; সদস্য, আহ্বায়ক কমিটি, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ।

ওয়ার্ড নং- ৩৫ (বক্সির হাট): হাজী নুরুল হক; উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য, চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগ।

ওয়ার্ড নং- ৩৬ (গোসাইল ডাঙ্গা): হাজী জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী; বর্তমান কাউন্সিলর ও সভাপতি, মহানগর জাতীয় শ্রমিক লীগ।

ওয়ার্ড নং- ৩৭ (উঃ মঃ হালিশহর): মো. হোসেন মুরাদ; ভারপ্রাপ্ত সভাপতি, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ।

ওয়ার্ড নং- ৩৮ (দঃ মঃ হালিশহর): গোলাম মো. চৌধুরী; বর্তমান কাউন্সিলর ও সদস্য, মহানগর আওয়ামী লীগ।

ওয়ার্ড নং- ৩৯ (দক্ষিণ হালিশহর): জিয়াউল হক সুমন; বর্তমান কাউন্সিলর ও সদস্য, ইপিজেড থানা আওয়ামী লীগ।

ওয়ার্ড নং- ৪০ (উত্তর পতেঙ্গা): আবদুল বারেক; সভাপতি, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ।

ওয়ার্ড নং- ৪১ (দক্ষিণ পতেঙ্গা): ছালেহ আহম্মদ চৌধুরী; বর্তমান কাউন্সিলর ও সভাপতি, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ।

সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন পেলেন যারা:

ওয়ার্ড নং- ১, ২, ৩: সৈয়দা কাশপিয়া নাহরিন; বর্তমান কাউন্সিল।

ওয়ার্ড নং- ৪, ৫, ৬: জোবাইরা নার্গিস খান; বর্তমান কাউন্সিলর।

ওয়ার্ড নং- ৭ ও ৮: জোহরা বেগম; সভাপতি, ৪২নং সাংগঠনিক ওয়ার্ড মহিলা আওয়ামী লীগ।

ওয়ার্ড নং- ৯, ১০ ও ১৩: তছলিমা বেগম (নুরজাহান); সদস্য, চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগ।

ওয়ার্ড নং- ১৪, ১৫ ও ২১: শিউলি দে; সদস্য, ২১নং ওয়ার্ড মহিলা লীগ।

ওয়ার্ড নং- ১৭, ১৮ ও ১৯: শাহীন আকতার রোজী; সদস্য, ১৯নং ওয়ার্ড দক্ষিণ বাকলিয়া মহিলা আওয়ামী লীগ।

ওয়ার্ড নং- ১৬, ২০ ও ৩২: রুমকি সেনগুপ্ত; মহিলা সম্পাদিকা, ৩২নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ।

ওয়ার্ড নং- ২২, ৩০ ও ৩১: নীলু নাগ; বর্তমান কাউন্সিলর।

ওয়ার্ড নং- ১২, ২৩ ও ২৪: মিসেস নুর আক্তার (প্রমা); সদস্য, ২৪নং ওয়ার্ড মহিলা আওয়ামী লীগ।

ওয়ার্ড নং- ১১, ২৫ ও ২৬: হুরে আরা বেগম; শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক, চট্টগ্রাম মহানগর মহিলা আওয়ামী লীগ।

ওয়ার্ড নং- ২৮, ২৯ ও ৩৬: জিন্নাত আরা বেগম; মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা, ৩৬নং ওয়ার্ড ৩নং ইউনিট আওয়ামী লীগ।

ওয়ার্ড নং- ২৭, ৩৭ ও ৩৮: আফরোজা জহুর (আফরোজা কালাম); বর্তমান কাউন্সিলর।

ওয়ার্ড নং- ৩৩, ৩৪ ও ৩৫: লুৎফুন্নেছা দোভাষ বেবী; বর্তমান কাউন্সিলর।

ওয়ার্ড নং- ৩৯, ৪০ ও ৪১: শাহানুর বেগম; বর্তমান কাউন্সিলর।

 

