খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সুষ্ঠু নির্বাচন হলে শাহাদাত বিপুল ভোটে জয়ী হবে:নোমান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২০, ৭:১৭ অপরাহ্ণ
সুষ্ঠু নির্বাচন হলে শাহাদাত বিপুল ভোটে জয়ী হবে:নোমান

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) নির্বাচনের প্রচারণার দ্বিতীয় দিন সকালে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমানকে সঙ্গে নিয়ে বিএনপির সাবেক হুইপ সৈয়দ ওয়াহিদুল আলমের কবর জেয়ারত করেছেন বিএনপি প্রার্থী ডা. শাহাদাত হোসেন।

আজ মঙ্গলবার (১০ মার্চ) লালিয়ার হাটে মরহুমের কবর জেয়ারতে যান তারা। পরে ১ নম্বর দক্ষিণ পাহাড়তলি ওয়ার্ডের লালিয়ার হাট, আমান বাজার, খোসাল শাহ সড়ক, বড়দিঘীর পাড়, ভাটিয়ারি রোড, ৩ নং বাজার, ফতেয়াবাদ, চৌধুরীহাট, চড়ারকূল, স্টেশন রোড, সন্দ্বীপ কলোনী, ২ নং জালালাবদ ওয়ার্ডের বালুছড়া বাজার, ইব্রাহীম কটন মিল, নতুন পাড়া, তুফানী রোড, খন্দকিয়া হাট, জমাদার পাড়া, কূলগাঁও, ৩ নং পাঁচলাইশ ওয়ার্ডের অক্সিজেন মোড়, রউফাবাদ, মুরাদ নগর, কামরাবাদ, ছামাদপুর, হাজীপাড়া, খন্দকার পাড়া, চালিতাতলি সড়কে বিএনপির মেয়র প্রার্থী ডা. শাহাদাত হোসেনের পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নেন আবদুল্লাহ আল নোমান।

এ সময় নেতৃবৃন্দ সাধারণ মানুষের সাথে সালাম ও কুশল বিনিময় করেন। নেতা কর্মীরা ধানের শীষের পক্ষে প্রচারপত্র বিলি করে জনগণের কাছে মেয়র পদে ডাঃ শাহদাত হোসেনকে বিজয়ী করার জন্য ভোট চান।

এ সময় আব্দুল্লাহ আল নোমান বলেন, চসিক নির্বাচনে জয় লাভের জন্য আমরা অংশ নিয়েছি। অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে ডাঃ শাহাদাত হোসেন বিপুল ভোটে জয়ী হবে। বুলেটের চেয়ে ব্যালট শক্তিশালী। ২৯ মার্চ চট্টগ্রামবাসী ব্যালটের মাধ্যমে জবাব দিবে ইনশাআল্লাহ।

তিনি বলেন, ৯০ এর গণ আন্দোলনের পর লালদিঘীর মাঠে বেগম খালেদা জিয়া ক্ষমতায় এসে চট্টগ্রামকে বাণিজ্যিক রাজধানী করার ঘোষণা দিয়েছিলেন। ২০০১ সালে এসে আমরা বাণিজ্যিক রাজধানী করার জন্য মন্ত্রী পরিষদে বিল পাস করি। শুধু নগরী নয় বৃহত্তর চট্টগ্রামকে বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে সাজাতে আমাদের পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে তা বাস্তবায়ন করেনি। আজ পত্রিকায় দেখলাম আওয়ামীলীগের মেয়র প্রার্থী রেজাউল করিম চৌধূরী চট্টগ্রামকে বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে সাজাবেন বলে প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন। আমার প্রশ্ন হলো, এটাতো অনেক আগেই বিএনপি বাস্তবায়িত করে রেখেছিল। কিন্তু বর্তমান সরকার এটা করেনি কেন?

তিনি বলেন, জলাবদ্ধতা চট্টগ্রামের প্রধান সমস্যা। সরকার আসছে সরকার যাচ্ছে কিন্তু জলাবদ্ধতার ব্যাপারে কিছুই হচ্ছেনা। আমাদের সুযোগ্য মেয়র প্রার্থী ডাঃ শাহাদাত হোসেন নির্বাচিত হলে জলাবদ্ধতা ছাড়াও কর্পোরেশনের মাধ্যমে যে সব উন্নয়ন কাজ করা দরকার আমরা করবো। আমি চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা নিরসনে বাজেটে আলাদা অর্থ বরাদ্ধ করার দাবী জানাচ্ছি।

এসময় বিএনপি মেয়র প্রার্থী ডাঃ শাহাদাত হোসেন বলেন, যে এলাকায় গণসংযোগ করছি এই এলাকাগুলো অবহেলিত। সিটি কর্পোরেশন একটি সেবা মূলক প্রতিষ্ঠান। আমি সবার সাথে মতবিনিময় করে সব কিছু চিহ্নিত করে পরিকিল্পতভাবে উন্নয়নের জন্য এগিয়ে যাব।

