খুঁজুন
, ,

চসিক নির্বাচনে আ.লীগের কাউন্সিলর প্রার্থী যারা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 19 February, 2020, 10:07 pm
চসিক নির্বাচনে আ.লীগের কাউন্সিলর প্রার্থী যারা

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) নির্বাচনে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সাধারণ কাউন্সিলর এবং সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলর পদে দলীয় প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করেছে। এ দুটি পদে দলীয় প্রতীকে নির্বাচন না হলেও দলীয় সমর্থন দেয়া হয়।

বুধবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) বিকালে গণভবনে আওয়ামী লীগের স্থানীয় সরকার জনপ্রতিনিধি মনোনয়ন বোর্ডের এক সভায় এই প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন দলীয় সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আগামী ২৯ মার্চ চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। মেয়র পদে নগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম চৌধুরীকে ইতিমধ্যে দলীয় মনোনয়ন দেয়া হয়েছে। আর আজ ৪১টি সাধারণ ওয়ার্ড এবং ১৪টি সংরক্ষিত ওয়ার্ডে প্রার্থী দিলো আওয়ামী লীগ।

কাউন্সিলর পদে মনোনয়ন পেলেন যারা

ওয়ার্ড নং- ০১ (পাহাড়তলী): গাজী মো. শফিউল আজিম; সভাপতি, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ।

ওয়ার্ড নং- ০২ (জালালবাদ): মোহাম্মদ ইব্রাহিম; সদস্য, চট্টগ্রাম মহানগর যুবলীগ।

ওয়ার্ড নং- ০৩ (পাঁচলাইশ): কফিল উদ্দিন খান; বর্তমান কাউন্সিলর।

ওয়ার্ড নং- ০৪ (চান্দগাঁও): মো. সাইফুদ্দিন খালেদ; বর্তমান কাউন্সিলর ও যুগ্ম-আহ্বায়ক, চান্দগাঁও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ।

ওয়ার্ড নং- ০৫ (মোহরা): মোহাম্মদ কাজী নুরুল আমিন; সাবেক তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক, মহানগর ছাত্রলীগ।

ওয়ার্ড নং- ০৬ (পূর্ব ষোলশহর): এম আশরাফুল আলম; বর্তমান কাউন্সিলর ও সাধারণ সম্পাদক, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ।

ওয়ার্ড নং- ০৭ (পশ্চিম ষোলশহর): মো. মোবারক আলী; বর্তমান কাউন্সিলর ও সাবেক ছাত্রলীগ নেতা।

ওয়ার্ড নং- ০৮ (শুলক বহর): মো. মোরশেদ আলম; বর্তমান কাউন্সিলর ও সদস্য, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ

ওয়ার্ড নং- ০৯ (উত্তর পাহাড়তলী): নুরুল আবছার মিয়া, সভাপতি, পাহাড়তলী থানা আওয়ামী লীগ।

ওয়ার্ড নং- ১০ (উত্তর কাট্টলী): নিছার উদ্দিন আহমেদ; বর্তমান কাউন্সিলর ও সভাপতি, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ।

ওয়ার্ড নং- ১১ (দক্ষিণ কাট্টলী): মো. ইসমাইল; সভাপতি, ১১নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ।

ওয়ার্ড নং- ১২ (সরাইপাড়া): মো. নুরুল আমিন; আহ্বায়ক, ১২নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ।

ওয়ার্ড নং- ১৩ (পাহাড়তলী): মো. ওয়াসিম উদ্দিন চৌধুরী; সদস্য, আহ্বায়ক কমিটি, মহানগর যুবলীগ।

ওয়ার্ড নং- ১৪ (লালখান বাজার): আবুল হাসনাত মো. বেলাল; সদস্য, চট্টগ্রাম মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগ।

ওয়ার্ড নং- ১৫ (বাগমনিরাম): মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন; বর্তমান কাউন্সিলর ও সভাপতি, ১৫নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ।

ওয়ার্ড নং- ১৬ (চকবাজার): সাইয়েদ গোলাম হায়দার মিন্টু; বর্তমান কাউন্সিলর ও উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য, চকবাজার থানা আওয়ামী লীগ।

ওয়ার্ড নং- ১৭ (পশ্চিম বাকলিয়া): মোহাম্মদ শহিদুল আলম; উপ-প্রচার সম্পাদক, চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগ।

ওয়ার্ড নং- ১৮ (পূর্ব বাকলিয়া): মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ; বর্তমান কাউন্সিলর ও সাধারণ সম্পাদক, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ।

ওয়ার্ড নং- ১৯ (দক্ষিণ বাকলিয়া): মো. নূরুল আলম সভাপতি, ১৯নং ওয়ার্ড যুবলীগ।

ওয়ার্ড নং- ২০ (দেওয়ান বাজার): চৌধুরী হাসান মাহমুদ হাসনী বর্তমান কাউন্সিলর ও সাংগঠনিক সম্পাদক, চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগ।

