খুঁজুন
, ,

আমি মফস্বল সংবাদকর্মী,আমার জন্য কি?

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 11 April, 2020, 4:02 pm
আমি মফস্বল সংবাদকর্মী,আমার জন্য কি?

নিজের কষ্টকে আকরে ধরার পর,যখন
তেল মাখতে পারিনা বলে মূল্যায়নের কদর পাই না তাই আমার জন্য কোন কিছু নেই। এ জন্য আজ এ কঠিন মূহুর্তে আমার জন্য নেই কোন প্রটেকশন ব্যবস্থা, না আছে বেতন ভাতা। না কোন কর্মের মূল্যায়ন। কারণ আমি তো মফস্বল সাংবাদকর্মী।

চাপাবাজ, ধান্ধাবাজা, চাদাবাজ আর হলুদরাঙা সাংবাদিক নই। রোদে পুড়ে, বৃষ্টিতে ভিজে, দূর্যোগের মধ্যেও দায়িত্ব পালন করি। নিরেট সত্য বের করে আনতে কখনো নিজের জীবন বিপন্ন হওয়ার আশঙ্কাকে পিছনে ফেলে দায়িত্ব পালন করি। ভুলে যাই খাওয়া-দাওয়া। মানুষের কথা বলি, মানবতার কথা বলি। ক্ষুধার্ত নিপীড়িত, অন্যায়, অবিচার, অপরাধের কথা তুলে ধরি। আবার সরকারের উন্নয়নের কথা তুলে ধরি।

হয়তো মফস্বলে থাকি বলে আমার কোন মুল্যায়ন হয় না। প্রমোশন ও পেনশন হয় না। তারপরেও দুর্নাম আছে, সাংবাদিকের জায়গায় সাংঘাতিক শুনি। এটা হয় হলুদরাঙা এক ধরণের অপসাংবাদিকদের কারণে। তারপরেও অপবাদের লাঞ্চনা মাথায় নিয়েই মহা দূর্যোগের সময় সবার পাশে, সবার কাজে নিলর্জ্জের মতো মাঠে কাজ করি। মানুষের পাশে দাঁড়াই। দুর্ভোগের কথা তুলে ধরি। দেশের মানুষের কাছে সঠিক তথ্য পৌঁছে দিতে খাওয়া ও বিশ্রাম ছাড়াই পরিশ্রম করি। কখনো সামনে রাখা খাবার রেখেই কর্ম দায়িত্বে দৌড়াই। তবুও ভালো থাকুক সবাই। মানবতার জয় হোক। ভালো থাকুক আমার প্রিয় জন্মভূমি প্রিয় বাংলাদেশ। কারণ দেশ ভালো থাকলে যে, দেশের মানুষ ভালো থাকবে।

কারণ আমি যে, রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ গণমাধ্যমের অতি সামান্য হলেও একজন দায়িত্বশীল সচেতন নাগরিক। আমি ঘুমালে যে, একটি স্তম্ভ দূর্বল হয়ে পড়বে। তাই যতোই দূর্যোগ আসুক না কেন, আমাকে যে মহা দূর্যোগে থেকেই অর্পিত দায়িত্ব পালন করতে হবে। মুক্তির সন্ধান খুঁজে দিতে হবে। সমাধান দেখিয়ে দিতে হবে। ওই যে সাংবাদিকরা জাতির জাগ্রত বিবেক। জানি আমার জন্য কিছু নেই। তবুও কাজ করে যাব। ঘরের পরিবারের স্বজনদের অনেক সময় খোঁজ নেয়া হয়না।

সারাদিন খবরের পিছনে পিছনে ছুটি। নানান উৎকুন্ঠায় থাকে আমার পরিবার। কী না কী হয়। কত উৎকুন্ঠা। সঙ্গ পায় না, একা একা খাওয়া খায়। অনেক রাত পর্যন্ত জেগে থাকে, কখন বাড়িতে ফিরি। আমার তো নিরাপত্তা নেই। পরিবারের আপত্তি,কেন সাংবাদিকতা করি। মাঝে মাঝে জীবননাশের হুমকিও আসে। হামলাও হয়, মামলাও হয়। তবুও ভয় না করে কাজ করি। এ পেশায় যে ভয় পেতে নেই। এ পেশায় পদে পদে ঝুঁকি। তবুও নির্ভীক থাকি।