তিনি বলেন, আপনাদের ভোটাধিকার রক্ষার জন্য ভোট কেন্দ্রে যাবেন। ধানের শিষে ভোট দিবেন। জনগণের দল বিএনপি। বিএনপি যখন ক্ষমতায় ছিল তখন দেশে উন্নতি হয়েছে। সেজন্য জনগণ আমাদেরকে চায়। কিন্তু দিনের ভোট রাতে নিয়ে ফেলার কারণে জনগণ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারছে না। এবার আপনারা ভয়কে জয় করে ভোট কেন্দ্রে গিয়ে আমাকে ধানের শীষে ভোট দিয়ে দেশ নেত্রীকে মুক্ত করতে সহায়তা করবেন।

তিনি বলেন, চসিক নির্বাচনকে একটি গ্রহণযোগ্য ও সুন্দর করার জন্য আমরা জনগণকে উদ্বুদ্ধ করছি। আমি জনগণের কাছে যেখানেই যাচ্ছি তারা আমাকে বিপুল সাড়া দিচ্ছে। এই চট্টগ্রাম শহরে আমার বেড়ে উঠা। ৩৪ বছর ধরে এই চট্টগ্রামের রাজনীতি ও সামাজিক কর্মকান্ডের সাথে জড়িত। বাকলিয়া থেকে শুরু করে চট্টগ্রামের সব জায়গায় আমার পদচারণা। এই চট্টগ্রামকে সাজাতে কি দরকার কিভাবে সুন্দরভাবে সাজাতে হয় তা আমার জানা আছে। চট্টগ্রামকে সুন্দর ও নান্দনিক শহর করার একটা প্রয়াস আমার সব সময় ছিল। আমি এটা নিয়ে কাজ করছি।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর, সিনিয়র সহ-সভাপতি আবু সফিয়ান, বিএনপি’র জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মীর মোঃ হেলাল উদ্দীন, সাথী উদয় কুসুম বড়ুয়া, চাকসুর ভিপি নাজিম উদ্দিন, দক্ষিণ জেলা বিএনপি’র সদস্য সচিব মোস্তাক আহাম্মদ খান, বিএনপি নেতা ইকবাল চৌধূরী, এস. এম. আবুল ফয়েজ, কাজী বেলাল, নুর মোহাম্মদ, শামসুল আলম, জিএম আইয়ুব খান, কামরুল ইসলাম, ২ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী ইয়াকুব চৌধুরী, ফাতেমা বাদশা, আব্দুল্লাহ আল হারুন, রফিকুল ইসলাম, জাকারিয়া সেলিম, মোঃ ইদ্রিস আলী, ডাঃ মোঃ ফরিদ, জেলী চৌধুরী, আব্দুল কাদের জসিম, মোঃ বেলাল, ১ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী সিরাজুল ইসলাম রাশেদ, ৩ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী মো. ইলিয়াছ, সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর প্রার্থী রোকসানা বেগম মাধু, বিএনপি নেতা সেলিম চেয়ারম্যান, মো: জাকের হোসেন, সোলাইমান মন্জু, এস. এম. আবুল কালাম আবু, মামুন আলম, গাজী ইউসুফ, মোহাম্মদ ইউসুফ, আবছার উদ্দীন, মোঃ ফোরকান, আজগর হোসেন আজু, মোঃ শাহজাহান, এম. ইলিয়াছ আলী, খোরশেদ আলম, শাহজাহান মঞ্জু, সরোয়ার জাহান পুতুল, আব্দুল করিম, সৈয়দ মহসিন, সৈয়দ ইকবাল, নাজিম উদ্দিন, এস. এম. আলী, নুরুল ইসলাম, ওয়াহিদুল আলম, শাহেদুল আজম, আবুল মনছুর, মোঃ জাবেদ, নাছির উদ্দীন, শাহজাহান খান প্রমুখ।

Feb2

মানবিক ডিসি জাহিদের কাছে সাহায্যপ্রার্থীদের ঢল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:০০ অপরাহ্ণ
মানবিক ডিসি জাহিদের কাছে সাহায্যপ্রার্থীদের ঢল

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের গণশুনানিতে ভিড় বাড়ছেই মানবিক সহায়তা প্রত্যাশী মানুষের। অসুস্থতা, দারিদ্র্য, কর্মহীনতা ও চরম আর্থিক সংকটে পড়ে জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ ছুটে আসছেন শেষ আশ্রয়ের খোঁজে। এসব আবেদন ঘেঁটে দেখা গেছে—প্রতিটি কাগজের আড়ালে লুকিয়ে আছে বেঁচে থাকার তীব্র আর্তি।