ওয়ার্ড নং- ২১ (জামালখান): শৈবাল দাশ সুমন; বতর্মান কাউন্সিলর ও সদস্য, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ।

ওয়ার্ড নং- ২২ (এনায়েতবাজার): মোহাম্মদ সলিম উল্লাহ; বর্তমান কাউন্সিলর ও সাধারণ সম্পাদক, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ।

ওয়ার্ড নং- ২৩ (উত্তর পাঠানটুলি): মোহাম্মদ জাবেদ; বর্তমান কাউন্সিলর ও সদস্য, চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগ।

ওয়ার্ড নং- ২৪ (উত্তর আগ্রাবাদ): নাজমুল হক; বর্তমান কাউন্সিলর ও যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ।

ওয়ার্ড নং- ২৫ (রামপুর): আব্দুস সবুর লিটন; যুগ্ম আহ্বায়ক, ২১নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ।

ওয়ার্ড নং- ২৬ (উত্তর হালিশহর): মোহাম্মদ হোসেন; ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক, চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগ।

ওয়ার্ড নং- ২৭ (দক্ষিণ আগ্রাবাদ): মো. শেখ জাফরুল হায়দার চৌধুরী; যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ।

ওয়ার্ড নং- ২৮ (পাঠানটুলি): নজরুল ইসলাম বাহাদুর; সভাপতি, ২৮নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ।

ওয়ার্ড নং- ২৯ (পশ্চিম মাদারবাড়ী): গোলাম মোহাম্মদ জোবায়ের; বর্তমান কাউন্সিলর ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ।

ওয়ার্ড নং- ৩০ (পূর্ব মাদারবাড়ী): আতাউল্লাহ চৌধুরী; যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ।

ওয়ার্ড নং- ৩১ (আলকরণ): মো. আবদুস সালাম; সদস্য, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ

ওয়ার্ড নং- ৩২ (আন্দরকিল্লা): জহর লাল হাজারী; বর্তমান কাউন্সিলর ও উপ-দপ্তর সম্পাদক, মহানগর আওয়ামী লীগ।

ওয়ার্ড নং- ৩৩ (ফিরিঙ্গী বাজার): মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন; সাবেক সাধারণ সম্পাদক, মহানগর ছাত্রলীগ।

ওয়ার্ড নং- ৩৪ (পাথরঘাটা): পুলক খাস্তগীর; সদস্য, আহ্বায়ক কমিটি, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ।

ওয়ার্ড নং- ৩৫ (বক্সির হাট): হাজী নুরুল হক; উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য, চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগ।

ওয়ার্ড নং- ৩৬ (গোসাইল ডাঙ্গা): হাজী জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী; বর্তমান কাউন্সিলর ও সভাপতি, মহানগর জাতীয় শ্রমিক লীগ।

ওয়ার্ড নং- ৩৭ (উঃ মঃ হালিশহর): মো. হোসেন মুরাদ; ভারপ্রাপ্ত সভাপতি, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ।

ওয়ার্ড নং- ৩৮ (দঃ মঃ হালিশহর): গোলাম মো. চৌধুরী; বর্তমান কাউন্সিলর ও সদস্য, মহানগর আওয়ামী লীগ।

ওয়ার্ড নং- ৩৯ (দক্ষিণ হালিশহর): জিয়াউল হক সুমন; বর্তমান কাউন্সিলর ও সদস্য, ইপিজেড থানা আওয়ামী লীগ।

ওয়ার্ড নং- ৪০ (উত্তর পতেঙ্গা): আবদুল বারেক; সভাপতি, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ।

ওয়ার্ড নং- ৪১ (দক্ষিণ পতেঙ্গা): ছালেহ আহম্মদ চৌধুরী; বর্তমান কাউন্সিলর ও সভাপতি, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ।

সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন পেলেন যারা:

ওয়ার্ড নং- ১, ২, ৩: সৈয়দা কাশপিয়া নাহরিন; বর্তমান কাউন্সিল।

ওয়ার্ড নং- ৪, ৫, ৬: জোবাইরা নার্গিস খান; বর্তমান কাউন্সিলর।

ওয়ার্ড নং- ৭ ও ৮: জোহরা বেগম; সভাপতি, ৪২নং সাংগঠনিক ওয়ার্ড মহিলা আওয়ামী লীগ।

ওয়ার্ড নং- ৯, ১০ ও ১৩: তছলিমা বেগম (নুরজাহান); সদস্য, চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগ।