সংবাদমাধ্যমে সমাজের দর্পন। সে দর্পন সবার কাজে, সবার পাশে থাকার। মানুষের পাশে, রাষ্ট্রের কাজে নিবেদিত করেছি নিজেকে। কিছু না হোক, দেশের জন্য, মানুষের জন্য তো কাজ করতে পারছি। আমার কলম, আমার ক্যামেরা, আমার রিপোর্টে তো কতজনেরই না ভাগ্যের দ্বার খোলে। মানবতার অধিকার খুঁজে পায়। নির্যাতিত, নিপীড়িতরা বিচার পায়। এটাই আমরা সার্থকতা। এটা নিয়ে মনের শান্তি খুঁজি। কখনো ক্লান্তি শরীরে ঘাম ঝরে, তবুও সেই ঘামঝরা ক্লান্তি সময়ে খুঁজি মানুষের মুখে হাসি ফুটানোর প্রচেষ্টার নতুন কোন রিপোর্ট সৃষ্টির। মহামারী করোনা ভাইরাসের থাবায় অচল হয়ে পড়েছে আজ গোটা বিশ্ব।এ মরণ থাবা থেকে বাদ যায়নি আমার দেশ বাংলাদেশও।

চারদিকে করোনা আতঙ্ক। এরকম একটা ভাইরাস। যা আক্রান্ত ব্যক্তিকে নিয়ে তৈরি হয় আরেক আক্রান্ত হওয়ার আতঙ্ক। মারা গেলে লাশ নিয়ে আতঙ্ক। লাশের সৎ কাজ পর্যন্ত হচ্ছে না আক্রান্ত হবার ভয়ে। যদি লাশ থেকে ছড়িয়ে পড়ে এ ভাইরাস। এজন্য লাশকে জীবাণুনাশক স্প্রে করে মাত্র তিন চারজনে মাটি দিচ্ছেন। চীনে তো পুড়ে ফেলার ঘটনার খবর পড়েছে মানুষ।তারপরেও মাঠে, খবরের পাশে, খবর জানাতে সবাইকে ঘরে থাকতে বলছি নিজের নিরাপত্তার কথা চিন্তা না করে। আহা কী ভয়ঙ্কর সংক্রামক ভাইরাস। এ সংক্রমনে ইতিমধ্যে দেশে ৪৮২ জন শনাক্ত। ৩০ জনের প্রাণহানি।

মহামারী এ করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সরকার নিয়েছেন জোর পদক্ষেপ। ভাইরাস সংক্রামক রূখতে চালানো হচ্ছে প্রচার-প্রচারণা। সচেতনতামূলক প্রচার মাইকিং। সকল প্রকার গণমাধ্যমে জানানো হচ্ছে ভাইরাসের উপসর্গ। সংক্রামক রোগ হিসেবে গণজমায়েত বন্ধে দেশের বিভিন্ন জায়গায় করা হয়েছে লকডাউন। ভয়ে আতঙ্কে পুরো দেশ।

তবুও এ ভয়ের মাঠকে শঙ্কামুক্ত করতে নির্ভীকভাবে কাজ করছে প্রশাসন, ডাক্তার-নার্স, পুলিশ, সশস্ত্রবাহিনী আর সাংবাদকর্মী। এ যোদ্ধাদের মধ্যে আমিও মফস্বলের সংবাদকর্মী। সরকার সবাইকে বাড়িতে থাকতে নির্দেশ দিয়েছেন। এজন্য নিম্ন আয়ের মানুষদের জন্য নিয়েছেন ঘরে ফেরা কর্মসূচি। গৃহহীন ও ভূমিহীনদের জন্য বিনামূল্যে ঘর, ৬ মাসের খাদ্য এবং নগদ অর্থ প্রদান করার ঘোষণা দিয়েছেন। দিবেন বিনামূল্যে ওষুধ ও চিকিৎসাসেবাও। স্বাস্থ্যকর্মীদের ব্যক্তিগত সুরক্ষায় দিবেন পর্যাপ্ত সামগ্রী।