ক্যানসারে আক্রান্ত লাভলী দাস গুপ্তা ভারতের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসা চালাতে গিয়ে তার পরিবারের সঞ্চয় শেষ হয়ে গেছে। চিকিৎসা ব্যয় বহন করতে না পেরে তিনি আজ বুধবার (৮ এপ্রিল) সারা দেশে মানবিক ডিসি হিসেবে পরিচিত চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞার কাছে আর্থিক সহায়তা চেয়েছেন। চিকিৎসা বন্ধ হয়ে গেলে জীবন ঝুঁকিতে পড়বে জেনে জেলা প্রশাসক তাকে আর্থিক সহয়তা প্রদান করেন তাৎক্ষণিকভাবে।

৫৫ বছর বয়সী মোহাম্মদ সুমন গুরুতর অসুস্থতায় ভুগছেন। রোগ নির্ণয়ের জন্য তাকে একাধিক পরীক্ষা করাতে হয়েছে একটি বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে। এসব পরীক্ষার খরচ বহন করতে গিয়ে তিনি এখন আর্থিকভাবে বিপর্যস্ত। জেলার অভিভাবককে তিনি জানান, প্রয়োজনীয় চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়ার মতো সামর্থ্য তার আর নেই। তাকেও নিরাশ করলেন না মানবিক ডিসি।

একইভাবে ৬৫ বছর বয়সী হাছিনা বেগমও চিকিৎসা ব্যয়ের ভারে ন্যুব্জ। বয়সজনিত অসুস্থতায় ভুগলেও অর্থাভাবে নিয়মিত চিকিৎসা নিতে পারছেন না। জীবনের এই শেষ সময়ে চিকিৎসা সহায়তা না পেলে পরিস্থিতি আরও অবনতি হওয়ার আশঙ্কার কথা জানান জেলার শীর্ষ কর্মকর্তাকে।

জামিলা বেগম নামের এক নারী জেলা প্রশাসকের সাপ্তাহিক গণশুনানিতে হাজির হয়ে ডিসি জাহিদুল ইসলামকে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ থাকায় চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া তার পক্ষে অসম্ভব হয়ে পড়েছে। পরিবারের আয়ের কোনো নির্ভরযোগ্য উৎস না থাকায় তিনি এখন সম্পূর্ণ অসহায় অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন। জেলা প্রশাসকের আর্থিক সহয়তা পেয়ে উচ্ছ্বসিত জামিলা।

অসুস্থতার কারণে কর্মক্ষমতা হারানোর কথা জানিয়েছেন মো. মনজুর আলম আরেক নাগরিক। আগে উপার্জন করে পরিবার চালালেও বর্তমানে কাজ করতে না পারায় সংসার চালানোই কঠিন হয়ে পড়েছে। চিকিৎসা ব্যয় বহনের পাশাপাশি পরিবারের নিত্যপ্রয়োজনীয় খরচ জোগানোও এখন অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে জানানো হয় জেলা প্রশাসককে। তার পাশেও দাড়ালেন মানবিক ডিসি।

মো. নুরুল ইসলাম আরেক অসহায় নাগরিক দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসা নিতে গিয়ে তিনি নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন। ধার-দেনা করে চিকিৎসা চালালেও এখন আর কোনো উপায় নেই। চিকিৎসা বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঝুঁকির কথা উল্লেখ করে তিনি জেলা প্রশাসকের জরুরি সহায়তা কামনা করেছিলেন। তাকেও ফিরিয়ে দেননি ডিসি জাহিদুল ইসলাম।

একই নামে আরেক প্রবীণ নাগরিক নিজেকে বয়সের ভারে ন্যুব্জ ও অসহায় উল্লেখ করে চিকিৎসা সহায়তা চেয়েছেন। তিনি জানান, শারীরিক দুর্বলতা ও অসুস্থতার কারণে তিনি সম্পূর্ণ অন্যের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছেন। তাকেও নিরাশ করেন নাই ডিসি।

রাঙামাটি জেলার লংগদু উপজেলার বাসিন্দা, বর্তমানে চট্টগ্রামে বসবাসরত মো. সামাদ আলী জেলা প্রশাসককে বলেন, দারিদ্র্য ও অসুস্থতার কারণে চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া তার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। তিনি নিজেকে সম্পূর্ণ অসহায় উল্লেখ করে ডিসির সহযোগিতা কামনা করেছিলেন। তাকেও নগদ অর্থ সাহায্য করলেন জেলা প্রশাসক।

গণশুনানিতে জমা পড়া আবেদনগুলোর সার্বিক চিত্রে দেখা যায়, অধিকাংশ আবেদনকারী দীর্ঘমেয়াদি বা জটিল রোগে আক্রান্ত। চিকিৎসা ব্যয় বহন করতে গিয়ে অনেকে নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন। আবার অনেকে অসুস্থতার কারণে কর্মক্ষমতা হারিয়ে পরিবার নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