Feb2
Feb2

চট্টগ্রামে ডিবি অফিসের সামনেই ইয়াবার হাট, হাটের রাজা ইয়াবা সম্রাট জয়, জড়িত গোয়েন্দা পুলিশের কিছু অসাধু সদস্য

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 23 August, 2026, 9:56 pm
চট্টগ্রামে ডিবি অফিসের সামনেই ইয়াবার হাট, হাটের রাজা ইয়াবা সম্রাট জয়, জড়িত গোয়েন্দা পুলিশের কিছু অসাধু সদস্য

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি::চট্টগ্রামের মুনছুরাবাদে ডিবি (গোয়েন্দা) পুলিশের কার্যালয়ের সামনে কর্ণফুলী ক্লাবের মাঠে প্রকাশ্যে মাদক বেচাকেনার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।

জানাগেছে, চট্টগ্রামের ইয়াবা সম্রাট নামে খ্যাত জয় প্রতিদিন সন্ধ্যা ৬ টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত কর্ণফুলী ক্লাবের মাঠে প্রকাশ্যে ইয়াবাসহ নানা নেশাজাত দ্রব্য বিক্রি করে । প্রতিদিন কোটি কোটি টাকার মাদক জাত দ্রব্য বিক্রি হয় কর্ণফুলী ক্লাবের মাঠে। এ ছাড়া পার্শ্ববর্তী রেশন স্টোর ও পুলিশের ব্র্যাক থেকেও ইয়াবা সাপ্লাই করে জয়।

অনুসন্ধানে জানা যায়, জয় এর এই অবৈধ মাদক ব্যবসার সাথে কিছু অসাধু গোয়েন্দা পুলিশের সদস্য জড়িত । ফলে নির্বিঘ্নে ও নিরাপদে মাদকের ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে জয়।

‎অনুসন্ধানে জানাযায়, গনি আহামদের ছেলে জাবেদ ওরফে জয়, কাজীর দেউড়ি ২ নং গলির বাসিন্দা হলেও বর্তমানে বাকলিয়া থানার বলির হাট এলাকায় বসবাস করে।

সুত্র জানায়, ডিবি পুলিশের কনেস্টেবল আজাদ, রবিউল,  হানিফ, সঞ্জয়, আব্দুর রহিম, ইয়াবা সম্রাট জাবেদ ওরফে জয় এর সহযোগী বলে জানা গেছে।

‎এছাড়া কর্ণফুলী ক্লাব থেকে রূপসা বেকারী পর্যন্ত ব্যবসায়ী ও সাধারণ জনগণ জয়কে ডিবি অফিসার হিসাবে চিনে ও জানে, অনেকেই আবার জয়কে জয় স্যার বলে সম্বোধন করে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ডিবি পুলিশের কয়েকজন সদস্য বলেন, আইনের লোকেরা যখন বেআইনি কাজে জড়িয়ে পড়ে তখন কিছুই বলার থাকে না। পুলিশের ব্র্যাকে মাদক দ্রব্য রেখে গোয়েন্দা পুলিশের অফিসের সামনে কর্ণফুলী ক্লাবের মাঠে চট্টগ্রামের চিহ্নিত ইয়াবা ব্যবসায়ী মিস্ত্রী পাড়ার বিপ্লব ও বউ বাজারে ডাইল নুরুকে নিয়ে জয় যে মাদকের হাট বসায় তা মেনে নেওয়ার নয়। গোয়েন্দা পুলিশের যে সদস্যরা জয়ের সাথে জড়িত তারা সবাই কোটি কোটি টাকার মালিক তাদের টাকার দাপটে আমরা অসহায়। খোদ উর্ধ্বতনরাও টাকার কাছে জিম্মি বলে মনে হয়।

‎নেশাগ্রস্থ অবস্থায় জয় যখন পুলিশ ব্র্যাকে শুয়ে থাকে তখনও কিছুই বলার থাকেনা। সন্ধ্যা হলে নগরীর চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীরা আসে কর্ণফুলী ক্লাবের মাঠে ।