কিন্তু আমরা? আমাদের জন্য তো কোন কিছু নেই। মফস্বল সাংবাদকর্মী বলে কথা। রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে পালন করলেও আমাদের জন্য ভাবা হয়না। ভাবা হয় না আমাদের পরিবারের কথা। আমাদের অনেকেই অতি কষ্টে সংসার চালান। ক্ষুধার অনলে পুড়লেও পাথর চাপা দিয়ে সয়ে হাসিমুখে কাজ করে যান ঠিক। কষ্ট যতোই হোক না কেন, প্রকাশ করি না লজ্জার খাতিরেই। কাকে বলবেন? বলার তো জায়গা নেই। নিজের কষ্টকে চেপে রেখে মানুষের কষ্ট তুলে ধরাই যেন আমাদের ধর্ম। জাতির বিবেক বলে কথা। করিও তাই। আমাদের গণমাধ্যমের প্রতিষ্ঠানও সামান্য কিছু ভাতা ও একটি আইডি কার্ড প্রদান করে বলেছেন কাজ করে যাও। সবাই আবার সম্মানী ভাতাও পায় না। কিন্তু কষ্টের তো শেষ নাই। ঘটনার পিছনে ছুটোছুটি। সময়ের পর সময়। ঘন্টার পর ঘন্টা। সময়, পরিশ্রম আর বিনা বেতনে কি সুন্দর জীবন আমার। না বলার কষ্ট নিয়েই এভাবেই চলে যায় বছরের পর বছর। তবুও দিন শেষে বলি ভালো থাকুক সবাই। ভালো থাকুক আমার স্বাধীন সার্বভৌম দেশ। আমার প্রিয় বাংলাদেশ। ভাগ্য না বদলালেও বিরতিহীন কাজ।

গৌতম চন্দ্র বর্মন
ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি,২৪ ঘণ্টা ডট নিউজ।

Feb2
Feb2

৬৩ বিদেশির কারো কাছেই পাসপোর্ট পায়নি পুলিশ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 12 September, 2026, 9:13 pm
৬৩ বিদেশির কারো কাছেই পাসপোর্ট পায়নি পুলিশ

নগরের খুলশীর কৃষ্ণচূড়া আবাসিক এলাকায় অনলাইন প্রতারণার অভিযোগে গ্রেপ্তার ৬৩ বিদেশি নাগরিকের কারও কাছে পাসপোর্ট পায়নি পুলিশ। তাদের কাছ থেকে ১৩৪টি মোবাইল ফোন, ৫৭টি ল্যাপটপসহ বিভিন্ন ডিভাইস উদ্ধার করা হলেও পাসপোর্টের কোনো হদিস মেলেনি।

ফলে তারা কোন ভিসায় বাংলাদেশে প্রবেশ করেছেন, সে তথ্যও এখনো নিশ্চিত হতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত কমিশনার (অপরাধ ও অভিযান) ফয়সাল আহমেদ জানান, গ্রেপ্তার ৬৩ বিদেশির মধ্যে লাওসের ৩৪ জন, পাকিস্তানের ২১ জন, চীনের পাঁচজন, নেপালের একজন ও ভিয়েতনামের একজন রয়েছেন। তাদের মধ্যে ২০ জন নারী। এছাড়া তাদের সঙ্গে একটি শিশুও ছিল।

তাদের কাছ থেকে ১৩৪টি মোবাইল ফোন ও ৫৭টি বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ল্যাপটপ পাওয়া গেছে। তবে কারও কাছে কোনো পাসপোর্ট পাওয়া যায়নি। তিনটি পাকিস্তানি জাতীয় পরিচয়পত্র ও একটি কম্বোডিয়ার চাকরির কার্ড পাওয়া গেছে।

তিনি আরও জানান, পুরো ভবনটি ভাড়া নিয়ে সেখানে অনলাইনে বিভিন্ন প্রতারণামূলক কাজ করা হচ্ছিল। এর সঙ্গে দেশি-বিদেশি কিছু চক্র জড়িত রয়েছে। তবে প্রতারণার ধরন এখনো বিস্তারিতভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। প্রতারণার ধরন আমরা তদন্ত করছি। আপাতত তাদের বিরুদ্ধে সাইবার সুরক্ষা আইনে মামলা হয়েছে।

পুলিশের কর্মকর্তারা জানান, প্রায় ছয় মাস আগে দুবাইপ্রবাসী এক ব্যক্তির মালিকানাধীন আটতলা ভবনটি মাসে চার থেকে পাঁচ লাখ টাকায় ভাড়া নেওয়া হয়। সেখানে দেশভেদে আলাদা করে বিদেশি নাগরিকদের রাখা হয়েছিল। তাদের জন্য রান্নার ব্যবস্থাও ছিল। মহসিন নামে এক ব্যক্তির কাছে অধিকাংশ বিদেশির পাসপোর্ট রয়েছে। তিনিই ভবনটি ভাড়া নিয়ে তাদের যাবতীয় বিষয় দেখভাল করতেন। বর্তমানে পুলিশ তাকে খুঁজছে।