জেলা প্রশাসকের সাপ্তাহিক গণশুনানিতে এ ধরনের আবেদন সরাসরি শোনা হচ্ছে এবং তাৎক্ষণিক সহায়তা ও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই প্রক্রিয়া প্রশাসনকে মানুষের আরও কাছাকাছি নিয়ে এসেছে এবং জরুরি সহায়তা প্রদানে কার্যকর ভূমিকা রাখছে।

দিল্লিতে ভারত-বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:১২ অপরাহ্ণ
দিল্লিতে ভারত-বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক

দিল্লিতে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। বুধবার (৮ এপ্রিল) দুপুরে দিল্লির হায়দ্রাবাদ হাউসে আনুষ্ঠানিক বৈঠকের পর তারা একান্তে আলোচনা করেন।

কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, বৈঠকে দুই দেশের আঞ্চলিক ও দ্বীপক্ষীয় সম্পর্কের বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরও উপস্থিত ছিলেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে করা এক পোস্টে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জয়শঙ্কর বলেন, ‘বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান ও তার প্রতিনিধিদলকে আজ বিকেলে আতিথেয়তা দিতে পেরে আনন্দিত।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিভিন্ন দিক আরও জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা করেছি। পাশাপাশি আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক পরিস্থিতি নিয়েও মতবিনিময় হয়েছে। আমরা ভবিষ্যতেও ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রাখতে সম্মত।’

গত ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর সরকার গঠন করে বিএনপি। নতুন সরকারের আমলে এটিই বাংলাদেশের কোনো মন্ত্রীর প্রথম ভারত সফর।

এ শুভেচ্ছা সফরে গতকাল দিল্লিতে পৌঁছান খলিলুর রহমান। ভারতে পৌঁছানোর প্রথম দিনেই দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি।

এরপর আজ সকালে ভারতের কয়েকজন সম্পাদক ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকের সঙ্গে প্রাতঃরাশ সভায় যোগদান করেন। বিকেলে ভারতের পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাসবিষয়ক মন্ত্রী হারদীপ সিং পুরির সঙ্গে তার বৈঠকের কথা রয়েছে।

২০২৪-এর জুলাই আন্দোলনে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্কে ভাটা পড়ে। তবে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর সে সম্পর্ক পুনরুজ্জীবিত হচ্ছে বলে মনে করছেন অনেকে।

আগামী ১১ ও ১২ তারিখ মরিশাসের পোর্ট লুইসে অনুষ্ঠিতব্য ভারত মহাসাগরীয় সম্মেলনে যোগ দেবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। এর আগে পারস্পরিক মর্যাদা ও আস্থার ভিত্তিতে দীর্ঘ মেয়াদে সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার বার্তা নিয়ে ভারত সফরে যান তিনি।

বিসিবিতে বাপের দোয়া, মায়ের দোয়া কমিটি করিনি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:১৯ অপরাহ্ণ
বিসিবিতে বাপের দোয়া, মায়ের দোয়া কমিটি করিনি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আমিনুল ইসলাম বুলবুলের কমিটি ভেঙে মঙ্গলবার তামিম ইকবালের নেতৃত্বে গঠিত হয়েছে ১১ সদস্যের অ্যাডহক কমিটি। এই কমিটি এখন গোটা বাংলাদেশের ভক্ত-সমর্থকদের আলোচনার বিষয়। এই আলোচনা আজ জায়গা করে নিয়েছে জাতীয় সংসদের অধিবেশনেও।

সেখানেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডে (বিসিবি) তামিম ইকবালের নেতৃত্বে আহ্বায়ক কমিটি করা হয়েছে। তিনি একজন খেলোয়াড়। এখানে বাপের দোয়া মায়ের দোয়া কমিটি করিনি।’

মূলত, আজ বুধবার (৮ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহর এক প্রশ্নের জবাবেই এসব কথা বলেন তিনি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ আরও বলেন, ‘ক্রিকেট বোর্ডসহ সারাদেশের ক্লাবগুলোতে প্রভাব বিস্তার করে অন্তর্বর্তী সরকারের ক্রীড়া উপদেষ্টা। বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার ইনকোয়ারি করেছে, তদন্তের পর বোর্ড ভেঙে দেয়া হয়েছে। পরে তামিম ইকবালের নেতৃত্বে বিসিবির আহ্বায়ক কমিটি করা হয়েছে। এখানে বাপের দোয়া মায়ের দোয়া কমিটি করিনি।’

এর আগে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘বিসিবি এখন আর বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড নাই, এটা এখন বাপের দোয়া ক্রিকেট বোর্ডে পরিণত হয়ে গেছে।’