‎সিএমপিতে দীর্ঘ দিন ধরে চট্টগ্রামের বাকলিয়ার মাদক সম্ম্রাট ইছহাক, সোবহান, ও পাহারতলীর মাদক সম্ম্রাট টেক্সি জসিম আলমগীর ও কদম তলীর শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ি আলো সহ আরো অসংখ্য মাদক ব্যবসায়ীর নিকট মাদক ও ইয়াবা ট্যাবলেট বিক্রয় করে আসছে।

ক্লাবের ভিতরে মাঠে চেয়ার নিয়ে বসে থাকে, জয় , ডাইল নুরু ও ইয়াবা সম্রাট বিপ্লব। পার্টি আসলে ব্র্যাক থেকে মাদক দ্রব্য নিয়ে আসে অসাধু পুলিশ সদস্যরা।

‎এই বিষয়ে জয়ের কাছে জানতে চাইলে তিনি অসংলগ্ন কথাবার্তা বলেন। একবার বলেন আমি ফার্নিচার ব্যবসায়ী, আবার বলেন আমি এইসব ছেড়ে দিয়েছি। আবার অকথ্য ভাষায় গালাগালি করে বলেন, আমি জানি কে এইসব আমার ব্যাপারে বলেছে। আপনার খবর নিয়ে দেখবো আপনি কে ?

‎মাদকের ব্যাপারে সারাদেশের প্রসাশন জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষনা করলেও সিএমপি গোয়েন্দা কার্যালয়ের সামনে এমন কান্ডকে ভাবিয়ে তোলে সচেতন মহলকে।

‎এই বিষয়ে ডিসি (ডিবি উত্তর) এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সিএমপিতে একসঙ্গে ৫ থানার ওসি রদবদল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 23 August, 2026, 9:29 pm
সিএমপিতে একসঙ্গে ৫ থানার ওসি রদবদল

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) পাঁচ থানায় অফিসার ইনচার্জ (ওসি) পদে বড় ধরনের রদবদল করা হয়েছে। একই আদেশে কয়েকজন ওসিকে বদলি এবং বিভিন্ন ইউনিট থেকে নতুন কর্মকর্তাদের থানায় পদায়ন করা হয়েছে।

শনিবার (২৩ আগস্ট) সন্ধ্যায় সিএমপি কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী স্বাক্ষরিত এক আদেশে এ রদবদলের তথ্য জানানো হয়।

আদেশ অনুযায়ী, কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের পুলিশ পরিদর্শক নুর আহমদকে কর্ণফুলী থানার ওসি, সিটিএসবির মোহাম্মদ আবদুর রহিমকে খুলশী থানার ওসি এবং কর্ণফুলী থানার বর্তমান ওসি মো. ইখতিয়ারউদ্দিনকে বায়েজিদ বোস্তামি থানার ওসি হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।

এ ছাড়া ডিবি বন্দর জোনের পুলিশ পরিদর্শক মো. জয়নাল আবেদীন মন্ডলকে হালিশহর থানার ওসি এবং খুলশী থানার বর্তমান ওসি মোজাম্মেল হককে পাঁচলাইশ মডেল থানার ওসি করা হয়েছে।

অন্যদিকে, পাঁচলাইশ মডেল থানার বর্তমান ওসি মো. জাহেদুল ইসলামকে বদলি করে সিটিএসবিতে পদায়ন করা হয়েছে। পাশাপাশি সিটিএসবির মোহাম্মদ একরাম উল্লাহকে সদরঘাট থানার ওসি হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।

সিএমপির জনস্বার্থে জারি করা এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।

পাহাড়ে ‘রেইনবো নেশন’ বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান ভূমি ও পার্বত্য প্রতিমন্ত্রীর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 23 August, 2026, 8:20 pm
পাহাড়ে ‘রেইনবো নেশন’ বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান ভূমি ও পার্বত্য প্রতিমন্ত্রীর