কাউন্টার টেরোরিজমের কর্মকর্তাদের ধারণা, চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে এসব বিদেশিকে বাংলাদেশে আনা হয়েছে। তাদের কেউ কেউ অনলাইন মার্কেটিংয়ের নামে পণ্য দেওয়ার কথা বলে অগ্রিম টাকা নেওয়া কিংবা হানিট্র্যাপের মতো প্রতারণায় দক্ষ হতে পারেন।

খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.আব্দুর রহিম জানান, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে তারা কবে এবং কোন ভিসায় বাংলাদেশে এসেছেন, সেটি বের করা হবে। বর্তমানে মামলাটি কাউন্টার টেরোরিজম তদন্ত করছে।

ঘণ্টায় ৫৮ কনটেইনারে ৮২ টিইইউএস হ্যান্ডলিং রেকর্ড আরএসজিটির

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 12 September, 2026, 9:08 pm
ঘণ্টায় ৫৮ কনটেইনারে ৮২ টিইইউএস হ্যান্ডলিং রেকর্ড আরএসজিটির

দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দরের পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনালে আরএসজিটি বাংলাদেশ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৫৮ কনটেইনারে ৮২ টিইইউএস (২০ ফুট একক) হ্যান্ডলিংয়ের রেকর্ড করেছে। এটি দেশে নতুন মানদণ্ড স্থাপন করেছে।

আরএসজিটি বাংলাদেশ জানিয়েছে, গত ১০ সেপ্টেম্বর পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনালে প্রথমবারের মতো সিএমএ-সিজিএমের ক্রেনবিহীন জাহাজ (গিয়ারলেস ভ্যাসেল) ‘এমভি ওয়ানেন’ (MV WANEN)-এ নতুন যুক্ত হওয়া শিপ-টু-শোর (এসটিএস) গ্যান্ট্রি ক্রেন ব্যবহার করে কনটেইনার ওঠানামার সময় এই উৎপাদনশীলতা অর্জিত হয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটি জানায়, এই অর্জন চট্টগ্রাম বন্দরের অতীতের গড় উৎপাদনশীলতার প্রায় দ্বিগুণ।

এর আগে, চট্টগ্রাম বন্দরে কনটেইনারবাহী জাহাজে ঘণ্টায় গড়ে প্রায় ৩০ কনটেইনার বা ৪৮ টিইইউএস ওঠানামা করা হতো।

আধুনিক সরঞ্জাম ও আন্তর্জাতিক টার্মিনাল পরিচালনার অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনালের দক্ষতা বাড়ানোর চেষ্টার অংশ হিসেবেই এই সফলতা এলো।

উচ্চমাত্রার এই উৎপাদনশীলতা জাহাজের টার্নঅ্যারাউন্ড টাইম কমাবে, বার্থের ব্যবহার বাড়াবে এবং জাহাজ সংক্রান্ত খরচ কমাবে।

আরএসজিটি বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) Erwin Haaze বলেন, ঘণ্টায় ৫৮টি মুভ বা ৮২ টিইইউএস অর্জনের এই সাফল্য কেবল উৎপাদনশীলতার কোনো সাধারণ অর্জন নয়; এটি বাংলাদেশে আধুনিক বন্দর ব্যবস্থাপনার অপার সম্ভাবনা তুলে ধরে। বিশ্বমানের প্রযুক্তি সংযোজন, আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা, সুশৃঙ্খল পরিচালন পদ্ধতি এবং একটি দক্ষ জনবলের যৌথ প্রয়াসেই এই মাইলফলক অর্জিত হয়েছে।

তিনি বলেন, আমরা আমাদের পরিচালনাগত মান ক্রমাগত উন্নত করতে এবং গ্রাহক ও অংশীদারদের নিরাপদ, দক্ষ ও নির্ভরযোগ্য সেবা দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

আরএসজিটি বাংলাদেশ জানিয়েছে, এই মাইলফলক পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনালকে আরও দক্ষ, প্রতিযোগিতামূলক ও বিশ্বব্যাপী সংযুক্ত একটি সামুদ্রিক প্রবেশদ্বার হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা সুদৃঢ় করেছে। বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান বাণিজ্যকে সহায়তা দিতে আধুনিক অবকাঠামো, প্রযুক্তি, পরিচালনগত উৎকর্ষ এবং জনশক্তি উন্নয়নে বিনিয়োগ অব্যাহত রাখবে প্রতিষ্ঠানটি। আরএসজিটি বাংলাদেশ গ্রাহক, অংশীদার ও অংশীজনদের অব্যাহত আস্থা, বিশ্বাস ও সহযোগিতার জন্য আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ।