ওয়ার্ড নং- ১৪, ১৫ ও ২১: শিউলি দে; সদস্য, ২১নং ওয়ার্ড মহিলা লীগ।

ওয়ার্ড নং- ১৭, ১৮ ও ১৯: শাহীন আকতার রোজী; সদস্য, ১৯নং ওয়ার্ড দক্ষিণ বাকলিয়া মহিলা আওয়ামী লীগ।

ওয়ার্ড নং- ১৬, ২০ ও ৩২: রুমকি সেনগুপ্ত; মহিলা সম্পাদিকা, ৩২নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ।

ওয়ার্ড নং- ২২, ৩০ ও ৩১: নীলু নাগ; বর্তমান কাউন্সিলর।

ওয়ার্ড নং- ১২, ২৩ ও ২৪: মিসেস নুর আক্তার (প্রমা); সদস্য, ২৪নং ওয়ার্ড মহিলা আওয়ামী লীগ।

ওয়ার্ড নং- ১১, ২৫ ও ২৬: হুরে আরা বেগম; শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক, চট্টগ্রাম মহানগর মহিলা আওয়ামী লীগ।

ওয়ার্ড নং- ২৮, ২৯ ও ৩৬: জিন্নাত আরা বেগম; মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা, ৩৬নং ওয়ার্ড ৩নং ইউনিট আওয়ামী লীগ।

ওয়ার্ড নং- ২৭, ৩৭ ও ৩৮: আফরোজা জহুর (আফরোজা কালাম); বর্তমান কাউন্সিলর।

ওয়ার্ড নং- ৩৩, ৩৪ ও ৩৫: লুৎফুন্নেছা দোভাষ বেবী; বর্তমান কাউন্সিলর।

ওয়ার্ড নং- ৩৯, ৪০ ও ৪১: শাহানুর বেগম; বর্তমান কাউন্সিলর।

 

Feb2
Feb2

সোনার দাম ভরিতে বাড়ল ২ হাজার ২১৬ টাকা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 9 October, 2026, 11:05 am
সোনার দাম ভরিতে বাড়ল ২ হাজার ২১৬ টাকা

দেশের বাজারে সোনার দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভ্যাটসহ স্বর্ণালংকারে দাম প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ দুই হাজার ২১৬ টাকা পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।

​শুক্রবার (৯ অক্টোবর) এক বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস এ তথ্য জানিয়েছে। সোনার এই নতুন দাম সকাল ১০টা থেকে কার্যকর করা হয়েছে।

​বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানিয়েছে, আজ (​শুক্রবার) সকাল ৯টায় বাজুসের মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির এক বৈঠকে এই নতুন দাম নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

​নতুন মূল্য তালিকা অনুযায়ী, এখন ভ্যাটসহ সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণালংকারে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩১ হাজার ২৯৭ টাকা। যা গতকাল ছিল ২ লাখ ২৯ হাজার ৮১ টাকা।

​২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২০ হাজার ৯১৬ টাকা। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা এখন থেকে বিক্রি হবে এক লাখ ৮৯ হাজার ৭১৫ টাকায় এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার নতুন দাম ১ লাখ ৫৪ হাজার ৯৫৬ টাকা।

​সোনার দাম বাড়ানো হলেও অপরিবর্তিত রয়েছে রুপার দাম। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৪ হাজার ৩১৬ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা ৪ হাজার ১৪১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৩ হাজার ৫৫৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ২ হাজার ৬৮৩ টাকা।

জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন চট্টগ্রাম রিজিয়নের বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 8 October, 2026, 9:45 pm
জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন চট্টগ্রাম রিজিয়নের বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত

জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন (জেকেএ) চট্টগ্রাম রিজিয়নের এক বিশেষ সভা অদ্য বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬ ঘটিকায় চট্টগ্রামস্থ একটি রেস্টুরেন্ট’র হল রুমে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশনের বাংলাদেশ প্রতিনিধি ও টেকনিক্যাল ডিরেক্টর তুলুশ শামস এর সভাপতিত্বে ও চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সহ সাধারণ সম্পাদক ও ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব তানভীর মল্লিকের সঞ্চালনায় উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন ওয়ার্ল্ড ফেডারেশন বাংলাদেশের নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান রতন তালুকদার এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেকেএ এর নির্বাহী পরিচালক ইমতিয়াজ সেলিম।

সভায় জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন (জেকেএ) চট্টগ্রাম রিজিয়নাল কমিটি গঠনের সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। জাতীয় কমিটির প্রস্তাবনা অনুযায়ী চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ও চট্টগ্রামের বিশেষ ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব মুহাম্মদ শাহেদ-কে চট্টগ্রাম রিজিয়নের নতুন চেয়ারম্যান পদে মনোনীত করা হয়।