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও ভূমি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন এমপি বলেছেন, পার্বত্য অঞ্চলের তিন জেলায় বসবাসরত পাহাড়ি-বাঙালি সব সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে সম্প্রীতি সুদৃঢ় করে সরকার ঘোষিত ‘রেইনবো নেশন’ বাস্তবায়নে সবাইকে আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে।

তিনি উল্লেখ করেন, শুধু অবকাঠামোগত উন্নয়নই যথেষ্ট নয়; দুর্গম ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর সামাজিক ও অর্থনৈতিক পরিবর্তনের লক্ষ্যে শিক্ষা, আধুনিক প্রযুক্তি এবং দক্ষতার বিকাশ ঘটিয়ে তাদের সুনাগরিক ও মানবসম্পদে পরিণত করতে হবে।

আজ রোববার রাঙ্গামাটিতে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক আয়োজিত তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক প্রশিক্ষণ সনদ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মাল্টিমিডিয়া সামগ্রী ও নারীদের আত্মকর্মসংস্থানের লক্ষ্যে সেলাই মেশিন বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে প্রতিমন্ত্রী উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা- কর্মচারীদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় অংশ নেন।

প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের জনগণের জীবনমান উন্নয়ন ও অধিকার নিশ্চিত করার বৃহৎ দর্শন নিয়ে ১৯৭৬ সালে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। সেই স্বপ্ন ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে ধর্ম, বর্ণ বা গোত্র নির্বিশেষে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কাছে উন্নয়নের সুফল পৌঁছে দিতে হবে।

তরুণদের উদ্দেশ্যে ব্যারিস্টার মীর হেলাল বলেন, ফ্রিল্যান্সিংসহ আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর প্রশিক্ষণের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে যেন তারা ঘরে বসেই উপার্জন করতে পারেন এবং এই আয়কে সরকার করমুক্ত ঘোষণা করেছে। একইসঙ্গে ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মের সুযোগ কাজে লাগানোর আহ্বান জানিয়ে তিনি যুবকদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে উন্নয়ন বোর্ডকে নতুন নতুন স্কিম গ্রহণের নির্দেশনা দেন।

কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, সরকার জনগণের সেবক। সেবার মানসিকতা নিয়ে সর্বোচ্চ নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করতে হবে যেন জনগণকে সেবার জন্য বারবার অফিসে আসতে না হয়, বরং সেবা পৌঁছে যায় মানুষের দোরগোড়ায়। এসডিজি অর্জনে মন্ত্রণালয় ও উন্নয়ন বোর্ডকে সমন্বিত পরিবারের মতো কাজ করতে হবে। এ সময় তিনি বোর্ডের শূন্য পদগুলো দ্রুত পূরণ করা, পেনশন সুবিধার বিষয়ে কার্যকর উদ্যোগ এবং পাড়া কেন্দ্রের কর্মীদের বেতন ও সুযোগ-সুবিধা যৌক্তিক পর্যায়ে উন্নীত করতে ডিপিপি (DPP) সংশোধনের আশ্বাস দেন।

দিনব্যাপী সফরকালে প্রতিমন্ত্রী ৫০ জন নারীকে সেলাই মেশিন ও ২৫০টি স্কুলে মাল্টিমিডিয়া সামগ্রী বিতরণ করেন। এছাড়া তিনি রাঙ্গামাটি শিশু পার্কের ওয়াচ টাওয়ার, জেলা পরিষদের ই-লার্নিং সেন্টার এবং খাগড়াছড়ি-রাঙ্গামাটি সড়কে মহাপুরম খালের ওপর ব্রিজের উদ্বোধন করেন।

পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) অনুপ কুমার চাকমার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান শেখ ছালেহ্ আহাম্মদ, জেলা পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব, সদস্য (অর্থ) সুমন বড়ুয়া, সদস্য (পরিকল্পনা) জাহিদ ইকবালসহ সামরিক-বেসামরিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।