আমরা দেশকে পুনর্গঠন করতে চাইলে কেউ ঠেকিয়ে রাখতে পারবে না : প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 12 September, 2026, 3:12 pm
আমরা দেশকে পুনর্গঠন করতে চাইলে কেউ ঠেকিয়ে রাখতে পারবে না : প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, আমি আপনাদের কাছে একটা সাহায্য চাই। আমি যতটুকু জানি, বাংলাদেশে স্কাউটের সংখ্যা প্রায় ২৩ লাখ। বিএনসিসির সদস্য সংখ্যা ২২ হাজার। দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের সংখা প্রায় ৪ কোটি। এবার আপনার বলেন, আমরা এতোগুলো মানুষ যদি দেশকে পুনর্গঠন করতে চাই, কেউ কি ঠেকিয়ে রাখতে পারবে? পারবে না।

শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকালে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় দেশব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান-২০২৬-এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি আরও বলেন, এখন আপনাদের দায়িত্ব নিতে হবে কীভাবে দেশকে গড়ে তুলবেন। দেশকে গড়ে তুলতে হবে, কারণ আমরা এখানে থাকব।

একটা দেশের এত বড় তরুণ সমাজ যদি দেশকে পরিবর্তন করতে চায়, তাহলে করা সম্ভব উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তরুণ সমাজ যে পরিবর্তন করতে পারে, সেটি তারা ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সারা বিশ্বকে দেখিয়েছে। পরিবর্তনের সূচনা তরুণ সমাজ এখান থেকে শুরু করেছেন। কাজেই আসেন, আগামী ৩ মাস ডেঙ্গুর সমস্যা সমাধান করার চেষ্টা করব। হয়তো আমরা শতভাগ পারব না, কিন্তু ৮০ ভাগ পারব।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা সবাই জানি, ডেঙ্গু যেসব কারণে হয়… ভাঙা-চোরা জিনিসপত্র বিভিন্ন জায়গায় পড়ে থাকে, বিভিন্ন মাটির ভাঙা জিনিস পড়ে থাকে… সেখানে পানি জমে ডেঙ্গু এডিস মশা তৈরি হয়। কাজেই আমরা সবাই মিলে চেষ্টা করলে দেশের পরিবর্তন ঘটাতে পারব। এই মাঠে আজকে আমরা যতগুলো মানুষ উপস্থিত রয়েছি, বিভিন্ন জেলায় (অনলাইনে যুক্ত) যারা মাঠে উপস্থিত রয়েছেন, সবাই যদি টিস্যু ও পানি খেয়ে বোতল মাঠে ফেলে দিই, কেউ কি আমাদের কিছু বলবে? বলবে না।

“কিন্তু আমাদের নিজেদের চোখে দেখতে কেমন লাগবে? যখন এই ময়লাগুলো জমা হয়ে বড় আকার হবে, সেখান থেকে রোগ-জীবাণু সৃষ্টি হবে। আপনি হয়তো ভাবতে পারেন তাতে আমার কী হবে, আমি তো দূরে থাকি। কিন্তু আপনার আপনজন কিংবা প্রিয়জন কেউ অসুস্থ হয়ে পড়বে। কাজেই আমরা নিজেকে ও পরিবারকে সুস্থ রাখি। নিজের সমাজকে সুস্থ রাখি। দেশকে সুস্থ রাখি।”

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, কাজটা খুব কঠিন না। আজকে হয়তো আপনাদের একটু কষ্ট হবে। প্রতি সপ্তাহে আমরা যদি ১ ঘণ্টা সময় দিই, নিজেদের বাসা কিংবা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বা কর্মস্থল পরিষ্কার করতে, তাহলে অবশ্যই দ্রুততার সঙ্গে পরিবর্তন করতে সক্ষম হবো।

তারেক রহমান বলেন, যারা ময়লা-আবর্জনা করবে, আসুন তাদের আমরা নিরুসাহিত করি, তাদের বলি—‘যেখানে সেখানে ময়লা করবেন না’।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০২৪ সালে তরুণ সমাজ দেখিয়ে দিয়েছে কীভাবে দেশকে পরিবর্তন করতে হয়। পরিবর্তন হয়েছে। তরুণ সমাজের কাছে আমার আহ্বান, আসুন এবার আমরা রাষ্ট্রকে, দেশকে পুনর্গঠন করি।