বরণ অনুষ্ঠানে জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন ওয়ার্ল্ড ফেডারেশন বাংলাদেশের নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান রতন তালুকদার নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান মুহাম্মদ শাহেদ-কে জেকেএ-এর টাই পরিয়ে দেন এবং টেকনিক্যাল ডিরেক্টর তুলুশ শামস ব্যাজ পরিয়ে তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে বরণ করে নেন।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক দিনকাল পত্রিকার ব্যুরো প্রধান হাসান মুকুল, পিআরইউর সদস্য সচিব ইমরান এমি, অরুপ বড়ুয়া, মোহাম্মদ আলী সাকী, সেলিম উদ্দিন রাসেল, জাফর আহমেদ খোকন, জিল্লুর রহমান জুয়েল, আতিকুর রহমান, জহিরুল ইসলাম, জাহাঙ্গীর আলম বাবু, মেজবাহ উদ্দিন মিন্টু, রাশেদুল কলিম, শাবাব ইয়াজদানী, মঞ্জুর আলম মঞ্জুসহ কারাতের খেলোয়াড় বৃন্দ।

সভায় নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান মুহাম্মদ শাহেদ আগামী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে নতুন কমিটি ঘোষণার প্রতিশ্রুতি দেন।

জঙ্গল সলিমপুরে সারদার আদলে হচ্ছে পুলিশ একাডেমি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 8 October, 2026, 7:47 pm
জঙ্গল সলিমপুরে সারদার আদলে হচ্ছে পুলিশ একাডেমি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

চট্টগ্রামের জঙ্গল সলিমপুরে রাজশাহীর সারদার আদলে প্রায় ৩০০ একর জায়গাজুড়ে একটি পুলিশ একাডেমি প্রতিষ্ঠা করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। একই সঙ্গে ৭২ একর জায়গায় চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার স্থানান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে ‘বলপ্রয়োগে বাস্তুচ্যুত মিয়ানমার নাগরিকদের সমন্বয়, ব্যবস্থাপনা ও আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত জাতীয় কমিটির দ্বিতীয় সভা’ এবং ‘চট্টগ্রামের জঙ্গল সলিমপুরের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা উন্নয়নের লক্ষ্যে আয়োজিত সভা’ শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এসব কথা জানান মন্ত্রী।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, জঙ্গল সলিমপুরের সরকারি খাসজমি উদ্ধার করে এলাকাটিকে সন্ত্রাসমুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে রাজশাহীর সারদার আদলে প্রায় ৩০০ একর জায়গায় পুলিশ একাডেমি প্রতিষ্ঠা করা হবে। পাশাপাশি ৭২ একর জায়গায় চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার স্থানান্তর করা হবে।

তিনি বলেন, জঙ্গল সলিমপুরের অবৈধ অধিবাসীদের পুনর্বাসন এবং সরকারি জমিতে নিয়মতান্ত্রিক সুশাসন প্রতিষ্ঠার বিষয়টিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পের নিরাপত্তা ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, কক্সবাজারের পাহাড়ি এলাকায়, বিশেষ করে রঙ্গিখালী ও নোয়াখালীপাড়ায় পাহাড়কেন্দ্রিক অপহরণ ও মুক্তিপণ আদায়ের ঘটনা রোধে রামুর ১০ ইনফ্যান্ট্রি ডিভিশনের নেতৃত্বে দুটি সেনাবাহিনী ক্যাম্প স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া ক্যাম্পের বাইরের ক্ষতিগ্রস্ত কাঁটাতারের বেড়া পুনর্নির্মাণ, সোলার লাইট স্থাপন, সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো এবং ওয়াচ টাওয়ার ও কন্ট্রোল টাওয়ার নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ক্যাম্পের অভ্যন্তরে অপরাধ দমনে সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপ তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, মাদক কারবার, অনলাইন জুয়া, মানবপাচার ও সশস্ত্র গোষ্ঠীর তৎপরতা বন্ধে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) নেতৃত্বে সমন্বিত যৌথ অভিযান আরও জোরদার করা হবে।

তিনি জানান, এপিবিএনে কর্মরত প্রায় ৪০০ উপপরিদর্শক (এসআই) পদমর্যাদার কর্মকর্তাকে মামলার তদন্তভার দেওয়ার আইনি এখতিয়ার দেওয়া হয়েছে। এতে অপরাধ দমন কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

তবে জরুরি পরিস্থিতিতে সশস্ত্র বাহিনীর প্রতিনিধি হিসেবে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ব্রিগেডিয়ার জেনারেলের নেতৃত্বে স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) অনুযায়ী নিরাপত্তা জোরদারের বিধান বহাল রয়েছে বলেও জানান তিনি।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক মহলের সহযোগিতা এবং জাতিসংঘের সমন্বিত উদ্যোগে দ্রুততম সময়ে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন সম্ভব বলে সরকার বিশ্বাস করে।